‘বাণিজ্য ঘাটতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ-ভারত আন্তরিকভাবে কাজ করছে’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট১৬:৫৮, মার্চ ১৯, ২০১৭

 

আমির হোসেন আমুবাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়লেও দুই দেশের মধ্যে  বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ প্রায় ৫ দশমিক ৫৭৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন,  ‘এ বাণিজ্য ভারতে অনুকূলে রয়েছে। বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি মোকাবিলায় দুই দেশের সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।’ শনিবার রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ভারতের কিরলোস্কার ব্র্যান্ডের জ্বালানি সাশ্রয়ী ডিজেল জেনারেটর ‘৩০০০০-এইচএইচপি জেনসেটস্’-এর বাজারজাতকরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘ইতোমধ্যে ভারতের পক্ষ থেকে ২৫টি আইটেম ছাড়া বাংলাদেশি সকল পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় উদ্যোক্তাদের জন্য  বাংলাদেশও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে। এ ধরনের ইতিবাচক উদ্যোগ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।’

ঐতিহাসিক বন্ধত্বপূর্ণ সম্পর্কের ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ দিন দিন বাড়ছে উল্লেখ করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৫ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। এর ফলে দিন-দিন বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।’

আমির হোসেন আমু বলেন, ‘বিদেশি বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান। বাংলাদেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য ভারতে পুনরায় রফতানির সুযোগ রয়েছে।’ এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি জোরদারে অবদান রাখতে উভয় দেশের উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান শিল্পমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে কিরলোস্কার কোম্পানির যুগ্ম ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরআর দেশপান্ডে, ভাইস প্রেসিডেন্ট সঞ্জীব নীমকার, এনআরবিসি কমার্সিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার ফরাসাত আলী, কোম্পানির বাংলাদেশ পরিবেশক ও ম্যাগপাই ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান আবদুস সালেক বক্তব্য রাখেন।

/এসআই/এমএনএইচ/

লাইভ

টপ