behind the news
Vision  ad on bangla Tribune

ব্যাংকিং খাতে তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন ঝুঁকি

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট১৮:৪৪, এপ্রিল ২০, ২০১৭

বিআইবিএমবাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান বলেছেন, অনভিজ্ঞ কর্মকর্তা নিয়োগের কারণে ব্যাংকিং খাতে সংকটের সষ্টি হয়েছে। এতে নতুন নতুন ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। ব্যাংকিং খাতের পরিসর ও আকার বেড়েছে। কিন্তু দক্ষ কর্মকর্তার সংকট কাটেনি। প্রতি বছরই অনেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ উঠছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ ইনিস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) আয়োজিত ‘ব্যাংকিং খাতে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ, বিআইবিএমের অধ্যাপক হেলাল আহমেদ চৌধুরী, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এহসানুল হক প্রমুখ।
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, ‘রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংক একসময় সেরা ব্যাংক ছিল। কিন্তু দুর্নীতিবাজ শীর্ষ কর্মকর্তাদের কারণে মাত্র তিন বছরেই ব্যাংকটি শেষ হয়ে গেছে। বেসিক এবং সোনালী ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তাদের মতো দুর্নীতিপরায়ণ কাউকে নিয়োগ দিলে তারা ভালো ব্যাংককেও শেষ করে দেবে ।’

সরকারি ব্যাংকের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পয়সা চুরি করে সাধারণ মানুষের করের টাকা দিয়ে মূলধন ঘাটতি পূরণ করা হয়। অথচ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয় না। ব্যাংকের লভ্যাংশ সবার মাঝে ভাগ করে দেওয়া উচিত। তা না করে ব্যাংকের মালিকরা নিজেদের মধ্যে শেয়ার ভাগাভাগির জন্য অর্থমন্ত্রণালয়ের কাছে ধরণা দিচ্ছেন। আগে যেখানে ছয় মাস ফাউন্ডেশন প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। এখন সেটা ১৫ দিনে নামিয়ে আনা হয়েছে। কিন্তু ১৫ দিনে কোনও ফাউন্ডেশন কোর্স হতে পারে না। ব্যাংকিং খাতে কাগজে-কলমে নৈতিকতা থাকলেও বাস্তবে এর কোনও চর্চা নেই।’

বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হেলাল আহমেদ বলেন,‘ব্যাংকে অনেক লবিস্ট রয়েছে। এদের কারণে ব্যাংকগুলোতে অনেক পদ সৃষ্টি করতে হয়। সব ব্যাংকেই এসব লবিস্ট গোষ্ঠী থাকে। তারা লবিং করে নিয়োগ পেতে চান। বিভিন্ন পরিচালকের সুপারিশে তারা আসেন।’ অধ্যাপক ইয়াছিন আলী বলেন, ‘ব্যাংকে নিয়োগের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। অসৎ কর্মকর্তা নিয়োগ পেলে সর্বনাশ হয়ে যাবে।’ এক্ষেত্রে সবাইকে নৈতিকতা মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এহসানুল হক বলেন,‘অনেক সময় তদবিরের কারণে সঠিক নিয়োগ দেওয়া কঠিন হয়ে যায়। কোনও ব্যাংকে সঠিক নিয়োগের পরিকল্পনাও নেই। থাকলেও তার চর্চা নেই। গ্রাম পর্যায়ের শাখা ব্যবস্থাপকদের ব্যাপক স্বেচ্ছাচারিতা লক্ষ্য করা যায়।’

ওয়ান ব্যাংকের অতিরিক্ত উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জন সরকার বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতে জনবল নিয়োগে পারিবারিক ঐতিহ্য দেখতে হবে। ব্যাংক কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈষম্য কমাতে হবে।’

/জিএম/ এপিএইচ/

আরও পড়ুন: 


ইপিজেডে ট্রেড ইউনিয়ন করতে না দেওয়ার শর্ত আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

 

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

টপ