Vision  ad on bangla Tribune

দেশে পাঁচ বছরে চীনের বিনিয়োগ বেড়েছে ১০০ শতাংশ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট১৭:৪৮, জুলাই ১৭, ২০১৭

ডিসিসিআই ও আইটিসির প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অতিথি ও অংশগ্রহণকারীরা গত পাঁচ বছরে বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ প্রায় ১০০ শতাংশ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি আবুল কাসেম খান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতির ধারাকে আরও বেগবান করার জন্য চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তির এ সময়ে ই-কমার্সের মাধ্যমে বিশেষ করে জুয়েলারি, কাঠ ও মাটির তৈরি তৈজসপত্র, চিত্রকর্ম, ফ্যাশনবিষয়ক পণ্য সামগ্রী প্রভৃতি বাজারজাতকরণের সুযোগ রয়েছে। এসএমই খাতের উদ্যমী উদ্যোক্তারা এই সুযোগ নিতে পারেন।’ সোমবার (১৭ জুলাই) ডিসিসিআই ও ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টার (আইটিসি) আয়োজিত এক  প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।

ই-কমার্সের মাধ্যমে চীনে রফতানি বৃদ্ধিবিষয়ক দুই দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নিযুক্ত চীনের দূতাবাসের ইকোনমিক ও কমার্শিয়াল কাউন্সিলর লি গুয়াংজুন। তিনি  বলেন, ‘ই-কমার্সের মাধ্যমে পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে চীন পৃথিবীর বৃহত্তম বাজার। চীন সরকার এলডিসিভুক্ত দেশগুলো থেকে চীনের বাজারে পণ্য রফতানির বিষয়টিকে উৎসাহিত করে থাকে, এ জন্য চীনে বাংলাদেশি পণ্য রফতানি বাড়ানোর প্রচুর সুযোগ রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘গত অর্থবছরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যেখানে বাংলাদেশ প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানি করেছে।’

বাংলাদেশ থেকে প্রধানত টেক্সটাইল, তৈরি পোশাক, সি ফুড, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য এবং প্লাস্টিক পণ্য রফতানি হয়ে থাকে জানিয়ে রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণে গুরুত্ব দেওয়ার তাগিদ দেন কাউন্সিলর লি গুয়াংজুন। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশ এশিয়া-প্যাসিফিক ট্রেড এগ্রিমেন্ট (আপটা)-এর আওতায় চীনে পণ্য রফতানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করে থাকলেও চীন সরকার এলডিসিভুক্ত দেশগুলো থেকে পণ্য রফতানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে সম্প্রতি ‘ডিউটি ফ্রি-ট্যারিফ ফ্রি এগ্রিমেন্ট’ নামে একটি প্রকল্প নিয়েছেন। ডিসিসিআইর মহাসচিব এএইচএম রেজাউল কবিরের সঞ্চালনায় কর্মশালায় প্রশিক্ষক ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টারের  মোহাম্মদ ইস ফিহ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিসিসিআইর সিনিয়র সহসভাপতি কামরুল ইসলাম, সহসভাপতি হোসেন এ সিকদার, সাবেক সহসভাপতি এম আবু হোরায়রাহ।

 জিএম/এএম/টিএন/

লাইভ

টপ