‘সঞ্চয়পত্র থেকে বেশি অর্থ নেওয়ায় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে’

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০২:৫৭, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৭ | সর্বশেষ আপডেট : ০৩:১১, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৭

বিআইবিএম মিলনায়তনে আয়োজিত মুদ্রানীতি বিষয়ক কর্মশালাসঞ্চয়পত্র থেকে সরকার বেশি অর্থ নেওয়ার কারণে দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ। বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) মিলনায়তনে মুদ্রানীতি (জুলাই-ডিসেম্বর) শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।
কর্মশালায় ঘোষিত মুদ্রানীতি বিষয়ে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. ফয়সাল আহমেদ। বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধূরী সভাপতিত্বে কর্মশালায় সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় সূচনা বক্তব্য রাখেন বিআইবিএম পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ড. শাহ মো. আহসান হাবীব।
আলোচনায় খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, ‘সঞ্চয়পত্রের ওপর অনেকেই নির্ভরশীল। সেই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সঞ্চয়পত্রে সংস্কার আনা প্রয়োজন। গরীব ও মধ্যবিত্তদের জন্য সেভিংস সার্টিফিকেট চালু করতে হবে। এতে সুদহার তুলনামূলক বেশি রাখা যেতে পারে। অন্যদিকে, সেভিংস বন্ড হবে ধনীদের জন্য। এর সুদহার হবে ব্যাংক রেটের মতো।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক এই ডেপুটি গভর্নর বলেন, ‘প্রবৃদ্ধি শুধু অর্থ সরবরাহের ওপর নির্ভর করে না। বিনিয়োগকারীরা গ্যাস-বিদ্যুৎ পেলে আরও বেশি বিনিয়োগ হবে। এর সঙ্গে মুদ্রনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। সরকারি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ স্বাভাবিক নয়। এসব ব্যাংক নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্ষমতা বাড়াতে হবে।’
ড. ফয়সাল আহমেদ বলেন, ‘উচ্চ প্রবৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়েছে। বেসরকারি খাত বিনিয়োগের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ পাবে। তবে উচ্চ প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগের জন্য মুদ্রানীতির বাইরে আরও কিছু বিষয় রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘সরকার বাজেটে ঘোষণা দিয়েও প্রয়োজন না হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ব্যাংক ঋণ নিচ্ছে না। সরকার সঞ্চয়পত্র থেকে বেশি অর্থ নিচ্ছে। এত অর্থ নেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক-নেতিবাচক দিক পর্যালোচনা করতে হবে।’
কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি প্রফেসর মো. ইয়াছিন আলি।

/জিএম/টিআর/

লাইভ

টপ