এপিজির কো-চেয়ার হলেন আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৯:২১, এপ্রিল ১৭, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:৩১, এপ্রিল ১৭, ২০১৮

আবু হেনা মোহা. রাজী হাসানএশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানিলন্ডারিং (এপিজি) এর কো-চেয়ার মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) প্রধান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গর্ভনর আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান। মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার ও উদ্যোগের স্বীকৃতিস্বরূপ এপিজির সদস্যরা সর্বসম্মতভাবে ২০১৮-২০২০ মেয়াদে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশকে এপিজির কো-চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব অর্পণ করে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৪১টি দেশের সংগঠন এপিজি মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণকারী সংস্থা ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্কফোর্সের একটি আঞ্চলিক সংস্থা। মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক এই আঞ্চলিক সংগঠনটিতে সদস্য ছাড়াও ৮টি দেশ ও ২৮টি আন্তর্জাতিক সংস্থা পর্যবেক্ষকের ভূমিকা পালন করছে।

বাংলাদেশ এপিজির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে এর সব বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশগ্রহণসহ সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালনা ও বেগবান করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ ২০০৩-০৪, ২০০৪-০৫, ২০১০-২০১১ ও ২০১১-২০১২ মেয়াদে সংস্থাটির মূল নীতিনির্ধারণী কমিটি, স্ট্রিয়ারিং গ্রুপের সদস্য হিসেবে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করে। বর্তমানেও বাংলাদেশ এপিজির মূল নীতিনির্ধারণী কমিটিতে কাজ করছে। 

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে এপিজির প্রাইমারি কন্ট্যাক্ট পয়েন্ট হিসেবে কাজ করছে। এছাড়া বিভিন্ন ওয়ার্কিং গ্রুপ ও বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ কমিটিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে। পাশাপাশি আঞ্চলিক পর্যায়ে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বাংলাদেশ ও এর প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

২০১০ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত এপিজির ১৩তম টাইপোলজি কর্মশালা প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেন। এতে অর্থমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। বিএফআইইউর প্রধান আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান এপিজির কো-চেয়ার হিসেবে এর সদস্য ৪১টি দেশের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থা উন্নয়নে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি সংস্থাটির বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, বার্ষিক সভার আয়োজনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।

আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান ২০১২ সাল থেকে বিএফআইইউর প্রধান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি মানিলন্ডারিং এবং সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় সমন্বয় কমিটির সদস্য সচিব, ওয়ার্কিং কমিটি এবং জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ ও প্রতিকার কমিটির সদস্য। তিনি ২০১৪ সালে বাংলাদেশকে এফএটিএফ এর ধূসর তালিকা থেকে বের করে আনা ও বিশ্বের সব এফআইইউ’র সংগঠন এগমন্ট গ্রুপের সদস্যপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন।

 

/জিএম/এএম/

লাইভ

টপ