মানবসম্পদ উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে তৈরি হচ্ছে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট

Send
শফিকুল ইসলাম
প্রকাশিত : ০৯:৫৯, মে ১৪, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:৪৬, মে ১৪, ২০১৮

 


বাজেটমানবসম্পদ উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে তৈরি হচ্ছে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট। আসন্ন বাজেটে দ্বিতীয় গুরুত্ব পাচ্ছে পরিবহন ও জ্বালানি খাত। এছাড়া, পৃথক বাজেট বরাদ্দ থাকছে সরকারের মেগা প্রকল্পে। নতুন বাজেটে কমবে করপোরেট ট্যাক্স। বাড়বে ট্যাক্সের পরিধি।এদিকে অপ্রয়োজনীয় শুল্ক ও কর বাদ দেওয়ার ঘোষণা থাকতে পারে অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায়। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এবারের বাজেটে বেসরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পেনশন ব্যবস্থা চালুর রূপরেখা থাকছে। সামাজিক নিরাপত্তা খাতের পরিমাণ ও আওতা বাড়বে। বাড়বে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়মিত ভাতার পরিমাণ।
সূত্র জানায়, আগামী বাজেটের সম্ভাব্য আকার হতে পারে চার লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকার মতো। বিষয়টি অর্থমন্ত্রী নিজেই উল্লেখ করেছেন। সে হিসেবে আসন্ন ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটের পরিমাণ বর্তমান (২০১৭-১৮) অর্থবছরের বাজেটের তুলনায় ১৬ শতাংশ বেশি।

নতুন অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) পরিমাণ ধরা হয়েছে এক লাখ ৮০ হাজার ৮৬৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা, যা এ অর্থবছরের তুলনায় ১৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ বেশি। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এডিপিতে বরাদ্দ আছে এক লাখ ৫৩ হাজার ৩৩১ কোটি টাকা।

নতুন অর্থবছরের মোট একলাখ ৮০ হাজার ৮৬৯ কোটি ১৭ লাখ টাকার এডিপির মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে একলাখ ১৩ হাজার কোটি, বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৬০ হাজার কোটি এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিল থেকে সাত হাজার ৮৬৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা খরচের লক্ষ্য ধরা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ সব তথ্য জানা গেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র আরও  জানায়, আগামী বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ধরা হতে পারে সাত দশমিক ৬ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতির হার ধরা হতে পারে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। আগামী বছর মাট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হতে পারে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা।

আসন্ন বাজেটে ১৭টি খাতের মধ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া ১০টি খাতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই ১০টি খাত হচ্ছে— মানবসম্পদ উন্নয়ন, পরিবহন,  বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, ভৌত-পরিকল্পনা-পানি সরবরাহ ও গৃহায়ণ, পল্লী উন্নয়ন ও পল্লী প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা ও ধর্ম, বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য-পুষ্টি-জনসংখ্যা ও পরিবার কল্যাণ, কৃষি, নদী ভাঙন রোধ ও নদী ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে পানি সম্পদ ও জনপ্রশাসন।

এবারের বাজেটে বেসরকারি খাতের জন্য পেনশন ব্যবস্থা প্রবর্তনের একটি রূপরেখাও থাকবে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ৭ জুন জাতীয় সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ৩০ জুন জাতীয় সংসদে নতুন বছরের বাজেট পাশ হবে, যা পরের দিন ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। এটি হবে শেখ হাসিনার সরকারের টানা দ্বিতীয় মেয়াদের ১০ম বাজেট। আসন্ন ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের টানা ১০ম বাজেট হলেও, এটি হবে তার ১২তম বাজেট পেশ। অর্থমন্ত্রী মুহিত এর আগে এরশাদ সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে ১৯৮২-৮৩ ও ১৯৮৩-৮৪ অর্থবছরের ২টি জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেছিলেন।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের বছর হবে ২০১৮ সাল। এ বছরের ডিসেম্বরেই হতে পারে ১১তম জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন। তাই এবারের বাজেট হবে সরকারের নির্বাচনি বাজেট, মানুষকে খুশি করার বাজেট। জনগণের প্রত্যাশার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রণীত হবে এ বাজেট। তাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা নিয়ে বহির্বিশ্বের অর্থনৈতিক সুযোগ অধিক ব্যবহার, প্রবাসী আয় বাড়ানো ও নতুন রফতানির বাজার অনুসন্ধানের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে ইতোমধ্যেই আগামী (২০১৮-১৯) অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

এবার ভোটাররা যাতে চাপের মুখে না পড়েন সেদিকটি বিবেচনায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করা হবে। এ কারণে আগামী বাজেটে অপ্রয়োজনীয় শুল্ক ও কর বাদ দেওয়া হতে পারে। আয়কর পরিশোধের ক্ষেত্রে হয়রানি কমাতে ই-পেমেন্ট এবং ই-ফিলিং চালু করার ঘোষণা থাকতে পারে। রাজস্ব আদায় বাড়াতে বিটিআরসির আইন সংশোধন করা হতে পারে। রাজস্ব ব্যয়ের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ১৩ ডিজিটের পরিবর্তে ৩৭ ডিজিটের বাজেট ও অ্যাকাউন্টিং ক্ল্যাসিফিকেশন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীদের ভাতা সরাসরি জি-টু-পি (গভর্মেন্ট টু পাবলিক) পদ্ধতিতে প্রদানের উদ্যোগ থাকতে পারে। পেনশন ডাটাবেজ প্রণয়ন, ই-চালান ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে সরকারের অর্থ অপচয় রোধ এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা গতিশীল করার সিদ্ধান্ত থাকবে এবারের বাজেটে।

আসন্ন বাজেটে ভর্তুকির পরিমাণ বাড়ানো হতে পারে। মোট জিডিপির ১ দশমিক ১ শতাংশ বরাদ্দ থাকতে পারে ভর্তুকি ও প্রণোদনা খাতে। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে খাদ্য ভর্তুকি বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪ হাজার ৫৪৬ কোটি টাকা।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, এই বছর পদ্মা সেতু রেল সংযোগ, দোহাজারী থেকে ঘুনধুম পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ, পদ্মা সেতু, মেট্রো লাইন-৬, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর ও মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রভৃতি মেগা প্রকল্পকে গুরুত্ব দিয়ে বেশি বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হবে। ইতোমধ্যেই মেগা প্রকল্পের বরাদ্দ ঠিক করা এবং কাজের অগ্রগতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটের জন্য সম্ভাব্য বরাদ্দ সীমা নির্ধারণ করা হয়।

সূত্র জানিয়েছে, আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সামাজিক নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। সরকার মানবসম্পদ উন্নয়নে নানা ধরনের পরিকল্পনা নেওয়ার কথাও ভাবছে।  কৃষি, পল্লী উন্নয়ন ও কর্মসৃজনের পাশাপাশি দেশের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যহারে বাড়ানো হবে। এক্ষেত্রে রেলপথ উন্নয়ন, বন্দর উন্নয়ন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও সড়কখাত অগ্রাধিকার পাচ্ছে।

এছাড়া, দেশের সূর্যসন্তান হিসেবে পরিচিত মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতাসহ সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় থাকা সব ধরনের ভাতার পরিমাণ বাড়বে। একই সঙ্গে বরাদ্দের ক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সক্ষমতা অর্জন, সরকারি সেবাদানে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হবে।

জানা গেছে, ১০ মে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় আগামী অর্থবছরের জন্য ১৭টি খাতের মধ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া ১০টি খাতের প্রথমটি হচ্ছে পরিবহন খাতে ৪৫ হাজার ৪৪৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, যা মোট এডিপির ২৬ দশমিক ২৭ শতাংশ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ খাতে ২২ হাজার ৯৩০ কোটি ২০ লাখ টাকা, যা মোট এডিপির ১৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। তৃতীয় সর্বোচ্চ ভৌত-পরিকল্পনা-পানি সরবরাহ ও গৃহায়ণ খাতে ১৭ হাজার ৮৮৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা, যা মোট এডিপির ১০ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

এছাড়া, গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতিশীলতা আনা এবং অধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য চতুর্থ সর্বোচ্চ পল্লী উন্নয়ন ও পল্লী প্রতিষ্ঠান খাতে ১৬ হাজার ৬৯০ কোটি ৩০ লাখ টাকা, যা এডিপির ৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ। শিক্ষার প্রসার ও গুণগতমান বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষা ও ধর্ম খাতে পঞ্চম সর্বোচ্চ বরাদ্দ ১৬ হাজার ৬২০ কোটি ৩৩ লাখ  টাকা, যা এডিপির ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ। রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণসহ তথ্য প্রযুক্তির প্রসারে বিজ্ঞান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে ১৪ হাজার ২১০ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, যা এডিপির ৮ দশমিক ২১ শতাংশ। স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য-পুষ্টি-জনসংখ্যা ও পরিবার কল্যাণ খাতে বরাদ্দ ১১ হাজার ৯০৫ কোটি টাকা, যা এডিপির ৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে কৃষি খাতে বরাদ্দ ৭ হাজার ৭৬ কোটি ২২ লাখ টাকা, যা এডিপির ৪ দশমিক শুন্য ৯ শতাংশ। নদী ভাঙ্গন রোধ ও নদী ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে পানি সম্পদ সেক্টরে বরাদ্দ ৪ হাজার ৫৯২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা, যা এডিপির ২ দশমিক ৬৫ শতাংশ। মানব সম্পদ উন্নয়নসহ দক্ষতা বৃদ্ধিতে গতিশীলতা আনতে জনপ্রশাসন খাতে বরাদ্দ ৩ হাজার ৩৬১ কোটি টাকা, যা মোট এডিপির ১ দশমিক ৯৪ শতাংশ।  

এনইসি সভায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া ১০ মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর মধ্যে- সর্বোচ্চ বরাদ্দ স্থানীয় সরকার বিভাগের অনুকূলে ২৩ হাজার ৪৩৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ বিদ্যুৎ বিভাগের জন্য ২২ হাজার ৮৯২ কোটি ৬০ লাখ  টাকা এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের জন্য ২০ হাজার ৮১৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। এরপর পর্যায়ক্রমে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ১১ হাজার ৭২০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা, রেলপথ মন্ত্রণালয় ১১ হাজার ১৫৪ কোটি ৭২ লাখ টাকা, সেতু বিভাগে ৯ হাজার ১১২ কোটি ১৫ লাখ টাকা, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে ৯ হাজার ৪০ কোটি ৬৩ লাখ টাকা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ৮ হাজার ৩১২ কোটি টাকা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা  বিভাগে ৬ হাজার ৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকা এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অনুকূলে বরাদ্দ করা হয়েছে ৫ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা।

বেসরকারি পর্যায়ে প্রাথমিকভাবে বড় বড় করপোরেট হাউস ও শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে কমর্রত চাকরিজীবীদের নতুন বাজেটে সর্বজনীন পেনশন পদ্ধতির আওতায় অনার প্রস্তাব করা হতে পারে। পর্যায়ক্রমে অন্য খাতের প্রতিষ্ঠানকেও আনা হবে এমন নির্দেশনা সম্বলিত রূপরেখা থাকবে বলেও জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নির্বাচনকে সামনে রেখে অবশ্যই আগামী বাজেটে বেশ কিছু নতুন দিক থাকবে। এটাই স্বাভাবিক। জনসাধারণের আগ্রহের বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই প্রণীত হবে আগামী বাজেট। জনগণ সম্পৃক্ত কর্মসূচিগুলোয় বরাদ্দ বাড়বে। তাদের জন্য নতুন কোনও কর্মসূচিও চালু করা হতে পারে। সরকারের উন্নয়ন সফলতা তুলে ধরে আগামী বাজেটে বড় কোনও প্রকল্প গ্রহণ করা হবে না। তবে সরকারের অগ্রাধিকার পাওয়া প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে বরাদ্দ বাড়িয়ে নতুন দিক নির্দেশনা থাকতে পারে। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কারণ জনগণের আশা-আকাঙ্খার কথা বিবেচনায় রেখেই আওয়ামী লীগ রাজনীতি করে। কাজেই তাদের সন্তুষ্টিই বড় কথা।’ 

উল্লেখ্য, আগামী অর্থবছর দেশের জিডিপির আকার ২৫ লাখ ৪৭ হাজার ১০০ কোটি টাকায় গিয়ে  দাঁড়াবে। এবারের  অর্থবছরে  জিডিপির আকার আছে ২২ লাখ ২৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।

 

 

 

 

/এএইচ/ এপিএইচ/

লাইভ

টপ