তৈরি পোশাকের উপযুক্ত মূল্য চান বাণিজ্যমন্ত্রী

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০২:৪১, জুন ২৬, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ০২:৪৭, জুন ২৬, ২০১৮

বাণিজ্য তোফায়েল আহমেদবাংলাদেশের তৈরি পোশাকের মূল্য বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন,‘বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলো উন্নত করে গড়ে তোলা হয়েছে। বিল্ডিং ও ফায়ার সেপটি নিশ্চিত করা হয়েছে। উন্নত ও কর্মবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে শিল্প মালিকরা বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করেছেন কিন্তু তৈরি পোশাকের মূল্য বাড়ানো হচ্ছে না।’ সোমবার (২৫ জুন) বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে সাসটেইনেবলিটি কম্প্যাক্টের চতুর্থ পর্যালোচনা সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আবদুল লতিফ বকসী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,বাণিজ্যমন্ত্রী অনুষ্ঠানে বলেন, ‘সরকার বাংলাদেশের শ্রম আইন সংশোধন করেছে। শ্রমিকরা এখন যে কোনও সময়ের তুলনার অধিক শ্রম অধিকার ভোগ করছেন। অপ্রত্যাশিত রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর বাংলাদেশে আর কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি। শ্রমিক ও মালিকরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছেন। ক্রেতারা বাংলাদেশ থেকে আরও  বেশি তৈরি পোশাক আমদানি করবেন বলে বাংলাদেশ আশা করে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আশা করছে ২০২৭ সালের পর থেকে বাংলাদেশকে জিএসপি প্লাস সুবিধা দেওয়া হবে। এজন্য বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে। আগামী দিনগুলোতে ক্রেতাগোষ্ঠী বাণিজ্য সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে বাংলাদেশ আশা করে।’ 

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার থেকে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন।বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একান্ত মানবিক কারণে তাদের আশ্রয় দিয়েছেন। প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশের অর্থনীতির উপর চাপ সৃষ্টি করেছে।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত, বাংলাদেশে নিযুক্ত অষ্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূত, বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার রাষ্ট্রদূত ও আইএলও ’র প্রতিনিধিরা।

বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন– শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু, বাণিজ্যসচিব শুভাশীষ বসু, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আফরোজা খান, এফবিসিসিআই এর প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ শফিউল ইসলাম, বিজিএমই এর প্রেসিডেন্ট  মো. সিদ্দিকুর রহমান, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনের নির্বাহী পরিচালক মেজর জেনারেল মো. হাবিবুর রহমান খান, বিকেএমই এর প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ এ্যামপ্লয়ার্স ফেডারেশনের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সিনিয়র কর্মকর্তারা। ব্রাসেলসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সাহাদাত হোসেন বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন।এর আগে বাণিজ্যমন্ত্রী ইউরোপীয় ইউনিয়নের ট্রেড কমিশনার মিস সিসিলিয়ার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। 

 

/এসআই/ আইএ/

লাইভ

টপ