জুনে মূল্যস্ফীতি কমেছে

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:৩৪, জুলাই ০৩, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৪৫, জুলাই ০৩, ২০১৮

মূল্যস্ফীতিসদ্য সমাপ্ত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের শেষ মাস জুনে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এ হার মে থেকে কিছুটা কম। তবে জুনে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি কমলেও খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে বেড়েছে।

জুনে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ; যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ। জুনে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ; যা তার আগের মাসে ছিল ৪ দশমিক ৮ শতাংশ।

পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে আগের বছরের জুনে সার্বিক মুল্যস্ফীতির এ হার ছিল ৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৩ জুলাই) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিবিএসের মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

তিনি বলেন, খাদ্য মজুদ বেড়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। ফলে এখন আর মূল্যস্ফীতি বাড়বে না। বিবিএসের তথ্য অনুসারে, বছর শেষে জুনে খাদ্যে মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ। এটি তার আগের বছরের জুনে ছিল ৭ দশমিক ৫১ শতাংশ।

জুনে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি ছিল ৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ। এটি তার আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ। তবে মে মাসের সঙ্গে তুলনা করলে জুনে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমেছে। মে মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ; জুনে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

বিবিএস বলছে, পরিধেয় বস্ত্র, বাড়ি ভাড়া, বিদ্যুৎ, চিকিৎসা সেবা, পরিবহন ও শিক্ষা উপকরণের কিছু পণ্যের দাম জুনে বেড়েছে। গ্রামাঞ্চলে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও বেড়েছে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি। একই চিত্র  শহরেও।

/এসআই/এএম/

লাইভ

টপ