রফতানিতে নগদ সহায়তা: সম্ভাবনাময় খাতের দিকে নজর কম সরকারের

Send
শফিকুল ইসলাম
প্রকাশিত : ১৭:২৬, মে ১৮, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:৫৫, মে ১৯, ২০১৯

রফতানির উল্লেখযোগ্য খাত

দেশের রফতানি বাণিজ্যকে উৎসাহিত করতে রফতানি পণ্যের ওপর বিভিন্ন হারে নগদ সহায়তা দিচ্ছে সরকার। অভিযোগ রয়েছে, শুধু তৈরি পোশাক খাতকেই সরকার বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। নগদ সহায়তার অর্থও পাচ্ছেন এই খাতের ব্যবসায়ীরা। অথচ এর বাইরেও বাংলাদেশের অনেক পণ্য রয়েছে, যা বিদেশে রফতানির সুযোগ রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাজারে এসব পণ্যের চাহিদাও রয়েছে। কিন্তু সরকার এসবের দিকে নজর দিচ্ছে না।

বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ক্রমবর্ধমান হারে রফতানি আয় বাড়লেও দেশে পণ্য বহুমুখীকরণের গতি খুবই ধীর। নতুন পণ্যের প্রসারে তেমনভাবে এগিয়ে আসছেন না ব্যবসায়ীরা। ফলে ঘুরে ফিরে কয়েকটি পণ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে দেশের রফতানি বাণিজ্যে। এমনকি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না প্রচলিত বাজারের বাইরে ভিন্ন কোনও বাজার। রফতানি আয়ের ৯০ ভাগই আসছে ৪ ধরনের পণ্য থেকে। এরমধ্যে তৈরি পোশাক থেকেই আসছে ৮০ ভাগ। বাকি ১০ ভাগ আসছে হিমায়িত খাদ্য, পাট ও পাটজাত দ্রব্য এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে।  

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, দেশের রফতানি বাণিজ্যকে উৎসাহিত করতে সরকার ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জন্য কতিপয় পণ্যে রফতানি ভর্তুকি বা নগদ সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ সিদ্ধান্ত ২০১৬ সালের ১ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে, যা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশ বাংকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রফতানিমুখী দেশীয় বস্ত্রখাতে শুল্কবন্ড ও ডিউটি ড্র ব্যাকের পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তার পরিমাণ ৪ শতাংশ। বস্ত্রখাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অতিরিক্ত সুবিধা (প্রচলিত নিয়মে) ৪ শতাংশ। ইউরো অঞ্চলে বস্ত্রখাতের রফতানিকারকদের জন্য বিদ্যমান ৪ শতাংশের অতিরিক্ত বিশেষ সহায়তা ২ শতাংশ। নতুন পণ্য বা নতুন বাজার (বস্ত্র খাত) সম্প্রসারণের সহায়তা (আমেরিকা, কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ব্যতীত) ৩ শতাংশ। হোগলা, খড়, আখের ছোবড়া ইত্যাদি দিয়ে হাতের তৈরি পণ্য রফতানিতে নগদ সহায়তা ১৫ শতাংশ। কৃষিপণ্য (শাকসবজি ও ফলমূল) ও প্রক্রিয়াজাত (এগ্রোপ্রসেসিং) কৃষিপণ্য রফতানি খাতে রফতানি ভর্তুকির পরিমাণ ২০ শতাংশ। হালকা প্রকৌশল পণ্য রফতানিতে রফতানি ভর্তুকির পরিমাণ ১৫ শতাংশ। ১০০ শতাংশ হালাল মাংস রফতানিতে ভর্তুকির পরিমাণ ২০ শতাংশ। হিমায়িত চিংড়িসহ অন্যান্য মাছ রফতানিতে সহায়তার পরিমাণ (বরফ দ্বারা আচ্ছাদনের ওপর নির্ভরশীল) ২ থেকে ১০ শতাংশ। চামড়াজাত দ্রব্যাদি রফতানিতে নগদ সহায়তার পরিমাণ ১৫ শতাংশ। জাহাজ রফতানিতে সরকারি প্রণোদনার পরিমাণ ১০ শতাংশ। আলু রফতানিতে সরকারি নগদ সহায়তার পরিমাণ ১০ শতাংশ। পেট বোতল ফ্লেক্স রফতানিতে সহায়তার পরিমাণ ১০ শতাংশ। ফার্নিচার রফতানিতে নগদ সহায়তার পরিমাণ ১৫ শতাংশ। প্লাস্টিক দ্রব্য রফতানিতে সহায়তার পরিমাণ ১০ শতাংশ। পাটজাত পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে বৈচিত্র্যকৃত পাটজাত পণ্য রফতানিতে সহায়তার পরিমাণ ২০ শতাংশ। পাটজাত চূড়ান্ত দ্রব্য (হোসিয়ান, সেকিং ও সিবিসি) পণ্যে নগদ সহায়তার পরিমাণ ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। পাট সুতা রফতানিতে নগদ সহায়তার পরিমাণ ৫ শতাংশ। সাভার চামড়া শিল্প নগরীতে স্থানান্তরিত শিল্প প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রাস্ট ও ফিনিশড লেদার রফতানিতে সহায়তার পরিমাণ ৫ শতাংশ। গরু মহিষের নাড়িভুঁড়ি, শিং ও রগ (হাড় ব্যতীত) রফতানির ক্ষেত্রে সরকারের কাছ থেকে পাওয়া নগদ সহায়তার পরিমাণ ১০ শতাংশ। শস্য ও শাক-সবজির বীজ রফতানিতে নগদ সহায়তার পরিমাণ ২০ শতাংশ এবং পাটকাঠি থেকে উৎপাদিত কার্বন রফতানির ক্ষেত্রে নগদ সহায়তার পরিমাণও ২০ শতাংশ।     

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পাট খাতের রফতানিকারক খোরশেদ আলম বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, সরকারের বেশি নজর তৈরি পোশাক খাতের দিকে। কিন্তু তৈরি পোশাকের পাশাপাশি দেশের পাটখাতও যে এগিয়ে আসছে সেদিকে সরকারের নজরদারি সন্তোষজনক নয়। এদিকে আরও কিছুটা সহযোগিতা পেলে দেশের অর্থনীতিতে পাট খাতের অবদান বাড়তো। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হিমায়িত মাছ রফতানিকারক সোনালি ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী এমএ মালেক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, রফতানিতে দেশের মৎস্য খাতের অবদান ভালো। কিন্তু আমরা সেভাবে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারছি না। নানা অজুহাতে মৎস্য খাত প্রত্যাশা অনুসারে সহযোগিতা পাচ্ছে না। রফতানিতে আমরা যে প্রণোদনা পাই তা আরও বাড়ানো প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

এ প্রসঙ্গে চামড়া খাতের ব্যবসায়ী ও রফতানিকারক স্বদেশ এন্টারপ্রাইজের মালিক সানোয়ার হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে এ খাতে আরও সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সরকার তৈরি পোশাক খাতকে একটু বেশি কেয়ার করছে। রফতানিতে তৈরি পোশাকের অবদান বেশি। তবে রফতানির জন্য নতুন পণ্যও তো সৃষ্টি করতে হবে।’  

এ প্রসঙ্গে বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক জানিয়েছেন, দেশের রফতানিতে তৈরি পোশাক খাতের অবদান ৯০ শতাংশের বেশি। কাজেই সরকারের নজর সেদিকে একটু বেশি থাকবে এটা তো স্বাভাবিক। এতো রফতানি খাতকে তো বাঁচিয়ে রাখতে হবে। এ ছাড়া এ খাতের সঙ্গে ৪০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত। সেদিকটিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, দেশের রফতানি বাড়াতে পণ্যের বহুমুখীকরণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে তিন বছর মেয়াদি ২০১৫-১৮ সালের রফতানি নীতিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ১২ খাতকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব খাতের পণ্য রফতানিতে নির্দিষ্ট হারে সরকার প্রণোদনাও দিচ্ছে। কাজেই সরকার শুধু তৈরি পোশাক খাতকে গুরুত্ব দিচ্ছে এমন অভিযোগ সঠিক নয়। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা রয়েছে বলেই রফতানি ভলিউম বাড়ছে।

তিনি জানান, বাংলাদেশের এমন অনেক পণ্য রয়েছে, বিশ্ববাজারে এর চাহিদা ব্যাপক। এসব দেশে এসব পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের ব্যাপক সহযোগিতা, উৎসাহ দিয়ে আসছে সরকার। এমনকি নগদ সহায়তার অর্থ পেতে ব্যবসায়ীরা যাতে হয়রানির শিকার না হন অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সে বিষয়টিও সুরাহা করা হয়েছে। আর এসব কারণেই দেশে রফতানি বাণিজ্য দিন দিন বাড়ছে।  

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, তৈরি পোশাকের বাইরে দেশের রফতানি বাড়াতে আরও যেসব পণ্যের রফতানিকে উৎসাহিত করছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বেশি দামের  তৈরি পোশাক ও গার্মেন্ট এক্সেসরিজ, সফটওয়্যার ও আইটি এনাবল সার্ভিসেস এবং আইটি পণ্য, ওষুধ, জাহাজ, চামড়াজাত পণ্য ও জুতা, পাটজাত পণ্য, প্লাস্টিক পণ্য, কৃষিপণ্য ও এগ্রো প্রসেসড পণ্য, আসবাবপত্র, হোম-টেক্সটাইল ও টেরিটাওয়েল, হোম ফার্নিশিং ও লাগেজ।

রফতানি বাড়াতে বিশেষ উন্নয়নমূলক খাত হিসেবে চিহ্নিত ১৪ পণ্য হচ্ছে-  বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ইলেক্ট্রনিক ও ইলেক্ট্রনিক পণ্য, সিরামিক পণ্য, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য (অটো পার্টস ও বাইসাইকেলসহ), মূল্য সংযোজিত হিমায়িত মৎস্য, পাঁপড়, প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং, অমসৃণ হীরা ও জুয়েলারি, পেপার ও পেপার প্রোডাক্টস, রবার, রেশমসামগ্রী, হস্ত ও কারুপণ্য, লুঙ্গিসহ তাঁতশিল্পজাত পণ্য ও নারিকেলের ছোবড়া।

এছাড়াও সিরামিক, ওষুধ, চামড়াজাত পণ্য, আসবাবপত্র, গরু-মহিষের হাড়, নারিকেলের ছোবড়া, আইটি পণ্য, কুইচ্চা মাছ, শাকসবজি, হালাল মাংস ইত্যাদিকে বলা হচ্ছে বিশেষ উন্নয়নমূলক খাত। তবে এসব খাতে সরকার নগদ সহায়তা দিচ্ছে না। এসব পণ্য রফতানিতে নগদ সহায়তা পাওয়া গেলে রফতানি বাণিজ্য আরও সমৃদ্ধ হতো বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবসায়ীরা।

এ প্রসঙ্গে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্য বলেছেন, রফতানি নীতিতে চাকরিসহ ৩০ খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১২ পণ্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, ১৪ পণ্যকে উন্নয়নমূলক খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এবারই প্রথমবারের মতো চাকরি (সার্ভিস) যুক্ত হয়েছে, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ট্যুরিজম, ইঞ্জিনিয়ারিং ও আইসিটি। তিনি বলেন, সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ও উন্নয়নমূলক খাত নির্ধারণে বিশাল জনগোষ্ঠী ও বেকারত্ব বিবেচ্য বিষয়। কোন পণ্য কতটুকু বেকারত্ব দূর করবে, পণ্যটির ভ্যালু চেইনের কতটুকু অংশ দেশের ভেতরে আছে তা বিবেচ্য বিষয়। যে পণ্যের ভ্যালু চেইনের বড় অংশটিই দেশের ভেতরে অবস্থান করে তাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। আবার এও বিবেচনা করা হয়, পণ্যটির মূল্য কেমন, বিশ্ববাজারে দেশের এই পণ্যটি প্রতিযোগিতায় টিকে থাকবে কিনা। পণ্য উৎপাদনে প্রাথমিক উপকরণের পর্যাপ্ততাও বিবেচ্য। বেশিরভাগ সুবিধা দেশের ভেতরে থাকতে হবে, এটাই মুখ্য।

ইপিবি এবং বিজিএমই-এর গবেষণা সেলের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বাংলাদেশ রফতানি বাণিজ্যের ইতিবাচক কর্মযজ্ঞে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় (৩৩.৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) ২ দশমিক ২১ শতাংশ বেশি আয় করেছে, অর্থাৎ রফতানি আয় অর্জিত হয়েছে ৩৪ দশমিক ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং বছর শেষে রফতানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রফতানি আয়ের রেকর্ড। ২০১৬-১৭ অর্থবছর দেশে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত ছিল ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত রয়েছে ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বাজার সম্প্রসারণে সরকারি পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে এটা সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশি পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে নতুন বাজার হিসেবে তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া, চীন, জাপান, কোরিয়া, রাশিয়া, ব্রাজিল, মধ্যপ্রাচ্য, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, আর্জেন্টিনা, চিলি, উরুগুয়ে, পর্তুগাল, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ অন্তত ২৫টি দেশকে নতুন বাজার হিসেবে বিবেচনা করেন রফতানিকারকরা।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে রফতানিতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছিল, এর বেশিরভাগটাই তৈরি পোশাক রফতানির ওপর নির্ভর করে নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞ মহলের অভিমত। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত রয়েছে ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অন্যান্য খাতে গত অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতা চোখে পড়ার মতো। এর মধ্যে রয়েছে সিমেন্ট, চামড়া, উল এবং উল পণ্য, হিমায়িত মাছ, চিংড়ি, চা, প্লাস্টিক পণ্য, হ্যান্ডিক্র্যাফট, সিল্ক এবং বাইসাইকেল। তবে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি গত বছর চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য ৫৫ দশমিক ৮১ শতাংশ, পাট ও পাটজাত পণ্য ৫ দশমিক ৮৮,ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোডাক্টস ১৪ দশমিক ১০, ফানির্চার ১৮ দশমিক ৮০ শতাংশ হারে রফতানি বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া সরকার কৃষিজাত পণ্য,ওষুধ, আইসিটি, জাহাজসহ নতুন নতুন পণ্য রফতানি বাড়ানোরও উদ্যোগ নিয়েছে।

 

/এসআই/এমএমজে/টিএন/

লাইভ

টপ