৪০ কেজি করে চাল পাবেন জেলেরা

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৬:৫১, মে ২২, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৪০, মে ২২, ২০১৯




সংবাদ সম্মেলনমাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার সময়ে প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে চাল পাবেন জেলেরা। বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রিত ২০০ নটিক্যাল মাইল অর্থনৈতিক অঞ্চলে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন মাছ আহরণে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করা হয়েছে। সব ধরনের যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক মৎস্যযান দিয়ে মৎস্য ও ক্রাস্টিয়ান্স (চিংড়ি, লবস্টার, কাটলফিশ ইত্যাদি) আহরণ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এসময় সামুদ্রিক মাছের প্রজনকাল হওয়ায় ডিমওয়ালা মাছের নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টিসহ মাছের মজুত সংরক্ষণ, সুষ্ঠু ও বিজ্ঞানসম্মত সহনশীল আহরণ নিশ্চিতে এ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।



বুধবার (২২ মে) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু এসব তথ্য জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ৮ মাস জাটকা নিরোধ এবং ২২দিন মা-ইলিশ সংরক্ষণের মতো ৬৫ দিনের জন্যও ভিজিএফ খাদ্য সহায়তার ফলে জেলে পরিবারে খাদ্য সংস্থান হওয়ায় তারা সামুদ্রিক ডিমওয়ালা মাছ ও চিংড়ি আহরণ থেকে বিরত থাকবে। ডিমওয়ালা মাছ ও চিংড়ির নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি হবে।
ঈদের আগেই এ খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

উপকূলীয় ১২টি জেলার ৪২ উপজেলার ৪ লাখ ১৪ হাজার ৭৮৪টি জেলে পরিবারে মাছ আহরণ ব্যতীত বিকল্প আয়ের উৎস ছিল না। এবারই প্রথম নিষিদ্ধকালীন ৬৫ দিনের জন্য ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় পরিবার প্রতি মাসিক ৪০ কেজি করে মোট ৩৬ হাজার মেট্রিক টন চাল সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
মাছের তিনটি নিষিদ্ধ সময়ের জন্য আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে ২২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশে মোট ৪২.৭৭ লাখ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদিত হওয়ার মাধ্যমেই দেশ মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। এই উৎপাদনের মধ্যে সামুদ্রিক মৎস্য খাতের অবদান ৬ দশমিক ৫৬ লাখ মেট্রিক টন, যা দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনের ১৫.৩৩ শতাংশ।
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের সচিব রইছ উল আলম মণ্ডল, মৎস্য অধিদফতরের ডিজি আবু সাইদ রাশেদুল হক, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডিজি ড. ইয়াহিয়াসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

/এসআই/এনআই/

লাইভ

টপ