পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের সুবিধা বাড়ল

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০০:৩৪, জুন ১৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০০:৪৮, জুন ১৪, ২০১৯

স্টক এক্সচেঞ্জ

আগামী অর্থবছরে পুঁজিবাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের করমুক্ত লভ্যাংশ আয়ের সীমা ২৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় এ প্রস্তাব করেন। এ ছাড়া, তিনি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার থেকে প্রাপ্ত লাভের ওপর দ্বৈত কর পরিহারেরও প্রস্তাব করেন।

প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে বিশেষ প্রণোদনা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, ‘কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীরা কোম্পানি থেকে ক্যাশ ডিভিডেন্ড প্রাপ্তির প্রত্যাশা করেন। কিন্তু ক্যাশ ডিভিডেন্ডের পরিবর্তে স্টক ডিভিডেন্ড তথা বোনাস শেয়ার বিতরণের প্রবণতা কোম্পানিগুলোর মধ্যে দেখা যায়। এতে বিনিয়োগকারীরা তাদের প্রত্যাশিত প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হন।’ এজন্য স্টক ডিভিডেন্ডের পরিবর্তে ক্যাশ ডিভিডেন্ড প্রদানকে উৎসাহিত করতে স্টক ডিভিডেন্ডের ওপর ১৫ শতাংশ কর প্রদানের প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।

এ ছাড়া, বাজেটে কোম্পানির অর্জিত মুনাফা থেকে শেয়ার হোল্ডার বা বিনিয়োগকারীদের ডিভিডেন্ড দেওয়ার পরিবর্তে রিটেইনড আর্নিংস বা বিভিন্ন ধরনের রিজার্ভ হিসেবে দেওয়ার প্রবণতা রোধে কোম্পানির রিটেইনড আর্নিংস বা বিভিন্ন ধরনের রিজার্ভ সমষ্টি যদি পরিশোধিত মূলধনের ৫০ শতাংশের বেশি হয়, তাহলে যতটুকু বেশি হবে তার ওপর সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে ১৫ শতাংশ করারোপের প্রস্তাব করা হয়।

বাজেট বক্তৃতায় আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের হাতে পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানি থেকে প্রাপ্ত ডিভিডেন্ড আয়ের করমুক্ত সীমা ২৫ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করছি। এ ছাড়া, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শেয়ারবাজারে উৎসাহিত করতে এবছর নিবাসী ও অনিবাসী সবক্ষেত্রে একাধিকবার করারোপণ রোধ করার প্রস্তাব করছি।’

 

/জিএম/এমএ/

লাইভ

টপ