করমুক্ত আয়ের সীমা আগের মতোই, বেড়েছে সারচার্জের সীমা

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০০:৪৮, জুন ১৪, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০০:৫০, জুন ১৪, ২০১৯



সাধারণ করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ২০১৮-১৯ অর্থবছরের মতো আড়াই লাখ টাকাই রাখার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত যে বাজেট উপস্থাপন করা হয়, তাতে এই তথ্য রয়েছে। 

তবে ব্যক্তি করদাতার প্রদর্শিত নিট পরিসম্পদ তিন কোটি টাকা পর্যন্ত সারচার্জমুক্ত সীমা রাখা হয়েছে। আগের অর্থবছরে ব্যক্তি করদাতার নিট পরিসম্পদ সোয়া দুই কোটি টাকা থাকলেই ১০ শতাংশ সারচার্জ দিতে হয়েছে। অর্থমন্ত্রী নতুন বাজেটে তিন কোটি টাকা পর্যন্ত সারচার্জমুক্ত সীমা রাখার প্রস্তাব করেছেন।

অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবে নারী ও ৬৫ বছরের বেশি বয়সী করদাতাদের ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত কর দিতে হবে না। প্রতিবন্ধী করদাতাদের ক্ষেত্রে এই সীমা ৪ লাখ টাকায় রাখা হয়েছে। এছাড়া গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা ২০১৮-১৯ অর্থবছরের মতো ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। 

সাধারণ কর দাতাদের ক্ষেত্রে আয়ের সীমা আড়াই লাখ টাকার পর প্রথম ৪ লাখ টাকার জন্য ১০ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকার জন্য ১৫ শতাংশ, এর পরের ৬ লাখ টাকার জন্য ২০ শতাংশ, আর পরবর্তী ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর ২৫ শতাংশ এবং অবশিষ্ট মোট আয়ের ওপর ৩০ শতাংশ হারে কর দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি আগের মতোই আছে।

অর্থমন্ত্রী তার প্রস্তাবে কোম্পানি কর হারও আগের বছরের মতোই রাখার প্রস্তাব করেছেন। পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানির ক্ষেত্রে আগের ২৫ শতাংশের মতই এবারও ২৫ শতাংশ, পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানি নয় এমন কোম্পানির ক্ষেত্রে ৩৫ শতাংশ, ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও সরকার কর্তৃক ২০১৩ সালে অনুমোদিত ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং মার্চেন্ট ব্যাংকের ক্ষেত্রে সাড়ে ৩৭ শতাংশ, পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানি নয় এমন ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ৪০ শতাংশ, সিগারেট, বিড়ি, জর্দা,গুলসহ সব তামাকজাত পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে ৪৫ শতাংশ, পাবলিকলি ট্রেডেড মোবাইল ফোন আপারেটর কোম্পানি ৪০ শতাংশ, পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানি নয় এমন মোবাইল ফোন আপারেটর কোম্পানির ক্ষেত্রে ৪৫ শতাংশ এবং কোম্পানিগুলোর  আয়ে ২০ শতাংশই রাখা হয়েছে।



 

/জিএম/এএইচ/

লাইভ

টপ