ভ্যাট নিয়ে এখনও আপত্তি ব্যবসায়ীদের

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২৩:১০, জুন ১৮, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২৩:১৫, জুন ১৮, ২০১৯

ইএফডি মেশিন দিয়ে আদায় হবে ভ্যাট

মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) নিয়ে এখনও আপত্তি রয়েছে ব্যবসায়ীদের। তারা বলেছেন, কীভাবে কতো হারে কোন পণ্যে ভ্যাট পরিশোধ করা হবে তা এখনও তাদের কাছে পরিষ্কার নয়। ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন হলে কোন পণ্যে কী পরিমাণ ভ্যাট বাড়বে তা তারা জানেন না। বিষয়টি যৌক্তিক হবে কিনা তা নিয়েও সন্দিহান তারা। এ আইন বাস্তবায়ন করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হওয়ারও আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।  

মঙ্গলবার (১৮ জুন) বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠককালে তারা এসব সমস্যার কথা তুলে ধরেন। 

এবারের রমজানে পণ্য সহনীয় পর্যায়ে থাকায় ব্যবসায়ীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ অনুষ্ঠানে বাণিজ্য সচিব মো. মফিজুল ইসলাম, বিজিএমইএ সাবেক সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান, ডিসিসিআই সভাপতিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ভ্যাটসহ বেশকিছু বিষয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যুক্ত। বিষয়টি নিয়ে আমি সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলাপ আলোচনা করবো। কিছু পণ্য আছে যেগুলোর ওপর আমাদের কোনও কিছু করার নাই। সেগুলো আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত। তারপরেও এসব পণ্যের সরবরাহে যাতে বিঘ্ন না ঘটে সে বিষয়ে আপনারা সে বিষয়ে সচেষ্ট থাকবন। মানুষের যেন কষ্ট না হয় সেদিকটিতে নজর রাখবেন। 

এ সময় সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান বলেন, আমরা এতোদিন টেনশন ফ্রি ব্যবসায় করলেও এখন আর টেনশন ফ্রি নাই। বিভিন্ন পণ্যের ট্যাক্স বেড়েছে তাতে সমস্যা নাই, আমরা ট্যাক্স দিতে রাজি আছি। কিন্তু, আমরা টেনশন ফ্রি ব্যবসায় করতে চাই। ভ্যাট-ট্যাক্স দিতে আমাদের আপত্তি নেই। তবে চক্রবৃদ্ধি হারে ভ্যাট-ট্যাক্স যেন না বাড়ে সেদিকে নজর দিতে হবে।

ফজলুর রহমান জানান, চিনিতে ৭ টাকা ট্যাক্স বাড়ানো হয়েছে। বিশ্ববাজারে চিনির দাম প্রতিনিয়ত কমছে। বিশ্ববাজারে প্রতি টন চিনির দাম ৩২২ ডলার। আমরা চিনিতে ভ্যাট ও ট্যাক্স মিলিয়ে দিচ্ছি ৩৫০ ডলারের বেশি। বিশ্ববাজারে যদি প্রতি টন চিনির দাম ৪৫০ ডলার হলে ভ্যাট-ট্যাক্সও দিতে হবে ৪৫০ ডলার। এখন কেজিতে ট্যাক্স ৭ টাকা হলে তখন কিন্তু এটা হয়ে যাবে ১৮ টাকা।

ভোজ্য তেল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী আবুল হাশেম বলেন, নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন হলে কী পরিমাণ ভ্যাট বাড়বে সেটা আমরা জানি না। প্রত্যাশা একটাই, আমরা যৌক্তিক দামে পণ্য সরবরাহ করতে চাই। ভ্যাটটা যেন যৌক্তিক হয়, এমন প্রত্যাশা করেছেন তিনি। 

 

/এসআই/টিএন/

লাইভ

টপ