পিপিপি’র মাধ্যমে পরিচালিত হবে আহমেদ বাওয়ানী টেক্সটাইল মিল

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৮:৪৭, জুন ২৫, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৮:৫৮, জুন ২৫, ২০১৯

আহমেদ বাওয়ানী টেক্সটািইল মিলটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে পরিচালনার জন্য চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

রাজধানীর ডেমরার ঐতিহ্যবাহী আহমেদ বাওয়ানী টেক্সটাইল মিলটি এখন থেকে পিপিপি’র মাধ্যমে (সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্বে) পরিচালিত হবে। এ জন্য কনসোর্টিয়াম অব তানজিনা ফ্যাশন লিমিটেডকে লেটার অব অ্যাওয়ার্ড (এলওএ) দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে এ উপলক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে সরকার ও কনসোর্টিয়ামটির মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিটিএমসির পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এবং কনসোর্টিয়াম অব তানজিনা ফ্যাশন লিমিটেড-এর পক্ষে হাসানুল মুজিব।

এ সময় বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী উপস্থিত ছিলেন।

আহমেদ বাওয়ানী মিলটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারীত্বে পরিচালনার উদ্দেশ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠান।

জানা গেছে, বিটিএমসির ১৬টি মিল হতে প্রথম পর্যায়ে আরও ৪টি মিল বেসরকারিখাতে ছেড়ে দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করার প্রক্রিয়া চলছে। এ মিলগুলো হচ্ছে আর.আর.টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, দোস্ত টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, মাগুরা টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, রাজশাহী টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড। 

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখর, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ইসরাফিল আলম, মোমিন মন্ডল, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব গুলনার নাজমুন নাহার, বিটিএমসি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, বিজিএমইএ এর সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, তানজীনা ফ্যাশন লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসানুল মুজিব উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী

অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বলেছেন, সারা পৃথিবীর মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম পিপিপি (পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ) এর মাধ্যমে দেশের বন্ধ টেক্সটাইল মিলগুলোকে চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বন্ধ এসব মিল আবারও চালু হলে এসব শিল্প-প্রতিষ্ঠানে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। এ লক্ষ্যে বর্তমান সরকার কাজ করছে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন ব্যবসাবান্ধব স্থানে বিটিএমসি’র ৬৩৬ দশমিক ৩৮ একর জমি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। এই জমিগুলো পিপিপি’র মাধ্যমে উৎপাদন খাতে ব্যবহারের ফলে একদিকে যেমন সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠান লাভবান হবে পাশাপাশি দেশের জিডিপি বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনীতি আরও সুদৃঢ় হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বন্ধ মিলগুলো চালু করার বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন। বিটিএমসির বন্ধ মিলগুলো পিপিপির মাধ্যমে পরিচালনার জন্য বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সিদ্ধাস্ত গ্রহণ করেছে। পর্যায়ক্রমে বিটিএমসির ২৫টি মিলের মধ্যে ১৬টি মিল পিপিপি এর আওতায় পরিচালনার জন্য অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিইএ) নীতিগত অনুমোদন পাওয়া গেছে।

 

/এসআই/টিএন/

লাইভ

টপ