এবার বাড়ছে না গ্যাস বিতরণ-সঞ্চালন চার্জ

Send
সঞ্চিতা সীতু
প্রকাশিত : ২৩:১৯, জুলাই ০৮, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২৩:৩৯, জুলাই ০৮, ২০১৯

গ্যাসগ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সাধারণত বিতরণ ও সঞ্চালন চার্জ পরিবর্তন করা হয়। তবে এবার তা আর হচ্ছে না। বলা হচ্ছে, এবার শুধু তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)-এর ঘাটতি মেটানোর অর্থ তোলা হবে বর্ধিত মূল্য থেকে। বিতরণ কোম্পানিগুলো বলছে, এলএনজির মূল্য না বাড়ালে তাদেরও গ্যাসের মূল্য বাড়ানোর কোনও প্রয়োজন নেই। বাংলাদেশে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিইআরসি গত ৩০ জুন গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দিলেও তাতে বিতরণ ও সঞ্চালন কোম্পানিগুলোর চার্জ বাড়ছে কিনা তা স্পষ্ট করেনি।

এর আগে গ্যাসের বর্ধিত মূল্যের সঙ্গে ২০১৮ সালের ১৬ অক্টোবর বিতরণ ও সঞ্চালন চার্জ বাড়ানো হয়। বিইআরসির আদেশে বলা হয়, তিতাস, কর্ণফুলী, বাখরাবাদ, জালালাবাদ গ্যাস বিতরণ কোম্পানির বিতরণ চার্জ প্রতি ঘনমিটারে ২৫ পয়সা আর পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস বিতরণ কোম্পানির বিতরণ চার্জ হবে প্রতি ঘনমিটারে ৩৩ পয়সা। এছাড়া সঞ্চালনের দায়িত্বে থাকা গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি (জিটিসিএল)-এর সঞ্চালন চার্জ ঘন মিটারপ্রতি ৪২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। এখনও যা বহাল থাকছে।

বিতরণ কোম্পানিগুলো তাদের লভ্যাংশ বৃদ্ধির যৌক্তিকতা হিসেবে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির শুনানিতে বলে, আর্থিক তারল্য, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থরক্ষা, কর দায় সংকুলান ও নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রাহক সেবার মান উন্নয়নের জন্য অতিরিক্ত অর্থের দরকার বলেই তারা লভ্যাংশ বাড়াতে চায়।

বিইআরসি চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম বলেন, ‘এবার সঞ্চালন ও বিতরণের দায়িত্বে থাকা কারও লাভের অংশই বাড়ছে না।’ তিনি বলেন, ‘আমরা বিশেষ প্রেক্ষাপটে এলএনজি আমদানির ঘাটতি মেটাতে এবার মূল্য বাড়িয়েছি।এবার তারই সংস্থান করা হচ্ছে।’

গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির আদেশে বলা হয়, এলএনজি আমদানির ফলে জ্বালানি আমাদানি খাতে মোট ১৮ হাজার ২৭০ কোটি টাকার ঘাটতি তৈরি হবে। এই ঘাটতি মেটাতে ভোক্তার পকেট থেকে ১০ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা তোলা হবে। অন্যদিকে, সরকার সাত হাজার ৬৯০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেবে। ভোক্তার কাছ থেকে তোলা টাকার মধ্যে মূল্যবৃদ্ধি করে আট হাজার ১৬০ কোটি টাকার সংস্থান করা হবে। বাকি দুই হাজার ৪২০ কোটি টাকা জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিল থেকে সংস্থান করা হবে।

/এমএনএইচ/এমওএফ/

লাইভ

টপ