পায়রা টু পটুয়াখালী ২৩০ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন চালু

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৯:৫৫, জুলাই ১৩, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:০৪, জুলাই ১৩, ২০১৯



পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র  (ছবি সঞ্চিতা সীতু)পায়রা থেকে পটুয়াখালী ২৩০ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন চালু করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুলাই) বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটে পটুয়াখালী গ্রিড উপকেন্দ্র থেকে ১৩২ কেভি ভোল্টেজ দিয়ে নবনির্মিত লাইনটি চালু করা হয়। এতে পায়রায় নির্মাণাধীন বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালুর নিমিত্তে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। একইসঙ্গে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে উত্তোলন ও সঞ্চালন করা যাবে। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুম আলবেরুনী এই তথ্য জানান।

পায়রায় এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রর প্রথম ইউনিটের নির্মাণ কাজের ৯৫ ভাগ শেষ হওয়ার পরও এতদিন বিদ্যুৎ না থাকায় তাদের যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করা যাচ্ছিল না।

পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করার জন্য দুটি সঞ্চালন লাইন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরমধ্যে একটি পায়রা-পটুয়াখালী ২৩০ কিলোভোল্টের (কেভি) ৪৭ কিলোমিটারের লাইন। এটি নির্মাণ করেছে একটি কোরিয়ান কোম্পানি।

অন্য লাইনটি হলো পটুয়াখালী (পায়রা) থেকে গোপালগঞ্জ পর্যন্ত ১৬০ কিলোমিটারের ৪০০ কেভির ডাবল সার্কিট লাইন। লাইনটি শেষ হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী নভেম্বর। এর নির্মাণকাজ পেয়েছে চীনের একটি কোম্পানি।

পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রথম লাইনটির কাজ আমরা আরও আগে শেষ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু নানা জটিলতা কাজ পিছিয়ে গেছে। সব বাধা কাটিয়ে অবশেষে সঞ্চালন লাইনটি চালু করা গেছে। অন্যদিকে, পায়রা-গোপালগঞ্জ সঞ্চালন লাইনটির কাজ দ্রুত গতিতেই চলছে। আগামী অক্টোবরের মধ্যে লাইনটি চালু করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

শনিবার সন্ধ্যায় পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক শাহ আব্দুল মাওলা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আজ (শনিবার বিকেল) থেকে তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রর আনুষ্ঠানিক টেস্টিং শুরু হবে। টেস্টিং করতে সাধারণত তিন মাস সময় প্রয়োজন হয়। এতে আগামী ডিসেম্বরে তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালুর সময়সীমা ঠিক থাকছে।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের কেন্দ্রে কয়লা আনার জন্য চলতি মাসের শেষ সময়কে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলাম। এখন তা কিছু দিন পেছাবে।’ বিদ্যুৎ পাওয়ার পর কনভেয়ার বেল্টসহ বিভিন্ন সামগ্রী পরীক্ষা করতে একমাসের মতো প্রয়োজন হয় বলেও তিনি জানান।

 

 

/এসএনএস/এমএনএইচ/

লাইভ

টপ