জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস আগামীকাল

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:৩৮, আগস্ট ০৮, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৪৭, আগস্ট ০৮, ২০১৯



বিপিসিজাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস পালিত হবে আগামীকাল শুক্রবার (৯ আগস্ট)। দিবসটি উপলক্ষে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট বঙ্গবন্ধু বহুজাতিক কোম্পানি শেল ওয়েলের কাছ থেকে তিতাস, রশিদপুর, হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ এবং কৈলাসটিলা গ্যাস ক্ষেত্র কিনে নেন। ওই সময়ে ৪ দশমিক ৫ মিলিয়ন পাউন্ডে গ্যাসক্ষেত্রগুলো কিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানা প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। বর্তমান সরকার ২০০৯ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ২০১০ সালের ১২ আগস্ট এক পরিপত্রে ৯ আগস্টকে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর থেকে প্রতিবছর এই দিন সরকার জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।

এ বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘প্রতিবছরের মতো দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে এ বছরও বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শী চিন্তার কারণে আজ আমরা জ্বালানি খাতে একটি বড় জায়গা তৈরি করতে পেরেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য যেমন কাজ করছি। তেমনি জ্বালানি আমদানি করেও চাহিদা পূরণ করছি।’

নসরুল হামিদ বলেন, ‘সাশ্রয়ী জ্বালানি সরবরাহ এখন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার করে যাচ্ছে।’

সম্মেলনে জানানো হয়, দিবসটি উপলক্ষে জ্বালানি খাতের সাম্প্রতিক অর্জন, অগ্রগতি ও অন্যান্য বিষয়ে জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। যেখানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবের বাণী প্রকাশ করা হবে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কপোরেশন ও পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানদের নিবন্ধ প্রকাশ করা হবে।

একইসঙ্গে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মোবাইল ফোনে এসএমএস দেওয়া হবে। জ্বালানি সেক্টরের উন্নয়নে নেওয়া কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বৃহস্পতিবার পেট্রোবাংলার অডিটোরিয়ামে সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীন দফতর ও কোম্পানিগুলোকে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে জেলা ও বিভাগ পর্যায়ে দিবস উদযাপন করা হবে।  দিবসটির পালনের লক্ষ্যে গৃহীত কার্যক্রম নিয়ে পেট্রোবাংলা কর্তৃক একটি স্মরণিকাও প্রকাশ করা হবে।নির্ধারিত কয়েকটি সড়কদ্বীপ (সার্ক ফোয়ারা, কদম ফোয়ারা) সজ্জিত করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সরকার জনগণের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধ পরিকর। বর্তমানে দৈনিক ২ হাজার ৭৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলিত হলেও চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুটের। এই চাহিদা পূরণে এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। এছাড়া দ্রুত সময়ে তেল সরবরাহে ঢাকা চট্টগ্রাম পাইপলাই ও কাঞ্চন ব্রিজ থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত পাইপলাইন করা হচ্ছে। সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিংয়ের মাধ্যমে জাহাজ থেকে তেল আনারও জন্য প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

/এসএনএস/এমএনএইচ/

লাইভ

টপ