এবার ভুটানের সঙ্গে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে সমঝোতায় যাচ্ছে বাংলাদেশ

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২২:৩৫, আগস্ট ২৫, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১২:১৬, আগস্ট ২৬, ২০১৯



নেপালের পর এবার ভুটানের সঙ্গে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে সমঝোতা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ভারত-বাংলাদেশ যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের রবিবারের (২৫ আগস্ট) বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামীকাল সোমবার (২৬ আগস্ট) সকালে দু’দেশের বিদ্যুৎ সচিব পর্যায়ের বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানা গেছে।
পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আজকের বৈঠকে অমীমাংসিত বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে নেপালের জিএমআর-এর কাছ থেকে বিদ্যুৎ আমদানি, ভুটানের সঙ্গে এমওইউ সই এবং ত্রিপুরা থেকে আরও ৩৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি আলোচনায় প্রাধান্য পেয়েছে।
বৈঠক সূত্র জানায়, কুমিল্লার ওপর দিয়ে আরও ৩৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানিতে দুই দেশের ওয়ার্কিং গ্রুপ একমত হয়েছে। ত্রিপুরা থেকে এই বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসবে। এখন ত্রিপুরা থেকে ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসছে। এখানেও একটি ব্যাক-টু-ব্যাক সাবস্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে।
ভারতের জিএমআর নেপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে। বিদ্যুৎ বিক্রির বিষয়ে উভয় দেশ একমত হলেও বিদ্যুতের দর নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। ওয়ার্কিং কমিটি এই মতপার্থক্য দূর করার পক্ষে মতামত দিয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে গ্রিড লাইন নির্মাণের রুট সার্ভে প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ভারতের বিদ্যুৎ সচিব সুভাস চন্দ্র গার্গির নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল দু’দিনের সফরে বাংলাদেশ রয়েছে। এ দলে রয়েছেন ভারতের সব থেকে বড় কোম্পানি ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কোম্পানির চেয়ারম্যান অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর (সিএমডি) গুরদীপ সিং। সোমবার সকালে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ভারত-বাংলাদেশ সচিব পর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা।
রবিবার প্রতিনিধি দলের সদস্যরা রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের অগ্রগতি দেখতে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস ভারতের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে ছিলেন। নির্ধারিত সময়ে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে আনার ওপর জোর দিয়েছে প্রতিনিধি দল।
এদিন রামপালে কোম্পানির বোর্ড মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। এ বৈঠকে নির্ধারিত সময়ে কেন্দ্রটি উৎপাদনে আনার পক্ষে উভয় দেশ জোর দেয়।
বৈঠকের একটি সূত্র জানায়, ভারতের পক্ষ থেকে এখন কেন্দ্রটি উৎপাদনে আনার ওপর সব থেকে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে। এখানে আরও একটি ১০০ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু এবারের বৈঠকে এ বিষয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।
বৈঠকে যোগ দেওয়া একজন কর্মকর্তা জানান, রামপাল কেন্দ্রের ৪০ ভাগের বেশি কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্প নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান বিআইএফপিসিএল প্রকল্পের অগ্রগতি তুলে ধরেছে।

/এসএনএস/এইচআই/এমএমজে/

লাইভ

টপ