রফতানিতে ৩৭ পণ্য ও খাত নগদ সহায়তা পাবে

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ০১:৩০, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ০১:৪৩, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯

রফতানি বাণিজ্য

দেশের রফতানি খাতকে উৎসাহিত করতে চলতি অর্থবছরে নগদ সহায়তার খাত ও হার বাড়ানো হয়েছে। গত অর্থবছরে রফতানিতে ৩৫টি পণ্য ও খাতে ভর্তুকি দিয়েছে সরকার। এই অর্থবছরে আগের ৩৫টি পণ্যের সঙ্গে নতুন করে তৈরি পোশাক খাতে ১ শতাংশ বিশেষ নগদ সহায়তা দেবে সরকার। এ ছাড়া, কনজ্যুমার ইলেক্ট্রনিক্স, ইলেকট্রিক্যাল হোম ও কিচেন অ্যপ্লায়েন্স পণ্য খাতে রফতানিতে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে এই অর্থবছরে নগদ সহায়তা পাবে মোট ৩৭টি পণ্য ও খাত। রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশীয় বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তা, বস্ত্র খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অতিরিক্ত সুবিধা, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইইউ ছাড়া নতুন পণ্য বা বাজার সম্প্রসারণ সহায়তা, ইউরো অঞ্চলে বস্ত্র খাতে রফতানিকারকদের জন্য বিদ্যমান ৪ শতাংশের অতিরিক্ত বিশেষ সহায়তা ২ শতাংশ অব্যাহত থাকবে। এসব সুবিধার বাইরে এবার তৈরি পোশাক শিল্পের যেসব রফতানিকারক কোনও নগদ সহায়তা পান না, তাদের জন্য ১ শতাংশ বিশেষ নগদ সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। চামড়াজাত পণ্য, ফার্নিচার, জাহাজ, প্লাস্টিক পণ্য, পেট বোতল-ফ্লেক্স থেকে উৎপাদিত পলিইয়েস্টার স্টাপল ফাইবার, শস্য ও শাকসবজির বীজ, পাটকাঠি থেকে উৎপাদিত কার্বন, পাটজাত পণ্য, আলু, সাভারে চামড়া শিল্প নগরীতে স্থানান্তরিত শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে ক্রাস্ট ও ফিনিশড লেদার, দেশে উৎপাদিত কাগজ ও কাগজজাতীয় দ্রব্য, আগর ও আতর, কৃষিপণ্য, গরু-মহিষের নাড়িভুঁড়ি, শিং ও রগ (হাড় ছাড়া), হালকা প্রকৌশল পণ্য, হালাল মাংস, হিমায়িত চিংড়ি, অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যালস ইনগ্রিডাইয়েন্টস (এপিআই), সফটওয়্যার, আইটিইএস ও হার্ডওয়্যার, অ্যাকুমুলেটর ব্যাটারি, সিনথেটিক, ফেব্রিকস ও মাছ রফতানিতে আগের মতোই নগদ সহায়তা অব্যাহত থাকবে। তবে হোগলা, খড়, আখের ছোবড়া, গাছের পাতা, খোল ও গার্মেন্টসের ঝুট দিয়ে উৎপাদিত পণ্যে নগদ সহায়তা ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। আর পেট বোটল ফ্লেক্স রফতানির বিপরীতে নগদ সহায়তা ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, গত অর্থবছরে যে ৯টি খাত ও পণ্য নগদ সহায়তার আওতাভুক্ত করা হয় সেগুলো হলো– ওষুধ পণ্য, মোটরসাইকেল, সিরামিক দ্রব্য, রেজার ও রেজার ব্লেডস, ফটোভোলটাইক মডিউল, কেমিক্যাল পণ্য (ক্লোরিন, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, কস্টিক সোডা এবং হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড), টুপি, কাঁকড়া ও কুঁচে (হিমায়িত ও সফটসেল, পরিবেশ ও বন বিভাগের ছাড়পত্র গ্রহণ সাপেক্ষে) এবং গলিত শিট। এসব খাতেও নগদ সহায়তা আগের মতোই ১০ শতাংশ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

 

/জিএম/এমএ/

লাইভ

টপ