Vision  ad on bangla Tribune

শুক্রবার শুরু হচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট১৮:৪৭, ডিসেম্বর ৩১, ২০১৫

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার মূল ফটকের কাজ চলছে।বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) আয়োজনে রাজধানীর শের-ই-বাংলা নগরে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০১৬ (ডিআইটিএফ) শুরু হচ্ছে কাল শুক্রবার।
২১তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মেলা চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। মেলা প্রাঙ্গণে বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এ তথ্য দেন।
অন্যান্যের মধ্যে বাণিজ্যসচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান শুভাশীষ বসু, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ ও টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু সালেহ মো. গোলাম আম্বিয়া সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এবারের মেলায় বিশ্বের ২১টি দেশ অংশগ্রহণ করবে। এর মধ্যে নতুন দেশ হিসেবে অংশ নিচ্ছে মরিশাস, ঘানা, নেপালসহ সাতটি। এ ছাড়া বিগত বছরে অংশগ্রহণ করা দেশগুলোর মধ্যে থাকছে ভারত, পাকিস্তান, চীন, মালয়েশিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি, নেপাল, হংকং, জাপান ও আরব আমিরাত।

তিনি জানান, ২০১৮ সালের পর ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা আর শের-ই-বাংলা নগরে হবে না। কারণ ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে পূর্বাচলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার স্থায়ী স্থাপনা করতে যাচ্ছি আমরা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এদিকে এবারের মেলায় নারী উদ্যোক্তাদের স্টল আছে ৩৮টি। গতবার ছিল ২৯টি। এ ছাড়া নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানাতে বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়ন থাকবে। মা ও শিশু কেন্দ্র থাকছে ২টি। প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র থাকছে একটি। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আনসার, পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা থাকবেন। এ ছাড়া মেলা প্রাঙ্গণের বিভিন্ন স্থানে ১০০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা মেলায় যাতায়াত করতে পারবে। এক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রবেশ মূল্য ৩০ টাকা এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য থাকছে ২০ টাকা করে। এবারের মেলায় প্রতিদিন গড়ে এক লাখ দর্শনার্থী উপস্থিত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এ বছর আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ১৩ ক্যাটাগরিতে মোট ৫৫৩টি স্টল ও প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন ৬০টি, জেনারেল প্যাভিলিয়ন ১০টি, রিজার্ভ প্যাভিলিয়ন তিনটি, ফরেন প্যাভিলিয়ন ৩৮টি রয়েছে। এ ছাড়া থাকছে প্রিমিয়ার মিনি প্যাভিলিয়ন ৩৬টি, জেনারেল মিনি প্যাভিলিয়ন ১৩টি, রিজার্ভ মিনি প্যাভিলিয়ন ছয়টি, ফুডস্টল ২৫টি ও রেস্টুরেন্ট পাঁচটি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, গত বছরের মতো এবারও মেলার গেট হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের মতো। মেলায় এবারও থাকছে মা ও শিশুকেন্দ্র, শিশুপার্ক, ইকোপার্ক, ই-শপ, ই-পার্ক, ফুডকোর্ট, পর্যাপ্ত টয়লেট, এটিএম বুথ, মসজিদ, পোস্ট অফিস, প্রতিবন্ধীদের জন্য থাকছে অটিজম সেন্টার, মাদার কেয়ার সেন্টার, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র।

এ ছাড়া ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ ও অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালত থাকবে।

নিরাপত্তার স্বার্থে একই সঙ্গে মেলায় থাকবে পুলিশ, র‌্যাব ও আনসারের পাশাপাশি বিজিবি সদস্য। অগ্নি দুর্ঘটনা এড়াতে থাকবে ফায়ার ব্রিগেডের ব্যবস্থা। এ ছাড়া মেলার চারপাশে থাকছে ১০০টি সিসি টিভি।

মেলায় প্রধান প্রধান পণ্য তালিকায় থাকছে মেশিনারিজ, কার্পেট, কসমেটিক্স, ইলেকট্রিক্যাল, পাটজাত পণ্য, লেদার, স্পোর্টস গুডস, জুয়েলারি সামগ্রী প্রভৃতি।

/এসআই/এফএইচ/

samsung ad on Bangla Tribune

লাইভ

টপ