এসএমই খাতে নারীদের অংশগ্রহণ অর্থনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনছে : আমু

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:১৬, জানুয়ারি ২১, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ২১:৪০, জানুয়ারি ২১, ২০১৬

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুশিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন,আমাদের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। আঞ্চলিক অর্থনীতি জোরদারে এসএমই খাতে কর্মরত নারী জনগোষ্ঠীর ভূমিকা উল্লেখ করার মতো। এশিয়ার দেশগুলোর ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পায়নে নারীদের অংশগ্রহণ ক্রমেই জোরদার হচ্ছে।বিশেষ করে,এসএমই খাতের নারীদের সংশ্লিষ্টতা আঞ্চলিক অর্থনীতিতে গুণগত পরিবর্তন এনেছে।
রাজধানীর স্থানীয় একটি হোটেলে বৃহস্পতিবার ‘দক্ষিণ এশিয়া ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তা সম্মেলন- ২০১৬' শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন,দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক অর্থনীতিতে এসএমই একটি উদীয়মান শিল্প খাত। এ অঞ্চলের দেশগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান, নারীর ক্ষমতায়ন এবং রফতানি আয়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
তিনি বলেন,দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ৭০ শতাংশই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) নিয়ন্ত্রণ করে।আর ৯০ শতাংশ শিল্প ও ব্যবসা এসএমই খাতের আওতাভুক্ত।
সাউথ এশিয়ান কান্ট্রিজ এসএমই ফোরাম'র প্রেসিডেন্ট মির্জা নূরুল গণি শোভন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন-ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্য সচিব রাজিভা সিংহা, নাসিব উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মমতাজ উদ্দিন আহমেদসহ ফোরামের নেতারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী বলেন,‘এটি একটি শ্রমঘন শিল্প খাত। দক্ষ কারিগর, পণ্য বৈচিত্র্যকরণ, মূল্য সংযোজন ও  সমৃদ্ধ সংস্কৃতির ফলে এশিয়া অঞ্চলের এসএমই পণ্য গুণগতমান ও মূল্যের বিচারে বিশ্ব বাজারের প্রতিযোগিতায় দাপটের সঙ্গে টিকে থাকার যোগ্যতা অর্জন করেছে।
আমির হোসেন আমু বলেন,আমরা জাতিসংঘ ঘোষিত সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছি। এখন আমরা টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে এগিয়ে চলছি। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এসএমই খাতকে আরও সুসংহত ও নারীবান্ধব করা জরুরি। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগ ও অংশগ্রহণ টেকসই এসএমই খাত গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে, বলেন শিল্পমন্ত্রী।
এ সময় তিনি উল্লেখ করেন,দক্ষিণ এশিয়া ১.৭ বিলিয়ন মানুষের বিশাল বাজার। এককভাবে পৃথিবীর অন্য কোনো অঞ্চলে এত মানুষের বসতি নেই। পৃথিবীর উচ্চ প্রবৃদ্ধির অর্থনীতির মধ্যে এ অঞ্চল অন্যতম। অথচ এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে আন্তঃবাণিজ্যের পরিমাণ মোট রফতানি আয়ের মাত্র ৫ ভাগ। পাশাপাশি চরম দারিদ্র্য, অশিক্ষা, রোগ-ব্যাধি, সামাজিক অস্থিরতা এ অঞ্চলের উন্নয়নের পথে চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।
আমরা যদি নিজেদের মধ্যে বিদ্যমান আন্তঃবাণিজ্যের সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারি,তাহলেই আমাদের রফতানি কয়েকগুণ বেড়ে যাবে,’ বলেন আমু।

/এসআই/ এমএসএম

লাইভ

টপ