behind the news
Vision  ad on bangla Tribune

মংলায় শুল্কায়ন জটিলতায় আটকে আছে ১২শ’ গাড়ি: বারভিডা

খুলনা প্রতিনিধি১৮:৩৪, মার্চ ২৩, ২০১৬

বারভিডাশুল্কায়ন জটিলতার কারণে বাগেরহাটের মংলা বন্দরে বর্তমানে ১ হাজার ২৫১টি গাড়ি আটকে আছে। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় চারশ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা)।
বুধবার দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংগঠনটির সভাপতি আব্দুল হামিদ শরীফ।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল হামিদ তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, মংলা বন্দরে বিপুল সংখ্যক গাড়ি আটকে থাকার কারণে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে অনেক আমদানিকারকের ব্যবসা। এ সময় নিয়মিত ব্যাংক সুদ এবং বন্দর শুল্ক পরিশোধ করতে হওয়ায় ব্যবসায়ীরা লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন,বন্দর থেকে গাড়ি ছাড়করণ শুরু না হওয়ায় সরকারও শত কোটি টাকার রাজস্ব আদায় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়,৪৫ শতাংশ অবচয়নে ২০০৬ সালের (আটকে থাকা গাড়ি) তৈরি একটি প্রোবক্স গাড়ির শুল্ককর দিতে হচ্ছে ৯ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। অন্যদিকে ২০১১ সালের তৈরি একই মডেলের গাড়ির (২০১৫ সালে আমদানিকৃত) শুল্ককর দিতে হয় ৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। মূলত মুদ্রা বিনিময় হারের ব্যাপক তারতম্যের কারণে শুল্ককরের বিপুল পার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা মনে করছে।
আব্দুল হামিদ বলেন, গাড়ি আমদানিকারকদের এ সমস্যা দ্রুত সমাধান না হলে বন্দরে আটকে থাকা গাড়ি বাজারজাত করা সম্ভব হবে না।
এ সময় সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর জারিকৃত অনুশাসনের দ্রুত বাস্তবায়ন,শুল্কায়ন জটিলতার অবসান ও ৮০ শতাংশ অবচয় বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়। অন্যথায় পরবর্তী কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হবে  বলে জানান বারভিডার সভাপতি আব্দুল হামিদ শরীফ।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বারভিটার সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্দুল হক, নির্বাহী কমিটির সদস্য শাহ সেলিম টিপু, আবু হোসেন মিয়া, আনিসুর রহমান, শাহ আলম, বাগেরহাট ৩ আসনের সংসদ সদস্য তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে জবাবে সংসদ সদস্য তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, মংলা বন্দর সচল রাখতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। তাই অবিলম্বে ব্যবসায়ীদের সমস্যার সমাধান করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

অন্যদিকে, মংলা বন্দর ব্যবহারকারী সমন্বয় পরিষদের মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো. সাইফুল ইসলাম এ শুল্ককরের পার্থক্য তৈরির পেছনে কাস্টমস কমিশনার আল আমিনের অসাধুতা, অনৈতিক আচরণ ও অনিয়মকেই দুষেছেন।

/এইচকে/এসএনএইচ/টিএন/

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

IPDC  ad on bangla Tribune
টপ