behind the news
Vision  ad on bangla Tribune

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরিদুই নাগরিকের সম্পৃক্ততার বিষয়ে চীনের ‘না’

বাংলা ট্রিবিউন ডেস্ক০৪:১১, এপ্রিল ০৭, ২০১৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ চুরিবাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির পেছনে চীনা হ্যাকারদের হাত রয়েছে,ফিলিপাইনের এমন ধারণা প্রত্যাখ্যান করেছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র ফিলিপাইন সিনেটর রালফ রেক্তোর এই বক্তব্যকে ‘একেবারে ফালতু’ বলে মন্তব্য করেছেন।
ব্যাংকিং খাতের অন্যতম বড় এই চুরির ঘটনায় চীনা হ্যাকারদের ‘জড়িত থাকার সম্ভাবনা’র বিষয়ে রয়টার্সকে জানানো প্রতিক্রিয়ায় চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই মুখপাত্র লু কাংক বিষয়টিকে ফিলিপাইনের তদন্ত কমিটির ‘দায়িত্বজ্ঞানহীনতা’ বলেও আখ্যায়িত করেন।
তবে সিনেট তদন্তের শুনানিতে রিজার্ভ চুরির অন্যতম সন্দেহভাজন ব্যবসায়ী কিম অং জানিয়েছিলেন, রিজার্ভ চুরির পেছনে দুই চীনা জাংকেট এজেন্ট রয়েছেন। বেইজিংয়ের শুহুয়া গাও এবং ম্যাকাওয়ের ডিং জিজে নামে ওই দুই চীনা  নাগরিক জালিয়াতির ৮১ মিলিয়ন ডলার ফিলিপাইনে স্থানান্তর করেন।
রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ নিয়ে সিনেটর রালফ রেক্তো বলেন, শুহুয়া গাও এবং ডিং জিজে নামের ওই দুই হ্যাকার যেখানেই থাকুক না কেন সিনেটের তদন্ত কমিটি তাদের খুঁজে বের করতে চীন সরকার কাছে সহায়তা চাইতে পারে। সন্দেহভাজন এই দুই এজেন্ট বর্তমানে ম্যাকাওয়ে রয়েছেন বলেও ধারণা করেন সিনেটর রেক্তো।
প্রসঙ্গত, ফিলিপাইনের ব্লু রিবন কমিটির সদস্য সিনেটর রালফ রেক্তো রিজার্ভ চুরির বিষয়ে গত মঙ্গলবারের সর্বশেষ শুনানিতে বলেন, অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে রিজার্ভ চুরির ঘটনাটি কোনও ফিলিপাইন হ্যাকারের কাজ নয়, চীনা হ্যাকাররা এটা করে থাকতে পারে। তবে কেন তিনি চীনা হ্যাকারদেরই সন্দেহের তালিকায় রাখছেন সে বিষয়ে শুনানিতে বিস্তারিত বলেননি।
উল্লেখ্য, হ্যাকারদের একটি গ্রুপ চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ চুরি করে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কোড ব্যবহার করেই ওই অর্থ চুরি করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, হ্যাকাররা বাংলাদেশ ব্যাংকের সিস্টেম এবং সুইফট কোড কন্ট্রোলে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে ৩০টি পেমেন্ট অ্যাডভাইজ পাঠায় ফিলিপাইনের স্থানীয় ব্যাংকে স্থানান্তরের জন্য। এর মধ্যে ৪টি অ্যাডভাইজ অনার করে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক। যার মাধ্যমে মোট ৮১ মিলিয়ন ডলার (৮ কোটি ১০ লাখ ডলার) ফিলিপাইনে সফলভাবে পাচার করতে সক্ষম হয় হ্যাকাররা।

 

এমও/এমএসএম

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

টপ