৭৫ শতাংশ তামাকজাত পণ্যে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী নেই

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৯:৪৫, এপ্রিল ১৯, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৩০, এপ্রিল ১৯, ২০১৬

তামাকজাত পণ্যদেশের ৭৫ শতাংশ তামাকজাত পণ্যে স্বাস্থ্য সতর্কবাণী নেই।বিড়ির প্যাকেটে সতর্কবাণী মুদ্রণের হার শূন্য। সিগারেট উৎপাদনকারী ছয়টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চারটি স্বাস্থ্য সতর্কবাণী ছাড়া সিগারেট বাজারজাত করছে। ১০০টি জর্দা কারখানার মধ্যে মাত্র ১৪টি এবং ১৩টি গুল কারখানার মধ্যে মাত্র একটি কারখানা সতর্কবাণী প্রকাশ করেছে। ৮৮টি বিড়ির প্যাকেটের একটিতেও সতর্কবাণী মুদ্রিত নেই।
মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী বাস্তবায়ন বিষয়ক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।
গত ১৯ মার্চ থেকে তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কে শতকরা ৫০ শতাংশ জুড়ে রঙিন ছবি ও লেখা সংবলিত স্বাস্থ্য সতর্কবাণী দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়। কিন্তু দেশের আটটি বিভাগীয় শহরের ১ হাজার ৪৮৫টি সিগারেট, বিড়ি, জর্দা ও গুলের প্যাকেট পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়,প্রায় ৭৪ দশমিক ৮ শতাংশ প্যাকেটে স্বাস্থ্য সতর্কবাণী মুদ্রিত নেই।

আরও পড়ুন: তাপদাহ আরও কয়েকদিন চলবে

তামাকবিরোধী সংগঠনগুলোর পক্ষে সাতটি প্রতিষ্ঠান এসিডি, আহ্ছানিয়া মিশন, সীমান্তিক, উবিনীগ, ইনসা, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এবং ইসি বাংলাদেশ এই গবেষণায় সহায়তা করেছে। গবেষণাটি পরিচালনা করেছে বেসরকারী গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘প্রজ্ঞা’।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিসের দেশীয় পরামর্শক শফিকুল ইসলাম,ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডসের গ্রান্টস ম্যানেজার মাহফুজুল হক ভুঁইঞা প্রমুখ।
প্রতিবেদনে তামাকজাত পণ্যের ৫০ শতাংশ জুড়ে স্বাস্থ্য সতর্কবাণী দেওয়া বাধ্যতামূলক করা, তামাক কোম্পানিগুলোকে জরিমানা করা, মোবাইল কোর্টের সংখ্যা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সুপারিশ  তুলে ধরা হয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি আবদুল মালিক বলেন, তামাকজাত পণ্যের কোম্পানিগুলো অনেক শক্তিশালী। তার চেয়েও বড় কথা, ধূমপানের আসক্তি থেকে মুক্তি সময়সাপেক্ষ। সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরক্ষর মানুষের জন্য এই স্বাস্থ্য সতর্কবাণী দেওয়াটা তাই অনেক জরুরি।

আরও পড়ুন: ‘অনিবন্ধিত সিম চিরতরে বন্ধ করা হবে’


বেসরকারি সংস্থা দ্য ইউনিয়নের টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার সৈয়দ মাহবুবুল আলম বলেন, দেশের ১৫ থেকে ২৫ বছর বয়সী মানুষের প্রায় ৩০ শতাংশ যুবক। সামাজিক স্ট্যাটাস বাড়াতে, বন্ধুদের কাছে স্মার্টনেস দেখানোর জন্য তারা কমবেশি ধূমপান করে।
কিন্তু তামাক উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো বিভিন্ন কৌশলে সরকারের আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সতর্কবাণী প্রকাশ করছে না।

 

/এসআই/এমএসএম/  

লাইভ

টপ