টাকা ফেরত আনতে ফিলিপাইন চাইলে মামলা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক

Send
বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশিত : ২০:৪৭, এপ্রিল ১৯, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ২০:৪৯, এপ্রিল ১৯, ২০১৬

রিজার্ভের অর্থ চুরিবাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের চুরি যাওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে ফিলিপাইন চাইলে প্রয়োজনে মামলা করা হবে। এজন্য সব তথ্য-প্রমাণ দিতেও প্রস্তুত রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।  ‘উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণ দিতে না পারলে কিংবা মামলা না করলে বাংলাদেশ অর্থ ফেরত পাবে না’ ফিলিপিন্সের এন্টি মানিলন্ডারিং কাউন্সিলের এমন মন্তব্যের পর মঙ্গলবার বিকেলে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকালে ফিলিপাইনের সিনেটের ব্লু রিবন কমিটির শুনানিতে এন্টি মানিলন্ডারিং কাউন্সিল-এএমএলসি জানিয়েছে, রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনায় উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণ দিতে না পারলে কিংবা মামলা না করলে বাংলাদেশ অর্থ ফেরত পাবে না।
শুভঙ্কর সাহা বলেন, টাকা ফেরত আনতে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা ও আইনগত দুইভাবেই চেষ্টা করা হচ্ছে। অর্থ ফেরত আনতে যদি মামলা করতে হয়, তাহলে দেশের স্বার্থে মামলা করা হবে। এজন্য রিজার্ভ চুরির সব তথ্য-প্রমাণ দিতে প্রস্তুত রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তিনি বলেন, টাকা ফেরত পেতে সময় লাগলেও আমরা সব টাকা ফেরত পাবো বলে আশাবাদী। তবে টাকাটা কিভাবে ফেরত পাব সেটাই এখন দেখার বিষয়।
এদিকে, চুরি হওয়া অর্থের আরও ৪৪ লাখ ডলার ফিলিপাইন্সের এন্টি মানিলন্ডারিং কাউন্সিল-এএমএলসিকে ফেরত দিয়েছেন কিম অং। এ পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ডলার ফেরত দিলেন কিম অং। আরও ৫৪ লাখ ডলার ফেরত দেওয়ার কথা রয়েছে তার। এর আগে গত ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত পঞ্চম দফার শুনানিতে উঠে আসে জড়িত বেশ কয়েকজনের নাম। এর মধ্যে রয়েছেন, আরসিবিসি’র জুপিটার শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক মায়া দেগুইতো, অ্যাঞ্জেলা তোরেস, আরসিবিসি’র আঞ্চলিক বিপণন কর্মকর্তা ব্রিগিত্তে ক্যাপেনা ও নির্বাহী সহ-সভাপতি রাউল তান, আরসিবিসির চেয়ারম্যান লরেনজো তান, চীনা ব্যবসায়ী কিম অং, ওয়েক্যাং জু, উইলিয়াম গো এবং ক্যাসিনো অপারেটর দিং ও গাও। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট সালুদ বাতিস্তা ও তার স্বামী মাইকেল কনকন বাতিস্তার জড়িত থাকার কথাও উঠে আসে শুনানিতে। এদিকে, সোমবার বাংলাদেশের সিআইডি’র পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রিজার্ভ চুরির ঘটনায় বিদেশি ২০ নাগরিকের সম্পৃক্ততা রয়েছে।

/জিএম/ এএইচ/

লাইভ

টপ