যেভাবেই তুমি সকাল দেখো, সূর্য কিন্তু একটাই

Send
সাইফুর মিশু
প্রকাশিত : ১৩:৫৬, জুলাই ১০, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:২৮, জুলাই ১০, ২০১৬

সাইফুর মিশুসম্প্রতি দেশের অভ্যন্তরে একাধিক জঙ্গি হামলা নিয়ে আমার ব্যক্তিগত মতামত, দেশের স্বার্থেই এই সময়টা খুব একাতাবদ্ধ থাকার, আমরা একে অপরকে দোষারোপ করে বরং সময়মত সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া থেকে নিজেদের বিরত রাখছি এবং এর সুফল ভোগ করছে দেশ বিরোধী অপশক্তি।
প্রথমেই সরকার তথা যেই দলের নেতৃত্বে এই বাংলাদেশ স্বাধীনতা পেয়েছে সেই দল এবং দেশের অন্য বড় রাজনৈতিক দলগুলোর কিছু বিষয় উল্লেখ করবো। এসব আসলে ভুল নয়, আমার দৃষ্টিতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে দূরদর্শিতার অভাব রয়েছে। একথা সত্যি যে, বাংলাদেশে জঙ্গি আছে। তারা হোক দেশি, হোক বিদেশি। হোক ছোট, হোক বড় সংগঠন এদের মূল লক্ষ্য যাই হোক, প্রথম লক্ষ্য হলো দেশের ক্ষমতা দখল করা। এই লক্ষ্যটির কারণে স্বাধীনতার বিরোধী শক্তির এবং এক বা একাধিক রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে তারা হয়তো কোনও রকম প্রশ্রয় পাচ্ছে। সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলাগুলো এবং তার পরবর্তী অবস্থা বিশ্লেষণে এমনটাই ধারণা পাওয়া যায়। যেমন- যেই মুহূর্তে আমাদের দেশের ১৬ কোটি মানুষের একতাবদ্ধ থাকার কথা, ঐক্যবদ্ধভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার কথা, সেই সময়ে আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলছেন নির্বাচনের কথা। দেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক দল যদি সত্যিই জনগণের কল্যাণের কথা ভেবে থাকে তবে এই মুহূর্তে নির্বাচনের চেয়ে আরও অনেক বেশি গুরুত্ত্বপূর্ণ কিছু করার আছে।
জঙ্গিবাদ কোনও সাধারণ সন্ত্রাসী কিংবা চাঁদাবাজির মতো সমস্যা নয়। এই সমস্যাটি আদর্শিক। তাই আদর্শিক চিন্তা চেতনার বিকাশের মাধ্যমেই এর সমাধান করতে হবে। আমরা জানি এবং এমন অনেক প্রমাণ পাওয়া যাবে যে যখন যেই দল রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসীন থাকে তখন আঞ্চলিক নেতৃবৃন্দের কিছু অনিয়ম এবং দুর্নীতির কারণে সরকারি দল স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয়তা হারায়। এই মুহূর্তে যেহেতু দেশের জঙ্গিবাদের সমস্যা স্বাধীনতার পরে অন্য যেকোনও সময়ের চেয়ে কিছুটা হলেও নাজুক অবস্থায় আছে এই অবস্থায় সরকারি দলের কাঁধে দায়িত্ব কিছুটা বেশিই পড়ে।
এই দায়িত্ব কেমন হতে পারে। এই দেশটি স্বাধীন করতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কী করেছিলেন? জাতিকে সুর্নিদিষ্টি কিছু দিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে। একটি জাতির যে কোনও দুর্যোগের সময় এমন সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা যিনি দিতে পারেন তিনিই নেতা। অন্যরা পদধারী হতে পারেন, তবে যোগ্য নেতা হয়ে উঠেন না। একটু পেছনে ফিরে দেখে নিই বঙ্গবন্ধুর সেই কালজয়ী ভাষণের সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা সমূহঃ

‘প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলো এবং তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো।‘

‘রিকসা, ঘোড়ারগাড়ি, রেল চলবে, লঞ্চ চলবে- শুধু... সেক্রেটারিয়েট, সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, জজকোর্ট, সেমি গভর্নমেন্ট দফতরগুলো, ওয়াপদা কোনও কিছু চলবে না। ২৮ তারিখে কর্মচারীরা যেয়ে বেতন নিয়ে আসবেন। এরপরে যদি বেতন দেওয়া না হয়, আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার লোককে হত্যা করা হয় - তোমাদের কাছে আমার অনুরোধ রইলো, প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো। তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে...’

এই কথাগুলোকে বলা হয় সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা। এমন দিক নির্দেশনা পেলে সাধারণ জনগণ বুঝতে পারে তাকে কী করতে হবে। অপ্রিয় হলেও সত্য আমরা বর্তমান সমস্যা মোকাবিলায় এমন সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা পাইনি এখন পর্যন্ত। বঙ্গবন্ধুর ভাষণের উদাহরণ মানেই দেশে যুদ্ধাবস্থা নয়, তবে এই জঙ্গিরা আমাদের দেশের বিরুদ্ধে এক ধরনের যুদ্ধেই লিপ্ত, সেকারণে আমাদের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়েই এই প্রতিকারের কথা ভাবতে হবে। পত্রিকা মারফত জানতে পেরেছি সরকারি দলের মুখপাত্র মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জনাব নাসিম সারা দেশের আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের নিয়ে কমিটি গঠনের কথা বলেছেন। তবে এক্ষেত্রে শুধুমাত্র দলীয় নেতাকর্মী দিয়ে এমন সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। অন্তত জঙ্গিবাদের ভয়াবহ উত্থান হয়েছে এমন অন্য দেশগুলোর দিকে তাকালে তাই প্রমাণিত হয়।
এবার আসি, যেহেতু কিছু একটা নির্দেশনার আভাস পেয়েছি জনাব নাসিমের কথায় প্রশ্ন কাদের পেছনে ঐক্যবদ্ধ হবে সাধারণ মানুষ? কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ কি খবর রেখেছেন স্থানীয় পর্যায়ে নানা রকম কু-কর্ম ঘটিয়ে সরকারকে কতটা অজনপ্রিয় করে রেখেছেন আমাদের আঞ্চলিক নেতৃবৃন্দ? দেশের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক দল হিসেবে তার পরিসংখ্যান থাকার কথা দলের হাই কমান্ডের কাছে। আমি একজন সামান্য মুক্তিযোদ্ধা সন্তান হিসেবে বলতে পারি, আমার এলাকায় যদি স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা সাধারণ জনগণকে এমন আহবান করেন তাতে দলীয় লোকজনের বাইরে খুবই কমসংখ্যক লোকজন তাতে কর্ণপাত করবেন। এর জন্য কোনওভাবেই সরকারকে দোষারোপ করা যায় না। বর্তমান সরকার বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি আন্তরিকতার সঙ্গে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে এই কথা যে কেউ স্বীকার করতে বাধ্য হবে। সমস্যা স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে নিয়ে। তারা তাদের নানা রকম অপকর্মের মাধ্যমে জনগণকে ভীষণ মাত্রায় দূরে সরিয়েছেন যার কারণে বর্তমানে জঙ্গিবাদের সমাধানে সাধারণ জনগণের সম্পৃক্ততা আশা করলেও তা সর্বক্ষেত্রে পাওয়া কঠিন হবে বলে ধারণা করি। এক্ষেত্রে ঘুরে ফিরে আমাদের শেষ ভরসাস্থল সেই বঙ্গবন্ধু কন্যার দিকেই তাকাতে হয়। তিনি যদি এই মুহূর্তে স্থানীয় দুর্নীতিবাজ নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেন তবে দলের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরে আসার একটি ভালো সম্ভাবনা দেখা দেবে। এবং প্রতিটি এলাকায় যোগ্য, সৎ এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এমন নেতৃবৃন্দকে সামনে নিয়ে আসলে ৬৯ কিংবা ৭০ এর মতো নিরঙ্কুশ জনসমর্থন নিয়ে জঙ্গিবাদ মোকাবিলা করা খুব কঠিন কিছু হবে না বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্য।
এবার আসি আমাদের সাধারণ মানুষের কিছু ভুল বিবেচনা তথা চিন্তা-চেতনার কথায়।
আমাদের সাধারণ জনগণকে আসলে ৭৫ এর পরে দীর্ঘ একটি সময় ধরে এতটাই বিভক্ত করা হয়েছে যে, আজকাল দেশের স্বার্থের পক্ষে কোন কথাও তাদের কাছে রাজনীতির মতন শোনায়। ধরুন কেউ একজন সরকারীরি জমিতে একটি অবৈধ স্থাপনা তৈরি করছে। কেউ একজন ‌যদি তাকে যেয়ে জিজ্ঞেস করেন, ‘সরকারি জমিতে আপনি এটা করছেন কেন, এতো অবৈধ।’ সে প্রথমেই জবাবে জানতে চাইবে প্রশ্নকর্তার রাজনৈতিক পরিচয়। অথচ দেশের স্বার্থে এগিয়ে আসার জন্য কোন দলীয় পরিচয় থাকার কথা ছিল না। এই অভ্যাসটি আমাদের মাঝে একদিনে ঢুকেনি। সবকিছুতেই রাজনীতিকরণের ফল এটি। আমি দেশের বাইরে থাকি, দীর্ঘদিন যাবত মুক্তিযুদ্ধ এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ব্যাপারে সোচ্চার এবং সক্রিয় কর্মকাণ্ডের কারণে আমার অনেক বন্ধুবান্ধব এবং আত্মীয়রা একটি নির্দিষ্ট দলের কর্মী/নেতা ভেবে বসে আছেন। আমাকে আমার স্কুলের সহপাঠীর কাছে এও শুনতে হয়েছে যে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক কোনও সুবিধা পাওয়ার আশায় আমি যুদ্ধাপধারীধের বিচারের ব্যাপার সোচ্চার। এমন মানসিকতা শুধু আমার বন্ধুমহলে নয়, সারাদেশেই আছেন এমন ধারণা পোষণকারী লোকজন। এদের মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে একাত্তর মানেই রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধ মানেই একটি নির্দিষ্ট দলের সম্পত্তি, বঙ্গবন্ধু মানেই আওয়ামী লীগ। অথচ ত্রিশ লক্ষ শহীদের প্রাণের বিনিময়ে স্বাধীন এই দেশের অবস্থা হওয়ার কথা ছিল ভিন্ন। এই দেশে অন্তত এই প্রাথমিক ব্যাপারগুলোতে হওয়ার কথা ছিল ঐক্যমত। দেশের প্রতিটি তরুণ মুক্তিযুদ্ধ বলতে বোঝার কথা ছিল আমাদের সার্বিক মুক্তি। বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। যাই হোক, জঙ্গিবাদের সমস্যাকেও ঠিক একইভাবেই দেখছে আমাদের সাধারণ মানুষ। যে আওয়ামী লীগ করে যে বিএনপি করে সবাই নিজ নিজ দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকেই দেখছে এই সমস্যাটিকে। কেউ এটিকে বিরোধী দলের ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছে তো, কেউ দেখছে সরকারের সাজানো নাটক হিসেবে।
জঙ্গিবাদকে এভাবে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করে আমরা সাধারণ মানুষ ভীষণ ভুল করছি। এর কারণে সাধারণ মানুষরা বিভ্রান্ত হচ্ছেন। তারা ভাবছেন দুই দলের মারামারির মাঝে আমাদের ঢুকার প্রয়োজন নেই। অথচ এই দুই দলের কর্মীরা এবং সাধারণ মানুষরা একটু জানার চেষ্টা করছে না জঙ্গিবাদের শিকার অন্য দেশগুলোর ইতিহাস। সেসব দেশে শুরুটা কিভাবে হয়েছিল। এদেরকে প্রশ্রয় দিয়ে মাথায় তুললে এরা যে আর আওয়ামী লীগ-বিএনপি বুঝবে না। এই সাধারণ সত্যটুকু অনুধাবন করছে না আমাদের সাধারণ মানুষ তথা রাজনীতি বিদ্বেষী ব্যক্তিরা। কেউ একজন রাজনীতি অপছন্দ করতেই পারেন। তবে জঙ্গিবাদকে প্রশ্রয় দিয়ে আপনি কোনও রাজনৈতিক দল নয়, আপনার সন্তানকে বেড়ে ওঠার জন্য একটু সুন্দর দেশ উপহার দেওয়ার রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন আপনি নিজেই।
আমাদের মাঝে যারা এখনও কোন জঙ্গির পারিবারিক পরিচয়ের সাথে সরকার দলীয় সম্পৃক্ততা প্রকাশ পেলে খুশীতে বগল বাজিয়ে এটাকে সরকারের সাজানো নাটক বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন তারা কি নিজ পরিবারের কেউ আক্রান্ত হলে একইভাবে ভাবতে পারবেন? আবার যারা, এটাকে নেহায়েত বিরোধী দলীয় ষড়যন্ত্র বলেই সমস্যার গভীরতা অনুধাবনে ব্যর্থ হচ্ছেন তারা একবার ভেবে দেখবেন, এই সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করার পরে কোন দেশে তারা ওই দেশের কোনও দলকে ক্ষমতায় বসায়নি! চলমান সরকার উৎখাত করার চিন্তায় মশগুল হয়ে যদি কোনও রাজনৈতিক দল মনে করে এই সরকার উৎখাত করতে পারলেই ক্ষমতায় যাবেন তারা, তবে ভীষণ ভুল সমীকরণ কষছেন তারা জঙ্গিবাদের উত্থানকে প্রশ্রয় দিয়ে সরকার উৎখাত করা গেলেও জঙ্গি গোষ্ঠীরা অন্য কাউকে ক্ষমতায় বসায় না।
সর্বশেষ কথা আমাদের দেশের সাধারণ কিছু দেশ পাগল ছেলে মেয়েকে নিয়ে। আমাদের এই দেশটি ত্রিশ লক্ষ শহীদের প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত। এবং এই স্বাধীনতা সে সময়ের বিশ্বের অন্যতম একটি আধুনিক সেনা বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে অর্জিত। ত্রিশ লক্ষ প্রাণ দিয়ে যদি আজ থেকে ৪৫ বছর আগে এই দেশকে শত্রুমুক্ত করা সম্ভব হয় তবে ২০১৬ সালে এসে কত তরুণ এই বাংলা মায়ের সম্ভ্রম রক্ষায় নিজের প্রাণ দিতে প্রস্তুত থাকতে পারে তা একবার ভাবলেও কারও সাহস হওয়ার কথা নয় এই দেশের দিকে চোখ তুলে তাকানোর।
আমি হলফ করে বলতে পারি, এই দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর হামলা হলে এই দেশে মাতৃকার এত সন্তান প্রস্তুত যারা শুধুমাত্র লাইন ধরে দাঁড়িয়ে গেলেও সকল দেশবিরোধী অপশক্তি মুহূর্তেই উড়ে যাবে। এই বিশ্বাস আমাদের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি আছে আমাদের যে কোনও পেশাদার বাহিনীর। একারণেই তারা এখনও যেকোনও দুর্যোগে নিজেরাই বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে যান জনসাধারণের জানমাল রক্ষায়।
একটি কথা বলেই ইতি টানছি, সময়টা এখন কারও ভুল ধরার নয়, সময়টা এখন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে আমাদের এই পবিত্র মাটি রক্ষা করার।
গুলশান এবং শোলাকিয়া হামলার ঘটনাসহ অন্য সকল জঙ্গি হামলায় নিহত সকল পুলিশ এবং সাধারণ মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা।

লেখক: প্রকৌশলী, সুইডেন।

আরও পড়তে পারেন: মুক্তিযুদ্ধ করা বাংলাদেশ আইএসকে ভয় পায় না

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ