শিল্পী-কলাকুশলীদের আন্দোলন ও কিছু কথা

Send
রবিউল করিম
প্রকাশিত : ১৮:৩৯, ডিসেম্বর ০৮, ২০১৬ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:৫৬, ডিসেম্বর ১৮, ২০১৬

রবিউল করিমফেডারেশন অব টেলিভিশন প্রফেশনালস অর্গানাইজেশন (FTPO) ‘শিল্পে বাঁচি, শিল্প বাঁচাই’ স্লোগানকে সামনে রেখে গত ৩০ নভেম্বর ৫টি ও ৪ ডিসেম্বর ৮টি দাবি জানিয়েছে। সব ক’টি দাবিই হয় টেলিভিশন কিংবা সরকারের কাছে। অনেকটা দ্বিধা নিয়েই বা সুস্পষ্ট কোনও ধারণা কিংবা কোনও আলোচনাই ছাড়াই যে এই আন্দোলন শুরু করেছিলেন তারা, তা বোঝা যায় পরবর্তী সময়ে ৮টি দাবি যুক্ত হওয়ায়। যাই হোক, প্রথমেই এই আন্দোলনের যে বিষয়টি দৃষ্টিকটু লেগেছে তা হলো, ‘শিল্পে বাঁচি, শিল্প বাঁচাই’ স্লোগানটি! কেন তারাই শুধু শিল্পে বাঁচে আর শিল্প বাঁচায়? সমাজের যারা লেখক, চিত্রশিল্পী, মৃৎশিল্পী, গায়ক—তারা কি তবে শিল্পে বাঁচে না? আর তারা কি কখনও বলে যে, তারা শিল্প বাঁচায়? বস্তুতপক্ষে শিল্প তো বাঁচে ভোক্তার কারণে। গায়ক গাইলো কেউ শুনলো না, শিল্পী ছবি আঁকলো কেউ দেখলো না, লেখক লিখলো, কেউ পড়লো না, তবে কি শিল্প বাঁচবে? এইরকম আত্মশ্লাঘা, দম্ভ নীচুতারই পরিচায়ক। যদি তারা নিজেরাই শিল্পকে বাঁচাতে পারতেন, তবে তো আর তাদের আন্দোলন করতে হতো না।
যাই হোক, পেশকৃত দাবিগুলোর কয়েকটি নিয়ে আমার ব্যক্তিগত অভিমত হলো :
ক) আপনারা বলছেন, বাংলায় ডাবকৃত সিরিয়াল বেসরকারি টেলিভিশনগুলো প্রচার করে একটা ভয়ঙ্কর লঙ্কাকাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেছে। কিন্তু কেন সরকারি চ্যানেল নয়? তার কোনও উত্তর আমরা পাই না। ২০১১ সালে নেইলসন মিডিয়া ও ডেমোগ্রাফিক সার্ভে অনুযায়ী আমরা জানি, সর্বাধিক দর্শক বিটিভি দেখে। তাহলে সেই দর্শকদের জন্য কি তারা ভাবিত নন? যেখানে তারা বলার চেষ্টা করছেন যে, ওইসব সিরিয়াল বা অনুষ্ঠান প্রচারের ফলে আমরা আমাদের সংস্কৃতি ভুলে যেতে বসেছি, বিদেশি-অপসংস্কৃতিকে আপন করে নিচ্ছি। তাহলে প্রশ্ন থাকে, আপনাদের আন্দোলন কি শুধু শহুরে শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর জন্য? গ্রামের অর্ধশিক্ষিত, অশিক্ষিত বিশাল সেই জনগোষ্ঠীর কথা যদি আপনাদের ভাবনায় না থাকে, তবে কিভাবে আপনারা শিল্পের নিয়ন্ত্রক হবেন? ‘শিল্প বাঁচাই’ হবেন? আর বিদেশি সিরিয়াল বা অনুষ্ঠান যদি আমাদের সংস্কৃতিকে আঘাত না করে, আমাদের সমৃদ্ধ করে তবে আপনাদের আপত্তি থাকবে কেন? তাও বোধগোম্য নয়? ধরুন, ডিসকভারি, হিস্টরি, ন্যাশনাল জিওগ্রাফি চ্যানেলের কোনও অনুষ্ঠান ডাব করে প্রচারিত হলে আপনাদের আপত্তি থাকবে? বিটিভিতে তো আগে, ম্যাকগাইভার, ওশিন-এর মতো সিরিয়াল প্রচার করা হতো। এখন যদি ওই রকম সিরিয়াল ডাব করে প্রচার করা হয়, তবে কি আপনাদের আপত্তি থাকবে? কিংবা ডাবকৃত শিশুতোষ অনুষ্ঠানগুলোর কি হবে? বিদেশি সাহিত্য অনুবাদের কথা উল্লেখ করলাম না এ কারণে যে, আপনারা শুধু টেলিভিশন শিল্পী ও কলাকুশলী। আপনাদের এসব বলে লাভ নেই। তবে মঞ্চের কথা তো বলতে পারি, ভিনদেশি নাটকের মঞ্চায়নের কি হবে? এভাবে ঢালাওভাবে বন্ধ শব্দটা কতখানি যৌক্তিক, তা ভেবে দেখতে অনুরোধ করি।

এটা অনুমান করতে অসুবিধা হয় না যে, বিদেশি ওইসব অনুষ্ঠান বা সিরিয়াল প্রচারিত হওয়ায়, আপনারা যারা আন্দোলন করছেন, তাদের কর্মসংস্থানের জায়গাটা ক্রমশ সংকুচিত হয়ে পড়েছে বা পড়বে। তাদের কোয়ালিটির সঙ্গে আপনারা পেরে উঠছেন না। সবাই আপনাদের তৈরি করা অনুষ্ঠান ফেলে রেখে ওইসব অনুষ্ঠান দেখছে। কিন্তু এই সমস্যাটা তো পুরনো। তার আগে আসলেই কি ঘটেছে? একক নাটক-সিরিয়ালের মান এমন তলানিতে পৌঁছানোর দায়টা কার? আপনারা টেলিভিশনকে দায়ী করছেন এক্ষেত্রে। কিন্তু কেন? টেলিভিশন তো একটা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। একটা মধ্যস্বত্বভোগী প্রতিষ্ঠান। আপনি ফসল ফলাচ্ছেন, সে কিনছে এবং বিক্রি করছে ক্রেতার কাছে। ক্রেতা যখন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে, তখন কেন উৎপাদক আপনি আপনার দায় এড়িয়ে বিক্রেতাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন? আপনাদের তো রুচিশীল, ভালো গুণগত মানের অনুষ্ঠান তৈরি করার দায়িত্ব দেওয়া ছিল। আপনারা যদি তা তৈরি করতেন, তবে তো টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর কোনও উপায় ছিল না খারাপ মানের অনুষ্ঠান প্রচার করার। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলো তো কখনও নিজেরা এ ধরনের উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত ছিল না, আপনাদের ওপরই নির্ভর করে এসেছিল তারা। বিদেশি এইসব সিরিয়ালের জয়প্রিয়তা বাড়ার কারণে আপনারা ভবিষ্যৎ অন্ধকার দেখছেন বা আপনাদের উপার্জন কমে যাওয়ায় দর্শকদের উন্নত, রুচিশীল অনুষ্ঠান বর্জনের কথা বলবেন! 

খ) এজেন্সির হস্তক্ষেপের প্রসঙ্গ এসেছে। কথাটা সত্য। তবে যদি একটু পেছনে ফিরে তাকাই তবে দেখি যে, ২০১০ সালে চ্যানেল ওয়ান যখন নাটকের পাওনা প্রায় ২ কোটি টাকার মতো বাকি রেখে বন্ধ হয়ে যায়; তখন আপনারাই দাবি করেছিলেন যে, ওই নাটকগুলোয় ক্লায়েন্ট/এজেন্সি বিজ্ঞাপন দেওয়ায় তাদেরও এই দায়ভার নিতে হবে। টাকা পরিশোধের দায় তাদের ওপরও বর্তায়। তখন চ্যানেল কর্তৃপক্ষ, এজেন্সি ও আপনারা মিলে একটা ঐকমত্যে আসেন। টাকা পুনরুদ্ধার হয় কিছুটা। বিশৃঙ্খলর শুরু সেখানেই। পরবর্তী সময়ে যখনই চ্যানেল কর্তৃক কোনও বিপদে পড়েছে বা বিশেষ সুবিধা নিতে চেয়েছে, তখনই এজেন্সির মাধ্যমে আপনারা সেই সুযোগ নিয়েছেন। আজ যখন তারা আপনাদেরও গ্রাস করতে উদ্যত, তখন আপনারা আবার ফিরে আসতে চাইছেন শৃঙ্খলায়। দেরিতে হলেও সত্য উপলব্ধি করার জন্য সাধুবাদ।

গ) এআইটি রদ বা কমানোর কথা বলেছেন। কিন্তু শিল্পী ও কলাকুশলীদের কাছ থেকে যে ১০% এআইটি কাটার বিধান আছে, তা তো আপনাদের অনেকেই কোনও দিনই দেন না। এ আইটি কাটা হবে বিধায় টাকাও কম নেন না। ফলে প্রডাকশন কোম্পানি কিংবা যারা অনুষ্ঠানটি নির্মাণ করে টেলিভিশন বা অন্য কোনও প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করেন, তারাই এ ক্ষতির শিকার হন। এই শিল্পে সবচেয়ে বেশি পরিশ্রম করে কম মজুরি পাওয়া ব্যক্তিটি হচ্ছেন পরিচালক। খড়্গটা তার ওপরই যায়।

ঘ) বিজ্ঞাপন প্রচারে গ্রহণযোগ্য সময়সীমা নির্ধারণ করা নিয়ে যে দাবিটি করছেন, তার মাপকাঠি কী হবে? আর কে নির্ধারণ করবে? আপনারা কি মনে করেন, বিজ্ঞাপন কম হলেই নাটক দেখবে? যদি তাই হয়, তবে বিরতিহীন নাটকগুলোয় তো আমাদের দর্শক হুমড়ি খেয়ে পড়ার কথা। আদৌ তা কি হয়? তখনও কেন আমাদের দর্শক বিদেশি নাটকটিই দেখে? ছোট্ট করে একটা হিসাব মেলাতে চেষ্টা করি, ধরুন একটা একক নাটকের দাম ২ লাখ টাকা। টেলিভিশনগুলো সেটি কিনে ১ ঘণ্টার চাংকে প্রচার করলো। এই চাংকের মূল্য ধরে নেই ২ লাখ টাকা। অর্থাৎ মোট খরচ ৪ লাখ টাকা। নাটকের বডি ৪২ মিনিট, তাহলে বাকি থাকল ১৮ মিনিট। এই ১৮ মিনিট টেলিভিশনগুলো বিজ্ঞাপন দিতে পারার কথা তাই না। বিজ্ঞাপনের রেট প্রতি মিনিট কত টাকা করে হলে তবে টেলিভিশনের লগ্নি করা সেই ৪ লাখ টাকা উঠে আসবে? প্রায় ২৩ হাজার টাকা। এখন আপনারা যারা আন্দোলন করছেন, তারাই তো বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপন করে থাকেন, নির্মাণ করে থাকেন, আপনারাই বলুন তো টেলিভিশনগুলোতে ১ মিনিটের বিজ্ঞাপনের দাম কত? প্রকৃত পক্ষে কোনও কোনও চ্যানেলে ৩ হাজার টাকারও কম। আসলে টেলিভিশনগুলো লোকসানই করে নাটক প্রচার করে। এই কারণেই একের পর এক নাটকের চাংক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আর যারা প্রচার করছে লোকসান গুনে, তারা এই আশায় করছে যে, একদিন হয়ত তাদের টাকা উঠে আসবে।

ঙ) আপনারা বাজেট বৃদ্ধির কথা বলেছেন। বাজেট বাড়লেই কি মান ঠিক হয়ে যাবে? এ রকম তো ভুরি ভুরি উদাহরণ আছে—ভালো বাজেট দেওয়ার পরও উৎকৃষ্ট মানের নাটক আপনারা উপহার দিতে পারেননি বা দর্শকরা তা দেখেনি। আর টেলিভিশনগুলোতে তো আপনাদেরই কেউ কেউ এসে বলেছেন, ভাই আমাকে অত টাকা দিতে হবে না, এত টাকা দিলেই এ রকম নাটক নির্মাণ করে দেব! কারা নাটক নির্মাণ করতে পারবে, যোগ্যতা কী হবে? কারা অভিনয় করবে, যোগ্যতা কী হবে? এগুলো কে নির্ধারণ করবে? দিনকে দিন ভালো গল্পের অভাব, নাটকের আগে রিহার্সেল না করে, স্ক্রিপ্ট না পড়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো, বৈচিত্র্যহীন অভিনয় করে যাওয়া, বাজেটের প্রায় ৬০% টাকা শুধু শিল্পীর পকেটে দিয়ে বাকি টাকায় ২ দিনেই ৪০/৪২ মিনিটের নাটক নির্মাণ করে ফেলা, এভাবে নিশ্চয় ভালো মানের নাটক নির্মাণ করা সম্ভব নয়। এসব নিয়ে একটি পরিষ্কার রূপরেখা আপনাদের কাছ থেকে আশা করেছিলাম। কিন্তু শুধু দাবির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলো বিষয়টা।

চ) কপিরাইট প্রসঙ্গ তুলেছেন কিন্তু পরিষ্কার করেননি কী চান? টেলিভিশনগুলো সাধারণত কমিশনিং, পারচেজিং ও লাইসেন্সসিং—এই তিনভাবে চুক্তিপত্র করে। কমিশিনিং অর্থাৎ টেলিভিশন অর্থ লগ্নি করে আপনাদের দিয়ে একটি প্রডাকশন তৈরি করে নেয়, পারচেজিং অর্থাৎ আপনাদের বানানো নাটক তারা কিনে নেয়। এই দুই ধরনের চুক্তিপত্রে প্রডাকশনের মালিকানা টেলিভিশনেরই থাকবে, এটাই আইন বলে। আর লাইসেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে এটা ব্যতিক্রম। এখানে আপনারা নাটক বানিয়ে টেলিভিশনকে বলতে পারেন, ভাই এই নাটকটা আপনি দুই বা তিনবার ১ বা ২ বছরের মধ্যে চালাতে পারবেন, আমাকে এত টাকা দিতে হবে। টেলিভিশন যদি রাজি থাকে, তবে চুক্তিপত্র হবে। ওই সময়কাল পার হয়ে গেলে প্রডাকশনের মালিকানা আবার পরিচালক বা প্রডাকশন কোম্পানির হয়ে যাবে। এভাবেই সাধারণত সিনেমা বা বিদেশি সিরিয়াল কিনে থাকে টেলিভিশনগুলো। আপনারা চাইলে এভাবেও নাটক বিক্রয় করতে পারেন টেলিভিশনের কাছে। যদি দু’পক্ষই রাজি থাকেন। এটাতে তো কোনও অসুবিধা দেখি না।

ছ) এফটিপিওকে সরকারিভাবে স্বীকৃতি দেওয়া ও কোনও নাটক বা অনুষ্ঠান নির্মাণে অবশ্যই শিল্পী-কলাকুশলীদের এফটিপিওর সংশ্লিষ্ট সংগঠনের তালিকাভুক্ত সদস্য হওয়ার যে দাবিটি করেছেন, তা পরিষ্কার নয়। আপনারা কি সরকারের কাছে এফটিপিও কে সংগঠন হিসেবে নিবন্ধন করার কোনও আবেদন করেছেন? সরকার তা প্রত্যাখ্যান করেছে? বিষয়টা কি এ রকম? যতদূর জানি সেরকম কিছু ঘটেনি। তাহলে সরকার কিভাবে আপনাদেরকে স্বীকৃতি দেবে? যে কেউ চাইলেই কি এফটিপিও’র তালিকাভুক্ত হতে পারবে? যদি তা না হয় তবে নতুন শিল্পী-কলাকুশলীদের কী হবে? তারা কিভাবে কাজ করবে? যেখানে আমরা জানি— কমপক্ষে ৩টি নাটকের নির্মাতা না হলে বা প্রচার না হলে একজন পরিচালক ডিরেক্টর গিল্ডের সদস্য হতে পারবেন না। তাহলে, ওই ৩টি নাটকের ভবিষ্যৎ কী? ধরে নেওয়া হলো, টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ আপনাদের সঙ্গে একমত হলো যে, তারা আপনাদের সংগঠনভুক্ত শিল্পী-কলাকুশলী ছাড়া কাউকে সুযোগ দেবে না। তখন কী হবে সেই সম্ভাবনাময় তরুণ শিল্পী-কলাকুশলদের?

পরিশেষে ছোট্ট করে বলি, যে বিশাল দর্শকশ্রেণি আজ আপনাদের স্টার বানিয়েছে, আপনাদের (টেলিভিশন ও শিল্পী-কলাকুশলী) রুটি-রুজির সংস্থান করে দিয়েছে, তাদের রুচি, তাদের ভালো লাগা, মন্দ লাগা, চাওয়া-পাওয়া নিয়ে যদি কোনও মাথাব্যথা না থাকে, তাদের মনোজগৎকে যদি আপনারা ঠিকমতো পাঠ করতে না পারেন, তবে এই আন্দোলন ওই শহীদ মিনার পর্যন্তই থেকে যাবে। শিল্পী-কলাকুশলী-টেলিভিশন-বিজ্ঞাপনদাতা-দর্শক—সবাই মিলে একটি পরিবার। এখানে কেউ এককভাবে শিল্প বাঁচায় না এবং কাউকে বাদ দিয়ে বা দোষ চাপিয়ে এর সমাধানও অসম্ভব। প্রত্যেকের উচিত দোষারোপের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা। নিজেদের ভুল-ত্রুটিগুলো চিহ্নিত করে সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ নেওয়া। অনুষ্ঠানের মান বাড়ানোর ওপর যদি আমরা জোর দেই, তবেই আমরা সবাই ‘শিল্পে বাঁচব’।

লেখক: অনুষ্ঠান প্রধান, দেশ টিভি

 

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ