প্রকৃতিবান্ধব উন্নয়নের প্রত্যাশা

Send
আমিনুল ইসলাম সুজন
প্রকাশিত : ১৫:০৩, জুন ০৫, ২০১৭ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:০৬, জুন ০৫, ২০১৭

আমিনুল ইসলাম সুজনপ্রকৃতি এক অমূল্য সম্পদ। প্রাণবন্ত প্রকৃতিতে অসংখ্য জীব রয়েছে। মানুষও প্রকৃতির অপরিহার্য অংশ। সব প্রাণীই প্রকৃতির উপকারভোগী। তবে প্রকৃতিকে রূপান্তর, পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষই বেশি উপকৃত হয়। প্রকৃতি মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক, নৈতিক, সামাজিক ও আত্মিক সমৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করে। আবার মানুষের অপরিকল্পিত জীবনযাপন প্রকৃতি ধ্বংসের জন্য দায়ী।
প্রকৃতির রূপ তথা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অনন্য। কোনও কৃত্রিম সৌন্দর্যের সঙ্গেই এর তুলনা চলে না। আবার কর্মসংস্থান ও টেকসই উন্নয়নসহ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির প্রায় সবক্ষেত্র, যেমন- কৃষিকাজ, বনায়ন, মৎস্য সম্পদ, পর্যটন প্রকৃতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত। প্রকৃতিকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করার অর্থ হচ্ছে মানুষের জীবন-জীবিকা সুরক্ষা ও ভালোভাবে বেঁচে থাকার জন্য বিনিয়োগ করা। গ্রামীণ বিভিন্ন পেশার মানুষ ও তাদের কর্মসংস্থানের সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। পৃথিবীর সব মানুষই প্রকৃতিনির্ভর পানি ও বায়ুর ওপর নির্ভরশীল। এছাড়া কৃষিকাজে যে পানি ব্যবহৃত হয়, তাও প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। যে কৃষিকাজের সুফল সমগ্র মানবজাতি ভোগ করে।
যে কারণে দূষণ বা জলবায়ু পরিবর্তন বা অতিরিক্ত হস্তক্ষেপে প্রকৃতি ক্ষতিগ্রস্ত হলে মানুষসহ সব প্রাণীর জন্যই সেটা দুর্ভোগ নিয়ে আসে। প্রকৃতি সম্পর্কে জানা, প্রকৃতিকে ভালোবাসা, প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ ও সুরক্ষা করা, প্রকৃতির সঙ্গে সব মানুষের সংযোগ গড়ে তোলার আহবান জানিয়ে ৫ জুন বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হচ্ছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০১৭। জাতিসংঘ এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‘Connecting People to Nature’ যার ভাবানুবাদ জনগণকে প্রকৃতির সাথে সম্পৃক্ত করা।
১৯৭২ সালের ৫ জুন জাতিসংঘের উদ্যোগে মানব পরিবেশ বিষয়ক সম্মেলন শুরুর দিনটিকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসাবে ঘোষণা করে জাতিসংঘ- যা ১৯৭৩ সাল থেকে উদযাপন শুরু হয়। ১১ দিনব্যাপী ওই সম্মেলনে পরিবেশ সুরক্ষায় বৈশ্বিক কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন, পরিবেশ সুরক্ষায় বিভিন্ন দেশকে উৎসাহিত ও কারিগরি সহায়তা প্রদানকল্পে স্বতন্ত্র সংস্থা ইউনেপ (United Nations Environment Program) প্রতিষ্ঠা করে জাতিসংঘ। পৃথিবীতে জাতিসংঘ স্বীকৃত যত দিবস রয়েছে, উদযাপন পরিধির দিক থেকে এ দিবসটি অন্যতম জনপ্রিয়।  

জাতিসংঘ বিশ্ববাসীকে প্রকৃতিকে আর্থিক মূল্যে বিবেচনা না করার সুপারিশ করেছে। কারণ, প্রকৃতির উপহার অমূল্য। যেমন: মুক্ত ও বিশুদ্ধ বাতাস, দূষণমুক্ত ও নিরাপদ পানি, অক্সিজেনের কারখানা বৃক্ষরাজি ও বনজ সম্পদ। মানবজীবনে এসব উপাদানের গুরুত্ব অতুলনীয়। কিন্তু বৈশ্বিক প্রকৃতি, প্রতিবেশ তথা পরিবেশের আর্থিক গুরুত্বও কম নয়।

বিশ্বব্যাপী, টেকসই উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে ২০১৬ থেকে ২০৩০ পর্যন্ত ১৫ বছর মেয়াদী টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) গ্রহণ করা হয়েছে, যা বাস্তবায়নে বিভিন্ন দেশের সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এসজিডি’র ১৫নং উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, ‘প্রকৃতি ব্যবস্থাপনার টেকসই ব্যবহারকে উৎসাহ ও সুরক্ষা প্রদান, বনসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা ও মরুময়তা প্রতিরোধ, বনজ সম্পদের সুরক্ষা ও জীববৈচিত্রের ক্ষতি বন্ধ করা’।

এ উদ্দেশ্যের অধীনে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চুক্তির আলোকে ২০২০ সালের মধ্যে সুপেয় পানির আঁধারগুলোকে সংরক্ষণ; ক্ষতিগ্রস্তগুলোকে পুনপ্রতিষ্ঠা ও টেকসই ব্যবহার, সব ধরনের বন উজাড় প্রতিহত ও ক্ষতিগ্রস্ত বন পুনর্বনায়নসহ বনাঞ্চল বৃদ্ধি করতে টেকসই ব্যবস্থাপনা, সব উন্নয়ন পরিকল্পনা ও দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচিতে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণকে অন্তর্ভূক্ত এবং ঝুঁকিপূর্ণ ও বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে মরুকরণ; খরা; বন্যা ও ভূমি ক্ষয় রোধ ও ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি পুনরুদ্ধার এবং পর্বতের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

এসডিজির অধিকাংশ লক্ষ্যমাত্রায় প্রত্যক্ষভাবে প্রকৃতি ও পরিবেশ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। টেকসই কৃষি মানে প্রাকৃতিক কৃষি, যা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত ও পুষ্টি চাহিদা পূরণ মাধ্যমে সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি জীবনের নিশ্চয়তা দেয়। কিন্তু ক্ষতিকর কীটনাশক ও রাসায়নিকের ব্যবহার পানি, কৃষি জমিকে ধ্বংস করছে। আমরা যা খাই, তার ৮০ ভাগ কৃষি পণ্য থেকে আসে। পানি প্রকৃতির প্রধান উপাদান। সুতরাং পানি ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নও প্রকৃতি সুরক্ষা করবে। পানি মানে ভূ-উপরিভাগ (পুকুর, লেক, খালবিল, নদীনালা, সাগর ও মহাসাগর), ভূগর্ভ ও বৃষ্টির পানি। ভূ-উপরিভাগের সব পানিতেই মাছসহ নানারকম জীব বাস করে। পানি পুষ্টির অন্যতম প্রধান উপাদান মাছেরও বিচরণক্ষেত্র এবং ৩০০ কোটি মানুষের ২০ভাগ প্রোটিন মাছ থেকে পাওয়া যায়। পানি দূষিত হওয়া মানে মাছসহ পানি নির্ভর জীবের বাসস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া।

সম্প্রতি হাওর এলাকায় বন্যাপরবর্তী মাছ মরে যাওয়ার কারণ হিসাবে কৃষি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত সার ও কীটনাশককে দায়ী করা হয়েছে। এতে কয়েক লক্ষ মানুষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জলাশয় বৃষ্টির পানি ধারণ করে, এর অংশবিশেষ ভূগর্ভে যায়- যা উত্তোলন করে মানুষ পানযোগ্য পানি পায়। জলাশয় ভরাট করায় ভূগর্ভে পানি যাওয়ার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়, এতে প্রতিবছর পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। শুষ্ক মৌসুমে দেশের অনেক জেলায় পানীয় জলের সঙ্কট দেখা দেয়। জীবিকা নির্বাহের হিসাব ধরলে মৎস্য আহরণ ও কৃষিপণ্য উৎপাদনে পৃথিবীতে প্রায় ২৬০ কোটি মানুষ জড়িত।

প্রকৃতির আরেকটি প্রধান ক্ষেত্র বন। ৮০% স্থল প্রজাতির প্রাণী বনে বসবাস করে। ৮ হাজার ৩০০ প্রজাতির প্রাণীর মধ্যে ৮% বিলুপ্ত এবং ২২% বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। ৭ কোটি আদিবাসীসহ প্রায় ১৬০ কোটি মানুষের জীবিকা বন সম্পদের ওপর নির্ভরশীল। তবে গাছ থেকে প্রাপ্ত অক্সিজেন বিবেচনায় নিলে পৃথিবীর সব মানুষই গাছ তথা বনজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীল। জলবায়ুর নেতিবাচক পরিবর্তন রোধেও গাছের ভূমিকা অপরিসীম। পৃথিবীতে ৮০ হাজার প্রজাতির গাছের মধ্যে মাত্র ১ ভাগ গাছের ব্যবহার নিয়ে গবেষণা রয়েছে। বিশ্বে গ্রামীণ মানুষের প্রায় ৮০ ভাগ ভেষজ ওষুধ ব্যবহার করে, যার উৎস মূলত বনজ সম্পদ।

টেকসই জ্বালানি মানে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদন। এক্ষেত্রে পানি ও বায়ুনির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদনকে উৎসাহিত এবং কয়লানির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। টেকই অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিল্পায়ন মানে প্রকৃতিবান্ধব শিল্পায়ন।

বাংলাদেশের প্রকৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। সীমিত আয়তনের এদেশে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবেশব্যবস্থা। প্রাণ-প্রাচুর্যে ভরপুর সবুজ-শ্যামল বাংলাদেশ। প্রকৃতি ক্ষতিগ্রস্ত হলে পরিবেশ - প্রতিবেশব্যবস্থা ও জীববৈচিত্র্যের ওপর নেমে আসে বিপর্যয়। প্রকৃতিতে নদ-নদী, হাওর, পাহাড়, বন, ইত্যাদির ভূমিকা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞানের অভাবে আমরা প্রতিনিয়ত এগুলো ধ্বংস করে চলেছি। নদ-নদী দখল-ভরাট-দূষণ, বন উজাড়, পাহাড় কাটা, অপরিকল্পিত নগরায়ন, শিল্পকারখানার দূষণে বাংলাদেশের পরিবেশ আজ বিপর্যস্ত। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব।

আগ্রাসী উন্নয়ন নীতি ও মানুষের লোভনীয় দৃষ্টিভঙ্গির কারণে বাংলাদেশে নানা কারণে প্রকৃতি হুমকিগ্রস্ত। অর্থনৈতিক উন্নয়নকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে ঢাকার পাশ্ববর্তী নদীগুলো মারাত্মকভাবে দখল-দূষণের শিকার। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অনেক জলাশয় ভরাট হয়ে ভবন বা সড়কে পরিণত হয়েছে। এছাড়া শুষ্ক মৌসুমে ভারত পানি আটকে রাখায় বাংলাদেশের অধিকাংশ নদী, খালবিল শুকিয়ে যায়। যা শুষ্কমৌসুমে কৃষি ও পানিনির্ভর জীববৈচিত্র্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

প্রকৃতির অপরূপ উপহার সুন্দরবন আমাদের সম্পদ। রয়েল বেঙ্গল টাইগারসহ নানারকম প্রাণীসমৃদ্ধ সুন্দরবন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এখানে এমন অনেক মাছ পাওয়া যায়; যা দেশের অন্যত্র পাওয়া যায় না। অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় সুন্দরবন রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। কিন্তু, সুন্দরবন এর নিকটবর্তী রামপাল-এ সরকার বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকার বলছে; সুন্দরবনের ক্ষতি হবে না। কিন্তু ক্ষতি হলে দায়ভার কে নেবে?

তামাক চাষে কীটনাশক ও সার প্রয়োগ করতে হয় বেশি। এসব কীটনাশক পানির সঙ্গে মিশে নদীতে পড়ছে ও মাটির নিচে যাচ্ছে। ফলে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের নদীগুলোতে মাছসহ জলজ প্রাণী ও কেঁচোসহ মাটির প্রাণী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অন্যদিকে তামাক পাতা প্রক্রিয়াজাত করণের জন্য নির্বিচারে বৃক্ষনিধন হচ্ছে। তামাক কোম্পানিগুলো তাদের অপকর্ম আড়াল করতে ইপিল ইপিল, ইউক্যালিপটাস বা একাশিয়া জাতীয় দ্রুতবর্ধনশীল ও ভিনদেশি গাছ লাগায়, যা প্রকৃতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

প্রকৃতি সুরক্ষায় দেশের সব জলাশয়কে দখল ও দূষণের কবল থেকে রক্ষা ও পানিধারণ ক্ষমতা বাড়াতে ড্রেজিং করতে হবে। গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানিসহ সবরকম প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার পরিমিত করতে হবে। দেশজ (ফলজ, বনজ ও ওষুধী) গাছ লাগাতে হবে। পলিথিন-প্লাস্টিক জাতীয় দ্রব্যের ব্যবহার বর্জন এবং পাট-বাঁশ-বেতজাতীয় পণ্য ব্যবহারে মনোযোগী হতে হবে।

মানুষসহ সকল জীব (উদ্ভিদ, প্রাণী ও অনুজীবের সমষ্টি) এবং সম্মিলিতভাবে এদের সৃষ্ট প্রতিবেশই প্রকৃতি। দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, মানুষের জীবনযাপনে বিলাসিতার আধিক্য ও অপরিকল্পিত উন্নয়ন প্রকৃতিকে ধ্বংস করছে। পরিবেশবান্ধব বাসযোগ্য বিশ্ব গড়ে তুলতে প্রকৃতি রক্ষা জরুরি। এজন্য সবাইকে দায়িত্বসচেতন হবে হবে।

আমাদের সংবিধানের ১৮.ক অনুচ্ছেদ পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন, প্রাকৃতি সম্পদ, জীববৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণীর সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধানের কথা বলা হয়েছে। সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় (২০১৬-২০২১) এ বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। কিন্তু বাজেটে প্রতিবছর পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ কমায় প্রতীয়মান, সরকার পরিবেশ, প্রকৃতি ও বনের প্রতি উদাসীন। আগামী প্রজন্মের স্বার্থে এ উদাসীনতা পরিহার করে সবরকম উন্নয়ন পরিবেশ ও প্রকৃতিবান্ধব করতে হবে। বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সরকারের কাছে এটাই মানুষের প্রত্যাশা।

লেখক: সাংবাদিক ও সদস্য, পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ