বিএনপিকেই শুদ্ধ হতে হবে আগে

Send
আশরাফ সিদ্দিকী বিটু
প্রকাশিত : ১৭:১৬, নভেম্বর ১৪, ২০১৭ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:৩৬, নভেম্বর ১৪, ২০১৭

আশরাফ সিদ্দিকী বিটুবিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ১২ নভেম্বর ঢাকায় সমাবেশে বক্তব্য রেখেছেন। এটি তার গতানুগতিক অন্যান্য বক্তব্যের ধারাবাহিকতা। সবারই ধারণা ছিল তিনি কী বলতে পারেন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত কয়েকটি প্রতিবেদনের সঙ্গে এর মিল পাওয়া গেছে। বরাবরের মতোই তিনি অনেক অসত্য বলেছেন ও বাস্তবায়নযোগ্য নয় এমন কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
বিএনপির স্বভাবসুলভ আচরণের বাইরে গিয়ে আশা জাগানো তেমন কোনও কথাই খালেদা জিয়া বলেননি। আসলে উনি যা বলেন তা বিশ্বাস করেন না। আর বিএনপি যা করে তা পরে স্বীকার করে না।
বিএনপির জন্ম হয় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে যেতে। জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই দলটির কর্মকাণ্ড বিতর্কিত। ক্ষমতায় থাকলেও পাহাড়সম অপকর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধীদের সঙ্গে তাদের ঐক্য বিএনপিকে ষড়যন্ত্রের রাজনীতির বাইরে আনতে পারেনি। বরং সেই ধারা আজও  সবেগে বহমান।
বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। বিশ্ববাসী বাংলাদেশের প্রশংসা করছে। খালেদা জিয়া সেই উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ভালো চোখে দেখতে পারছেন না। আসলে তিনি মানতেই চান না যে দেশের উন্নতি হয়েছে। অথচ এই সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করছে আন্তর্জাতিক বিশ্ব। ৫ কোটির বেশি মানুষ নিম্ন আয়ের স্তর থেকে মধ্যম আয়ের স্তরে উন্নীত হয়েছে। কমেছে বেকারত্ব। দারিদ্র্য নেমে এসেছে ২২.৪ শতাংশে। মাথাপিছু আয় বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৬০২ ডলার। অর্থাৎ তিনি ইচ্ছে করে চোখ বুজে আছেন।
কেউ ভুলে যায়নি যে বিএনপি-জামায়াত জোট আমলে আওয়ামী লীগ, সংখ্যালঘুসহ বিভিন্ন বিরোধীদলকে কিভাবে দমন ও নিপীড়ন করেছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও  সমর্থকদের বিরুদ্ধে ১ লাখেরও বেশি মামলা দেওয়া হয়েছিল তখন। ৯০ হাজারের বেশি নেতাকর্মীকে বিনা বিচারে আটকে রেখে নির্যাতন করেছিল জেলখানায়। আওয়ামী লীগকে ঠিকভাবে কোনও কর্মসূচি পালন করতে দেয়নি।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে জননেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তিনি প্রাণে বাঁচলেও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় আইভী রহমানসহ ২৪ জন নেতাকর্মী নিহত হন। তখন খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী, তিনি সরাসরি আওয়ামী লীগকে গ্রেনেড হামলার জন্য দায়ী করেছিলেন। তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা বলেছিল, আওয়ামী লীগ নিজেরাই এই হামলা চালায়। জোট সরকারের আমলে শেখ হাসিনাকে দেশের বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। এমনকি আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোথাও সমাবেশের আয়োজন করা হলেই হাজার হাজার নেতাকর্মীকে জেলে ভরে রাখা হতো। 

আমরা জানি, মানুষ তার প্রতিই উদার হয় যিনি নিজে উদারতা দেখান। নিজে উদার না হলে অন্যকে ছোট বলা বিএনপিকে দিয়েই সম্ভব। দলটি অতীতে কেমন খড়গহস্ত ছিল তা বর্ণনা দিলে উপন্যাসের চেয়েও দীর্ঘ হয়ে যাবে। নিজে ঠিক না হয়ে সৎ ও শুদ্ধতার পথে না এসে অন্যরকে জ্ঞান দিলে তা হাস্যরসে পরিণত হয়। তেমনই হয়েছে খালেদা জিয়ার বক্তব্য! 

বিএনপির সমাবেশে কম লোক সমাগম হয়েছে বলে হযতো বিএনপি নেত্রী বাধাদানের মতো ঠুনকো অজুহাত দিয়ে আত্মতৃপ্তি পাওয়ার চেষ্টা করেছেন। অতীতে বিএনপি শান্তিপূর্ণ সমাবেশের নামে মানুষ হত্যা করেছে।বাসে-ট্রাকে আগুন দিয়েছে। পেট্রোল বোমায় বাসযাত্রী, স্কুল শিক্ষিকা, ছাত্রী, শিশুসহ নিরীহ মানুষকে মেরেছে। হাজার হাজার গাছ কেটেছে। রাজনীতির নামে মানুষ হত্যা বিএনপির জন্মগত চরিত্র। এটা তো এক বক্তৃতায় পাল্টে যাওয়ার নয়। এসব আসলে লোক দেখানো ছলচাতুরী। 

বিএনপি নেত্রীর বক্তৃতায় ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় চার্জশিটভুক্ত আসামির মুক্তি চাওয়া হয়েছে। আগেও তিনি বিভিন্ন জনসভায় সরাসরি যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দেওয়ার দাবি করেছিলেন। 

এ দেশে বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতি করে। এর প্রমাণ অজস্র। এই দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসার ও সৈন্যকে হত্যা করেছেন। জোট আমলে সরকারের মদদে বিএনপির সন্ত্রাসীরা শাহ এএমএস কিবরিয়া, আহসানউল্লাহ মাস্টার, অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইমাম, মমতাজ উদ্দীনসহ ২১ হাজার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে হত্যা করেছিল। এক রাতেই ধর্ষণ করা হয় হাজার হাজার সংখ্যালঘু নারীদের। প্রতিহিংসা থেকে বর্বরতার এই নগ্ন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল বিএনপি-জামায়াত। এখন খালেদা জিয়ার মুখে অন্য কথা খুবই বেমানান। জনগণ এখন এসব বিশ্বাস করতে নারাজ। 

অন্যকে দোষারোপ করাই বিএনপির কাজ। অথচ দুর্নীতি অপকর্মের বিষয়ে খালেদা জিয়া একবারও নিজের বা দলের দিকে তাকিয়ে কথা বলেন না। জোট আমলে হাওয়া ভবন কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করেছিল। এতিমের টাকাও মেরে খেয়েছে তারা। এ নিয়ে মামলা চলছে। বিদেশে টাকা পাচারের অপরাধে তারেক রহমানের সাত বছরের জেল ও ২০ কোটি টাকা জরিমানা হয়েছে। 

বিএনপি নেত্রী এসব ভুলে গেলেও মানুষের ঠিকই মনে আছে। নিজেরা লুটেরা হয়ে অন্যকে দোষারোপ করলে তা নিজের দিকেই এসে পড়ে। এত দুর্নীতি, লুটপাট আর মানুষ হত্যার জড়িত ছিল বলেই বিএনপির এখন এমন বেহাল দশা! 

আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করার প্রসঙ্গ টানার আগে খালেদা জিয়ার উচিত নিজেরই জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া। এ দেশের স্বজনরা এখনও কেঁদে প্রশ্ন রাখে— কেন অবরোধের নামে তাদের সন্তানদের পুড়িয়ে হত্যা করা হলো। হাজার হাজার মানুষকে অগ্নিদগ্ধ করেছে এই বিএনপি-জামায়াত। 

খালেদা জিয়া গুলশানে নিজের অফিসে আরামে থেকেছেন। আর তার দলের নেতারা নির্বিচারে পেট্রোল বোমায় মানুষ হত্যা করেছে। স্বজনহারাদের আর্তনাদ এখনও থামেনি। আগে তাদের কাছে ক্ষমা চান। আদালতে তিনি দণ্ডপ্রাপ্ত হতে পারেন এই ভয় থেকেই ক্ষমার প্রসঙ্গে নাটক সাজানোর চেষ্টা করছেন। এসব নাটক করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার দিন আর নেই। 

বিএনপি নেত্রীর দেওয়া ভিশন ২০৩০ গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। কারণ কিভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তার কোনও ব্যাখ্যা বিএনপির কেউ দিতে পারেনি। তাদের ভিশন আওয়ামী লীগের ভিশন ২০২১ ও ২০১৪-এর অনুকরণেরই হয়েছে। এজন্য তাদের ভিশন নিয়ে মানুষের মনে কোনও আগ্রহ জন্মেনি। বরং বিএনপির কপটতাই প্রকাশ পেয়েছে এতে। 

খালেদা জিয়া কি বলতে পারবেন, ক্ষমতায় থাকাকালে তার সরকার সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার কেন দেয়নি? এখন কেন তিনি তা চাচ্ছেন? বরং দেশপ্রেমী সশস্ত্র বাহিনীকে অপব্যবহার করে ক্ষমতায় থেকেছে স্বৈরশাসকরা। বিএনপি নেত্রী ওই পথেই হাঁটতে চান। কিন্তু এ দেশে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের সুযোগ আর নেই। 

নির্বাচনে বিএনপি ইভিএম চায় না। কেন চায় না তার কোনও যুক্তি খালেদা জিয়া বক্তৃতায় দেননি। বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ। তিনি পড়ে আছেন সনাতন পদ্ধতিতে। এটাই স্বাভাবিক। কারণ ক্ষমতায় থাকাকালে সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে বিএনপি নেত্রী বলেছিলেন, এক্ষেত্রে দেশের তথ্য পাচার হয়ে যাবে। অথচ এই বিএনপিই ক্ষমতায় থাকতে দেশের তথ্যসহ মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে বিদেশে। 

এ দেশের প্রশাসন ও বিচার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছিল বিএনপি। জিয়াউর রহমান প্রথম দেশের বিচারকদের হেয় করেছেন। অকারণে তাদের চাকরি খেয়েছেন। খালেদা জিয়াও দলীয় নেতাদের বিচারক বানিয়েছেন। প্রশাসনে অযোগ্যদের পদোন্নতি দিয়ে প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে বিতর্কিত করেছেন। ভুয়া সার্টিফিকেটধারীকে বিচারপতি বানিয়েছিল বিএনপি। এমনকি স্বাধীনতাবিরোধীকে রাষ্ট্রপতি পর্যন্ত বানিয়েছিল। 

আমলাতন্ত্রে যোগ্যদের বাদ দিয়ে দুর্নীতিবাজদের পদায়নের কলকাঠি নাড়া হতো হাওয়া ভবন থেকে। দেশে জোট আমলে হাওয়া ভবন হয়ে উঠেছিল সমান্তরাল সরকার। সবই নিয়ন্ত্রণ হতো হাওয়া ভবন থেকে। নিরপেক্ষতাকে কবর দিয়েছিল জোট সরকার। এখন ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে সরকারি কর্মকর্তাদের টোপ দিচ্ছে বিএনপি। 

অশুভ পথই বিএনপির পছন্দ। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নয়, ষড়যন্ত্র করেই ক্ষমতায় যাওয়ার দিবাস্বপ্ন দেখছেন খালেদা জিয়া। যেমনটি দেখেছিলেন ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের আগে। 

প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ নিয়েও হাস্যকর মন্তব্য করলেন বিএনপি নেত্রী। কিন্তু তার কাছে কেউ প্রত্যাশা করেনি এটা। রাজনৈতিক আক্রোশের বশেই তিনি এমন কথা বলেছেন। ‘প্রধান বিচারপতিকে বিদেশে বাংলাদেশের লোক গিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করাবে’— তার এমন অভিযোগ হাস্যকর ও ভিত্তিহীন। এমন হলে খালেদা জিয়ার উচিত জাতির সামনে তা প্রকাশ করা। নয়তো অসত্য তথ্য প্রদানের জন্য তিনি আরও বেশি বিতর্কিত হবেন। 

এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগের কারণে আপিল বিভাগের অন্য বিচারপতিরা প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বসতে রাজি হননি। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সরে দাঁড়িয়েছেন। আর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ বলতে প্রধান বিচারপতিসহ অন্য আপিল বিভাগের বিচারপতিদের বোঝায়। যদি অন্য বিচারপতিরা একই সঙ্গে মামলা নিষ্পত্তি করতে না চান তাহলে প্রধান বিচারপতির আর কিছু করার থাকে না। এখানে সরকারের চাপ দেওয়ার কোনও সুযোগ নেই। সুতরাং বিএনপি নেত্রী ভুল কথা বলেছেন। 

বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচন হয়, বাংলাদেশেও একইভাবে নির্বাচন হবে। এখানে প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ নন। কারণ নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের অধীনে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। দলীয় সরকারের অধীনে নয়। বিএনপি শেখ হাসিনার অধীনেই ২০০৯ থেকে ২০১৩ সালে অনেক স্থানীয় নির্বাচন, উপনির্বাচন, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়লাভ করেছে। তখন সরকার কোনও হস্তক্ষেপ করেনি বা প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। তখন কিন্তু কোনও প্রশ্ন তোলা হয়নি। 

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বারবার বিএনপিকে নির্বাচনে আসার অনুরোধ করা হলেও জামায়াত আসবে না বলে তারাও নির্বাচন বর্জন করেছিল। নির্বাচনকে প্রতিহত করতে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছিল। 

বিএনপির দাবির কোনও ঠিক-ঠিকানা নেই। কারণ তারা একবার মধ্যবর্তী নির্বাচন চেয়েছিল। কখনও চায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার। আবার সহায়ক সরকারের কথাও বলে। কিন্তু এসবের কোনোটাই আমাদের সংবিধানে নেই। 

বিএনপি নেত্রী ও তার দলের নেতারা গত এক-দুই বছর ধরে সহায়ক সরকারের দাবি করলেও ১২ নভেম্বরের সমাবেশে খালেদা জিয়া এ নিয়ে একটি শব্দও উচ্চারণ করেননি। তারা কিভাবে নির্বাচন চায় তাও সুষ্ঠুভাবে ব্যাখ্যা করেনি। নীলনকশা করে আর নির্বাচনের সুযোগ নেই, এটা সবাইকে মনে রাখতে হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সব দলকে ভূমিকা রাখতে হবে। শুধু জিতলেই নির্বাচন ঠিক আছে আর হারলে ঠিক নেই বলা হবে— এমন মানসিকতা বদলাতে হবে। 

শুদ্ধতার কথা খালেদা জিয়ার মুখে তখনই মানাতো যদি তিনি বলতেন, ‘আমরা যুদ্ধাপরাধী জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করবো। আন্দোলনের নামে ভবিষ্যতে আর সহিংসতা করবো না।’ কিংবা তিনি যদি বলতেন, ‘মানুষ পুড়িয়ে মারার জন্য আমরা ক্ষমা চাচ্ছি।’ 

আওয়ামী লীগ বরাবরই দেশের মানুষের জন্য ইতিবাচক রাজনীতি করে। আর বিএনপির রাজনীতি ষড়যন্ত্রের রাজনীতি। অন্যকে মানুষ বানানোর কথা বলার আগে নিজেদের ঠিক পথে আসতে হবে। এই নিশ্চয়তা কিন্তু বিএনপি নেত্রী দিতে পারেননি। 

লেখক: মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব 



/জেএইচ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ