তাজউদ্দীন আহমদের মন

Send
শুভ কিবরিয়া
প্রকাশিত : ১৫:০৪, জুলাই ২৩, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:১৪, জুলাই ২৩, ২০১৮



শুভ কিবরিয়া

তাজউদ্দীন আহমদ (১৯২৫-১৯৭৫), বাংলাদেশের যুদ্ধদিনের প্রধানমন্ত্রী। যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশেরও প্রথম প্রধানমন্ত্রী। মুক্তিযুদ্ধ শেষে স্বাধীন দেশে ফিরে সরকারের হাল তিনিই ধরেছিলেন প্রধানমন্ত্রীরূপে। এরপর ১০ জানুয়ারি ১৯৭১ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে এলে যখন তিনি প্রধানমন্ত্রী হলেন তখন সেই সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব বর্তায় তাজউদ্দীন আহমদের কাঁধে। তাজউদ্দীন আহমদকে হত্যা করা হয় জেলখানার অভ্যন্তরে ৩ নভেম্বর ১৯৭৫। কাজেই তাঁর জীবন দীর্ঘায়ু হয়নি। মাত্র ৫০ বছর বয়সেই তাঁর জীবনের অবসান ঘটে। বলা যায়, এই স্বল্পায়ু জীবনেই এক মহত্তর কাজের সুযোগ তিনি পেয়েছিলেন এবং তার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করেছিলেন।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যে সরকার বঙ্গবন্ধুর শারীরিক অনুপস্থিতিতে তার নামে পরিচালিত হয়েছে, প্রবাসে অবস্থিত বাংলাদেশের সেই প্রথম সরকারের প্রধানমন্ত্রীরূপে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিতে হয় তাজউদ্দীন আহমদকে। এটা পূর্ব নির্ধারিত কোনও বিষয় ছিল না। ইতিহাস তাঁকে এই দায়িত্ব দিয়েছিল ঘটনার প্রয়োজনেই। নয় মাসব্যাপী সেই অভূতপূর্ব সংগ্রামের বহুমাত্রিক লড়াইকে সংহত ও লক্ষ্যভেদী করে এক অসামান্য অর্জন তিনি সম্ভব করেছিলেন। শুধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনই নয়, স্বাধীন দেশে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে জীবিত অবস্থায় ফিরিয়ে আনার মতো কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিজয়ের পুরোভাগেও ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ ও তাঁর তৎকালীন সহকর্মীরা। যুদ্ধপূর্ব রাজনৈতিক জীবন, যুদ্ধকালীন জীবন এবং যুদ্ধপরবর্তী প্রশাসনিক-রাজনৈতিক জীবন সর্বত্রই তিনি রেখেছিলেন অসাধারণ প্রজ্ঞা, বিনয়, কর্মনিষ্ঠা, সততা, দূরদর্শিতা, নীতিনিষ্ঠতার এক বিরল ছাপ। তাঁর সব কাজের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশকে সত্যিকার ‘রাষ্ট্র’ হয়ে ওঠার ভিত তৈরির কাঠামোগত উন্নয়ন। এই গুণ বাঙালির জাতিগত বৈশিষ্ট্যের সাথে খুব মানানসই নয়। তাই আজও তাঁকে অনেকে অভিহিত করেন প্রচলিত রাজনীতির ‘মিসফিট’ হিসাবে। জেলখানায় তাঁকে খুন করা না হলে, জীবিত থাকলে তিনি এই রাজনীতির খোলনলচে কতটা বদলাতে পারতেন, কিংবা কতটা ‘ফিট’ হতেন সেই বিতর্ক আজ অবান্তর। তবে তাঁর সম্পর্কে যুদ্ধ চলাকালীন বিদেশি সাংবাদিকদের একটা পরিচিতি খুব হৃদয়গ্রাহী। ১৯৭১ সালের ২০ মার্চ বিশ্বখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন যুদ্ধরত বাংলাদেশকে নিয়ে এক প্রচ্ছদ কাহিনি রচনা করে। সেখানে তাজউদ্দীন আহমদ সম্পর্কে লেখা হয়...
Tajuddin Ahmad, 46, Prime Minister, a lawyer who has been a chief organizer in Awami League since its founding in 1949. He is an expert in economics and is consider one of the party’s leading intellectuals.
দুই.
তাজউদ্দীন আহমদের রাজনীতির সবচেয়ে বড় গুণ তিনি কখনই দলের মধ্যে বা দলের বাইরে কোনও দলীয় উপগ্রহ বা নিজস্ব বলয় তৈরি করেননি । বলা চলে করতে চাননি। সেটা তাঁর চরিত্রের অংশও নয়। সে কারণে তাঁর মৃত্যুর পর তিনি ততটা বন্দিত নন তাঁর নিজ রাজনৈতিক দলেও। তবু এক অনিবার্য প্রয়োজনে তাজউদ্দীন আহমদ বাংলাদেশের রাজনীতিতে আলোচিত। যখনই রাজনীতি বা রাষ্ট্রে কোনও সংকট আসে তখন চিন্তাশীল, ইতিহাসমনস্ক, যুক্তিবাদী মানুষদের একটা বড় অংশ মনে করেন সংকট কাটাতে তাজউদ্দীন আহমদের মতো রাজনৈতিক নেতার বড় প্রয়োজন। তাজউদ্দীন আহমদ তো আর জীবিত ফিরবেন না, তাই ধারণা করা হয় তাঁর মতো চিন্তার, ন্যায্যতার ধারার মানুষরা বাংলাদেশের দুঃখদিনে জেগে উঠবেন। এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে কল্যাণ রাষ্ট্র হয়ে উঠবার যাত্রাপথে ধাবিত করবেন।
তরুণদের যে অংশ রাষ্ট্র নিয়ে এরকম সমতাবাদী ধারার চিন্তক তাঁদের বিবেচনাতেও তাজউদ্দীন আহমদ তাই জেগে উঠছেন। হয়তো সামনের দিনে এসব ভবিষ্যৎমুখীন, সম্ভাবনাময়, আলোকদিশারী তরুণরাই তাজউদ্দীন আহমদের কাজ ও চর্চা নিয়ে অধিকতরভাবে ভাবিত হবেন।
তাজউদ্দীন আহমদ মানুষ হিসেবে তো বটেই, রাজনীতিক হিসেবে যাতে আলোচিত না হন, সেই বাধা তাঁর জীবদ্দশাতেও ছিল, এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। কেননা, তাজউদ্দীন আহমদ যে বিবেচনায় রাষ্ট্রকে দেখতেন তাতে জনভাবনা ছিল সর্বাগ্রে। তিনি মনে করতেন ‘রাষ্ট্র’ নিপীড়ক নয়, জনগণের আশ্রয় হবে। সেই রাষ্ট্র তো আর এমনি এমনি দাঁড়িয়ে যাবে না। তাকে নির্মাণ করতে হবে। সেই কাজের জন্য দরকার মানুষ এবং নীতি দুটোই। সেই মানুষ কেমন হবে, তার একটা নমুনা ছিলেন তিনি নিজেই।
১৯৫৪ সালে তিনি প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য হয়েছেন নির্বাচনে মুসলিম লীগের হেভিওয়েট প্রার্থীকে হারিয়ে। সেই খবর পুরনো। কিন্তু নতুন যা, তা হচ্ছে ২৯ বছর বয়সে সংসদ সদস্য হওয়ার বছর খানেক পরে তাঁর এক প্রিয়জন বন্ধুকে চিঠিতে বলেছেন তাঁর নিজের সম্পর্কে। ১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৫ কারকুনবাড়ি লেন, ঢাকা থেকে তিনি সেই বন্ধুকে লিখেছেন,
প্রিয় মালেক সাহেব,
‘আমার সঙ্গে দীর্ঘদিনের ওঠাবসা থেকে আশা করি আমার সম্পর্কে আপনার অন্তত এটুকু ধারণা হয়েছে যে, আমি যেকোনও ধরনের তোষামোদকে ঘৃণা করি, একই সঙ্গে আমার শত্রুও যদি প্রশংসা বা কৃতিত্বের দাবিদার হয়, তাকেও তার প্রাপ্য দিতে কার্পণ্য করি না।’
তিন.
স্বাধীন দেশের গোড়াপত্তন শেষে যখন সংবিধান রচনার কাজে হাত দেন তখনও তাজউদ্দীন আহমদের বিবেচনা ছিল ‘মানুষ’। তিনি ভাবতেন মানুষ না তৈরি হলে দেশ বা রাষ্ট্র কোনোটাই দাঁড়াবে না। সেই বিবেচনা থেকে সংবিধান বিষয়ক সংসদীয় আলোচনায় তাঁর মতো খুব স্পষ্ট করে উচ্চারণ করেছিলেন। বাংলাদেশ গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনের দ্বাদশ বৈঠকে , ৩০ অক্টোবর ১৯৭২ সোমবার, সংবিধান বিলের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তৎকালীন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রণয়নমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ বলছেন,
‘সংবিধান’ নামক বইয়ের মধ্যে কতগুলো সুন্দর, প্রাঞ্জল ভাষা, কতগুলো সুন্দর সুন্দর শব্দের বিন্যাস ঘটালেই তার উপর নির্ভর করে না সংবিধানের উৎকর্ষ। তা নির্ভর করে এর প্রয়োগের ওপর। সেই প্রয়োগ যদি সাচ্চা জনপ্রতিনিধিদের হাতে থাকে , তাহলে অপপ্রয়োগ কোনোদিন হবে না। আর এদেশের মানুষকে সচেতন রেখে যদি তাদের সাচ্চা প্রতিনিধি আমরা দিতে ব্যর্থ হই, তাহলে কোনোদিনই যত সুন্দর সুন্দর ভাষা দিয়েই সংবিধান রচনা করা হোক না কেন, সেই সংবিধানের সুফল কেউই ভোগ করতে পারবে না।’
চার.
তাজউদ্দীন আহমদের সংশয় ছিল যে রক্তস্নাত মুক্তিযুদ্ধের রাজনীতির ওপর দাঁড়িয়ে মানুষের মুক্তির কথা তাঁরা ভাবছেন, সেই মানুষ যদি আদর্শচ্যুত হয় , তাহলে কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন অর্জন করা সম্ভব হবে না। যে রাজনৈতিক দল বা নেতাদের ওপর মানুষের ভরসা, তাঁরাও যদি আদর্শবান পথে থাকতে না পারেন সেটাও কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্র গঠনের সহায়ক হবে না। এ বিষয়ে তাঁর ভাবনাগুলোর যে খুব সমর্থন মিলেছে তাঁর চারপাশের মানুষ বা পরিবেশ দেখে তা বলা যাবে না। ‘মিসফিট’ তাজউদ্দীন আহমদ তাই আগাগোড়া নিঃসঙ্গ পথেই হেঁটেছেন। যেকোনও আদর্শবাদী, নিষ্ঠাবান, সৎ, ব্রতী মানুষের পরিণতি যা হয় , তাজউদ্দীন আহমদও সেই পরিণতির পথেই হেঁটেছেন। কিন্তু লড়াই থামাননি। ১৯৭৩ সালের ৫ জুলাই বাজেট বিতর্কের সমাপনী বক্তৃতায় অর্থ ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ জাতীয় সংসদে বলেছেন,
‘আমার দেশের উন্নয়ন আমি করব। সে ব্যয় আমাকে বহন করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। সেই ব্যয়কে একটা কষ্টিপাথরে যাচাই করতে হবে যে, এই ব্যয়ে দেশের উপকার হবে কি হবে না। এই ব্যয় এইজন্য করতে চাই যে, এই ব্যয়ের ফলে এ দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণ হবে।’
চারপাশের অবনতিশীল পরিস্থিতি তাঁর দৃষ্টি কেড়েছিল । তাই হয়তো ওই একই বক্তৃতায় আক্ষেপ নিয়েই বলেছিলেন,
‘আমরা যদি গাব গাছ লাগিয়ে ফজলি আম চাই, তাহলে আমাদের উদ্দেশ্য সফল হবে না। ফজলি আম পেতে হলে আমাদের ফজলি আমের চারা লাগাতে হবে।’
পাঁচ.
রাজনীতিবিদ তাজউদ্দীন আহমদকে বদলে দিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ দারুণভাবে। ছাত্রাবস্থায়, ব্যক্তিজীবনে যে তাজউদ্দীন আহমদ মুরগি জবাই করতে ভয় পেতেন, তাঁকেই নেতৃত্ব দিয়ে হয়েছে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের। প্রবাসে বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রধানমন্ত্রীই তিনি ছিলেন না, ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও। রক্ত, ঘাম, মৃত্যু, কূটনীতি, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে পরাশক্তিদ্বয়ের কূটচাল উতরে যে বিজয় অর্জিত হয়েছিল নয় মাসের যুদ্ধে, তাতে তাজউদ্দীন আহমদের রাজনৈতিক স্বপ্ন আরও দিগন্ত বিস্তৃত হয়েছে। সমাজতন্ত্র আর সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ার ভাবনা তাকে এতটাই মশগুল করেছিল যে স্বাধীন দেশে সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে মিলিশিয়া গঠন, ভূমিসংস্কার, চাকুরেদের বেতন সিলিংয়ের মতো বৈপ্লবিক সব সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশের সামন্ততান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির খোলনলচে বদলে ফেলতে চেয়েছিলেন। তিনি বুঝেছিলেন, ‘সামন্ততান্ত্রিক রাজনীতি’র পাটাতন সচল রেখে কাঙ্ক্ষিত জনকল্যাণ ভাবনা বাস্তবায়িত হবে না।
বলা যায় এই কাজে তিনি সফল হননি। তাঁর ব্যর্থতা শুধু তাঁকেই নয়, মুক্তিযুদ্ধের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশকে ব্যর্থ করে দেয় অবশেষে। তবু তাজউদ্দীন আহমদ আমাদের নমস্য। কারণ, তাঁর মতো করে এই দেশ, রাষ্ট্র নিয়ে ভাবনার লোক খুব কম জন্মেছে এই ভূখণ্ডে। তিনি আবেগ-কল্পিত স্বপ্ন রাজ্যের মানুষ ছিলেন না, এই জল-কাদায় বেড়ে ওঠা বাস্তবানুগ রাজনীতিক ছিলেন। তাঁর চিন্তা ছিল পরিষ্কার। কর্ম ছিল স্বচ্ছ। সততা ছিল তাঁর ভাবনার অলংকরণ। পরিশ্রম আর নিষ্ঠার সাথে মেধাবী এই মানুষটির হৃদয় মিশেছিল এই রাষ্ট্রটিকে জনকল্যাণমুখী, জনমানুষের দেশ বানানোর নিদ্রাহীন সাধনায়।
ছয়.
২৩ জুলাই ১৯২৫ সালে আজকের গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার দরদরিয়া গ্রামে জন্মেছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। জন্মদিনে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে লেখাটি শেষ করতে চাই অর্থনীতিবিদ আনিসুর রহমানের একটি উদ্ধৃতি দিয়ে।
মুক্তিযুদ্ধকালে এবং মুক্তিযুদ্ধোত্তর বাংলাদেশে তাজউদ্দীন আহমদের সাথে বাংলাদেশের প্রথম পরিকল্পনা কমিশনে সদস্য হিসেবে কাজ করেছিলেন অর্থনীতিবিদ আনিসুর রহমান। আনিসুর রহমানের ভাষ্য হচ্ছে,
‘এ জাতির সামন্ত-নেতৃত্বের ব্যতিক্রম হিসেবে বোধহয় একমাত্র তাজউদ্দীনকেই বলা যায়, যিনি মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেবার সময়েও যেমন তাঁর নিজের পরিবারবর্গকে দূরে সরে থাকতে বলেছিলেন, তাঁর ছায়ায় কাউকে কোনরকম দুর্নীতি-সন্ত্রাস করতে প্রশয় দেননি, স্বাধীনতার পরেও সমতাবাদী-সমাজতান্ত্রিক পথে দেশকে নিতে চেয়েছিলেন, দেশের জনগণের আত্মশক্তি-চালিত উন্নয়ন চেয়েছিলেন বিদেশি সাহায্যের জন্য অপেক্ষা না করে, বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে কোন বিদেশি শক্তির কাছ থেকে কোন সাহায্য নিয়ে জাতিকে অসম্মান করবেন না এই অঙ্গীকার করে। এরকম নীতিবোধ এবং জনগণের আত্মসম্মান ও আত্মশক্তির ওপর সম্পূর্ণ আস্থা এ জাতির নেতৃত্বের ইতিহাসে বিরল।’
(পথে যা পেয়েছি-দ্বিতীয় পর্ব। মো. আনিসুর রহমান। অ্যাডর্ন পাবলিকেশন। ২০০৪। পৃষ্ঠা-১৭৭)

লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, সাপ্তাহিক।

/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ