হারিয়ে গেছেন আমাদের একজন বীর উত্তম

Send
আবদুল মান্নান
প্রকাশিত : ০৯:৫৪, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৮ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:৩৮, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৮

আবদুল মান্নানএকাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের টালমাটাল সময়ে দেশের মানুষ বিভিন্ন রণাঙ্গনে মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথার সঙ্গে সঙ্গে দু’জন সেক্টর কমান্ডারের নাম প্রায় শুনতো। এদের একজন নয় নম্বর সেক্টরের কমান্ডার মেজর জলিল আর অন্যজন টাঙ্গাইলের কাদেরিয়া বাহিনীর প্রধান কাদের সিদ্দিকী। বিদেশি বেতার মাধ্যমের কল্যাণে এই দুজন বীর মুক্তিযোদ্ধার শৌর্যবীর্যের কথা প্রায়শ দেশের মানুষ জানতে পারতো। এই দুজন অন্যদের তুলনায় কিছুটা ব্যতিক্রমী ছিলেন এই কারণেই, তারা ভারতের সহায়তা ছাড়াই বিস্তীর্ণ এলাকা মুক্ত রেখেছিলেন। যুদ্ধ চলাকালীন সম্ভবত সেপ্টেম্বর মাসের দিকে দৈনিক পাকিস্তান পত্রিকা মেজর জলিলের মাথাভর্তি চুল আর দাড়িওয়ালা একটা ছবি প্রকাশ করে তাতে শিরোনাম দেয় ‘হিপ্পি বেশে তথাকথিত মুক্তিযোদ্ধা’। সাধারণ মানুষের ধারণা ছিল হিপ্পিরা সারাক্ষণ মদ গাঁজা খায় আর মেয়ে মানুষ নিয়ে ফুর্তি করে। কাদের সিদ্দিকীর বা কাদেরিয়া বাহিনীর নাম শোনা গেলেও ১৬ ডিসেম্বরের আগে তার ছবি কখনও প্রকাশিত হয়নি। ১৫ ডিসেম্বর পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় জিওসি লে. জেনারেল নিয়াজীর সঙ্গে আত্মসমর্পণের বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য ঢাকা সেনানিবাসে আসেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল জেকব। সঙ্গে করে নিয়ে আসেন কাদের সিদ্দিকীকে। এর আগে ঢাকায় প্রথম প্রবেশকারী মিত্র বাহিনীর জেনারেল গান্ধার্ভ নাগরা নিয়াজীর সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা সেরে ফেলেছেন। জেকব আর নিয়াজী দুজনই একসময় ভারতের দেরাদুন সেনা স্টাফ কলেজের ছাত্র ছিলেন। প্রথমে দুই পূর্ব পরিচিত বন্ধু করমর্দন করেন। জেনারেল নিয়াজী কাদের সিদ্দিকীর দিকে হাত বাড়িয়ে দিলে তিনি করমর্দন করতে অস্বীকার করেন।

কাদের সিদ্দিকীকে প্রথম বিশ্ব মিডিয়ায় দেখা যায় ১৯৭১ সালের ২০ ডিসেম্বর, যখন তিনি পল্টন ময়দানে প্রকাশ্যে দিনের বেলায় কয়েক হাজার মানুষের সামনে তিনজন রাজাকারকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করেন। আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় এই সংবাদটি অত্যন্ত নেতিবাচক হিসেবে প্রচারিত হয়। বলা হয় বাংলাদেশে প্রতিহিংসার রাজনীতি শুরু হয়েছে। এই রকম ঘটনা দেশের অন্যান্য স্থানেও ঘটেছে। খুলনায় দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীকেও হত্যা করার জন্য মুক্তিযোদ্ধারা নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তার আকুতি শুনে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাহাত্তর সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরলে এই ধরনের কর্মকাণ্ডের ইতি ঘটে। তিনি ঘোষণা করেন কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেন। সকল মুক্তিযোদ্ধাকে অস্ত্র জমা দিতে তিনি নির্দেশ দেন। টাঙ্গাইলে কাদের সিদ্দিকী ও তার নিয়ন্ত্রিত বাহিনী বঙ্গবন্ধুর কাছে অস্ত্র জমা দেন। বঙ্গবন্ধু কাদের সিদ্দিকীকে পুত্রবত স্নেহ করতেন। বাকশাল প্রতিষ্ঠার পর তিনি তাকে টাঙ্গাইলের জেলা গভর্নর নিযুক্ত করেন। সম্ভবত কাদের সিদ্দিকীকে প্রথম সংবর্ধনা জানানো হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুহসীন হল ছাত্র সংসদের পক্ষ হতে। সাথে ছিলেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক আবদুল জব্বার। বস্তুতপক্ষে সেদিন প্রথমবারের মতো একজন বড়মাপের মুক্তিযোদ্ধা দেখার সুযোগ হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীর। কাদের সিদ্দিকী ততদিনে একজন কিংবদন্তি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সারা দেশে পরিচিত।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর কাদের সিদ্দিকী তার যুদ্ধদিনের কয়েকশ’ সঙ্গীকে নিয়ে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে চলে যান। ততদিনে তিনি বঙ্গবন্ধু কর্তৃক বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হয়েছেন। প্রতিজ্ঞা করেন তিনি বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিশোধ না নিয়ে ক্ষান্ত হবেন না। যুদ্ধ ঘোষণা করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা (তখনও বিএনপি প্রতিষ্ঠা হয়নি তবে খোন্দকার মোশতাককে ক্ষমতাচ্যুত করে সেনাশাসক হয়েছেন) জিয়ার বিরুদ্ধে। জিয়া তার অবর্তমানে কাদের সিদ্দিকীকে সামরিক ট্রাইব্যুনালে তামাশার বিচার করে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন। তার বাহিনীর সদস্যরা সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ করতে গিয়ে একাধিকবার পরাস্ত হন এবং অনেকে ধরা পড়েন। সম্প্রতি এমন এক যোদ্ধা বিশ্বজিৎ নন্দী কাদের সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে এক খোলা চিঠি লিখেছেন। বিশ্বজিৎ বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে ধরা পড়েন এবং সামরিক আদালতে তার মৃত্যুদণ্ড হয়। পরে মৃত্যুদণ্ড রহিত করা হয় এবং সাত বছর পর তিনি ছাড়া পান। তিনি খোলা চিঠিতে কাদের সিদ্দিকীর প্রতি দাবি করেছেন তাকে যেন তার সেই সাত বছর ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

জিয়ার মৃত্যুর পর আশির দশকে কাদের সিদ্দিকীকে ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন জেলায় একটি ‘কাদের সিদ্দিকী স্বদেশ প্রত্যাবর্তন’ কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি নানা স্থানে সভা সমাবেশ করে নিঃশর্তভাবে কাদের সিদ্দিকীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সুযোগ দেওয়ার জন্য দাবি করেন। শেখ হাসিনা এই দাবির প্রতি তার সমর্থন জ্ঞাপন করেন। এরশাদ পতনের কিছু আগে কাদের সিদ্দিকী দেশে ফিরলে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের আগে শেখ হাসিনা তার জামিনের ব্যবস্থা করেন এবং নির্বাচনে টাঙ্গাইলের একটি আসন হতে তাকে মনোনয়ন দেন। নির্বাচনে আমাদের বঙ্গবীর বিএনপির প্রার্থী হুমায়ুন খান পন্নির কাছে পরাজিত হন। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনা পুনরায় তাকে মনোনয়ন দেন এবং এই প্রথমবারের মতো তিনি বিজয়ী হয়ে সংসদ সদস্য হন। সংসদ সদস্য থাকাকালে তিনি তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সঙ্গে টাঙ্গাইলে তার জবরদখলকৃত বাড়ি হতে উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন এবং ২০০১ সালের নির্বাচনের প্রাক্কালে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ নামে একটি পৃথক দল গঠন করেন। এরপর ২০০১ সালের নির্বাচনে বিজয় লাভ করেন। সেই দলে কৃষকও তিনি, শ্রমিকও তিনি, জনতাও তিনি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কাদের সিদ্দিকী আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন। এই পর্যন্ত তার দল হতে তিনিই একমাত্র প্রার্থী, যিনি কোনও সংসদ নির্বাচনে বিজয় লাভ করেছেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে তার নির্বাচনি এলাকা টাঙ্গাইল হতে প্রার্থী হয়েছিলেন। ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে তার প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে।

বীর উত্তম এক সময় শুরু করেছিলেন নির্মাণ ব্যবসা। তখন তিনি আওয়ামী লীগের একজন বড় নেতা। সরকার হতে ঠিকা নিলেন তার এলাকায় ব্রিজ বানাবেন বলে। নির্মাণ বাবদ টাকাও নিলেন তবে ব্রিজ আর হলো না। আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা হতে সরাতে আর বিএনপিকে বিলুপ্তি হতে বাঁচাতে গঠিত ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে সম্প্রতি যোগ দিলেন আমাদের বঙ্গবীর। যে কাদের সিদ্দিকী স্বাধীনতার পর পর বিশ্বমিডিয়ায় সংবাদ শিরোনাম হয়েছিলেন প্রকাশ্যে রাজাকার হত্যার জন্য, সেই কাদের সিদ্দিকী তার কাঁধে তুলে নিলেন একাত্তরের ঘাতক দল জামায়াতকে। সম্প্রতি কাদের সিদ্দিকীর নেতা ড. কামাল হোসেনকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেছিলেন তিনি যাদের সাথে ঐক্য করেছেন তাদের সাথে তো জামায়াতও আছে। তাদের নিয়ে তিনি কীভাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করবেন? সোজা উত্তর দিলেন, তিনি বিএনপির সঙ্গে ঐক্য করেছেন, জামায়াতের সঙ্গে নয়। জাতির দুর্ভাগ্য যে ড. কামাল হোসেনরা বাংলাদেশের সকল মানুষকে নিম্নশ্রেণির বোকা ভাবেন। তিনি কীভাবে মনে করেন যে মানুষ বিশ্বাস করবে যে বিএনপি বিশ দলের মোর্চার নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং যে মোর্চার দ্বিতীয় বৃহৎ দল হচ্ছে জামায়াত; সেই দলকে বাদ দিয়ে বিএনপি ড. কামাল হোসেনের মতো একজন ফ্লপ রাজনীতিবিদের ঐক্যে শামিল হবেন? জামায়াতের ২৫ জন প্রার্থী বিএনপির ধানের শীষ মার্কা নিয়ে নির্বাচন করছেন। বিএনপির একজন বড়মাপের নেতা নজরুল ইসলাম খান সম্প্রতি আবিষ্কার করেছেন জামায়াতের মধ্যেও মুক্তিযোদ্ধা আছে। হ্যাঁ আছে, তবে তারা পাকিস্তানের মুক্তির জন্য যুদ্ধ করেছেন।

এমনটি চলতে থাকলে আর কিছু দিন পর শুনতে হবে জামায়াত বাংলাদেশ স্বাধীন করেছে আর জেনারেল জিয়া বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি লিখে দিয়েছিলেন। এ বিষয়ে ড. কামাল হোসেন গং কী বলবেন তা জাতি জানতে চায়? মানুষ কী এটা বোঝে না বিএনপি-জামায়াত জোট তাকে ছাতা হিসেবে ব্যবহার করছে? প্রয়োজন শেষে তাকে ছুড়ে ফেলে দিতি বেশি সময় লাগবে না।

পাঠকদের একটু পেছনে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চাই। ১৯৮৯ সালে কাদের সিদ্দিকী চট্টগ্রামের প্রথম বিজয় মেলায় বক্তৃতা দিতে এসেছিলেন। উল্লেখ্য, বিজয় মেলার জন্ম ওই বছর চট্টগ্রামে। সেই মেলায় আমার সঙ্গে যুগ্ম-আহ্বায়ক ছিলেন ফারুখ-ই-আযম বীর প্রতীক। ১৬ আগস্ট চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সামনের মাঠে নির্মিত বিজয় মঞ্চে সন্ধ্যায় মুক্তিযুদ্ধের জীবন্ত নায়ক কাদের সিদ্দকী তার যুদ্ধদিনের কাহিনি শোনাবেন। সভাপতি আমি। সামনে কম করে হলেও হাজার দশেক মানুষ। সেদিন বঙ্গবীর প্রায় ঘণ্টাখানেক যুদ্ধদিনের অসাধারণ সব কথা শুনিয়েছিলেন, বীরত্বের কথা বলেছিলেন। ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে ভারতীয় বাহিনীর জেনারেল জেকবের সঙ্গে ঢাকা সেনানিবাসের ঘটনা প্রবাহের কথা শোনাতে গিয়ে বলেছিলেন ‘সেদিন জেনারেল নিয়াজি যখন তার অস্ত্রসমর্পণ করেছিলেন সেখানে আমার বুট ছিল, কোনও একজন মেজর জিয়ার বুট নয়।’ সেই কাদের সিদ্দিকী এখন জিয়ার সৃষ্ট বিএনপির একজন একনিষ্ঠ ভক্ত এবং তার পুনরুজ্জীবন দানে ব্যস্ত। হারিয়ে গেছেন সেই দিনের সেই সন্ধ্যার আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের অমিত তেজ কাদের সিদ্দিকী।

কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় ১৯৯৪ সালে যখন তিনি আমাকে আমন্ত্রণ জানালেন ১৫ আগস্ট টুঙ্গিপাড়ায় গিয়ে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করার জন্য। এক কথায় রাজি। সে সময় কাদের সিদ্দিকী প্রতি বছর জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়ায় তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠান করতেন। দিনে কাঙালিভোজের ব্যবস্থা হতো। রাতে গিমাডাঙ্গা হাইস্কুল মাঠে বসতো আলোচনা অনুষ্ঠান। সভাপতিত্ব করতেন বঙ্গবন্ধুর দাফন কাফনের সঙ্গে জড়িত একজন অথবা বঙ্গবন্ধুর সমবয়সী কেউ। তখন কাদের সিদ্দিকী একজন কিংবদন্তি। কিন্তু কী দুঃখের বিষয় সেই বঙ্গবীর এখন গলায় গামছা পেঁচিয়ে বিএনপি-জামায়াতের ছায়াতলে আশ্রয় নিয়ে একজন বিড়াল শাবক হয়ে গিয়েছেন। জাতির জন্য এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক। হারিয়ে গেছেন আমাদের সেই বঙ্গবীর যাকে দেশের মানুষ তাদের মাথায় নিয়েছিলেন। বীর উত্তম, মুজিব কোট, ধানের শীষ আর গামছা এখন একাকার। অপরাজনীতি মানুষকে খলনায়কে পরিণত করতে পারে, আমাদের অতি পরিচিত বীর উত্তম তার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এটি জাতির জন্য লজ্জার।

 

লেখক: বিশ্লেষক ও গবেষক।

/এসএএস/আপ-এফএস/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ