জামায়াত পুনর্বাসন: বিদেশি প্রেসক্রিপশন কিন্তু ক্ষতিটা বিএনপিরই (শেষ পর্ব)

Send
মাসুদা ভাট্টি
প্রকাশিত : ১৪:৫২, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ২২:৩৭, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৯

মাসুদা ভাট্টিজামায়াত ইসলামী থেকে ‘ইসলামী’ শব্দটি বাদ দিয়ে, একাত্তরের জন্য ক্ষমা (কোনও কারণে তা সুনির্দিষ্ট করে নয়) চেয়ে, নতুন নাম নিয়ে জামায়াত বাংলাদেশে আসছে- এই আলোচনা হঠাৎ করেই এমন ব্যপ্তি পেয়েছে যে, এবার মনে এসবের কিছু একটা হতেই যাচ্ছে। বাংলা ট্রিবিউন গত এক সপ্তাহে এ বিষয়ে অন্তত ৭/৮টি লেখা প্রকাশ করেছে, একটি বৈঠকির আয়োজন করেছে এবং সেখানে বিশ্লেষক থেকে রাজনীতিবিদ প্রত্যেকেই জামায়াত পুনর্বাসন প্রকল্প সম্পর্কে তাদের মতামত দিয়েছেন।
পাঠক লক্ষ্য করুন, জামায়াত নিয়ে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাতকে আমি জামায়াত পুনর্বাসন প্রকল্প হিসেবে দেখছি। সেটা এ কারণে যে, জিয়াউর রহমান সামরিক শাসক হিসেবে ক্ষমতায় বসেই যেমন মনে করেছিলেন যে, এদেশে জামায়াত ইসলামীকে ফিরিয়ে এনে রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসন প্রয়োজন রয়েছে এবং তা তার নিজস্ব রাজনীতিকে প্রতিষ্ঠা দেওয়ার জন্যই, এখনও অনেকেই মনে করছেন যে, এদেশে জামায়াত ইসলামী’র রাজনীতি থাকতেই হবে, তা ভিন্ন নামে হোক কিংবা যেভাবেই হোক। গত কিস্তির লেখাতেই বলেছি যে, বিএনপি ও জামায়াত এদেশে রাজনীতি করেছে/করছে আসলে একে অন্যের ঢাল/তলোয়ার হয়েই, এখনও সেই অবস্থা থেকে বেরুনোর কোনও চিহ্ন দেখা যাচ্ছে না। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলার আগে জামায়াত কেন হঠাৎ করে নাম বদল করতে চাইছে কিংবা নিজেদের বদলানোর জন্য ক্ষমা চাওয়া প্রকল্প হাতে নিয়েছে সে বিষয়ে একটু আলোচনা প্রয়োজন।

এদেশে জামায়াতের রাজনীতি যারা করেন বা যারা জামায়াত সমর্থক তারা মূলত চিহ্নিত– নিজস্ব এলাকাতে এবং কখনও কখনও জাতীয় ভাবেই। তবে হ্যাঁ, বিদেশি অর্থ ও দীর্ঘদিন ক্ষমতার পৃষ্ঠপোষকতায় জামায়াত একটি গোপন ও তথাকথিত নিরপেক্ষ চেহারার গোষ্ঠীও তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে, যারা জামায়াত বিপদে পড়লে তাদের পক্ষে পরোক্ষভাবে সমর্থন আদায়ের জন্য ব্যাপক প্রচারণায় নামে। এখন যেমন, অনেক চেহারা কিংবা প্রতিষ্ঠানকেই দেখতে পাচ্ছি যারা জামায়াত পুনর্বাসন প্রকল্পে বেশ সোচ্চার হয়ে উঠেছেন। জামায়াত বিপদে পড়লে প্রথমেই দেশের আহমদীয়া বা কাদিয়ানী সমর্থকদের ওপর হামলা ঘটিয়ে তাদেরকে অমুসলিম ঘোষণার দাবি তোলে– এটা সাধারণ ঘটনা। কিন্তু ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের পর জামায়াত ইসলামী নিজে ও তাদের সমর্থকগোষ্ঠী এটা বুঝতে সক্ষম হয়েছে যে, আরও পাঁচ বছর যদি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকে তাহলে এদেশে জামায়াতের রাজনীতি আরও রসাতলে যাবে এবং আওয়ামী লীগ এই জামায়াত-বিরোধিতার রাজনীতিকে জিইয়ে রেখে ক্রমাগত ফায়দা নিতে থাকবে কারণ মানুষ বিশেষ করে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠী যারা প্রযুক্তি ব্যবহারে পারদর্শী তাদেরকে জামায়াতের পুরনো ও মানবতাবিরোধী অনাধুনিক রাজনীতি আর টানছে না। সবচেয়ে বড় কথা হলো, জামায়াতের বিদেশি অর্থদাতাদের পক্ষেও সরকারের দৃষ্টি এড়িয়ে এদেশের জামায়াতের রাজনীতিকে অর্থ সাহায্য দেওয়া খুব বেশি সম্ভবপর হবে না। অন্যদিকে দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিদেশি হস্তক্ষেপকারী বা যে চতুর্থ পক্ষ যারা বাংলাদেশের রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করে তাদের অনুকূলে রাখতে চায় তারাও বুঝতে পেরেছে যে, ২০০৮ সালের পর থেকে গত দশ বছর কেবলই জামায়াতের ধ্বংসাত্মক রাজনীতি পরাজয় এদেশে রচিত হয়েছে। কোনোভাবেই কোনও সুযোগেই জামায়াতকে পুনর্বাসিত করা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত ড. কামাল হোসেনের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন আইনজীবীকে সামনে এনে বিএনপি’র রাজনীতি বাঁচানোর চেষ্টার মধ্যেও যে শেষ পর্যন্ত লক্ষ্য ছিল জামায়াতকে রক্ষা সেটাও আর গোপন থাকেনি। কিন্তু সেই চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে। মাঝখান থেকে ড. কামাল হোসেনসহ তার নতুন সঙ্গী-সাথিরা জামায়াতের সঙ্গে থেকেও বারবার না থাকার কথা বলে লোকের কাছে হাস্যকর প্রমাণিত হয়েছেন। সেটা থেকেও বাংলাদেশে আওয়ামী-বিরোধী রাজনীতির বিদেশি কুশলীরা শিক্ষা নিয়েছেন– যে ভয়ঙ্কর অতীত নিয়ে জামায়াতে ইসলামী এবং বিএনপি এদেশে রাজনীতি করছে, তা থেকে এই দল দু’টি মুক্ত করা না গেলে, পাঁচ বছর পরও এই দল দু’টি কোনও ভবিষ্যৎ নেই, যদি না আওয়ামী লীগ বড় ধরনের কোনও গণবিরোধী ভুল করে। নতুন সরকারের প্রথম এক মাসের কর্মকাণ্ডে মানুষের কাছে এই বার্তা পৌঁছে যাচ্ছে যে, শেখ হাসিনা এই মেয়াদে আর যাই-ই করুন গণবিরোধী বড় কোনও ভুল হয়তো করবেন না। ফলে তড়িঘড়ি করে লন্ডনে বসবাসকারী জামায়াতের শীর্ষ নেতা ব্যারিস্টার রাজ্জাকের কাছ থেকে জামায়াত শুদ্ধিকরণের প্রস্তাব এসেছে এবং আলোচনায় চলে আসছে নাম বদলে নতুন রাজনীতি শুরু করারও।

তার মানে এটা এখন প্রমাণিত যে, জামায়াতের অতীত রাজনীতি ভুল ছিল। একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার সঙ্গী হওয়ায় সংগঠন হিসেবে জামায়াত যে পরিত্যক্ত সেটা বিএনপি’র জানা ছিল না তা নয়, কিন্তু তারপরও বিএনপি বাঙালি-মানসকে বুঝতেই পারেনি যে, কেবলমাত্র স্বাধীনতার ঘোষক দাবি করাই যথেষ্ট নয়, স্বাধীনতার শত্রুদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দেওয়াটাই সবচেয়ে বড় পাপ। এখন এই পাপ মোচনে বিএনপি নেতারা মিন মিন করে জামায়াতকে বদলানোর পরামর্শ দিচ্ছে, ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে। কিন্তু সেটা তারা জোরেশোরে করছে না কারণ জামায়াত যদি নতুন করে, নতুন নামে এদেশের রাজনীতিতে আসে তাহলে সাংগঠনিকভাবে সবচেয়ে বড় ক্ষতিটি হবে বিএনপি’র। এমনকি দল হিসেবে বিএনপি অস্তিত্বহীনও হয়ে পড়তে পারে। তার কারণ আর কিছুই নয়, এদেশের পরিবর্তিত জনমানস একই রকম ও একই চরিত্রের দু’টি রাজনৈতিক দলকে কেন একই সঙ্গে সমর্থন দেবে সে প্রশ্ন উঠতেই পারে। কিন্তু তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে পশ্চিমা গণতন্ত্রবাদীরা আসলে কী ভাবে?

১/১১’র আগে বাংলাদেশে অবস্থানরত কূটনীতিকরা একটি ‘টুয়েসডে ক্লাব’ বা ‘মঙ্গলবার-সংঘ’ গঠন করেছিলেন। তারা প্রতি মঙ্গলবার বসে এদেশের রাজনীতির গতি-প্রকৃতি বদলানোর চেষ্টা করেছিলেন। তারা প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলো থেকে রাজনীতিকে এনজিও-ওয়ালা সুশীলদের হাতে এনে দিতে চেয়েছিলেন এবং সে জন্য সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু এদেশের রাজনৈতিক দল বিশেষ করে আওয়ামী লীগ একটি পোড়খাওয়া রাজনৈতিক সংগঠন হওয়ায় দলটি মাটি কামড়ে পড়ে থাকে তাদের অধিকার আদায়ে। কৌশলও যে করে না তা নয়, একটি নির্বাচন আদায় করে ১/১১’র সরকারের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করে তারপর আওয়ামী লীগ তার কৌশল বদল করে এখনও শক্তিশালী ভাবেই জনগণের সমর্থন নিয়ে টিকে আছে। আর বিএনপি’র মতো চাপিয়ে দেওয়া রাজনৈতিক শক্তি দেশের সকল বিরোধী শক্তিকে সঙ্গে নিয়েও কেন আওয়ামী লীগকে টলাতে পারছে না, জনগণকে পাশে পাচ্ছে না তা যতই আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিবাদী বা স্বৈরাচারী বলে চিৎকার দিয়ে বলার চেষ্টা করুক না কেন, বাস্তবতা হলো, রাজনৈতিক দলকে জনগণের জন্য কাজ করতে হয়, নিজেদের অক্ষ বা কোটারি স্বার্থ বাঁচানোর জন্য যদি কোনও রাজনৈতিক শক্তির মূল কাজ হয় তাহলে তাদের পক্ষে বেশিদিন টিকে থাকাই সম্ভব হয় না। পশ্চিমারা এই সত্য অত্যন্ত ভালোভাবে বুঝতে পেরেছে কারণ তাদের সেই পুরনো ‘দাতাগিরি’ আর কাজ করছে না। বহু চেষ্টা করেও তারা আর বিএনপি-জামায়াতকে জনগণের প্রিয় করে তুলতে পারছে না। এমতাবস্থায় নতুন প্রেসক্রিপশন হিসেবে জামায়াতের ক্ষমা চাওয়া বা চরিত্র-বদল, নাম বদল করে নতুনতর রাজনীতিতে জামায়াতে নিয়ে আসার বিকল্প কিছু নেই। বহুদিন ধরেই বিভিন্ন আলোচনা বা প্রকাশিত গবেষণায় একথা ‘আড়ে-ঠেড়ে’ বলার চেষ্টা হচ্ছে যে, বাংলাদেশে আসলে দু’টি বড় রাজনৈতিক দল থাকবে, ইংল্যান্ড বা আমেরিকার মতো দু’টি প্রধান রাজনৈতিক শক্তি, কিন্তু প্রত্যেকেরই রাজনৈতিক চরিত্র কিছু কিছু ক্ষেত্রে একই থাকতে হবে, বিশেষ করে খোলা বাজারনীতির সমর্থন, ধর্মকে রাজনীতি থেকে আপাত দৃষ্টিতে সরিয়ে রাখা এবং আধুনিক প্রযুক্তিকে সমর্থন, পশ্চিমের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা– এসব কিছু মৌলিক বিষয়কে এক রেখে বাকি সব ক্ষেত্রে আলাদা দু’টি রাজনৈতিক পক্ষ থাকলে রাজনীতি নিয়ে পশ্চিমাপক্ষের খেলতে সুবিধা হয়, বহুপক্ষকে আর ‘ম্যানেজ’ করতে হয় না। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশে একটি সেক্যুলার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পক্ষ (যার নেতৃত্ব দেবে আওয়ামী লীগ) আর আরেকটি কট্টরপন্থী কিন্তু গণতন্ত্রের প্রতি সমর্থক তবে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমদের কাছে ধর্মবাদী চেহারার রাজনৈতিক দল থাকলে ভবিষ্যতের রাজনীতিটা জমবে ভালো।

প্রশ্ন হলো, বিএনপি কি সেই দ্বিতীয় পক্ষ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে পারবে? গত দশ বছরের ইতিহাস বলে, না পারবে না। কারণ, বিএনপি’র গণভিত্তির হিস্যা জামায়াতের সমর্থকদের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে হয়। জামায়াতের মাঠশক্তির ওপর বিএনপি’র নগর-রাজনীতি নির্ভর করে। ফলে জামায়াতকে নগরের আধুনিক রাজনীতিতে নিয়ে আসার প্রকল্প হাতে নেওয়া সহজ, বিএনপি’কে গ্রামের সাধারণ মানুষের রাজনীতিতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেয়ে। ফলে পশ্চিমা প্রেসক্রিপশন হলো, জামায়াতকে একাত্তরের জন্য ক্ষমা চাইতে বাধ্য করে, নতুন নামে বাংলাদেশের রাজনীতিতে রি-ব্র্যান্ডিং করা। সেটা আরও সহজ হবে এ কারণে যে, এই মুহূর্তে জিয়া পরিবার রাজনীতি নেই বললেই চলে। এই সুযোগে জামায়াতকে নতুন রাজনীতিতে আনলে দ্রুততার সঙ্গে পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব। কে জানে হয়তো, সরকারও মনে করছে যে, জিয়া পরিবার থেকে রাজনীতিকে বের করতে এদেশে নতুন বোতলে পুরনো জামায়াত ফিরে এলেও ক্ষতি কী? ঐক্যফ্রন্টও ইতোমধ্যে জামায়াতের ক্ষমা চাওয়ায় খুশি, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আজকাল তার দলের নেতাদের চেয়ে ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের পাশে বেশি দেখা যাচ্ছে- এমতাবস্থায় পুরনো পাপের খোলস ছেড়ে জামায়াত যদি ঐক্যফ্রন্টেও যোগ দিতে চায় তাহলে ড. কামাল হোসেন নিশ্চিত তাদেরকে বুকে টেনে নেবেন (তার জামাতা বহু আগে থেকেই জামায়াতের সমর্থক, প্রচারক ও আন্তর্জাতিকভাবে জামায়াত পুনর্বাসনের হোতাদের অন্যতম)। কিন্তু এতে বিএনপি’র কী হবে? রাজনীতি-বোদ্ধারা হিসাব শুরু করুন, বিএনপি-নেতাদের কেউ কেউ বুঝেছেন বলেই মনে হচ্ছে, তারা জামায়াতকে নতুন রূপে দেখতে আগ্রহী নন, কারণ তাতে বিএনপি’র জায়গাটিই জামায়াত কেড়ে নেবে, এদেশে বিএনপি-রাজনীতির আর ভবিষ্যৎ থাকবে না।

ভবিষ্যতের কোনও লেখায় এ বিষয়ে বিস্তারিত লেখার ইচ্ছে রইলো। আজকের মতো দু’পর্বের লেখার ইতি টানি। যাওয়ার আগে শুধু একথাটিই বলি যে, পশ্চিমা প্রেসক্রিপশনে কেন বিদেশি প্রেসক্রিপশনের রাজনীতি এদেশে টেকেনি। চীনপন্থী বামেরা চীনের কারণে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে সমর্থন দিতে পারেনি, তারা আজ  বিএনপি’তে বিলীন হয়ে গেছে, কিন্তু রাজনীতিতে অচলই বলতে হবে। ভারতের প্রত্যক্ষ মদদে সৃষ্ট জাসদ এখন বহুধা-বিভক্ত হয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট বেঁধে কোনোমতে টিকে আছে। পাকিস্তান-সৌদি আরবের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় সৃষ্ট জামায়াতে ইসলামীর অবস্থা আজ  বেহাল, নতুন নাম নিতে হচ্ছে, আবারও সেই বিদেশি প্রেসক্রিপশনে। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না। দেখা যাক, কোথাকার রাজনীতি এবার কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।



লেখক: দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক।

(পর্ব ১) জামায়াত-বিএনপি: নতুন আলোচনার নেপথ্যে 

 

/এসএএস/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ