শ্বেতাঙ্গ সন্ত্রাস মোকাবিলায় মুসলমানদের সতর্কতা প্রয়োজন

Send
বখতিয়ার উদ্দীন চৌধুরী
প্রকাশিত : ১৪:১৪, মার্চ ২১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:৩৯, মার্চ ২১, ২০১৯

বখতিয়ার উদ্দীন চৌধুরীনিউজিল্যান্ড কুক প্রণালি দ্বারা দ্বিধাবিভক্ত। প্রণালির পূর্বপ্রান্তের দক্ষিণ পাশে ক্রাইস্টচার্চ শহর আর উত্তর প্রান্তে ওয়েলিংটন শহর। ইতিহাস থেকে জানা যায়, ক্রাইস্টচার্চ শহরে ১৮৫০ সালে এসে প্রথম মুসলমানেরা বসতি স্থাপন শুরু করেন। অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ডসহ অত্র এলাকা ছিল ব্রিটিশ উপনিবেশ। ভারত উপমহাদেশও ছিল ব্রিটিশ কলোনি। ভারত থেকেও বহু হিন্দু-মুসলমান গিয়ে ওই এলাকায় বসতি স্থাপন করেছিলেন।
এ ক্রাইস্টচার্চ শহরটিতে মুসলমানেরা দুটি মসজিদ গড়ে তোলেন– আল নুর ও লিনউড। গত ১৫ মার্চ শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় করার সময় ব্রেন্টন ট্যারান্ট নামক ২৮ বছর বয়সী এক শ্বেতাঙ্গ যুবক মসজিদ দুটিতে মুসল্লিদের ওপর স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। তাতে ৪৯ জন মুসল্লি প্রাণ হারায়। পরবর্তীতে আরও একজন মারা যায়। এ শ্বেতাঙ্গ যুবকটির একক হামলায় প্রাথমিকভাবে ৪১ জন নিহত হয়েছেন আল নুর মসজিদে এবং ৭ জন মারা গেছেন লিনউড মসজিদে।
শ্বেতাঙ্গ  বর্ণবাদী এ যুবকটি বিশ্বে শ্বেতাঙ্গদের শ্রেষ্ঠত্ববাদে বিশ্বাসী। দুর্ঘটনা ঘটানোর আগে যুবকটি ‘দ্য গ্রেট রিপ্লেসমেন্ট’ শিরোনামে তার ৭৩ পৃষ্ঠার লিখিত এক ইশতেহার প্রকাশ করেছিলো। সন্ত্রাসী ট্যারান্ট তার ইশতেহারে ট্রাম্প ও হিটলারের ভূয়সী প্রশংসা করেছে। গত শতাব্দীর হিটলার আর এ শতাব্দীর ট্রাম্প উভয়ে বর্ণবাদী শ্বেতাঙ্গদের শ্রেষ্ঠত্বে বিশ্বাসী নেতা। আমরা আগে দেখেছি আমেরিকার অন্য সব প্রেসিডেন্ট আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার এবং প্রতিষ্ঠিত করার প্রচেষ্টা চালাতেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য, ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে যিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন তিনি শ্বেতাঙ্গদের শ্রেষ্ঠত্বের কথা প্রচার করলেন।

ট্রাম্প শুধু শ্বেতাঙ্গদের শ্রেষ্ঠত্বের কথা প্রচার করেননি, সঙ্গে সঙ্গে মুসলিম বিদ্বেষও ছড়িয়ে ছিলেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর অনেক মুসলিম দেশের নাগরিকদের আমেরিকায় প্রবেশ করার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছিলেন। ট্রাম্পের এসব কর্মকাণ্ড শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদীদের উৎসাহ জুগিয়েছে এবং তারা ট্রাম্পের কাছ থেকে মুসলিম বিদ্বেষের অনুপ্রেরণাও পেয়েছে। মসজিদে হত্যাকাণ্ড চালানোর সময় ট্যারান্ট অস্ত্রের সঙ্গে ভিডিও ক্যামেরা সংযোজন করে ফেসবুকের মাধ্যমে তা বিশ্বব্যাপী সরাসরি সম্প্রচারও করেছে। এতে নিজে যে কাজটি করলো সে হিংসাত্মক কাজটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদীদের অনুপ্রেরণাও দিলো।

এবিসি টেলিভিশনের সাম্প্রতিক এক রিপোর্ট অনুসারে ১০২০টি হেইট গ্রুপ বর্তমানে আমেরিকায় সক্রিয়। শুধু ২০১৮ সালে ১০০টি অ্যান্টি-মুসলিম গ্রুপ জন্ম হয়েছে। শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ ২০১৮ সালেই বৃদ্ধি পেয়েছে ৫০ শতাংশ। স্যামুয়েল পি. হান্টিংটন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রসিদ্ধ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন। তিনি নব্বইয়ের দশকে ‘সভ্যতার সংঘাত’ (clash of civilizations) তত্ত্বের জন্ম দেন, যেটি পরবর্তীতে সেপ্টেম্বর ১১’র সন্ত্রাসী হামলার পর তাকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। তিনি ছিলেন আমেরিকার বিদেশ মন্ত্রণালয়ের একজন ব্রেন ট্রাস্ট। স্টেট ডিপার্টমেন্টকে দেওয়া তার ক্ল্যাস অব সিভিলাইজেশন তত্ত্বটিতে মুসলিম সভ্যতার উত্থানের কথা বলেছেন তিনি। আর তা যে শেষ পর্যন্ত পশ্চিমা সভ্যতার (খ্রিস্টীয়) জন্য বিশেষ হুমকি হবে সে কথাও বলেছেন। সেই থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মুসলিম দেশগুলোকে ধ্বংস করে দেওয়ার পাঁয়তারায় মেতে উঠেছে।

সোভিয়েতের পতনের পর ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থেচারও বলেছিলেন, পশ্চিমা সভ্যতার নতুন শত্রু প্রস্তুত হচ্ছে। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে দেওয়ার ব্যাপারে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট রিগান থেচারের সাহায্য নিয়েছিলেন। সে সময় ক্রেমলিনের লনে দোলনায় দোলা খেয়ে খেয়ে থেচার আর গর্ভাচেভের প্রাণখোলা চুমাচুমির দৃশ্য বিশ্ববাসী বহু দেখেছেন। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বুশ জুনিয়র ইরাকে সাদ্দামের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে যুদ্ধ শুরু করার পর বলেছিলেন, এটা মুসলমানের বিরুদ্ধে খ্রিস্টানদের ক্রুসেড। ইরাক যুদ্ধে আমেরিকার দোসর ছিল ব্রিটেন। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার বুদ্ধিমান লোক, তিনি জুনিয়র বুশকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে এ কথা প্রত্যাহার করার ব্যবস্থা করেছিলেন। কারণ, টনি ব্লেয়ার বুঝে ছিলেন জুনিয়র বুশের কথায় মুসলমানেরা রেগে যাবে।

টনি ব্লেয়ারের কথায় কথাটা প্রত্যাহার করলে কী হবে আসলে এটাই তো ছিল জুনিয়র বুশের মনের কথা। মুসলিম বিশ্বের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করে দেওয়ার জন্য পশ্চিমা বিশ্বের নেতারা আর মিডিয়াগুলো সমস্বরে প্রচার করেছে ইসলামি সন্ত্রাসবাদের কথা। আর সন্ত্রাসকে জেহাদ নামে উল্লেখ করেছে আর বলেছে ইসলাম সন্ত্রাসবাদী ধর্ম। আমেরিকায় উগ্র খ্রিস্টানদের একটা সংগঠন আছে- কু ক্লাক্স ক্লান নামে, সংক্ষেপে কেকেকে। প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ১৮৮৫ সালে। এদের উল্লেখযোগ্য কাজ হচ্ছে– শ্বেতাঙ্গ প্রাধিকার, শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ, অভিবাসনবিরোধী আন্দোলন চালানো। কেকেকে কালোদের প্রকাশ্যে রাস্তার পাশে গাছের ডালে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করতো। তখন কিন্তু কেউ এটাকে খ্রিস্টীয় সন্ত্রাসবাদ বলেনি।

২০১১ সালে মধ্যপ্রাচ্যে যে আরব বসন্তের কথা বলা হয় তার পেছনে হিলারি ক্লিনটন প্রেরণা জুগিয়েছিলেন। গণতন্ত্রের নামে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর শক্তিশালী শাসকদের উৎখাত করাই ছিল এর লক্ষ্য। আরব বসন্ত নামক মুখরোচক কথাটা ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যের সর্বনাশ করা হয়েছে। আরব বসন্তে মধ্যপ্রাচ্যে যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিলো সে বিশৃঙ্খলার মধ্যে সিরিয়া ও ইরাকের কিছু জায়গা নিয়ে আমেরিকা আবু বকর বাগদাদীকে দিয়ে ইসলামিক স্টেট প্রতিষ্ঠা করেছিলো। ইসলামিক স্টেটের লোকজনদের সামরিক ট্রেনিং দিয়েছে ইসরায়েল। আইএস’র  আহত যোদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য ইসরায়েল গোলানে এক হাজার শয্যার হাসপাতাল তৈরি করেছিলো। আইএসকে অস্ত্র সরবরাহ করে আমেরিকা আর ইসরায়েল। তারাই সন্ত্রাসী তৈরি করে তাদের প্রয়োজনে আর তাদের প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে সন্ত্রাস দমনের নামে তারাই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস কায়েম করে। এ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আমেরিকা বিশ্বটাকে নরক করে তুলছে।

ইউরোপ এবং আমেরিকায় এখন বর্ণবাদের আর   শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্বের জিকির উঠেছে। বহু সংগঠনও গড়ে উঠেছে এবং শক্তিশালী সরকারগুলোর বিরুদ্ধে বর্ণবাদীদের উত্থান ঘটছে। জার্মানির মহীয়সী চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল ১০ লাখ সিরিয়ান অভিবাসীকে জায়গা দিয়েছেন। তার এ উদ্যোগের জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রকাশ্যে তার নিন্দা করেছেন। ২০১৭ সালের নির্বাচনে মেরকেলের ভোট কমেছে এবং নব্য নাজি সংগঠন অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি পার্টি ভোট সংগ্রহে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে।

মধ্যপ্রাচ্য থেকে ইউরোপে মুসলমানদের আগমনের কারণে সেখানে বর্ণবাদী গোষ্ঠী হেইট ক্যাম্পেইনের গতি বাড়িয়ে দিয়েছে এবং ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানিতে বর্ণবাদী গোষ্ঠী এখন ক্ষমতার কাছাকাছি। বেশ কিছু নাজিবাদী সংগঠনও এর মধ্যে ইউরোপে জন্ম নিয়েছে। আমরা এ প্রসঙ্গে ১৯৯২ সালে ব্রিটেনে জন্ম নেওয়া ‘কম্ব্যাট ১৮’ বা সি১৮-এর কথা উল্লেখ করতে পারি। বর্তমানে নব্য নাৎসি সন্ত্রাসী এই সংগঠনটি ইউরোপের ১৮টি দেশে সুসংগঠিত হয়েছে। এ সংগঠনটির মূল আদর্শ হচ্ছে শ্বেতাঙ্গ কর্তৃত্ববাদ প্রচার আর ইসলামবিরোধী এবং অভিবাসীবিরোধী কর্মকাণ্ডের গতি সঞ্চার করে ইউরোপে মুসলিমদের বিরুদ্ধে একটা শক্তিশালী জনমত গঠন করে মুসলমানদের সর্বনাশ করা।

এতে ইউরোপ, আমেরিকার বহু মিডিয়া সমর্থন জোগাচ্ছে। আমেরিকার ৭৫ শতাংশ মিডিয়ার মালিক ধনাঢ্য ইহুদি ব্যবসায়ীরা। ইহুদিদের মুসলিম বিদ্বেষের তো কোনও সীমা-পরিসীমা নেই। এদের প্রচারের ধরন হলো শ্বেতাঙ্গদের সন্ত্রাসের নাম গোলযোগ আর মুসলমানদের ঢিল ছোড়াছুড়িও সন্ত্রাস। অবশ্য ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে গোলাগুলির ঘটনাকে নিউ জিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, এটি দেশটির ইতিহাসের ‘কালো দিনগুলোর’ একটি। নিউ জিল্যান্ডের পুলিশ এই ঘটনাকে সন্ত্রাসবাদী বলে উল্লেখ করেছে। ফলে লজ্জায় পড়ে হলেও পশ্চিমা মিডিয়া একে শুধু হামলা বলে চালায়নি, অনেক সংযত আচরণ করেছে।

আমেরিকা অন্যায়ভাবে জাতিসংঘের অনুমতি না নিয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্র ইরাক আক্রমণ করে রাষ্ট্রটাকে বিধ্বস্ত করে দিয়েছে। তারপর আরব বসন্তের নামে লিবিয়ার গাদ্দাফিকে হত্যা করা হয়েছে। লিবিয়াকে এখন দুই টুকরো করে রেখেছে। সিরিয়াকে ধ্বংস করার জন্য ২০১১ সাল থেকে গৃহযুদ্ধ চালানোর ব্যবস্থা করেছে এবং এখনও অব্যাহত রেখেছে। প্রেসিডেন্ট আসাদের ভাগ্য ভালো তার পাশে এসে ইরান আর রাশিয়া দাঁড়িয়েছে। না হয় এতদিনে সিরিয়াকে ভাগাভাগি করে আশপাশের রাষ্ট্রগুলোকে দিয়ে দিতো। এখন ইসরায়েল ও আমেরিকা টার্গেট করেছে ইরানকে। ইরানকে শেষ করতে পারলে মধ্যপ্রাচ্যে আর উল্লেখযোগ্য কোনও শক্তিশালী মুসলিম রাষ্ট্র থাকবে না।

মুসলমানদের দুভার্গ্য, ওআইসি কোনও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে না। নিজেদের সমস্যা নিজেরা সমাধানের কোনও উদ্যোগও ওআইসির নেই। এ নিষ্ক্রিয়তা বেদনাদায়ক। পশ্চিমা শক্তি ও মিডিয়াগুলোকে মোকাবিলা করার কোনও বিকল্প ব্যবস্থা ওআইসির নেই। কাতারের আমিরকে ধন্যবাদ যে তিনি আলজাজিরা প্রতিষ্ঠা করে ক্ষুদ্র হলেও পাল্টা একটা ভয়েস সৃষ্টি করেছেন, যদিও আমেরিকান সরকার সে দেশে আলজাজিরা ইংলিশ টিভি বন্ধ করে দিয়েছে। ইন্টারনেটে দেখা যায়। আমেরিকার আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নাকি ট্রাম্প পুনরায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। তিনি যদি পুনরায় নির্বাচিত হন তবে মুসলিম বিশ্বের কপালে অফুরন্ত দুর্যোগ আসবে। সুতরাং ওআইসির এ বিষয়ে সতর্ক হয়ে এখন থেকে তা মোকাবিলার পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।

নিউ জিল্যান্ডের লোকসংখ্যা মাত্র ৫০ লাখ। শ্বেতাঙ্গরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও বহু দেশ থেকে অভিবাসী এসে মিশ্র জনগোষ্ঠীরই দেশ হিসেবে গড়ে উঠেছে নিউজিল্যান্ড। এতদিন দেশটার মাঝে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ছিল। অস্ট্রেলিয়ার যুবক ব্রেটন ট্যারান্ট এসে মসজিদে হামলা চালিয়ে সম্প্রীতি বিনষ্ট করার চেষ্টা করলো। এ ঘটনার পর নিউ জিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন  মুসলমানদের সান্ত্বনা প্রদানের জন্য বিরল সংহতি প্রকাশ করলেন। ১৯ মার্চ নিউ জিল্যান্ড পার্লামেন্টের অধিবেশন আরম্ভ হলো পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে। তিনি গত শুক্রবার দুর্ঘটনা ঘটার পর থেকে শোক প্রকাশের জন্য কালো পোশাক পরে দিন কাটাচ্ছেন। তিনি সন্ত্রাসকে কঠোরভাবে মোকাবিলা করার ঘোষণা দিয়েছেন। এখন মুসলমানেরা সাধারণ এই প্রধানমন্ত্রীর অসাধারণ ভূমিকায় সাহস ফিরে পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে অশেষ ধন্যবাদ।

লেখক: রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলাম লেখক

bakhtiaruddinchowdhury@gmail.com

 

/এসএএস/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ