‘লাভ অলওয়েজ উইনস’

Send
প্রভাষ আমিন
প্রকাশিত : ১৭:৩৫, মার্চ ২১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:৩৮, মার্চ ২১, ২০১৯

প্রভাষ আমিনঅনেক দিন পর গত শুক্রবার মহিলা সমিতি মিলনায়তনে গিয়েছিলাম বহুমুখী প্রতিভা ফারজানা করিমের স্বরচিত কবিতার একক আবৃত্তি শুনতে। আমন্ত্রিত ছিলেন আমার স্ত্রী মুক্তি। ছুটির দিন বলে আমাকেও সঙ্গে যেতে হয়েছিল। তবে গিয়ে ভালো লেগেছে। সেখানেই দেখা প্রিয় রেজা (সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা) ভাইয়ের সঙ্গে। অনুষ্ঠান শুরুর আগে কথা হচ্ছিল সেদিন সকালেই নিউ জিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা নিয়ে। রেজা ভাই বলছিলেন, যে ঘৃণার পৃথিবী আমরা গড়ে তুলেছি, তাতে এমন আরও অনেক মর্মান্তিক ঘটনার জন্য আমাদের মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে। আসলেই রেজা ভাই অল্প কথায় সব কথা বলে দিয়েছেন।
বিশ্বজুড়ে মানুষে-মানুষে, দেশে-দেশে, জাতিতে-জাতিতে, বর্ণে-বর্ণে হিংসা, ঘৃণা, বিদ্বেষ, প্রতিহিংসা আর সন্ত্রাসের যে ভয়াল বিস্তার; তা এ বিশ্বকেই ক্রমশ বসবাসের অযোগ্য করে তুলছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি মানবিক বিশ্ব গড়ার নানা চেষ্টা ছিল। সবাইকে নিয়ে চলার, মিলে মিশে থাকার একটা আকাঙ্ক্ষা অনেকের মধ্যেই ছিল। যদিও এই সময়ে যুদ্ধবিগ্রহ কম হয়নি। ছিল স্নায়ুযুদ্ধও। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনে স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর পাল্টে যায় বিশ্ব রাজনীতি। ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদের অবসানের পর বিশ্ব সভ্যতায় আরেক দফা অগ্রগতি ঘটে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই নাৎসিবাদ, আর দক্ষিণ আফ্রিকায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে বর্ণবাদ সবচেয়ে ঘৃণ্য শব্দ।

কিন্তু বিশ্ব রাজনীতি আবার ওলটপালট হয়ে যায় ২০০১ সালের সেপ্টেম্বরের ১১ তারিখে নিউ ইয়র্কের টুইন টাওয়ারে সন্ত্রাসী হামলার পর। মুখে সভ্যতা, গণতন্ত্র, মানবাধিকারের কথা বললেও উন্নত বিশ্ব তলে তলে ইসলামের বিরুদ্ধে কৌশলী আগ্রাসন অব্যাহত রেখেছিল। কোথাও কোথাও রুখে দাঁড়ায় মুসলমানরা। তলে তলে চাঙ্গা হয় জঙ্গিবাদ। ৯/১১-এর হামলার পর অজুহাত পেয়ে যায় পশ্চিমারা। যে হামলার সঙ্গে চেতনাগতভাবে ইসলামের কোনও সম্পর্ক নেই, সেই হামলাকে পুঁজি করে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামে আসলে ইসলামের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে নামে পশ্চিমারা। ইরাক,আফগানিস্তান, সিরিয়া, লিবিয়া আজ ধ্বংসপ্রায়। এভাবে সন্ত্রাস দমনের নামে ইসলামকেই ধ্বংসের খেলায় মাতে পশ্চিমারা। ৯/১১’র পর থেকে ইসলামের সঙ্গে সন্ত্রাসকে গুলিয়ে ফেলার চক্রান্ত চলে, মুসলমান মানেই যেন জঙ্গি। নামের আগে পরে মোহাম্মদ বা আহমেদ থাকলেই বা পোশাকে মুসলমান মনে হলেই বিমানবন্দরে চলে অন্তহীন হেনস্তা। ইসলাম মানেই যেন আতঙ্ক। এভাবেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ইসলামকে কোণঠাসা করার এক ভয়ঙ্কর ষড়যন্ত্র চলে।

মুখে ভালোবাসার কথা বললেও পশ্চিমাদের অন্তরে পুষে রাখে বিদ্বেষের বিষ। ২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে সেই পুষে রাখা বিদ্বেষের বিপুল প্রকাশ ঘটে। বর্ণবিদ্বেষ, ইসলামবিদ্বেষ আর অভিবাসন বিদ্বেষের কথা বলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বনে গেছেন ট্রাম্প, যিনি মানবিক বিশ্বের ভাবনাকেই ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছেন। নিজে অভিবাসী বংশোদ্ভূত হলেও ট্রাম্পের প্রধান সংগ্রাম অভিবাসীদের বিরুদ্ধেই। মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণে অর্থ না পেয়ে নিজের সরকার অচল করতেও দ্বিধা করেন না এই ‘পাগলা রাজা’। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংগ্রাম হলো শ্বেতাঙ্গ আধিপত্য প্রতিষ্ঠা। শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে যাতে ভেজাল ঢুকতে না পারে, সে জন্যই তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে দেয়ালে ঢেকে ফেলতে চান, বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে চান। বৈচিত্র্যেই যে আসল সৌন্দর্য, সবাই মিলেই যে এগিয়ে যাওয়ার ধারণা; তা দুমড়েমুচড়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। আর ট্রাম্পের ভাবনায় অনুপ্রাণিত হয়ে যুক্তরাজ্যও ব্রেক্সিটের মতো স্বার্থপর বিচ্ছিন্নতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

অভিবাসন ঠেকানোর নামে আসলে মুসলমানদেরই ঠেকানোর চেষ্টা হচ্ছে। কারণ, বিশ্বজুড়ে অভিবাসন প্রত্যাশীদের বেশিরভাগই মুসলমান। পশ্চিমাদের নেওয়া নানা পদক্ষেপের কারণেই বাস্তুহারা হচ্ছে মুসলমানরা। আশ্রয়ের খোঁজে তারা ছুটে যাচ্ছে পশ্চিমেই। কিন্তু বাধ্য না হলে কেউ নিজের শেকড় ছাড়তে চায় না। ট্রাম্পের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে অস্ট্রেলিয়ান এক সন্ত্রাসী অস্ত্র নিয়ে ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে হামলা চালিয়ে পঞ্চাশজন মুসলমানকে হত্যা করেছে। হামলার আগেই প্রকাশিত মেনিফেস্টোর ছত্রে ছত্রে ছিল অভিবাসনবিদ্বেষ, ইসলামবিদ্বেষ আর শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যের ঘোষণা। যেন ট্রাম্পের কথাগুলোই সে বলছে অস্ত্রের ভাষায়। ক্রাইস্টচার্চের হামলা ভয়ঙ্কর সন্দেহ নেই। কিন্তু তারচেয়েও ভয়ঙ্কর দেশে দেশে শ্বেতাঙ্গ  আধিপত্যবাদের উত্থান। একসময় বর্ণবাদের কথা কেউ উচ্চারণেরই সাহস পেতো না। কিন্তু এখন অবলীলায় দায়িত্বশীল ব্যক্তিরাও বর্ণবাদের পক্ষে সাফাই গাইছেন। অস্ট্রেলিয়ান সিনেটর ফ্রেসের অ্যানিং ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে হামলার পক্ষে সাফাই গেয়েছেন এবং হামলার জন্য মুসলমানদের দায়ী করেছেন। বিশ্বের কোনও একজন মানুষও এই হামলার পক্ষে বলতে পারেন, এটা অবিশ্বাস্য। মানব সভ্যতার জন্য এটা কলঙ্ক। সভ্যতা এখন টার্নিং পয়েন্টে- বিদ্বেষের জয় হবে না ভালোবাসার? ঘৃণার দেয়াল ভাঙবে নাকি বিচ্ছিন্নতার দেয়াল গড়বে?

অস্ট্রেলিয়ান সন্ত্রাসী হামলার জন্য নিউ জিল্যান্ডকেই বেছে নিয়েছিল। কারণ, নিউ জিল্যান্ডের পরিচিতি শান্তির দেশ হিসেবে। সেই সন্ত্রাসী বোঝাতে চেয়েছে, পৃথিবীর কোথাও শান্তি নেই, নিরাপত্তা নেই। সে অভিবাসীদের স্রোত ঠেকাতে চেয়েছে, মুসলমানদের নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছে, ভয় দেখাতে চেয়েছে। কিন্তু সে যা চেয়েছিল, তা হয়নি। উল্টো ভালোবাসর নবজাগরণ ঘটেছে। বিশ্বে ট্রাম্পের মতো স্বার্থপর নেতা যেমন আছেন; আছেন মেরকেল, হাসিনা আর জাসিন্ডা আরডার্নের মতো মানবতাবাদী রাষ্ট্রনায়কও।  প্রচণ্ড রাজনৈতিক আর অর্থনৈতিক ঝুঁকি সত্ত্বেও অভিবাসীদের আশ্রয় দিয়ে মেরকেল আর হাসিনা আগেই মানবতার পক্ষে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করেছেন। ক্রাইস্টচার্চে হামলার পর নিউ জিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আরডার্ন যে মমতা নিয়ে মুসলমানদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা আমাদের আশাবাদী করে। আরডার্ন ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে স্বজনদের জড়িয়ে ধরেন পরম মমতায়। মুসলমানদের প্রতি সম্মান জানাতে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন কালো কাপড়ে মাথা ঢেকে। হামলার পর নিউ জিল্যান্ড সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছে কুরআন তেলাওয়াত দিয়ে। আরডার্ন তার বক্তব্য শুরু করেন আরবিতে ‘আসসালামুয়ালাইকুম’ বলে। সংসদের ভাষণে তিনি একবারও ক্রাইস্টচার্চ হামলাকারীর নাম উচ্চারণ করেননি। তিনি বলেছেন, ‘আমি আপনাদের অনুরোধ করবো, খুনির নাম নেওয়ার বদলে আমরা বরং যারা চলে গেছেন তাদের নাম বলবো। তাকে নিয়ে যখন আমরা কথা বলবো, তখন সে নামবিহীন থাকবে। তুমি হামলার জন্য আমাদের বেছে নিয়েছো। কিন্তু আমরা তোমাকে বর্জন করছি, নিন্দা করছি।’ আরডার্ন অন্তর দিয়ে অভিবাসীদের কষ্ট, মুসলমানদের বেদনা অনুভব করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘দে আর আস’। মানে তারাই আমরা। তিনি বলেছেন, ‘মুসলমান ভাইবোনেরা, আমরা তোমাদের শোকের সঙ্গী হয়তো হতে পারবো না, কিন্তু কথা দিচ্ছি– একসঙ্গে আমরা অনেকটা পথ হাঁটবো।’ তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলেছেন মুসলমান সম্প্রদায়ের প্রতি ভালোবাসা ও সহানুভূতি প্রকাশ করতে। আমি জানি, ট্রাম্প কখনোই অন্তর থেকে মুসলমানদের ভালোবাসবেন না। কিন্তু ট্রাম্প মানেই কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র নয়। ক্রাইস্টচার্চে হামলার পরে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি মসজিদে মুসলমানরা নামাজ পড়ার সময় বাইরে অমুসলিমরা মানববন্ধন করে পাহারা দিয়েছেন। এটাই হলো মানবতা। যেখানে ধর্ম-বর্ণ-জাতির বিবেচনার ঊর্ধ্বে থাকে মানবতা। মানুষ দাঁড়ায় মানুষের পাশে, তোমরা নিশ্চিন্তে নামাজ পড়ো, আমরা আছি।

আগামী শুক্রবার নিউ জিল্যান্ডের জাতীয় বেতার ও টেলিভিশনে জুমার নামাজের আজান সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। এ হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার ২ মিনিট নীরবতা পালন করা হবে। সাধারণত কোনও ঘটনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হলেও ক্রাইস্টচার্চের ঘটনায় পালন করা হবে দুই মিনিট। হামলার পর আল নুর মসজিদের সামনে ফুলের পাহাড় জমে। জ্বলে মোমবাতি। ফুলের সঙ্গে ছিল নানা স্লোগানের প্ল্যাকার্ড। তার একটিতে লেখা ছিল, ‘লাভ অলওয়েজ উইনস’।

আমি নিশ্চিত জানি, ঘৃণা নয়, ভালোবাসারই জয় হবে। অস্ট্রেলিয়ান সিনেটর ফ্রেসের অ্যানিং হামলার পক্ষে বললে আমি যতটা হতাশ হই, তাৎক্ষণিকভাবে তার মাথায় ডিম ভেঙে প্রতিবাদ জানানো ১৭ বছরের তরুণ উইলিয়াম ক্যানোলিকে দেখে তেমনি আশায় বুক বাঁধি। আমি জানি, মানবতারই জয় হবে। ৯/১১ হামলার পর যেমন বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষের ঢেউ ছড়িয়েছিল, ক্রাইস্টচার্চ হামলার পর তেমনি ভালোবাসার জোয়ার এসেছে।

পশ্চিমাদের মনে রাখতে হবে, হামলা করে, নির্যাতন চালিয়ে বিশ্বের ২০০ কোটি মুসলমানকে নিশ্চিহ্নও করা যাবে না, জয়ও করা যাবে না। মুসলমানদের বেদনাটা অন্তর থেকে অনুভব করতে হবে, জয় করতে হবে ভালোবেসে। যেটা করে দেখিয়েছেন  জাসিন্ডা আরডার্ন।

ক্রাইস্টচার্চ হামলায় বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের প্রতি সবার ভালোবাসার জোয়ার যেমন দেখা যাচ্ছে, তেমনি ক্রাইস্টচার্চে দেখা গেছে ইসলামের সত্যিকারের চেতনার বিকাশ। হুইলচেয়ারে আল নুর মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন বাংলাদেশি ফরিদ উদ্দিন। পাশে মহিলাদের নামাজ পড়ার জায়গায় নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন তার স্ত্রী হোসনে আরা ফরিদ। গুলি শুরুর পর স্বামীকে বাঁচাতে ছুটে আসেন স্ত্রী। কিন্তু ফরিদ উদ্দিন বেঁচে গেলেও মারা গেছেন হোসনে আরা। স্ত্রী হারানোর শোক বুকে চেপে ফরিদ উদ্দিন হত্যাকারীকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। ফরিদ উদ্দিন বুঝিয়ে দিয়েছেন, ইসলাম ক্ষমা করতে শিখিয়েছে। ইসলাম শান্তির ধর্ম, প্রতিহিংসা বা সন্ত্রাসের সঙ্গে ইসলামের কোনও সম্পর্ক নেই। তবে ফরিদ উদ্দিন ক্ষমা করলেও আরডার্ন জানিয়েছেন, হত্যাকারীর ক্ষমা নেই। নিউ জিল্যান্ডের আইনে সর্বোচ্চ সাজাই সে পাবে।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মুসলমানরা নির্যাতিত হচ্ছে এটা যেমন সত্যি, তেমনি মুসলমান নামধারী কিছু লোক ইসলামের নামে জঙ্গিবাদের চর্চা করছে, এটাও মিথ্যা নয়। তবে ইসলামের সঙ্গে সন্ত্রাসের কোনও সম্পর্ক নেই। ইসলামের নামে সন্ত্রাস যতটা নিন্দনীয়, ইসলামের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী হামলাও ততটাই ঘৃণার। তবে আসল কথাটা বলে দিয়েছেন জাসিন্ডা আরডার্ন, ‘সন্ত্রাসীর কোনও নাম নেই, ধর্ম নেই। সন্ত্রাসী সন্ত্রাসীই।’

সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মানবতার প্রতিরোধ গড়তে হবে সারা বিশ্বে। ক্রাইস্টচার্চ হামলার পর আমি আশাবাদী, সব সময় মানবতার জয় হবে, ভালোবাসার জয় হবে।

* জাসিন্ডা  আরডার্ন  আবেগের প্রতি সম্মান জানাতে এ লেখায় ক্রাইস্টচার্চ হামলাকারীর নাম লেখা হয়নি। সন্ত্রাসী সন্ত্রাসীই। থাকুক সে নামহীন, পরিচয়হীন।

লেখক: হেড অব নিউজ, এটিএন নিউজ

/এসএএস/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ