একসময় হরতালও প্রতিবাদের ভাষা ছিল

Send
আবদুল মান্নান
প্রকাশিত : ১৪:৩১, মে ২৩, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:৫৫, মে ২৩, ২০১৯

আবদুল মান্নানহরতাল শব্দটির সঙ্গে পরিচিত নন—এমন মানুষ এই উপমহাদেশে পাওয়া যাবে না। শব্দটির উৎপত্তি গুজরাটি ভাষা থেকে হলেও বাংলা অভিধানে এখন স্থান করে নিয়েছে। ভারতে এটি ‘বন্ধ’ হিসেবে পরিচিত। নেপালে গিয়ে একবার ‘চাক্কা জামে’ পড়েছিলাম। শ্রীলঙ্কায় মাঝে-মধ্যে হরতাল পালিত হয়। ষাটের দশক পর্যন্ত মালয়েশিয়ায়ও নিয়মিত হরতাল পালিত হয়েছে। হরতালের অর্থ সাধারণ ধর্মঘট, যা ডাকা হতে পারে কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠী স্বার্থে অথবা জাতীয় স্বার্থে। হরতালের সাধারণ অর্থ কোনও যানবাহন চলবে না, কোনও দোকানপাট খুলবে না, কোনও অফিস আদালত বসবে না। কখনও কখনও তার ব্যতিক্রমও হতে পারে, যেমন শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট পালিত হলো। এটি কোনও একটি এলাকায় হতে পারে অথবা দেশব্যাপীও হতে পারে। জনস্বার্থে হরতাল ডাকা হলে তাতে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া মেলে, আর তা না হলে মানুষকে অনেক সময় জোর করে তা পালনে বাধ্য করা হয়। হরতাল নিয়ে সংবাদ ছাড়াও কবি সুকান্ত ‘হরতাল’ শিরোনামে একটি ছোট রচনাও লিখেছিলেন সেই চল্লিশের দশকে, অনেকটা স্যাটায়ারধর্মী।
চল্লিশের দশকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের যতটুকু যশ আর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল, ঠিক ততটুকু যশ খ্যাতি সুকান্ত তার জীবদ্দশায় পাননি। কারণ সুকান্তের বেশিরভাগ সৃজনশীল কাজ প্রকাশিত হয়েছে তার মৃত্যুর পর। মাত্র একুশ বছর বয়সে (মে ১৯৪৭ সাল) যক্ষ্মা রোগে সুকান্তের মৃত্যু হয়। ত্রিশের দশকে চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহ নিয়ে তিনি লেখেন ‘চট্টগাম’ নামে কবিতা, যা তখন বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করে। সুকান্তের ‘হরতাল’ কবিতাটি রেলের ধর্মঘট নিয়ে। না তা কর্মচারীদের নিয়ে নয়। এটি ছিল রেলে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্র, জড়বস্তুদের ধর্মঘট। যেমন, ইঞ্জিন, লাইন, ঘণ্টা, সিগন্যাল, হুইসেল ইত্যাদির হরতাল। প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী কর্মচারীরা ধর্মঘট করতে পারলে এরা কেন করতে পারবে না? এরা যদি সত্যি সত্যি হরতাল করতে পারতো তাহলে তো রেল ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়তো। আসলে রচনাটি ছিল প্রতীকী। মানুষ হরতাল করতে পারে, কিন্তু পৃথিবীতে আরও অনেক বস্তু বা জিনিস আছে তাদের ওপরও অনেক জুলুম হয়, অথচ তাদের হরতাল করার সক্ষমতা নেই বলে করে না।

বিশ্বে অনেক দেশেই বিভিন্ন পেশার মানুষের ধর্মঘট হয় এবং সেই ধর্মঘটে মানুষের জীবনযাত্রা থমকে দাঁড়াতে পারে। ইউরোপে কমার্শিয়াল পাইলটদের ধর্মঘট এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। তাতে হাজার হাজার মানুষ বিভিন্ন বিমানবন্দরে আটকে পড়েন। তারা এই ধর্মঘটকে হরতাল বলেন না, বলেন জেনারেল স্ট্রাইক। ফ্রান্সের এই জেনারেল স্ট্রাইক খুবই উচ্ছৃঙ্খল হয়, কারণ সেখানের সব ইউনিয়ন ফেডারেশন ভুক্ত। একটি’র কোনও দাবি দাওয়ার জন্য সবাই রাস্তায় নেমে পড়েন। গাড়িতে অগ্নিসংযোগ একটি নিয়মিত ঘটনা। সবকিছুই অচল হয়ে পড়ে।

অনেক বিষয় নিয়ে লেখালেখি বা গবেষণা হয়, কিন্তু হরতাল নিয়ে তেমন একটা ভালো কাজ হয়নি। এই শূন্যতাটা অনেকাংশে পূরণ করেছেন সাংবাদিক অজয় দাশগুপ্ত। বাংলা একাডেমি গত বছর জুন মাসে ‘সাত দশকের হরতাল ও বাংলাদেশের রাজনীতি’ নামে এই অসামান্য গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে। গ্রন্থটি আভিধানিক অর্থে গবেষণাকর্ম নয়, তবে তা তার চেয়েও বেশি, কারণ এটি একটি হরতাল বিষয়কের নথির একটি অত্যন্ত মূল্যবান সংকলন যেটি আগামীতে গবেষকদের কাজে লাগবে এবং বোঝা যাবে হরতালকে কীভাবে রাজনীতির লক্ষ্য অর্জনে ব্যবহার করা যায়। দেশ ভাগের চার মাসের মাথায় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে প্রথম সরকারবিরোধী ধর্মঘটের মধ্য দিয়ে সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কেন্দ্রীয় সরকারকে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের প্রতি যে অবহেলা শুরু হয়েছে, তা তারা মেনে নেবেন না। এই অবহেলার অন্যতম ছিল বাংলা ভাষার প্রতি অবহেলা। দেশ ভাগের পর সরকারি কাজকর্ম চালানোর জন্য পশ্চিম পাকিস্তান থেকে অনেক সরকারি কর্মচারীকে পূর্ব বাংলায় নিয়ে আসা হয়। বাঙালিদের সঙ্গে তাদের আচার আচরণ ছিল প্রভু আর ভৃত্যের মতো। বাঙালিরা উর্দু না জানলেও তাদের সঙ্গে অবাঙালি কর্মকর্তারা উর্দুতে কথা বলতেন। এর প্রতিবাদে তারা ১৯৪৭ সালের ১৩ ডিসেম্বর সচিবালয়ে ধর্মঘট ডাকেন। এটি হরতাল ছিল না, তবে এই ধর্মঘটের মধ্য দিয়ে বাঙালিরা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন কোনও অন্যায়কে বিনা প্রতিবাদে ছেড়ে দেওয়া যাবে না।

অজয় দাশগুপ্ত সংকলিত গ্রন্থে দেখা যায়, পাকিস্তান সৃষ্টির প্রথম দিকে এই দেশে যে ক’টি ধর্মঘট বা প্রতিবাদ কিংবা হরতাল হয়েছে তার সবক’টিই ছিল বাংলা ভাষা প্রতিষ্ঠার জন্য। এই বাংলা ভাষার দাবিই মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাঙালিদের নিজস্ব জাতি-রাষ্ট্র গঠনে সহায়তা করেছিল। ১৯৪৮ সালের ১৪ জুলাই নজিরবিহীনভাবে সদ্য প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তানে পূর্ব পাকিস্তান পুলিশ বেতন পাঠাতে বিলম্বের কারণে ধর্মঘট করে। জানা মতে, এমন একটি ধর্মঘট আর কখনও হয়নি। এই ধর্মঘট বন্ধ করতে সরকার সেনাবাহিনী ব্যবহার করে। উভয়পক্ষের গুলি বিনিময়ে দু’জন পুলিশ নিহত ও নয়জন আহত হয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এই দেশের পুলিশ অত্যন্ত সাহসী ভূমিকা পালন করেছে। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের রাতে ঢাকার রাজারবাগ ও কয়েক দিন পর চট্টগ্রামের দামপাড়া পুলিশ লাইনে পাকিস্তান সেনাবাহিনী যে নারকীয় হত্যাকাণ্ড চালায়, তাতে অসংখ্য পুলিশের মৃত্যু হয়েছে। ১৯৫০ সাল ছিল অত্যন্ত ঘটনাবহুল। এই বছর ১১ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এরই মধ্যে পাকিস্তানের গণপরিষদের মূলনীতি কমিটির রিপোর্টে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিবাদ করে বাংলার ছাত্র সমাজ। বাঙালিরা যখনই তাদের কোনও ন্যায্য দাবি নিয়ে আন্দোলনে নেমেছে পাকিস্তান সরকার সেখানে ভারতের ষড়যন্ত্রের গন্ধ পেয়েছে এবং তাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক সংঘাত সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। পঞ্চাশ সালে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারি ইন্ধনে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সূত্রপাত করলে বিপুলসংখ্যক ধর্মীয় সংখ্যালঘু দেশ ত্যাগ করেন। পরের বছর ১১ মার্চ প্রথমবারের মতো ঢাকা শহরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাংলা ভাষার দাবিতে ধর্মঘট পালিত হয়।  

বাংলাদেশে প্রথমে ঢাকায় ও পরে দু’দিন টানা হরতাল পালিত হয় ১৯৫২ সালের ২১-২৩ ফেব্রুয়ারি। এটি ছিল এই দেশে প্রথম টানা হরতাল, যা পালিত হয় রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে। পুলিশের গুলিতে এই তিন দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কমপক্ষে ১৫ জন ছাত্র ও সাধারণ মানুষ নিহত হন। হরতাল, ধর্মঘটসহ নানা কর্মসূচির ফলে একসময় পাকিস্তান সরকার বাঙালির দাবি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়।

কোনও সংঘাত বা পিকেটিং ছাড়া হরতাল যে অভূতপূর্বভাবে সফল হতে পারে তা দেখিয়েছে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ। ১৯৭০-এর নির্বাচনের পর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দল আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করবে, তা ছিল প্রত্যাশিত। ঘোষণা করা হলো ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ ঢাকায় গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসবে। কিন্তু পাকিস্তানের সামরিক-বেসামরিক আমলা কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না দেশের একচ্ছত্র কর্তৃত্ব বাঙালিদের হাতে চলে যাবে। ইয়াহিয়া ভুট্টোর সাথে পরামর্শ করে ১ মার্চ এক ঘোষণায় ৩ তারিখের অনুষ্ঠিতব্য গণপরিষদ অধিবেশন স্থগিত করে দেয়। বাংলার মানুষ তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়ে। এর প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু পরদিন ঢাকা শহরে ও তিন তারিখ সারা বাংলায় হরতাল আহ্বান করে। হরতালে কোনও পিকেটিং ছিল না। পত্রিকা ও বিদেশের প্রচার মাধ্যমে তা প্রচার হয়। এমন শান্তিপূর্ণ হরতাল এই দেশের মানুষ কখনও দেখেনি। এই হরতাল বন্ধ করার জন্য সারা দেশে কারফিউ জারি করা হয়। কিন্তু তা কার্যকর করা ছিল কঠিন। বঙ্গবন্ধুর ডাকা সেই হরতালের পথ বেয়েই ১৯৭১ সালে বাঙালি মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিল। অজয় দাশগুপ্ত এই হরতালগুলোকে যথার্থই নামকরণ করেছেন ‘স্বাধীনতার জন্য হরতাল’।

স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম হরতাল হয় ১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারি। এর আগের দিন ভিয়েতনামে মার্কিন গণহত্যা ও যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে ডাকসু ও ছাত্র ইউনিয়ন প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিল করে। মিছিলে পুলিশ প্রেস ক্লাবের সামনে মার্কিন তথ্যকেন্দ্রের সামনে গুলি করলে দু’জন ছাত্র নিহত ও ছয়জন আহত  হন। পুলিশ গুলি করার আগে মিছিলকারীরা মার্কিন তথ্যকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ করে তাকে সম্পূর্ণ ভস্মীভূত করেন। এর প্রতিবাদেই এই হরতাল আহ্বান ও তা পালিত হয়। ১৯৭৩ দেশে-বিদেশে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কুৎসা রটনার প্রতিবাদে জাতীয় শ্রমিক লীগ ১৯৭৩ সালের ৩১ জানুয়ারি ঢাকায় হরতাল ডাকে। এটা ছিল সরকারি দলের কোনও একটি অঙ্গ-সংগঠনের ডাকে প্রথম একটি হরতাল। বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে প্রথম অর্ধ দিবস হরতাল পালিত হয় পাঁচ নভেম্বর। এদিন ব্যাপক ধরপাকড় হয়।

এরশাদ আমলে তার স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র সংগঠন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আহ্বানে অসংখ্য হরতাল পালিত হয়। সবার দাবি এরশাদের পদত্যাগ। একপর্যায়ে হরতাল শব্দটি গণমাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এর পরিবর্তে গণমাধ্যমগুলো ‘কর্মসূচি’ শব্দটি চালু করে। তবে মানুষ বিদেশি গণমাধ্যমের বদৌলতে বুঝতে পারতো এর অর্থ হচ্ছে হরতাল আহ্বান করা হয়েছে। এরশাদ আমলে একাধিকবার লাগাতার হরতাল পালিত হয়েছে। দাবি আদায়ের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে হরতালকে ধ্বংস করেছে বিএনপি। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দীর্ঘ একুশ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে নিজেদের ভরাডুবি সহজেই মেনে নিতে পারেনি বিএনপি। শেখ হাসিনার শাসনামলের প্রথম আড়াই বছর নানা অজুহাতে হরতাল ধর্মঘট ডেকে দেশের জনজীবন বিপর্যস্ত করে তোলে বিএনপি। তবে হরতালকে একটি পুরোপুরি নিরীহ মানুষ মারার হাতিয়ার ও জনসম্পদ ধ্বংস করার কৃতিত্বও বিএনপি ও খালেদা জিয়াকে দিতে হবে। ২০১৪ সালের নির্বাচনের প্রাক্কালে সংবিধানবিরোধী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বায়না নিয়ে খালেদা জিয়া ও বিএনপি-জামায়াত দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। বিভিন্ন সময় অবরোধ, হরতাল, ধর্মঘটের নামে পেট্রোল বোমা মেরে নারী, শিশু, অফিস ফেরত সাধারণ মানুষ, গবাদি পশু হত্যা করে। দেশের কয়েকশত কোটি টাকার জনসম্পদ ধ্বংস করা হয়। ২০১৫ সালেও তারা এসব কর্মসূচি পালন করে এবং তা পরিচালনার জন্য খালেদা জিয়া গুলশানে একটি বাংকার স্থাপন করে তাতে তিনি বিরানব্বই দিন অবস্থান নিয়ে এই ধ্বংসযজ্ঞ  নিজে পরিচালনা করেন। প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে হরতাল কর্মসূচি বর্তমানে অনেকটা অচল। সম্প্রতি বিএনপি নেতা যুক্তরাষ্ট্রে এক দলীয় সভায় হুমকি দিয়েছেন খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে তারা ঈদের পর আন্দোলন করবেন। তবে এটি কোন ঈদ, তিনি তা বলেননি। আন্দোলন করবেন ভালো কথা, তবে এমন আন্দোলন করবেন না যেন জনগণের দুর্ভোগ হয়। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে আদালতের আশ্রয় নিতে পারেন। প্রয়োজনে তিনি প্যারোলও চাইতে পারেন।  তবে দলের চেয়ারপারসনকে মুক্ত করার জন্য অশান্তি সৃষ্টি হয়, তেমন কোনও কর্মসূচি জনগণ মেনে নেবে না। সাংবাদিকরা নিজের পেশায় বাইরে গিয়ে অনেক সৃজনশীল কাজ করতে পারেন, তা সাংবাদিক অজয়দাশ গুপ্ত প্রমাণ করেছেন।  

লেখক: বিশ্লেষক ও গবেষক।  

/এসএএস/এমএমজে/এমএনএইচ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ