কে জিতলো, মোদি না জনগণ?

Send
মেহেদী হাসান
প্রকাশিত : ১৯:২৮, মে ৩১, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:৫৭, মে ৩১, ২০১৯

মেহেদী হাসান

সদ্যসমাপ্ত ভারতের লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ভূমিধস বিজয় নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো দিল্লির মসনদে বসতে চলেছে। সব পরিসংখ্যান, আলোচনা-সমালোচনাই অনেকটা পিছিয়ে ছিলেন ২০১৪ সালের জয়ের নায়ক মোদি। বিগত নির্বাচনে মোদি ম্যাজিকে বিমোহিত হওয়া ভারতীয়দের মোহ ভঙ্গ হতে বেশি সময় লাগেনি। অসংখ্য স্বপ্নময় সম্ভাবনাগুলো স্বপ্নই থেকে গেছে। নির্বাচনের আগে ভারতীয়দের উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার কারণ ছিল কে হবে মোদির বিকল্প। তবে সবকিছুর অবসান করে এবারের নির্বাচনেও ভারতীয়রা আবার মোদিকেই তার বিকল্প হিসাবে বেছে নিলো। রাজনীতির রাজনৈতিক সমীকরণ এবারের নির্বাচনে প্রতিফলিত হলো না। জনগণের দাবি আর অপূরণীয় প্রত্যাশাকে ছাপিয়ে আরও একবার মোদি হয়ে উঠলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী, অপরাজেয় ও অবিসংবাদিত নেতা। সঙ্গত কারণে প্রশ্ন জাগে, কে জিতলো—মোদি না জনগণ?

এখানে জনগণের বিজয় বলতে তাদের চাওয়া-পাওয়ার প্রতিফলনের কথা বোঝানো হয়েছে। এই নির্বাচনি বিজয় কি মোদির নেতৃত্বের না জনগণের—এই নিবন্ধে সেই বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রথমেই নেতা হিসেবে মোদির ম্যাজিক শুরু হয় একজন দক্ষ সংগঠক ও রাজনৈতিক কৌশলী হিসেবে। মাত্র নয় বছর বয়সে আরএসএস-এ যোগ দেওয়া মোদি সময়ের ব্যবধানে হয়ে ওঠেন দলের অন্যতম নীতিনির্ধারক, বিজেপির দুর্দিনের অন্যতম সফল সাধারণ সম্পাদক ও গুজরাটের পরপর তিনবারের প্রবাদপ্রতিম মুখ্যমন্ত্রী। তার রাজনৈতিক জীবন একজন কর্মী ও নেতা হিসেবে সফলতার অর্জনে ভরপুর। তার হাত ধরেই গুজরাট হয়ে উঠেছে নতুন ভারতের উন্নয়নের মডেল। তার এই যোগ্যতা শুধু নিজ দলেই না, প্রতিপক্ষের কাছেও সব ক্ষেত্রেই গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সফলতা, দূরদর্শিতা ও প্রজ্ঞা মোদিকে দিয়েছে রাজনৈতিক তারকা খ্যাতি। তার এই সেলিব্রেটি তকমা বিমোহিত করেছে সাধারণ ভোটারদের। সব বিচারে এই নির্বাচনে নেতা হিসেবে ভারতীয়দের মোদির বিকল্প কোনও পছন্দই ছিল না। তাই এবার পুরো ভারতজুড়ে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন নরেন্দ্র মোদি, অন্য প্রার্থীরাও নিজের নামে ভোট না চেয়ে চেয়েছেন মোদির নামে। এছাড়া দল হিসেবে বিজেপি বিরোধীদের চেয়ে বেশি সাংগঠনিকভাবে পরিপক্ব। এই মুহূর্তে ভারতকে তার আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ধরে রাখতে হলে একটি স্থায়ী সরকারের প্রয়োজন, যা শুধু মোদির নেতৃত্ব বিজেপিই দিতে পারে, অন্য পক্ষে শক্তিশালী বিরোধী দল ও যোগ্য দলনেতার অভাব ভারতকে অনেক পিছিয়ে দেবে বলেই মনে করেছে প্রায় সব মধ্যবিত্ত ভারতীয়। এছাড়া এবারের নির্বাচনে ত্রিশঙ্কু হওয়ার যে ভয় দেখানো হয়েছিল, তা আগের ব্যর্থ কোয়ালিশন সরকারের কথা ভারতীয়দের মনে করে দিয়েছে। বিজেপির দলীয় শক্তি বিরোধীদের চেয়ে বেশি হওয়ায় শত্রুর শত্রু বন্ধু হয়, ওই নীতিতে রাজ্য পর্যায়ে শাসকদল বিরোধীরা বিজেপিকে এবার ভোট দিয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ ও কেরালার বাম ভোটাররা স্থানীয় শাসকশ্রেণির বিপক্ষে বিজেপিকে বেছে নিয়েছে।

এবারের নির্বাচনে মোদির অন্যতম ট্রাম্প কার্ড দেশপ্রেম, মোদির হাতেই নিরাপদ দেশ, বালাকোটের বিমান হামলা যে বার্তা দেয় তা হচ্ছে, একমাত্র মোদি, যে কিনা শত্রুর ঘরে ঢুকে শত্রুকে সমূলে উৎখাত করার ক্ষমতা রাখে। যে দেশে পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রিকেট খেলায় হেরে গেলে আত্মগ্লানিতে ভুগে খেলোয়াড়দের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়, সেখানে পাকিস্তানের মতো চিরশত্রুকে উরির সারজিক্যাল স্ট্রাইক বা বালাকোটের এয়ার স্ট্রাইকে হারিয়ে দেওয়া ভারতীয়দের কাছে গর্বের ও অহংকারের বিষয়। সেদিন সেনাদের ত্বরিতগতিতে পাকিস্তানে বিমান হামলার অনুমতি দেওয়া মোদিকে যাবতীয় সমালোচনার ঊর্ধ্বে নিয়ে গেছে। ভারতের চিরশত্রু পাকিস্তানে হামলাটা হয়ে পড়ে রাজনৈতিকভাবে অব্যর্থ, মুসলিম পরিচয়ধারী পাকিস্তানিদের সঙ্গে মোদির ওই যুদ্ধংদেহী ভাবমূর্তি তাকে একজন সাচ্চা হিন্দু জাতীয়তাবাদী দেশপ্রেমিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এমনকি ভোটের সময় শ্রীলঙ্কার চার্চে ঘটা হামলাকে মোদি জাতীয় নিরাপত্তার জিগির তুলে ভারতীয়দের মনে করিয়ে দিয়েছেন, সন্ত্রাসীদের হাত থেকে ভারতকে নিরাপত্তা দিতে হলে তার সরকারের কত প্রয়োজন। পুলওয়ামার ঘটনার জের ধরে সারা ভারতে কাশ্মিরিদের ওপর অত্যাচার চালানোর সময় মোদির চুপ থাকা সংখ্যাগুরুদের যাবতীয় অযৌক্তিক কর্মকাণ্ডকে গ্রহণযোগ্যতা দেয়, যা ছিল নীরব রাজনৈতিক সমর্থনের অংশ। বিজেপির ইশতেহারে কাশ্মিরি জনগণকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া সংবিধানের আর্টিকেল (৩৭০ ও ৩৫এ) তুলে দেওয়ার ঘোষণা শুধুই রাজনৈতিক, কেননা কাশ্মিরের জনগণ সংখ্যালঘু মুসলিম, তাদের প্রতি বিদ্বেষের মানেই অন্যপক্ষে সংখ্যাধিক্যদের সমর্থন পাওয়া। ২১ কোটি মুসলিম ও ২০ কোটির দলিতদের দেশ ভারত সংবিধানের পাতায় নিজেকে ধর্মনিরপেক্ষ দাবি করলেও নির্বাচনি ফলে এই ধর্মই হয়ে উঠেছে শেষ কথা।

২০০২ সালের গুজরাটে দাঙ্গার ইন্ধন দেওয়ার জন্য পৃথিবীজুড়ে নরেন্দ্র মোদি সমালোচিত হলেও নিজ সম্প্রদায়ের কাছে হয়ে ওঠেন একজন আদর্শ হিন্দু জাতীয়তাবাদী নেতা। যার হাতেই ধর্ম ও এর অনুসারীরা নিরাপদ। বিজেপি জনমনের ধর্মীয় ভাবাবেগের জায়গাটিতে মোদিকে নিয়ে নির্বাচনি খেলাটি খেলেছে। রাজ্যসভায় গরু রক্ষা বিল পাস করে বা গোরক্ষক বাহিনী তৈরি করে ধর্মীয় নিরাপত্তার বিষয়টিতে হাত দিয়েছে। বাবরি মসজিদ ভেঙে ফেলার কৃতিত্ব বিজেপিকে ধর্মদরদি দল হিসাবেই ভারতীয়দের মনে স্থান দিয়েছে। রামের জন্মভূমিতে রাম মন্দির নির্মাণ করা একটা জাতীয় ও ধর্মীয় দায়, যেটা শুধু একজন কট্টর ধর্ম অনুসারীর পক্ষেই করা সম্ভব। সে ক্ষেত্রে মোদিই প্রথম পছন্দ। উত্তর প্রদেশে দীর্ঘদিনের পুরনো ঐতিহাসিক স্থাপনা ও স্থানের নাম বদল করা বিজেপিকে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে সাহায্য করেছে। মোদি নিজেকে বারানসি থেকে প্রার্থী ঘোষণা করে প্রথম ধর্মীয় বাজিটা মেরেছিলেন, গুজরাটের রাজকোট থেকে লোকসভা সদস্য হওয়া মোদি বলেন, সে গঙ্গা মায়ের সন্তান, যে গঙ্গা মা আজ অনেক কষ্টে। তাই গঙ্গাকে রক্ষা করতেই মোদির বারানসিতে আগমন। এই গঙ্গাবিধৌত হিন্দু ধর্মের তীর্থ ভূমি কাশি, বৃন্দাবনে মোদির এই আগমন সাধারণ জনগণের কাছে মোদিকে হিন্দুত্বের নতুন ত্রাণকর্তারূপেই অধিষ্ঠিত করেছে। উগ্র হিন্দুত্ববাদকে আরও বেশি রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য করে তোলার জন্য উগ্রতাই যাদের একমাত্র পুঁজি, যোগী আদিত্যনাথ, সাধ্বী প্রজ্ঞা বা সাক্ষী মহারাজদের প্রার্থী করে এই বার্তায় দিয়েছে বিজেপির রাজনীতি একটা ধর্মীয় দায়। নির্বাচনের আগে রামমন্দির নির্মাণের দাবিতে অযোধ্যায় কর্মী সমাবেশ নির্বাচনি প্রচারেরই অংশ ছিল, প্রচারের উপায় হিসাবে রথযাত্রা ধর্মীয় মেরুকরণে মোড়া ছিল।

এছাড়া ভারতজুড়ে রামমন্দির নির্মাণের দাবিতে হওয়া আন্দোলন ধর্মপ্রাণ হিন্দুদের নির্বাচনে বিজেপির গুরুত্ব বুঝিয়েছে। ভোটের স্লোগানে জয়শ্রীরাম ধ্বনি নতুন হিন্দুয়ানি ভাবাবেগের জন্ম দিয়েছে, যারা সম্বোধনে জয়শ্রীরাম বলতে নারাজ তাদের হাতে ধর্ম তো নিরাপদ নয়। সারকথা, বিজেপি বোঝাতে সক্ষম হয়েছে সামাজিকভাবে ধর্মীয় বিশ্বাসের নিরাপত্তার বিষয়টি একমাত্র মোদির হাতেই নিরাপদ, ফলে ধর্মীয় পরিচয় ও বিশ্বাস হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক নীতিনির্ধারক। বিস্ময়করভাবে ধর্মীয় চিন্তায় উদার বামপন্থীরাও এবার পুরোদস্তুর ধার্মিক হয়ে গেলো। রাজনৈতিক কৌশল ও চাতুরতায় মোদি সবাইকে হার মানিয়েছেন, উগ্র হিন্দুত্ববাদী ও ধর্মীয় শ্রেষ্ঠত্বের চেতনা ধারণ করার কারণে দলিত সম্প্রদায়ের কাছে বিজেপির গ্রহণযোগ্যতা তেমন ছিল না। একই ক্ষেত্রে কংগ্রেসের পিছিয়ে থাকার কারণ ছিল জওহরলাল নেহরু দলিতদের প্রাণপুরুষ আম্মেদকরকে প্রকাশ্যে সমালোচনা ও অপছন্দ করতেন। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নির্বাচনের আগে মোদি দিল্লিতে আম্মেদকর মেমোরিয়াল মিউজিয়াম খুলে দলিতদের এই বার্তায় দিয়েছেন, দলিত সেন্টিমেন্টকে তিনি সম্মান করেন। এটাই ৫০ শতাংশ দলিতদের ভোটব্যাংক উত্তর প্রদেশে বিজেপির উত্থানের অন্যতম বড় কারণ। সংখ্যালঘু মুসলিমদের জন্য মোদির কৌশল ছিল আরও ভিন্ন।

মুসলিম পুরুষেরা ধর্মীয় বিশ্বাসের ক্ষেত্রে একটু বেশিই কট্টর হয় কিন্তু নারীরা উদার। এই সুযোগটি সুন্দরভাবে কাজে লাগিয়ে মোদি ঘোষণা দেন মুসলিম সমাজের তিন তালাক প্রথা তুলে দেওয়ার। নারীবাদীদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনে মোদি একাত্মতা ঘোষণা করেন। মুসলিম ভোট বিভক্ত ও নারী ভোট নিজের ঝুলিতে আনতে মোদির ওই তিন তালাক ফতোয়ার বিরোধিতা মোক্ষম অস্ত্রের কাজ করেছে। আবার সৌদি প্রিন্স বিন সালমান ভারতে এলে বছরে দুই লাখ লোককে হজে যাওয়ার অনুমতি হাসিল করে মুসলিম সমাজকে তাদের বন্ধু হওয়ার বার্তা দিয়েছে। বিজেপির ইশতেহারে প্রত্যেকটি রাজ্যর জন্য ওই রাজ্যর প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়েছিল এবং প্রচারের সময় ওই বিষয়গুলোকে সামনে নিয়েই প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা হয়েছে। প্রচারের সময় মোদি নিজে বেশি সময় দিয়েছেন অপেক্ষাকৃত দুর্বল এলাকাগুলোয়, যেমন পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা, যার ফল হাতেনাতে পেয়েছেন। ভালোভাবে দেশ চালিয়েও ২০০৪ সালে বাজপেয়ির সাইনিং ইন্ডিয়া ক্যাম্পেইন ফেল করার কারণ ছিল মিডিয়ার হেডলাইন হয়ে কম প্রচার ও প্রচারণা করা। মেকিং ইন্ডিয়ার মোদি তা করেনি; বরং বিরোধীদের মোহের মধ্যে রেখেছেন। নির্বাচন শুরুর আগে মোদির জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার সংবাদ নেতাকর্মীদের আরও কৌশলী, পরিশ্রমী ও মনস্তাত্ত্বিকভাবে তাদের আগ্রাসী করে তুলেছে। অপর পক্ষে বিরোধী শিবির এই ফাঁদে পা দিয়ে জনগণের দাবি প্রত্যাশা ভুলে মোদির সমালোচনা আর আসন সংখ্যা ভাগাভাগি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এই নির্বাচনে মিডিয়া প্রকাশ্যে বিজেপিকে দৃশ্যমান সুবিধা দিয়েছে, শেষ দফার নির্বাচনের আগে একটি জাতীয় টেলিভিশনে ফাঁস হওয়া ভিডিওতে দেখানো হয় এনডিএ জোট হেরে যাচ্ছে, যা সমর্থকদের হার ঠেকাতে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে দিয়ে মাঠে নামতে বাধ্য করে। প্রচারণার কৌশলে মোদি ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী, ট্রেনে কিংবা প্লেনে চা বা কফির কাপে ‘ভোট ফর মোদি’ লেখা বা ‘টুইটার হ্যান্ডেলে ম্য ভি চৌকিদার হু’ জনমনে তীব্র সাড়া দিয়েছে।

একজন চা-ওয়ালা দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছে এই সংবাদ সেবার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মনে মোদিকে তাদের প্রতিনিধি বানিয়েছিল, এবারের প্রধানমন্ত্রী যখন চৌকিদার, এই ভাবমূর্তি মোদিকে একজন আদর্শ জননেতা হিসাবে পরিচয় দিয়েছে। আর পার করে দিয়েছে নির্বাচনি বৈতরণী। বিজেপির নির্বাচনি ইশতেহারের জনকল্যাণমূলক বিষয়গুলোকে ছাপিয়ে ভোটের মাঠে স্থান পেয়েছে ধর্ম, দেশ ও জাতীয়তাবাদ। তবে প্রশ্ন থেকে যায়, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার মালিক জনগণের প্রত্যাশা, দাবি, আশা ও আকাঙ্ক্ষাগুলো, যা মোদিমোহে আর নির্বাচনি কৌশলে ঢাকা পড়ে গেছে, আদৌ কি আলোর মুখ দেখবে? এই প্রশ্নের উত্তরই বলে দেবে—কে জিতেছে এবারের নির্বাচনে।

লেখক: শিক্ষক, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

mehedihasan@ku.ac.bd

 

 

/এমএনএইচ/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ