এরশাদের ছায়ামুক্ত হোক বাংলাদেশের রাজনীতি

Send
ফয়েজ রেজা
প্রকাশিত : ১৭:০৫, জুলাই ১৫, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:০৮, জুলাই ১৫, ২০১৯

ফয়েজ রেজাসামাজিক অবক্ষয়ের এতই গহ্বরে আমাদের বসবাস, যেখানে সবচেয়ে গোপন ও জঘন্য অপরাধ (যেমন, খুন, হত্যা, ধর্ষণ) চলে প্রকাশ্যে। আর সম্মিলিতভাবে মানুষ এতে অংশও নেয়। একালে বাংলাদেশে যা কিছু ঘটে, তার সবই যেন উৎসবের মতো, হত্যা-উৎসব, ধর্ষণ-উৎসব, দখল-উৎসব, প্রতারণা-উৎসব, লুটপাটের উৎসব, ঘুষ খাওয়ার উৎসব—এমন আরও বহু উৎসবের চিত্র সমসাময়িক কালের ঘটনা। এ যেন নাটবল্টু ও স্লিপারবিহীন রেললাইনের ওপর দিয়ে বেগতিক ছুটে চলা এক গাড়ি। কখনও ছিটকে পড়ে খাদে, কখনও খালে, কখনও ডাঙায়, যেখানে দুর্ঘটনায় মানুষ মরে। মরে যাওয়ার পর মানুষের কপালে জোটে অপমৃত্যুর মামলা। হায়রে জীবন, আহারে জীবন আমাদের, আহা বাংলাদেশের মানুষ!
লিখতে চেয়েছিলাম, এরশাদের জীবনের কথা, উঠে আসছে সাধারণ মানুষের জীবনের গল্প, এ কী কাণ্ড! এর একটি বড় কারণ, সাধারণ মানুষকে ঘিরে ও সাধারণ মানুষকে নিয়ে সাপলুডু খেলেছেন তিনি। তার রয়েছে দীর্ঘ অপরাজনৈতিক জীবন। মানুষ হিসেবে তিনি ছিলেন যেমন চতুর ও ধূর্ত, যুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তান সামরিক বাহিনীতে যুক্ত থেকে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন বলে অভিযোগ আছে। যুদ্ধের পর তিনি দেশে ফিরে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে। আহ কী সুশৃঙ্খল জীবন! জীবনের শেষ পর্যায়েও তিনি পেয়েছেন সুচিকিৎসা। এমন ভাগ্য হয়েছে ক’জন বিরোধী দলীয় নেতার? তাও আবার বাংলাদেশে! 

যার কথা বলছি, তিনি কিন্তু আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকেই গৃহবন্দি করে রেখেছিলেন। অন্তরীণ রেখেছিলেন বারবার। এ অবশ্য রাজনীতি শুরুর জীবনের কথা। নিন্দুকেরা বলেন, মধ্য জীবনে এসে বারবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও এরশাদের রাজনৈতিক মতাদর্শে মিল রয়েছে। পার্থক্য শুধু এখানে, এরশাদ ব্যক্তিগতভাবে দুর্নীতিবাজ আর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নিজে সৎ। তাছাড়া তার শাসনামলে যা ঘটেছে তার সবরকম উপাদান বর্তমানে চলমান। এই যেমন উন্নয়ন উন্নয়ন। বাসে ট্রেনে আগে অনেককেই বলতে শুনতাম ‘চাচার সময় ভালো কাজ হয়েছে’ বা ‘চাচা কিন্তু দেশে ভালো উন্নয়ন করেছেন’। এখন যেমন উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশ। দুর্নীতির কথা শোনা যায় কান পাতলেই, তার আমলে যেমন ছিল।

তিনি যখন প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক, বিচারপতি আফম আহসানুদ্দিন চৌধুরী যখন দেশের নতুন প্রেসিডেন্ট, তখন এক দিনেই দুর্নীতির দায়ে ৫ জন সাবেক মন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। যাদের মধ্যে ছিলেন সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী এস এ বারী  ও দু’জন সাবেক মন্ত্রী সাইফুর রহমান ও হাবীবুল্লাহ খান, দুই জন সাবেক প্রতিমন্ত্রী তানভীর আহমদ সিদ্দিকী ও আতা উদ্দীন খান। এরশাদ যখন ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হলেন, তার সরকারের প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহমদ, যোগাযোগমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী নাজিউর রহমান মঞ্জু, মেয়র ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত, খনিজসম্পদমন্ত্রী জিয়া উদ্দীন বাবলু’র স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল দুর্নীতির মামলায়। এরপর তারা আবারও ফিরে এলেন রাষ্ট্র ক্ষমতায়, তারা আবারও শপথ নিলেন দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ার, তারা আবারও আলোচনায়-সমালোচনায় থাকলেন দুর্নীতির বিষয়ে। এমনকি এরশাদ ও তার স্ত্রী রওশনকেও আটক করা হয়েছিল দুর্নীতি ও ক্ষমতা অপব্যবহারের অভিযোগে। ক্ষমতাচ্যুতির পর তার স্ত্রী ও শ্যালকের জন্য দখল করে রাখা দুটি বাড়ি ফিরে পেয়েছিলেন এ ইউ আহমদ। পত্রিকায় ফলাও করে প্রকাশ করা হয়েছিল এমন খবরও। এমন খবর দেখে তাকে স্ত্রীভক্ত বলে অনুমান করার মতো কোনও কারণ ছিল না। অনেকেই হয়তো জানেন, বা অনেকেরই মনে আছে জিনাতের কথা। ঘটনাটি ১৯৭৮ সালের। এরশাদ তখন সেনাবাহিনীর ডেপুটি চিফ। সাবেক শিল্প সচিব মোশাররফ হোসেন নিউজ প্রিন্ট কেলেঙ্কারির ঘটনা থেকে মুক্ত হতে স্ত্রী জিনাতসহ তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। প্রথম দেখায় তিনি জিনাতের রূপে মুগ্ধ হন, এরপর প্রেম ভাব জাগে তার মনে। ওই সম্পর্ক ছিল এক দশক ধরে। এই  সম্পর্কের জোরেই জিনাত হয়ে ওঠেন ক্ষমতাধর নারী। তার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর জিনাত ও তার স্বামী শিল্পসচিব মোশাররফ হোসেনকে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছিল। 

যাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত এত ঘটনা, অর্থাৎ এরশাদের দুর্নীতি খোঁজার জন্য যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল ১৯৯১ সালে, সে কমিটির কাছে নামে-বেনামে জমা হয়েছিল প্রায় ১৯ শত অভিযোগ। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও ব্যাংকের কাছ থেকেও পাওয়া গিয়েছিল গুরুতর অভিযোগ।

ব্যক্তি জীবনে তিনি ইসলামি জীবন ধারা কতটা মেনে চলতেন, তা জানার সুযোগ হয়নি। তবে, রাষ্ট্রীয় জীবনে ইসলামের ঢাল-তলোয়ার হাতে ছুটে বেড়াতেন। বাণী ছড়াতেন এখানে-সেখানে, এমনকি পিরের দরগায়ও যেতেন নামাজ আদায় করতে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিরোধিতা করতে গিয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর মুখে দুধকলা দিয়ে লালন-পালন করে বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির শান্তি বিনষ্ট করেছিলেন। এরশাদ সে পথ ধরে ধর্মের তসবি হাতের মুঠোয় নিয়ে নেমেছিলেন রাস্তায়। ধর্মের নানা বাণী ছুড়ে মানুষকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করলেন নিজের দিকে। সরল বিশ্বাসে আমাদের আলেম সমাজও এরশাদকে অতি ধার্মিক বলে মূল্যায়ন করতে শুরু করলেন। তাকে বাণী প্রচারের সুযোগ করে দিতে থাকলেন। এরশাদও ‘ইসলামি জীবন ধারায় সন্তানদের গড়ে তোলা’, ‘ইসলামী ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার অনুসারে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো’, ‘দ্বন্দ্ব সংঘাত থেকে মুক্ত থাকার জন্যে ইসলামি শিক্ষার’ আহ্বান জানাতে থাকলেন। তিনি বলতেন, ইসলামি মূল্যবোধ ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে সুখ শান্তি বয়ে আনতে পারে।  একথাটি ঠিক বলে তিনি নিজে মানতেন কিনা, জানা নেই। 

১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর থেকে ৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশের মানুষের জীবনের ওপর দিয়ে একটি বড় ঝড় তুলেছিলেন এরশাদ। ‘সান্ধ্য আইন’ ও ‘জরুরি অবস্থা’র এই ঝড়ে সাধারণ মানুষকে ঘরবন্দি করে রাখার চেষ্টা করেছিলেন এরশাদ। কঠোরতম সেন্সর ব্যবস্থার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত রাখা হয়েছিল সঠিক খবরাখবর জানার অধিকার থেকে। জরুরি অবস্থার এই দিনগুলোতে মানুষ নানা রকম দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। জরুরি আইন, হরতাল, অবরোধে কী ঘটছে, তা জানার জন্যে বিবিসি ও ভয়েস অব আমেরিকা বাদে আর কোনও তথ্য মাধ্যম সচল ছিল না দেশে। সব কিছু ছিল বন্ধ। তারপরেও সাধারণ ছাত্র জনতা রাজপথে নেমে আন্দোলন করেছিলেন। জীবন দিয়েছেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ফিজিওলজি বিভাগের প্রভাষক ডা. শামসুল আলম মিলন। এরপর তীব্র গণ আন্দোলন শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। যে গণআন্দোলনের তোপে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন এরশাদ। ‘প্রেসিডেন্ট এরশাদ পদত্যাগ করেছেন’ রেডিও টেলিভিশনে এই খবর শুনে ঢাকা নগরীর সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে বেরিয়ে এসেছিলেন রাজপথে। কেউ মিছিল করেছিলেন, কেউ রাজপথে ব্যারিকেড রচনা করেছিলেন, কেউ সাইনবোর্ডের ছবি টেনে নামিয়েছিলেন, স্লোগানে প্রকম্পিত হয়েছিল নগরী।

১৯৯০ সালের ৪ ডিসেম্বর ঢাকা আন্দোলনের নগরী, প্রতিরোধের নগরী, প্রতিশোধের নগরী, মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়েছিল। এরশাদের পদত্যাগে রাজপথে উল্লাস করেছিল সাধারণ মানুষ, তিন জোটের লিয়াজোঁ কমিটির সভায় নিরপেক্ষ নির্দলীয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধানরূপে ‘ভাইস প্রেসিডেন্ট’ পদে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমদ এর নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। দৈনিক বাংলা পত্রিকার সম্পাদকীয়তে লেখা হয়েছিল, ‘বাংলাদেশে অবাধ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্যে ছাত্র জনতার ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম এক অবিস্মরণীয় বিজয় অর্জন করেছে। প্রেসিডেন্ট এরশাদ শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। ছাত্র জনতার দাবি স্বীকৃতি লাভ করেছে। গণতন্ত্রের জন্যে এই সংগ্রাম আমাদের জাতীয় ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায় হিসাবে সংযোজিত হয়ে থাকবে।’  যে এরশাদ ক্ষমতায় থাকতে ‘গণতন্ত্রে উত্তরণের জন্যে’ সবার সহযোগিতা চাইতেন, তার পদত্যাগের পর রাজপথে নতুন স্লোগান রচিত হলো, ‘গণতন্ত্রের জয়, জনতার জয়’ বলে। বুদ্ধিজীবীরা পত্রিকার কলামে লিখলেন, ‘গত কয়েক দিন ঢাকা নগরী প্রত্যক্ষ করেছে উদ্বেল, উচ্ছসিত, প্রতিবাদী ও আপসহীন জনতার রূপ’। জরুরি অবস্থা ছিল, কারফিউ ছিল, বিধি-নিষেধ ছিল, লাঠি-গুলি, টিয়ার গ্যাস ছিল, জীবনের ভয় ছিল, মৃত্যুর আশঙ্কা ছিল, কিন্তু সারা ঢাকার মানুষ ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে, প্রাণের হিসার নিকাশ না করে অত্যাশ্চার্য এক ইতিহাস গড়লো। সাধারণ মানুষের আন্দোলনে গড়া এই অতি উজ্জ্বল ইতিহাস গৌরব হারালো কিছুদিনের মধ্যেই। যখন দেখা গেলো, নিজের প্রয়োজনে জেলের ভেতর এরশাদের জন্যে ‘স্যুপ-রুটি’ পাঠিয়েছেন রাজনীতিবিদদের কেউ কেউ। যারা বলেছিলেন, এরশাদের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্যে ইতিহাসে উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে থাকবে, যারা ভেবেছিলেন, এদেশে এত আন্দোলনে অর্জিত গণতান্ত্রিক অধিকার আর হরণ হবে না, নিশ্চিতভাবেই তারা নিজের চোখে দেখেছেন, পরবর্তী সরকারগুলোর গণতন্ত্রহীন তিক্ত আচরণ। যার ফলে হয়তো তেমন দুর্বার আন্দোলন এখন আর গড়ে ওঠে না।

তাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এদেশের ছাত্র জনতাকে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে, রক্ত দিতে হয়েছে, জীবন দিতে হয়েছে, লাঠিচার্জে পঙ্গু হতে হয়েছে, টিয়ারশেলে জ্বালাতে হয়েছে চোখ, অতিক্রম করতে হয়েছে কারফিউ, মৃত্যুভয়, জরুরি অবস্থার মতো বন্ধুর পথ। এত কিছু করেও এরশাদের ছায়ামুক্ত হয়নি বাংলাদেশের রাজনীতি।

রাষ্ট্রের প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হওয়ার পর এরশাদ কিছুদিন তার ভালো রূপটি প্রকাশ করেছিলেন গণমাধ্যমে ও জনসম্মুখে। দুর্নীতির অভিয়োগ এনে গ্রেফতার করেছিলেন সাবেক কয়েকজন মন্ত্রীকে, সামরিক আদালতে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছিলেন। তারপর তিনি যখন ক্ষমতা থেকে বিদায় নিলেন, দেশের মানুষ জানলো তার শাসনামলে যারা মন্ত্রী ছিলেন তারাও দুর্নীতিবাজ, তারাও চোর। ‘গম চোর’ আর ‘চিনি চোর’ শব্দগুলো হয়ে গেলো ‘হিট টক অব দ্য কান্ট্রি’। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ছিলেন এ চোর দলের অনন্য উদাহরণ। এরশাদ সরকারের সময় দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাকে, সামরিক ট্রাইব্যুনালে দুর্নীতির মামলার বিচারে তাকে দশ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, ছয় মাস কারাভোগের পর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। বিরোধী জোটের আন্দোলনের সময় বিএনপি ছেড়ে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেওয়ার কারণেই তার এই কারামুক্তি। দেশের মানুষ জানলো আইনের বিচার। এরশাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরও মওদুদের বিরুদ্ধে আবারও পাওয়া গেলো দুর্নীতির অভিযোগ, গ্রেফতারও করা হলো তাকে। আবারও বেরিয়ে এলেন তিনি। এরপর খালেদা জিয়ার মন্ত্রী সভায় যুক্ত হয়ে ‘দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার’ অঙ্গীকার করলেন তিনি।

এরশাদ নিজে ‘কবি’ ছিলেন। তার কবিতা ছাপা হতো পত্রিকার প্রথম পাতায়। না হলেও সবার ওপরে। এক পৃষ্ঠাজুড়েও ছাপা হয়েছে কোনও কোনও দৈনিক পত্রিকায়। আবার তাকে নিয়ে কবিতা লিখেছেন অনেকেই, আহ কি তেলতেলে সেসব কবিতার পংক্তিগুলো। কবির কাছ থেকে ‘পল্লী বন্ধু’ উপাধিও পেয়েছেন তিনি।
লেখক: গবেষক, তথ্যচিত্র নির্মাতা

/এসএএস/এমএনএইচ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ