জানেন কি প্রিয় সন্তানের বন্ধু কারা?

Send
রেজানুর রহমান
প্রকাশিত : ১২:৩৮, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪০, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯

রেজানুর রহমানপ্রচার মাধ্যমের কাছে নতুন সংবাদ হলো কাঁচামালের মতো। বেশিক্ষণ ধরে রাখা যায় না। কাঁচামাল অর্থাৎ সবুজ শাকসবজি যেমন বেশিক্ষণ ধরে রাখা যায় না, বেশিক্ষণ ধরে রাখলে পচে যাওয়ার ভয় থাকে, প্রচার মাধ্যমের কাছে সংবাদও তেমনি। একই সংবাদ বেশিক্ষণ ধরে রাখার উপায় নেই। কারণ, একটি সংবাদের জন্ম হতে না হতেই নতুন আরেকটি সংবাদের জন্ম হয়। সে কারণে আগের সংবাদটিকে বাদ দিয়ে নতুন সংবাদের দিকেই বেশি আগ্রহ থাকে প্রচার মাধ্যমের। এটা এক ধরনের প্রতিযোগিতা। যে যত নতুন সংবাদ প্রচার করতে পারবে তার তত ক্রেডিট। তাই বলে পুরনো সংবাদের প্রতি কি কারোর কোনও আগ্রহ থাকবে না? যাকে বলে ফলোআপ নিউজ। ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর কী হলো? ধরা যাক ১০০ জন মাদকাসক্ত তরুণ-তরুণীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অনেক বড় খবর প্রচার হলো মিডিয়ায়। কিন্তু ১০০ জনের মধ্যে সকলেই কি শেষ পর্যন্ত হাজত বাস করেছে? নাকি অধিকাংশ বিভিন্ন তদবিরের জোরে ছাড়া পেয়েছে। এ ধরনের ফলোআপ নিউজ তেমন একটা দেখা যায় না। কয়েক দিন আগে ঢাকায় ‘কিশোর গ্যাং’-এর নামে ত্রাস সৃষ্টিকারী কিশোরদের গ্রেফতারের ব্যাপারে পুলিশের একটি অভিযান শুরু হয়েছিল। ডিএমপি কমিশনার স্বয়ং বলেছিলেন, এখন থেকে ঢাকায় কোনও কিশোর গ্যাং থাকবে না। কী মারাত্মক কথা। পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যখন বলেন ঢাকায় কোনও কিশোর গ্যাং থাকবে না, তখন ধরেই নেওয়া যায় ঢাকায় কিশোর গ্যাং আছে এবং তারা এতটাই বেপরোয়া যে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাহিনীকেও তটস্থ থাকতে হয়।

আমাদের ছোটবেলায় দেখেছি পুলিশের নাম শুনলে ছোট ছোট বাচ্চারা ভয়ে সিটিয়ে যেতো। বড়বেলায় এসে দেখছি তার উল্টো চিত্র। কোনও কোনও ক্ষেত্রে পুলিশই ছোট ছোট ছেলেদের দেখলে ভয় পায়। এমনও হয় পুলিশের সামনেই ছোট ছোট ছেলেরা দামি মোটরসাইকেলে চড়ে বিকট শব্দ তুলে এলাকা কাঁপিয়ে বেড়ায়। কোনও কোনও ক্ষেত্রে পুলিশ দেখেও না দেখার ভান করে। পুলিশ কেন এটা করে তারও একটা কারণ আছে। বেশ কিছু দিন আগে নগরীর একটি ব্যস্ত রাস্তায় বিকট শব্দ তুলে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলো এক কিশোর। রাস্তায় টহলরত একজন বয়স্ক পুলিশ কর্মকর্তা তাকে থামিয়ে দিয়ে এভাবে মোটরসাইকেল না চালানোর পরামর্শ দিলে ওই কিশোর রেগে ওঠে। পুলিশ কর্মকর্তাকে ধমক দেয়- জানেন আমি কে? ওই পুলিশ কর্মকর্তা কিছু বলার সুযোগ পেলেন না। তার আগেই বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে চলে যায় কিশোরটি। আশপাশের অনেক লোক অবাক বিস্ময়ে ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করে। নেতিবাচক মন্তব্য করেন অনেকে। ফুটপাতের ওপরই বিজ্ঞজনের একটা টকশো শুরু হয়ে যায়। বেঁটে মতো একজন লোক মন্তব্য করেন, আগেকার দিনে পুলিশকে দেখলে ছোট ছোট বাচ্চারা ভয় পেতো, সমীহ করতো। আর এখন? কী যে দিনকাল পড়েছে। তার কথা টেনে নিয়ে একজন তরুণ বললো, পুলিশকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। ছেলেমেয়েদের প্রতি আমরা অভিভাবকরা কে কতটুকু দায়িত্ব পালন করি তা ভাবা দরকার। লম্বা মতো একজন লোক বললেন, ভাই ঠিক কথা বলেছেন। আমরা অভিভাবকরা কি ছেলেমেয়েদের ব্যাপারে সঠিক দায়িত্ব পালন করছি? এই যে ছেলেটি, বলা যায় দুধের বাচ্চা... পুলিশের সঙ্গে যে ধরনের আচরণটা করলো সেটা কি ঠিক হয়েছে? এজন্য ভাই পারিবারিক শিক্ষা দরকার। কাগজ-কলম আনেন, আমি লেইখ্যা দেই, এই যে ছেলেটি মোটরসাইকেল চালায়া এলাকা কাঁপায়া বেড়ায়, খোঁজ নিয়ে দ্যাখেন তার ওপর পরিবারের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। সে সঠিক পারিবারিক শিক্ষা পায়নি। সঠিক পারিবারিক শিক্ষা পেলে ব্যস্ত রাস্তায় এভাবে মোটরসাইকেল চালাতো না। আপনি কি আপনার ছেলেকে এভাবে রাস্তায় মোটরসাইকেল চালানোর পারমিশন দেবেন?

রাস্তার টকশো জমে উঠেছে। ভিড় করে সবাই একে অন্যের কথা শুনছেন। এক সময় শ্রোতার চেয়ে বক্তার সংখ্যাই বেশি হয়ে গেলো। নিজেদের শৈশবকে টেনে আনতে চাইছেন অনেকে। আমরাও তো ভাই ছোট ছিলাম। সন্ধ্যার আগেই বাসায় ফিরতে হতো। তারপর হ্যারিকেনের আলোয় পড়তে বসতাম। প্রাইভেট মাস্টার ছিল না। স্কুল থেকে যে হোমওয়ার্ক দেওয়া হতো সেটা নিজেরাই করতাম। আর এখনকার ছেলেমেয়েদের কতই না সুযোগ সুবিধা। অনেকের ক্ষেত্রেই সন্ধ্যার আগে বাসায় ফেরার তাগাদা নেই। ঘরে ঘরে এখন প্রাইভেট মাস্টার আছে। অনেকে কোচিং সেন্টারে যায়।

তার ওপর তো আছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। আজকের যুগের ছেলেমেয়েদের কতই না সুযোগ-সুবিধা। সবার হাতেই স্মার্টফোন। এক একটি স্মার্টফোন মানেই এক একজন জাদুকর। স্মার্টফোনে গুগলকে প্রশ্ন করা মাত্রই উত্তর আসে। এসব ভাবতে ভাবতেই নিজেকে একটা প্রশ্ন করলাম। আচ্ছা, আমাদের কালে অর্থাৎ আমাদের শৈশবে এভাবেই যদি স্মার্টফোনের সুযোগ-সুবিধা থাকতো তাহলে কি আমরাও এভাবে নিজেদের ব্যস্ত করে তুলতাম? ব্যস্ত রাস্তায় মোটরসাইকেল দাপিয়ে বেড়াতাম? আমরাও কি ‘কিশোর গ্যাং’ নামের ভীতকর দল তৈরি করতাম। সঙ্গে সঙ্গেই ‘না’ শব্দের তীব্র একটা প্রতিবাদ উচ্চারিত হলো আমার মনে। না, আমরা তা করতাম না। আমাদের কালে পারিবারিক মূল্যবোধকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হতো। কী ধনী, কী মধ্যবিত্ত অথবা গরিব পরিবার-সবারই চেষ্টা থাকতো কীভাবে পরিবারের শিশু-কিশোর সদস্যদের সুরক্ষা দেওয়া যায়। তখনকার দিনে শিশু-কিশোরদের জন্য পর্যাপ্ত খেলার মাঠ ছিল, বিনোদনের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা ছিল, স্কুলের লাইব্রেরিতে বই পড়ার সুযোগ ছিল। স্কুলে স্কুলে বাৎসরিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হতো। ফলে ছেলেমেয়েরা পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিও অনুরক্ত থাকতো।

আর আজ দেশের অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খেলার মাঠ নেই। লাইব্রেরি থাকলেও সেখানে বই নেই। অনেক স্কুলে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতাও হয় না। ফলে কোমলমতি ছেলেমেয়েদের অখণ্ড অবসর কাটে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সামাজিক যোগযোগ মানেই বাধ্যগত দৈত্যের উপস্থিতি। চাহিবা মাত্র দৈত্য সবকিছুই এনে হাজির করে দেয়। অনেকেই হয়তো মানবেন না। তবে এটাই সত্য। সারাদেশে এই যে এত ‘কিশোর গ্যাং’ সৃষ্টি হয়েছে, তার মূল প্রেরণা কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনুগত দৈত্যটি। এই দৈত্যটি এতটাই ভয়ানক যে বিপথগামী কিশোরদের মাদকের পাশাপাশি অশুভ রাজনীতির মাঠেও নামিয়ে দিয়েছে। ফলে কারও কারও পরিবারের সোনার টুকরো ছেলেটি এখন ভয়ঙ্কর মাস্তান। পরিবারের কারও কথা শোনে না। তবে রাজনীতির বড় ভাইয়ের কথা শোনে। বড় ভাই যা বলবে তাই যেন বেদবাক্য। বড় ভাই খুন করতে বললেও তাতেই রাজি। রাজনীতির বড় ভাই বলে কথা! ভয়ানক তথ্য হলো, কিশোরদের এই ঘৃণ্য কাজে ইদানীং অনেক পরিবারও সায় দিচ্ছে। কেন দিচ্ছে? জাতে ওঠার জন্য দিচ্ছে। রাজনীতির কোনও বড় ভাই সঙ্গে থাকলে অনেক সুবিধা। পাড়া প্রতিবেশীর সমীহ পাওয়া যায়। কিশোর ছেলের  উসিলায় যদি এই সুযোগটা পাওয়া যায় তাতে ক্ষতি কী? এমন বাস্তবতাও কিশোর গ্যাং সৃষ্টির অন্যতম কারণ বলে অনেকে মনে করেন।

দেশের একটি বড় পত্রিকায় মারাত্মক একটি খবর বেরিয়েছে। খবরের শিরোনাম হলো- ‘কিশোর অপরাধের পিছনে মাদক আর রাজনীতি’। আরেকটি পত্রিকায় একই ধরনের খবরের শিরোনাম ছাপা হয়েছে এভাবে- দেশজুড়ে কিশোর গ্যাং-এর জাল ‘অ্যাডভেঞ্চারের’ নামে দলে ভিড়িয়ে সন্ত্রাস।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দল গঠনের মাধ্যমে অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে যাচ্ছে স্কুলপড়ুয়া ছেলেমেয়েরা। একশ্রেণির বখাটে কিশোর ‘অ্যাডভেঞ্চারের’ কথা বলে ফেসবুক পেজ খুলে স্কুলগামী কিশোরদের সহজেই আকৃষ্ট করে। এক গ্রুপ অন্য গ্রুপকে মাঝে মাঝে অশ্লীল ভাষায় আক্রমণ করে। চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়। ফলে শত্রুতা সৃষ্টি হয়। অবস্থা বেগতিক হলে অনেকেই এলাকার প্রভাবশালী রাজনৈতিক বড় ভাইয়ের শরণাপন্ন হয়। বড় ভাই হয়তো তাকে বা তাদের তাৎক্ষণিকভাবে সহযোগিতাও করেন। এভাবেই বড় ভাই পেয়ে যায় কোমলমতি শিশু-কিশোরেরা। পরবর্তী সময়ে বড় ভাই যা বলে তা-ই করতে বাধ্য হয় তারা। হয়তো মাদক ব্যবসার সহযোগী হয়ে ওঠে। রাজনৈতিক মিছিলে নামে। এভাবেই ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে দেশের অনেক সম্ভাবনাময় কিশোর। দেশের একটি বড় দৈনিকেই খবরটি পড়লাম। কিশোর গ্যাং-এর সঙ্গে জড়িত এমন দু’জন কিশোর বলেছে, পুলিশ মূল জায়গায় হাত দেয় না। দেশে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য বাড়ার মূল কারণ হলো মাদক আর রাজনীতি।

কী ভয়াবহ তথ্য। তার মানে আমরা আমাদের কোমলমতি শিশু-কিশোরদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছি? শিশু-কিশোরেরা সাধারণত ‘অ্যাডভেঞ্চার’ পছন্দ করে। ছোট বয়সেই ‘বড়’ সাজার একটা মজা আছে। আমরা অনেকে এই মজাটাই ছড়িয়ে দিচ্ছি শিশু-কিশোরদের মনে। পারিবারিক নিয়ন্ত্রণের অভাবে অনেকেই ‘বড়’ সাজার এই আনন্দে জড়িয়ে পড়ে অন্ধকার জগতে পা বাড়াচ্ছে। আমরা অনেকেই তা দেখেও না দেখার ভান করছি। অথবা এমন মন্তব্যও করছি, ছোট মানুষ তো... না বুঝে করেছে। বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে...।

অনেকেই আছেন ছেলেমেয়েদের অন্যায় কর্মকাণ্ডকে খুব একটা পাত্তা দিতে চান না। ছেলে অন্যায় করেছে, প্রতিবেশী কেউ হয়তো নালিশ দিতে এসেছে, অনেক বাবা-মা আছেন প্রতিবেশীর নালিশ শুনতে নারাজ। ভাবটা এমন, আমার ছেলে অন্যায় করতে পারে না। কাজেই কারও নালিশ শুনতেও তিনি নারাজ। এভাবেও কিশোর গ্যাং উৎসাহ পাচ্ছে বলে অনেকের ধারণা।

লেখার শুরুতেই বলেছিলাম, সংবাদ হলো কাঁচামালের মতো। একবার প্রচার করলে তার যেন আর গুরুত্ব থাকে না। কারণ, নতুন নতুন সংবাদ এখন এসে ভিড় করে। তাই বলে কিশোর গ্যাংয়ের মতো ভয়াবহ সংবাদ কাঁচামালের তালিকায় ফেলে রাখা ঠিক হবে না। বিষয়টি নিয়ে প্রচার মাধ্যমে তো বটেই, সামাজিক ক্ষেত্রেও ব্যাপক আলোচনা জরুরি। অভিভাবকদের পাশাপাশি দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এ ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আমরা যে যাই বলি না কেন, যুগ পাল্টেছে এটা মেনে নিয়েই আমাদের কাজ করতে হবে। আমরা কথায় কথায় অতীতকে টেনে আনি। অতীত আর বর্তমানের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য দেখা দিয়েছে। অতীতকালে বলামাত্রই ছেলেমেয়েরা ঘরে ফিরে আসতো। কারণ, বাইরে সময় কাটানোর সুযোগ ছিল না। এখন পরিবারের বাইরে সময় কাটানোর কতই না মাধ্যম। আর কিছু না হোক, বাড়ির ছাদে অথবা গোপন কোন এলাকায় স্মার্টফোনেই তো ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দেওয়া যায়। তার মানে স্মার্টফোনই কি মূল সমস্যা? না, তা নয়। মূল সমস্যা হলো আমাদের কিশোর ছেলেমেয়েদের সামনে নির্ভরযোগ্য আনন্দদায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারা। অনেক স্কুলে তো খেলার মাঠ নেই। তাহলে তারা খেলবে কোথায়? অনেক স্কুলে বাৎসরিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয় না।

তাহলে শিশু-কিশোরের নান্দনিক প্রতিভার বিকাশ হবে কীভাবে? আমরা ছেলেমেয়েদের খেলার মাঠ দেবো না, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার ব্যাপারে আকৃষ্ট না করেই বলবো বাবারা তোরা দুষ্টুমি করবি না। অন্যায় কাজে জড়াবি না। তোরা ভালো হয়ে যা...। এটা কি যুক্তিযুক্ত কথা? ‘আপনারা কেন আপনাদের সন্তানদের খেয়াল রাখেন না? কিশোরেরা কেন সন্ধ্যাবেলা বাইরে যায়? এসব খেয়াল রাখতে হবে আপনাদের’। অভিভাবকদের উদ্দেশে এমন কথাই বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

তার কথার সূত্র ধরে দেশের প্রতিটি অভিভাবকের উদ্দেশে একটা প্রশ্ন রাখতে চাই। আপনি জানেন কি প্রতিদিন আপনার প্রিয় সন্তান কোথায় যায়? কার সঙ্গে মিশে? আপনার সন্তানের বন্ধু কারা? এই তিনটি প্রশ্নের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন। প্রিয় সন্তানের সঙ্গে বন্ধুর মতো আচরণ করুন। সবার জন্য শুভ কামনা।

লেখক: কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, সম্পাদক- আনন্দ আলো

 

/এপিএইচ/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ