‘ফকিরেরপুল’ খেলাকে ভিখারি করেছে, তোমাকে করেছে ‘সম্রাট’

Send
আহসান কবির
প্রকাশিত : ১৭:২৩, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৭:২৫, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯

আহসান কবিরবাংলাদেশে ক্যাসিনো বিষয়ক ‘ভূমিকম্প’ শুরু হওয়ার পর একটা কৌতুক খানিক বদলে গেছে। আগে ছিল এমন—এক লোক বিশ বছর ধরে এক উপাসনালয়ের সামনে ভিক্ষা করতো। খুব একটা কিছু জুটতো না সারাদিন সারারাতে। কোনোরকমে পেটেভাতে চলতে হতো তাকে। একদিন মনের দুঃখে সে গেলো এক মদের বারের সামনে। এক মাতাল বার থেকে বের হচ্ছিল। লোকটি মাতালকে বললো—‘স্যার কিছু টাকা দিন। বহুদিন ভালো-মন্দ খাই না। ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করবেন।’ মাতাল তাকে পাঁচশত টাকার একটা নোট দিলো। টাকাটা কপালে ঠেকিয়ে লোকটি বললো, ‘হায় ঈশ্বর, কোথায় তোমার থাকার কথা, আর কোথায় তুমি থাকো!’
কৌতুকটা বদলে এখন হয়েছে—এক লোক বিশ বছর ধরে এক উপাসনালয়ের সামনে ভিক্ষা করতো। খুব একটা কিছু জুটতো না সারাদিন সারারাতে। কোনোরকমে পেটেভাতে চলতে হতো তাকে। একদিন মনের দুঃখে সে গেলো এক ক্যাসিনোর  সামনে। এক মাতাল জুয়াড়ি ক্যাসিনো থেকে বের হচ্ছিল। লোকটি জুয়াড়িকে বললো—‘স্যার কয়েকটা টাকা দিন। বহুদিন ভালো-মন্দ খাই না। ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করবেন।’ জুয়াড়ি তাকে ৫০০ হাজার টাকার একটা বান্ডিল দিলো। টাকার বান্ডিল কপালে ঠেকিয়ে লোকটি বললো, ‘হায় ঈশ্বর, কোথায় তোমার থাকার কথা, আর কোথায় তুমি চলে এসেছ!’
ঢাকার ক্লাবগুলোর রঙ বদলেছে কয়েক দিন হলো। আমরা সাধারণভাবে বলি, আগে সাদা-কালো ছিল, এখন রঙিন হয়েছে! ঢাকার ক্লাব কালচারে জুয়া বা হাউজি স্বাধীনতার আগে থেকেই প্রচলিত ছিল। ক্লাব সদস্যদের ডোনেশনএলাকার লোকজনের চাঁদাকখনও-কখনও অল্পবিস্তর সরকারি সাহায্য বা স্টেডিয়ামের গেট মানি আর হাউজি ছিল ক্লাবগুলোর আয়ের উৎস। ক্লাবের অনেক খেলোয়াড়ের এটা নিয়ে কষ্ট ছিল। কয়েকজন খেলোয়াড় তাদের স্মৃতিচারণে বলেছেন—‘সন্ধ্যার প্র্যাকটিস শেষে স্টেডিয়াম মার্কেটে দইচিঁড়া খেয়ে ক্লাবে এসে খুব দ্রুত পোশাক বদলে এখানে-ওখানে ঘুরতে যেতাম। হাউজি খেলার সময়টুকুতে ক্লাবে থাকতাম না।’

তখন ক্লাবগুলোর ভেতরে শুধু খেলাধুলা নিয়ে প্রতিযোগিতা থাকতো। মোটাদাগে রাজনৈতিক কোনও প্রভাব তেমন ছিল না। ক্লাবের স্বার্থে হাউজিকখনও-সখনও চরকা বা ওয়ান টেন খেলাটা ছিল ক্লাবগুলোর বেঁচে থাকার জন্য। সারাদেশে বিতর্ক আর গর্ব ছিল ক্লাব নিয়ে। বলা হতো, এই তুই আবাহনী না মোহামেডানআবাহনীর গ্যালারিতে মোহামেডান বা মোহামেডানের গ্যালারিতে আবাহনীর কোনও দর্শক গোল আনন্দে উচ্ছ্বসিত হলে তার খবর ছিল। রোষানলে পড়তে হতো!  এখন আর সেসব সুন্দর সাদা-কালো বা আকাশি দিন নেই!

সাদা-কালো থেকে রঙিন হওয়ার পরে ক্লাবের দৃষ্টিভঙ্গিও সম্ভবত বদলে গেছে। যেমন ক্লাবের নাম ফকিরেরপুল ইয়াংমেন্স ক্লাব। এই ক্লাবে (সেপ্টেম্বর ২০১৯) পুলিশ হামলে পড়ার পর ক্যাসিনোর যে যন্ত্রপাতির দেখা মেলে, তা হয়তো অ্যামেরিকার লাস ভেগাসেও দেখা যায়। অথচ এই ক্লাবে লাখো কোটি টাকার জুয়া খেলা হলেও এবং প্রিমিয়ার কাপে একবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরও দল গঠন করতে পারেনি ফকিরেরপুল। ক্যাসিনো ফকিরেরপুলকে ‘ফকিরেরপুল’ করেই রেখেছে, গুলশান বা বনানী বানাতে পারেনি। ক্যাসিনোর জন্য ঢাকার কয়েকটি ক্লাবে রেইড হওয়ার পর একটা কৌতুক ছড়িয়ে পড়েছে এমন—এক লোক ঝুড়ির মধ্যে কিছু জিনিস রেখে কাপড় দিয়ে ঝুড়ির মুখ ঢেকে রেখেছে। খানিক পর পর বলছে, ‘বাঘের খাঁচা দশ টাকা। বাঘের খাঁচা দশ টাকা।’ ওই লোকের এক বন্ধু এসব দেখে এগিয়ে গেলো। দশ টাকা দিয়ে বললো—‘দে একটা বাঘের খাঁচা দে।’ লোকটি ঝুড়ির মুখের কাপড় সরিয়ে একটা আন্ডারওয়্যার বের করে বললো, ‘সাইজ কত? লার্জ না মিডিয়ামবন্ধুটা অবাক হয়ে বললো, ‘ভালোই। তোর ব্যবসা পা থেকে কোমরে উঠেছে। আগে করতি মোজার ব্যবসা, আর এখন করছিস আন্ডারওয়্যারের ব্যবসা।’ ফকিরেরপুল ক্লাবের ব্যবসাও নাকি তেমন। আগে ব্যবসা বা কার্যক্রম মাঠে ছিল, এখন মাঠ থেকে ক্যাসিনোর টেবিলের ওপর গিয়ে উঠেছে! 

যারা ক্লাবে ক্যাসিনো খুলে এখন পুলিশি হামলার মুখে পড়েছেন, তাদের জন্য একটা সুখবর আছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন—‘আইন প্রণয়নের মাধ্যমে লাইসেন্স নিয়ে ক্যাসিনো হতে পারে। তবে আইনের বাইরে গিয়ে প্রশাসনকে না জানিয়ে জুয়ার আসর বা ক্যাসিনো বসানো যাবে না।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কেন এমন বলেছেন২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯-এ প্রকাশিত একটি দৈনিকের রিপোর্ট অনুযায়ী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে গড়ে প্রতিদিন লেনদেন হয় ৪১০ থেকে ৪৪৮ কোটি টাকা। আর শুধু ঢাকাতেই ৬০টি ক্লাবের ক্যাসিনোয় লেনদেনের পরিমাণ দৈনিক গড়ে ৫০০ কোটি টাকার ওপরে! সে কারণেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ বলছেন, ‘ফকিরেরপুল আমাকে (খেলাকে) ভিখারি করেছে, তোমাকে করেছে সম্রাট!’

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও একাধিক তথ্যসূত্রের ভিত্তিতে করা ওই দৈনিকের রিপোর্ট অনুযায়ী, ৬০টি ক্লাবে নিয়মিত ক্যাসিনোর আসর বসতো। সবচেয়ে বেশি লেনদেন হতো ঢাকার ফু-ওয়াং ক্লাবে, গড়ে প্রতিদিন ২০ কোটি টাকা। ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকা লেনদেন হতো নিউমার্কেটের এজাজ ক্লাবপল্টনের জামান টাওয়ারমোহামেডান ও কলাবাগানের মতো পাঁচটি ক্লাবে! এসব ক্লাবের তুলনায় ফকিরেরপুল ইয়াংমেন্স ক্লাব খানিকটা ‘ফকির’ই ছিল। কারণ ফকিরেরপুল ইয়াংমেন্স ক্লাবওয়ারী ও ওয়ান্ডারার্সের মতো মহল্লাভিত্তিক ক্লাবগুলোয় দৈনিক আড়াই থেকে তিন কোটি টাকা লেনদেন হতো। এই দৈনিক একটা প্রশ্ন তুলেছে এমন—ক্ষুদ্র বা বড় বিনিয়োগের টাকা নেই। ব্যাংকের কাছে টাকা নেই উল্টো তারল্য সংকট আছেশেয়ারবাজারে বিনিয়োগের টাকাও নেই, তাহলে ক্যাসিনোতে জুয়া খেলার টাকা আসে কীভাবে?

তবে প্রায় সব দৈনিক ও টেলিভিশনের খবরে এসব ক্যাসিনোর আসল নিয়ন্ত্রক হিসেবে ঢাকা দক্ষিণের যুবলীগ সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের নাম এসেছে। একটি দৈনিকের খবর অনুযায়ী—‘সম্রাটের নেশা ও পেশা জুয়া খেলা। তিনি একজন পেশাদার জুয়াড়ি। আলোচিত এই সম্রাট টাকার বস্তা নিয়ে জুয়া খেলতে যান সিঙ্গাপুরে। মাসে অন্তত দশ দিন সিঙ্গাপুরে জুয়া খেলেন। সিঙ্গাপুরের সবচেয়ে বড় জুয়ার আস্তানা মেরিনা বে স্যান্ডস ক্যাসিনোয় সম্রাট ভিআইপি জুয়াড়ি হিসেবে পরিচিত!’

পূর্ণেন্দু পত্রীর কবিতায় আছে—ভিখিরির কি ডাকাত হতে ইচ্ছে করবে না একদিনওফুটবলক্রিকেটহকিহা-ডু-ডুসাঁতারঅ্যাথলেটিকস—এসব ছাপিয়ে গত ছয়-সাত বছরে ক্লাবে খেলোয়াড় ‘সম্রাট’রা বড় হয়নিবিকশিত হয়নি। ক্যাসিনো ‘সম্রাট’রা আরো বড় ডাকাত হয়েছে। পত্রিকার সূত্রে জানা গেছে দক্ষিণের যুবলীগ সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট নাকি তার অনেক শিষ্যকে খবর দিয়েছেন। তারা অফিসে সম্রাটকে নিয়মিত পাহারা দিচ্ছেন। পুলিশ এখনও সেখানে পৌঁছাতে পারেনি।

পাবলো এস্কোবারের কথা নিশ্চয়ই অনেকের মনে আছে। এই মাফিয়া বস প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নিজের বাহিনী দিয়ে পরিবেষ্টিত থাকতেন। দম্ভ করে বলতেন, তাকে স্পর্শ করা কোনও সরকারের পক্ষেই সম্ভব নয়। বাংলাদেশটা আবার কলম্বিয়া হয়ে গেল কিনা!

আগেই বলা হয়েছে—ক্লাবগুলো আগের জায়গায় নেই, রঙ বদলেছে। ফুটবল ক্রিকেট হকি অ্যাথলেটিকস কোনও কিছুতেই যেন ক্লাবের মন নেই। কোনও খেলোয়াড় বা নামকরা ক্রীড়া সংগঠক এখন আর ক্লাব নিয়ন্ত্রণ করেন না। এসব চলে গেছে রাজনৈতিক নেতা আর পুলিশের নিয়ন্ত্রণে। ক্লাবের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ উঠছে প্রশাসনের সর্বোচ্চ জায়গা থেকেই।

পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে—গত পাঁচ-ছয় বছর ধরেই ঢাকায় ক্যাসিনোর অস্তিত্ব ছিল। আগেও রেইড হয়েছেদুই-একটা বন্ধ হয়ে যাওয়ার রেকর্ড আছে। একটি বিদেশি সংবাদ সংস্থার সঙ্গে একজনের সাক্ষাৎকার থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালে রেইডের পর পুলিশ সেগুনবাগিচার একটি ক্যাসিনো বন্ধ করে দিয়েছিল। ঢাকার ক্লাব কালচারের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের অনেকেই জানেন কলাবাগান ক্লাবে ২০১৪ সাল থেকেই ক্যাসিনো ছিল। এদেশের ক্লাবগুলোর ক্যাসিনোতে মূলত স্লটবাকারা আর রুলেটের মাধ্যমেই জুয়া খেলাটা হয়ে থাকে। কলাবাগানে চালু হলেও ফু-ওয়াং ক্লাবের ক্যাসিনো এবং মদ বিক্রিটা জমজমাট হয়ে ওঠে। তাইওয়ানিরা ফু-ওয়াংটা পরিচালনা করতেন একসময়। এখন জুয়া পরিচালনায় শত-শত নেপালির দেখা মেলে। দুই শিফটে চলে জুয়া। টাকা চলে যায় হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশের কোনও ব্যাংকে। কাঁচা টাকাটাই সবখেলাধুলাটা গৌণওরফে সাইনবোর্ড!

বিশেষ দ্রষ্টব্য: জেমস বন্ড (ক্যাসিনো রয়েল)সহ বিখ্যাত অনেক ছবিতে ক্যাসিনোর দৃশ্য রয়েছে। ক্যাসিনো নিয়ে পৃথিবী বিখ্যাত অন্তত পনেরো বিশটি ছবি আছে। আমেরিকার লাস ভেগাসে প্রথম বৈধ ক্যাসিনোর লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল এক নারীকে (মামি স্টোকার) ১৯৩১ সালে। তবে লাস ভেগাস এখন আর তেমন জনপ্রিয় নয়, যতটা জনপ্রিয় ম্যাকাও। চীনের (এক দেশে দুই নীতি। চীনে ক্যাসিনোকে বৈধতা না দেওয়া হলেও চীন শাসিত ম্যাকাও এখন জুয়া আর পর্যটনে অনেক দেশকেই পিছে ফেলে দিয়েছে।) ম্যাকাওয়ের ক্যাসিনোর ইনকাম লাস ভেগাসের চেয়ে কমপক্ষে পাঁচগুণ বেশি। বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও ক্যাসিনো ছিল। মোনাকোয় অবস্থিত মন্টো কার্লো পৃথিবীর সেরা ক্যাসিনোর একটি। এই ক্যাসিনো নিয়ে ছবি হয়েছেগান রচিত হয়েছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, মোনাকোর অধিবাসীরা এই ক্যাসিনোয় জুয়া খেলতে পারেন না। আর আপনি যদি জুয়ায় আসক্ত হয়ে যান, আপনি ইউরোপের কয়েকটি দেশে নিজেকে নিষিদ্ধ করার সুযোগ নিতে পারেন। আপনার খেলার নেশা উঠলে আপনি ক্যাসিনোয় যাবেন, কিন্তু আপনাকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। কারণ ঠান্ডা মাথায় আপনি নিজেকে নিষিদ্ধ করার সঠিক সিদ্ধান্তটি নিয়েছিলেন।

বাংলাদেশ সরকার চীনের মতো একদেশে দুই নীতি নিতে পারে। যেমন দেশের অন্য কোনও জায়গায় জুয়া খেলা যাবে না (আগে এক্সিবিশন বা যাত্রাপালায় হাউজি বা জুয়ার আসর বসতো), কিন্তু খেলাধুলার স্বার্থে ক্লাবের ক্যাসিনোতে জুয়া খেলা যাবেস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেমন বলেছেন লাইসেন্স নিয়ে ক্যাসিনো চালানোর কথা। সরকার চাইলে সব ক্লাব বা ক্যাসিনোকে সাগর পাড়েও পাঠিয়ে দিতে পারে।

তবে দুঃখের ব্যাপার, এই যে গত পাঁচ-ছয় বছরে ক্লাবগুলোতে অবৈধ ক্যাসিনো ছিল, কিন্তু খেলার ভালো অবস্থান সেখানে ছিল না। মদের টেবিলে নর্তকীর নাচের আলো-আঁধারিতে জুয়ার যে জৌলুস, তা কখনও ফুটবল ক্রিকেট বা হকির মতো গতিশীল হয় না। ক্যাসিনো যত মানুষকে সর্বস্বান্ত করে, খেলাধুলা তার বিপরীতে মানুষকে স্বাস্থ্যবান করেজীবন গড়ে দেয়।

পুঁজির হাতছানি আর কালো হাতের থাবা বেশিরভাগ সময়ে সর্বনাশ ডেকে আনে। গ্রাম-গঞ্জ আর শহরে খেলার মাঠ নষ্ট করে আমরা যে সর্বনাশের সূচনা অনেক আগেই করেছি! ক্যাসিনো বোর্ডের আলোয় খেলাধুলা উজ্জ্বল হয়েছে কিনা, জানা নেই। আপাতত যা জানা তা হচ্ছে এই, ক্যাসিনো খেলাকে ভিখারি করেছে, তোমাকে করেছে সম্রাট!

লেখক: রম্যলেখক

/এমএমজে/এমএনএইচ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ