প্রধানমন্ত্রী বরাবর খোলা চিঠি!

Send
রেজানুর রহমান
প্রকাশিত : ১৪:৩০, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৪:৩১, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯

রেজানুর রহমানসোবহান সাহেব যারপরনাই অসুস্থবোধ করছেন। শরীরের কোনও অসুখ নয়। মনের অসুখ তাকে কাবু করে ফেলেছে। ঢাকায় বড় ছেলের বাসায় বেড়াতে এসেছেন। ছেলে গুলশান নিকেতনের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকে। একদিন বিকেলে ছেলের বাসা থেকে বেরিয়েছেন। পাশেই একটা পার্ক আছে, সেখানে একটু হাঁটাহাঁটি করবেন বলে ভেবেছেন। কিন্তু বাসা থেকে বেরিয়ে পথে নামতেই বিশাল একটা গাড়ির বহর দেখলেন। বিশেষ পোশাক পরা একদল তরুণ বিশেষ স্টাইলে রাস্তা ফাঁকা করে দিচ্ছে। যাতে করে গাড়ির বহর আসতে কোনও ঝামেলা না হয়। আশেপাশের মানুষ যেন একটু ভীত, সন্ত্রস্ত। কেউ কেউ বিরক্তও বটে। সোবহান সাহেব ভেবেছিলেন রাষ্ট্রীয় কোনও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হয়তো এসেছেন। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীও হতে পারেন। তা নাহলে এত প্রোটোকলই বা পাবে কী করে। পরে বুঝতে পারলেন কোনও মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীর জন্য এই ব্যস্ততা নয়। ব্যস্ততা একজন বিশেষ ব্যক্তির জন্য। তার নাম জি কে শামীম। রাষ্ট্রীয় কোনও পদে নেই। অথচ রাস্তা দাপিয়ে বেড়ান একজন গুরুত্বপূর্ণ ভিআইপির মতো। তিনি রাস্তায় বের হবেন জানার সঙ্গে সঙ্গেই নির্ধারিত রাস্তা ফাঁকা হয়ে যায়। এই বিস্ময়কর মানুষটি সম্পর্কে এলাকার অনেকেই স্পষ্ট কিছু জানেন না। কিন্তু এটা জানেন মানুষটির নাকি অনেক ‘পাওয়ার’। তিনি নাকি সরকারি দলের নেতা। মন্ত্রী, মিনিস্টারদের সঙ্গে তার অনেক সখ্য।

হঠাৎ একদিন এই লোকটিকেই ধরতে এলো পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে তাকে গ্রেফতার করার ঘটনা সরাসরি দেখানো হচ্ছিল। টেলিভিশনের সামনে বসে ঘটনা দেখে যারপরনাই বিস্মিত ও ভীত হয়ে উঠলেন সোবহান সাহেব। বেঁটে-খাটো গড়নের একটি লোক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সামনেই তার বিশেষ স্টাইলে বানানো টেবিলের নিচ থেকে একের পর এক টাকার বান্ডিল বের করে দিচ্ছেন। একপর্যায়ে টেবিলটা হয়ে গেলো টাকার পাহাড়। এত কিছু দেখে সোবহান সাহেব নিজেকে প্রশ্ন করলেন—একজন মানুষের এত টাকা দরকার? তাও আবার অবৈধ পন্থায় জোগাড় করা টাকা। সঙ্গে সঙ্গে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সোবহান সাহেবকে ব্যতিব্যস্ত করে তুলল। প্রশ্নটা হলো, এই যে এতদিন বিশেষ মর্যাদা নিয়ে জি কে শামীম নামের এই ভদ্রলোকটি কমান্ডো স্টাইলের জীবন-যাপন করলেন, সেটা কীভাবে সম্ভব হয়েছে? তিনি রাস্তায় বের হলে কেন রাস্তা ফাঁকা হয়ে যেতো?

এসব ভাবতে গিয়েই সোবহান সাহেব মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে উঠলেন। দিনের আলো ফোটার আগেই দৈনিক পত্রিকা পড়া তার অভ্যাস। ছেলের বাসায় একাধিক দৈনিক পত্রিকা রাখা হয়। গত কয়েকদিন ধরে দৈনিক পত্রিকা পড়া ও টিভির খবর দেখার ক্ষেত্রেও কেন যেন আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। পত্র-পত্রিকা ও টিভির খবর জুড়ে শুধুই বস্তা বস্তা টাকার খবর প্রচার হচ্ছে। টাকা যেন আমপাতা, কাঁঠাল পাতার মতোই সহজলভ্য। সিন্দুকে টাকা, বিছানার নিচে টাকা। বালিশ ভর্তি টাকা। কেউ কেউ নাকি পুলিশের ভয়ে অবৈধ টাকা ফেলে দিচ্ছে, সরিয়ে ফেলছে। টাকার তোষক বানিয়ে অনেকে নাকি সেই তোষকের নিচে ঘুমায়। তারা যখন ঘুমায় তখন তাদের পায়ের স্পর্শ টাকার শরীরে লাগে না? ছোটবেলায় একবার সোবহান সাহেবের হাত থেকে এক টাকার একটা নোট মাটিতে পড়ে গিয়েছিল। তাই দেখে তার দাদিমা দুশ্চিন্তায় হই হই করে উঠেছিলেন। বাবা টাকাটা মাটিতে ফেলে দিলি? উঠিয়ে কপালে ছোঁয়া। টাকা হলো লক্ষ্মী। দাদিমার কথামতো সেদিন টাকাটা মাটি থেকে তুলে নিয়ে কয়েকবার কপালে ছুঁইয়েছিলেন সোবহান সাহেব। সেই থেকে টাকা হাতে পেলেই প্রথমে কপালে ছুঁইয়ে নেন। এভাবেই টাকার প্রতি শ্রদ্ধা, অপার ভালোবাসা দেখান। কিন্তু সোবহান সাহেবের ভাগ্যে টাকা জোটেনি। মাঝে মাঝে একথা ভেবে তিনি অবাকও হন। সরকারি চাকরি করেছেন। অবৈধভাবে টাকা আয়ের অনেক পথ ছিল। কিন্তু তিনি তা করেননি। এজন্য সংসারে তাকে কম কটুকথা শুনতে হয়নি। আগে স্ত্রী বলতো। এখন ছেলেমেয়েরা বলে—বাবা তুমি এত বোকা কেন?

এই একটি প্রশ্নই সোবহান সাহেবকে আরও অস্থির করে তুলেছে। সৎ থাকাই কি বোকার লক্ষণ? তাহলে তিনি বোকাই থাকতে চান। কিন্তু চারপাশের খবর তাকে বোকা থাকতে দিচ্ছে না। খবরগুলো যেন বলছে চালাক হও সোবহান, চালাক হও। ঢাকায় নাকি টাকা ওড়ে। এমন কথা বলেন অনেকে। একটি পত্রিকায় এমনই একটি শিরোনাম হয়েছে। ‘প্রতি রাতে উড়তো কোটি কোটি টাকা’—এই শিরোনামে একটি পত্রিকা লিখেছে, বিভিন্ন ক্লাবে গড়ে ওঠা ক্যাসিনোর চিত্র দেখে অনেকে হতবাক হয়েছেন। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে বিভিন্ন ক্লাবে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার জুয়া খেলা হতো। যেন কোটি কোটি টাকা উড়তো বাতাসে...

সোবহান সাহেব মনে মনে ভাবলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর একটি চিঠি লিখবেন। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাবেন। কারণ তার আন্তরিক পদক্ষেপের কারণেই তো ক্যাসিনো বাণিজ্যের নামে অবৈধ টাকার পাহাড় গড়ে তোলা অপরাধীদের মুখোশ উন্মোচিত হচ্ছে। সোবহান সাহেব মানসিক প্রস্তুতি নিলেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটা চিঠি লিখবেন। অনেক ভেবে চিঠিখানা শুরু করলেন এভাবে—মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনাকে দেশের ১৬ কোটি মানুষের পক্ষ থেকে অনেক কৃতজ্ঞতা। ক্যাসিনো বাণিজ্যের নামে দেশকে অন্ধকারের দিকে ধাবিত করার একটি ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল। সৃষ্টিকর্তার অপার রহমতে আপনি এই ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছেন। আপনার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা। আমার ক্ষুদ্র মস্তিষ্কে কিছু প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আপনার সমীপে সেই প্রশ্নগুলো করতে চাই। ভুলভ্রান্তি হলে প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দেশে হঠাৎ যেন একটা বিস্ময়কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হলাম আমরা। এই দেশে ক্যাসিনো চলে। অবাক ও বিস্ময়কর ব্যাপার। কেউ কি এ খবর জানতো না? বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তো জানার কথা। উদাহরণ হিসেবে জি কে শামীমের কথাই বলি। এই ভদ্রলোক প্রতিদিন প্রকাশ্যে কঠোর নিরাপত্তায় রাস্তায় যাওয়া-আসা করতেন। তিনি তো কোনও সরকারি পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ লোক নন, এমপি, মন্ত্রীও নন। তাহলে তাকে কেন বিশেষ প্রোটোকল দেওয়া হতো? আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামনেই তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মীরা এলাকা কাঁপিয়ে তাকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিতো। এটা কীভাবে সম্ভব? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা খুবই জরুরি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, শুধুমাত্র জি কে শামীমই নয়, ক্যাসিনো ব্যবসার নামে আর যারা অবৈধ টাকার সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন তারাও শামীমের মতোই দাপট দেখিয়ে চলেছেন। মূলত বিভিন্ন ক্লাবের নামে অবৈধ ক্যাসিনো বাণিজ্য গড়ে উঠেছিল। প্রশ্ন উঠেছে, ক্যাসিনো বাণিজ্যের নামে ক্লাবগুলোকে কলঙ্কিত করলো কারা? ক্যাসিনো বাণিজ্যের জন্য যেসব পণ্য দেশে আনা হয়েছে সেগুলো কীভাবে এসেছে? নিশ্চয়ই এক্ষেত্রে একটা বিরাট চক্র জড়িত আছে। তারা কারা? এ ব্যাপারেও সঠিক তদন্ত প্রয়োজন মনে করি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ক্যাসিনোর ব্যাপারে তদন্ত কর্মকাণ্ড নিয়েও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। রাজধানীর ফু-ওয়াং ক্লাবে তল্লাশি চালানোর সময় পুলিশ বলেছে সেখানে আপত্তিকর কিছু পাওয়া যায়নি। অথচ একদিন পর র‌্যাব একই ক্লাবে অভিযান চালিয়ে মদসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে। পুলিশ কিছুই পেলো না। অথচ র‌্যাব অনেক কিছুই পেলো। এনিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে অবৈধ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার রাখার দায়ে এজাহারভুক্ত আসামিকে পুলিশ গ্রেফতার না করায় সরকারের একটি যুগান্তকারী সৎ উদ্যোগের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রাজনৈতিক নেতাদের অনেকে অভিমত ব্যক্ত করেছেন, বড় দুর্নীতিবাজদের না ধরলে সরকারের চলমান শুদ্ধি অভিযান হয়তো প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দেশে বর্তমানে রেডিও, টেলিভিশন ও পত্রিকার মূল খবরই হলো অবৈধ ক্যাসিনো বাণিজ্য। এ ব্যাপারে গত এক সপ্তাহে প্রকাশিত বিভিন্ন পত্রিকার খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। ২২ সেপ্টেম্বর কালের কণ্ঠ লিখেছে, ‘ক্যাসিনোর টাকা বিদেশে পাচার হয় তিনভাবে’। ২৫ সেপ্টেম্বর একই পত্রিকায় শিরোনাম হয়েছে, ‘এবার দুই আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে টাকার খনি’। ২৪ সেপ্টেম্বর প্রথম আলো লিখেছে, ‘ক্যাসিনো বাণিজ্য, দিনে চাঁদা দিতে হতো ৫ লাখ টাকা। ৫ নেতার ব্যাংক হিসাব তলব’। ২৬ সেপ্টেম্বর একই পত্রিকায় ‘দেশে অবৈধ ক্যাসিনো পণ্য কীভাবে আসে’ সে ব্যাপারে বিস্তারিত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বর একই পত্রিকার শিরোনাম হয়েছে ‘জুয়ার টাকা আওয়ামী লীগ নেতার সিন্দুকে’। ২৪ সেপ্টেম্বর দৈনিক মানবজমিন পত্রিকায় পুরো পাতায় অবৈধ ক্যাসিনো বাণিজ্যের নানা খবর ও তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। পত্রিকাটি সেদিন শিরোনাম করেছিল ‘২০ কর্মকর্তার গা-ঢাকা। কমিশন ভাগাভাগি। ক্লাবগুলোকে কলঙ্কিত করল যারা... ক্যাসিনো পাড়ায় শতাধিক বিদেশি লাপাত্তা’। ২৫ সেপ্টেম্বর দৈনিক সমকালে শিরোনাম হয়েছে ‘বাড়ির ভল্টে ৫ কোটি টাকা, ৭২০ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার। ক্যাসিনোর টাকার অঢেল সম্পত্তি আওয়ামী লীগ নেতা দুই ভাইয়ের’। ২৬ সেপ্টেম্বর একই পত্রিকায় শিরোনাম হয়েছে ‘আতংকে ওদের ঘুম নেই। যুবলীগের অনেক নেতা বিদেশ থেকে ফিরছেন না। কেউ কেউ পালানোর চেষ্টায় আছেন’। ২৫ সেপ্টেম্বর ইত্তেফাকে শিরোনাম হয়েছে, ‘টাকা নিয়ে বিপাকে দুর্নীতিবাজ নেতারা, শীর্ষ এক নেতার ক্যাশিয়ারই নাকি ১৩০০ কোটি টাকার মালিক’। ২৬ সেপ্টেম্বর একই পত্রিকার শিরোনাম হয়েছে ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীর অভিযান, প্রভাবশালীরা নাখোশ, সাধারণ মানুষ খুশি’। ২৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ প্রতিদিন শিরোনাম ছেপেছে ‘তারেক রহমানই ক্যাসিনো সম্রাট’। ২৬ সেপ্টেম্বর দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় শিরোনাম ছাপা হয়েছে ‘জুয়ার টাকায় ১৫ বাড়ি, দুই রাজাকার ভবনে ক্যাসিনো সাঈদের রাজত্ব’। একই দিনে বাংলাদেশ প্রতিদিনে শিরোনাম ছাপা হয়েছে ‘হাত দিলেই টাকার খনি’।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনাকে আবারও ধন্যবাদ এই জন্য যে, আপনার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও সাহসী সিদ্ধান্তের কারণে দেশ আজ ক্যাসিনো নামের অপসংস্কৃতি থেকে মুক্ত হতে চলেছে। যদিও কাজটি অনেক দুরূহ। কারণ এই অন্যায় ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে আপনারই দলের কিছু বিপথগামী নেতাও জড়িত। তাই দুর্মুখেরা বলাবলি করছে, শেষ পর্যন্ত হয়তো অপরাধীরা তেমন কোনও সাজা পাবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমাদের বিশ্বাস এবারও দুর্মুখেরা ব্যর্থ হবে। প্রকৃত অপরাধীরা দৃষ্টান্তমূলক সাজা পাবে। আপনার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও যথার্থ সিদ্ধান্তই প্রিয় মাতৃভূমিকে সম্ভাবনায় উজ্জ্বল পথে এগিয়ে নেবে...

চিঠিখানা এই পর্যন্ত লিখে থামলেন সোবহান সাহেব। একবার মনে হলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তো সবই জানেন। কাজেই তাকে চিঠি লেখার কোনও মানে হয় না। তবুও মন চাইছে প্রিয় প্রধানমন্ত্রীকে কিছু একটা লিখতে। আগের লেখাগুলো একটানে কেটে দিলেন সোবহান সাহেব। শুধু লিখলেন, ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী...

লেখক: কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, সম্পাদক আনন্দ আলো

/এসএএস/এমএমজে/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ