দল কিংবা প্রশাসন: রাজনৈতিক নিয়োগ-বিয়োগের চর্চা

Send
মাসুদা ভাট্টি
প্রকাশিত : ১৮:০৮, অক্টোবর ১৩, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:০৮, অক্টোবর ১৩, ২০১৯

মাসুদা ভাট্টিরাজনৈতিক দলগুলো ক্ষমতায় গিয়ে প্রথমেই পছন্দের ব্যক্তিদের নির্বাচন করে থাকে বিভিন্ন পদে বসানোর জন্য। পদে বসিয়ে রাজনৈতিক সরকার মনে করে ক্ষমতা বুঝি নিরঙ্কুশ হলো, সরকার বুঝি ঝুঁকিমুক্ত হলো। অথচ লক্ষ করলে দেখা যায়, রাজনৈতিক সরকারগুলোর জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ ও ক্ষতির কারণ হয় এই ‘ব্যক্তিবর্গ’, যাদের বিশ্বাস করে, যাদের ওপর ভরসা রেখে বিভিন্ন পদে বসিয়ে সরকারকে নিরাপদ ও অভিযোগমুক্ত রাখার কথা ভাবা হয়েছিল। এই মুহূর্তে যেহেতু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় রয়েছে, সেহেতু আলোচনাটি মূলত এই দলটিকে নিয়েই সীমাবদ্ধ রাখছি।
বঙ্গবন্ধুর আমলের কথা আমরা এখন বিস্তারিত জানি, আর তাতে দেখতে পাই, সদ্যস্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু যাদের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করেছিলেন, যাদের দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার চেষ্টা করেছিলেন,  তাদের অনেকেই বঙ্গবন্ধু তথা বাংলাদেশকে বিপদগ্রস্ত করেছেন। নব্য রাষ্ট্রব্যবস্থায় বহুবিধ অচলাবস্থা থাকা সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগুচ্ছিলেন। পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা থেকে শুরু করে দেশের অবকাঠামো নির্মাণ ও বহির্বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ অভূতপূর্ব সফলতা অর্জন করেছিল। নিঃসন্দেহে বঙ্গবন্ধু কিছু মানুষ পেয়েছিলেন, যারা বাংলাদেশকে ভালোবেসে, বঙ্গবন্ধুকে ভালোবেসে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করেছিলেন। এরপরও বঙ্গবন্ধুকে বারবার আক্ষেপ করতে হয়েছে, তিনি আসলে পারছেন না, যাকেই যেখানে বসাচ্ছেন, তিনিই তাকে ‘লেট-ডাউন’ করছেন, যা বঙ্গবন্ধুর কথায় ‘চোরের খনি’ কিংবা ‘আমার কম্বলটা কোথায়?’ ধরনের আক্ষেপ হয়ে বেরিয়ে এসেছে। শেষ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুকে হত্যার প্রেক্ষাপট তৈরিতেও তার নিয়োগপ্রাপ্ত ‘ব্যক্তির ব্যর্থতাকে’ সামগ্রিকভাবে ‘বঙ্গবন্ধুর প্রশাসনিক ব্যর্থতা’ হিসেবে আজও তার সমালোচকরা উল্লেখ করে চলেছেন।

সামরিক শাসকদের কথা আলাদা। ক্ষমতা তখন এতটাই কেন্দ্রীভূত এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্র তখন এতটাই সীমিত যে, নিয়োগ করা ব্যক্তিদের ‘ঘাড়ে কটি মাথা’ যে সামরিক শাসকদের সিদ্ধান্তের বাইরে কথা বলবেন? বাংলাদেশের দুই সামরিক শাসকই দেশের প্রশাসনিক দক্ষতার কোমরটি ভেঙে দিয়ে গেছেন। আর প্রশাসনে রাজনীতিকরণও তখনই সম্পন্ন হয়েছে। কারণ, দলীয় রাজনীতির পরিচয় বহাল থাকলে কাজে দক্ষতা না থাকলেও যে চলে সে দস্তুর এই সামরিক শাসনামলেই মূলত শুরু হয়েছে। ১৯৯১ সালে নতুন করে রাজনৈতিক শাসনামল শুরু হলেও সে দস্তুর থেকে বেরুনোর কোনও সুযোগ তৎকালীন শাসককুল করে দেননি। বরং আরও কী করে প্রশাসনে রাজনৈতিকায়ন ঘটানো যায়, সেই প্রতিযোগিতাই হয়েছে। কিন্তু তখনও আমরা দেখেছি যে, রাজনৈতিক সরকার যার ওপরই আস্থা রাখতে গেছে তারাই নিজেদের অযোগ্যতা ও অদক্ষতা দিয়ে গোটা সরকারকেই বিপদগ্রস্ত করেছেন।

উদাহরণ দিতে গেলে ব্যক্তির নাম করতে হয়, তাতে সমস্যা নতুন মাত্রা নিতে পারে বলে সে পথে না হাঁটি। বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভিসি নিয়োগ নিয়েই আলোচনাটা যদি শুরু করি, তাহলে দেখা যায় যে এসব জায়গায় লেখাপড়া কম, রাজনীতিটাই বেশি হয় মূলত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কখনও মেধা কিংবা জ্ঞানচর্চার তীর্থস্থান বলে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা কেউ ভুলেও করেননি, বরং বরাবরই এই বিশ্ববিদ্যালয়কে গণতন্ত্রের সূতিকাগার, রাজনীতির পাঠশালা, আন্দোলনের উৎসস্থল ইত্যাকার ‘রাজনৈতিক পরিচয়ে’ই পরিচিত করানো হয়েছে। ফলে যখন কেউ এই বিশ্ববিদ্যালয় কেন গোটা পৃথিবীর বিখ্যাত ও নামি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় স্থান পায় না বলে আহাজারি করেন, তখন বিষয়টি এতটাই হাস্যকর হয়ে পড়ে যে, এ নিয়ে কথা বলতেও আসলেও বিরক্ত লাগার কথা সবারই। এখন এই বিশ্ববিদ্যালয়টি মূলত বাংলাদেশের প্রশাসনকে ‘কর্মী সাপ্লাই’ দেওয়ার ভূমিকাটি যোগ্যতর ও একনিষ্ঠভাবে পালন করে চলেছেন। সেটাও কম বড় সাফল্য নয়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের তথা দেশের নতুন ও পুরনো মিলিয়ে যত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে প্রত্যেকটিই আসলে হয়ে উঠেছে দলীয় রাজনীতির সমর্থক শিক্ষকদের জন্য একেকটি পুনর্বাসন ক্ষেত্র। এতেও কারও কোনও সমস্যা থাকার কথা নয়। কারণ, রাজনৈতিক দলের সমর্থক হিসেবে দল ক্ষমতায় এলে যোগ্যতা অনুযায়ী পদায়ন বিশ্বের নামকরা গণতন্ত্রেও একটি বৈধ প্রক্রিয়া, বাংলাদেশ কেন এর ব্যতিক্রম হবে? প্রশ্ন হলো, এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর থেকেই সরকারি এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন এমন এক আচরণ শুরু করে, যেন মনে হতে পারে রাষ্ট্রে বুঝি ‘সরকার-টরকার’ কিছুই নেই, নেই কোনও আইন-কানুন, তাই তাদের যা ইচ্ছে, যেমন ইচ্ছে, সেভাবেই প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনায় তারা আগ্রহী হয়ে ওঠেন। চালিয়েও যান। কিন্তু গোল বাধে তখনই, যখন বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটে।

উদাহরণ হিসেবে আমরা গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনার কথা উল্লেখ করতে পারি। সেখানকার ভিসি মহোদয় (নাম এ কারণেই বলিনি, তার জায়গায় অন্য যে কেউ হতে পারতেন, তাতে ঘটনার হেরফের সামান্যই হতো) বহুবিধ দুর্নীতি করে পার পেতে পেতে একজন ছাত্রীর বিরুদ্ধে নিজেকে ন্যক্কারজনকভাবে জড়িয়ে ফেললেন, ছাত্রীকে বহিষ্কার করতে গিয়ে তাকে নিজেকেই আন্দোলনের মুখে রাতের আঁধারে ক্যাম্পাস ছাড়তে হলো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কথাও এখানে উল্লেখ করা যায় কিন্তু তার চেয়ে বরং বুয়েটের কথা বলি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কী ঘটছিল, তা আবরার হত্যাকাণ্ডের পরেই কেবল আমাদের গোচরে এলো? এতদিন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন চোখ খুলে ঘুমাচ্ছিল? ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের হাতে নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে আবরার প্রাণ হারানোর পর হঠাৎই বুয়েট প্রশাসনের ঘুমটি ভাঙলো, যেমন তারা সবাই কুম্ভকর্ণ, ঘুম ভেঙেই তারা তৎপর হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনায়।

প্রথমেই ছাত্রদের দাবি অনুযায়ী, তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ও শিক্ষকদের রাজনীতি বন্ধ করতে হলো। মজার ব্যাপার হলো, রাজনীতি বন্ধ করলে যে তাদের পদটিও ‘অরাজনৈতিক নিয়োগের’ জন্য উন্মুক্ত হয় এবং তাদের পদ ছেড়ে সরে দাঁড়াতে হয়, সে খেয়াল তাদের নেই। এই মুহূর্তে পরিস্থিতি সামাল দিতে তাদের যদি নাকে খত দেওয়ার দাবিও ছাত্ররা করতো, তাহলে তারা তাও হয়তো মেনে নিতেন। কিন্তু তাতে প্রশাসনের অযোগ্যতা, অদক্ষতা ও রাজনৈতিকভাবে নিযুক্ত হওয়ার কারণে যে অনৈতিক সুযোগ সরকারি দলকে দিতে হয়, সেই ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ কি কিছুটা কমে?

রাজনৈতিক সরকার প্রশাসনকে কীভাবে দেখে? কিছু দিন আগেই একটি লেখায় বলেছিলাম যে, প্রশাসন নিজেদের সকল অপরাধকে পরিষ্কার করার জন্য আসলে রাজনৈতিক সরকারকে ‘সাবান’ হিসেবে ব্যবহার করে। রাজনীতিকরাও এতদিন নিজেদের ‘সাবান’ হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ দিয়ে সুখেই ছিলেন, সরকার বদলালে তাদের জেলও খাটতে হচ্ছিল অহরহই, কিন্তু হঠাৎই প্রশাসনের কিছু কর্তাব্যক্তিকে তদন্তের আওতায় আনায় পরিস্থিতি সামান্য হলেও বদলাচ্ছে। কিন্তু এখনও প্রশাসন যেসব দুর্নীতিকাণ্ড, ঘটনায় কিংবা অযোগ্যতার পরিচয় দেয়, তার দায় সবটাই গিয়ে পড়ে সরকারের ওপর, উদাহরণ বালিশ-কাণ্ড, পর্দাকাণ্ড। সেটাই স্বাভাবিক, কিন্তু প্রশাসনকে চাপে রেখে কোনও রাজনৈতিক সরকারই যে ক্ষমতায় বেশি দিন থাকতে পারে না সেটিও এ দেশ কিংবা এ দেশের মতো দুর্বল গণতন্ত্রের দেশে সত্য। আমেরিকার মতো দেশে সরকার বদলালে তাই প্রশাসনের বড় পদেও অদল-বদল করা হয়। বাংলাদেশে এরকমটি এখনও শুরু না হলেও হয়তো ভবিষ্যতে হবে।

কিন্তু ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় গিয়ে যখন তার ‘নিজস্ব লোক’ হিসেবে দল ও অঙ্গসংগঠনগুলোর বিভিন্ন পদে লোক বসায় এবং তারা যখন অপকর্ম দিয়ে সরকারকে বিপাকে ফেলে তখন তার সুরাহা কী দিয়ে করা যাবে, সে প্রশ্ন হয়তো আর কেউ নিজেকে না করুন, এ দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতা শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া নিশ্চয়ই নিজেদের করে থাকেন। কারণ, তারা যখনই বিশ্বাস করে কাউকে দায়িত্ব দেন, তখনই দেখা যায় এই মানুষগুলো নিজের আখের গোছানো কিংবা ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য একেকজন দৈত্য হয়ে ওঠেন অতি অল্প সময়ের মধ্যেই। এই মুহূর্তে বিএনপি আলোচনায় নেই। কারণ, দলটি তার রাজনৈতিক অস্তিত্ব নিয়ে ক্রমশ দুর্বলতর অবস্থানের দিকে যাচ্ছে। কিন্তু কেউ যদি মনোযোগ দিয়ে এই দলটির কর্মকাণ্ড নিয়ে ভাবেন তাহলে দেখবেন, আজকের এই দুরবস্থার জন্য দলটির নেতাদের একটি বড় অংশ কম দায়ী নন। অন্যদিকে সরকারি দল আওয়ামী লীগের অবস্থা কী? তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত মূল দল কিংবা খুদে অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতৃত্ব সুযোগ পেলেই সম্পদের পাহাড় গড়ছেন, ক্ষমতাকে পাপোস বানিয়ে ফেলেছেন আর ক্রমশ আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তায় ধস নামিয়ে চলেছেন। এক ছাত্রলীগই আওয়ামী লীগ সরকারকে যেভাবে মানুষের সামনে নাকানি-চুবানি খাইয়ে চলেছে তাতে বাকি অঙ্গসংগঠনগুলোর কথা না-হয় নাই-বা বলি। যুবলীগের মতো সংগঠন এখন আওয়ামী লীগের জন্য গন্ধমাদন পর্বতের মতো বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই বলবেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিলে পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ হতো না। কিন্তু শীর্ষ নেতৃত্ব যাদের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে এসব দলীয় পদে কিংবা প্রশাসনিক পদে রাজনৈতিক নিয়োগ দেন, তারা যে বারবার ভুল ব্যক্তিকে মূল নেতৃত্বের সামনে ‘জোগান’ দিয়ে চলেছেন, সেটা গত কয়েক মাসের ঘটনা পর্যালোচনা করলেই টের পাওয়া যায়। যে সরিষা দিয়ে ভূত তাড়ানো হবে সেই শরিষার দানাই যদি একেকটি  ভূত হয়ে যায়, তাহলে এ দেশ থেকে ভূত তাড়াবে সাধ্যি কার?

মানুষের ওপর বিশ্বাস হারানো নাকি পাপ, কিন্তু এক্ষেত্রে যাদের ওপর বিশ্বাস কিংবা আস্থা রাখা হয়েছে তাদের অনেকেই যে এখন সরকারের ওপর বিরাট বোঝা সে কথা আগেই বলেছি। প্রশ্ন হলো, এই বোঝা নামিয়ে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক নিয়োগের ক্ষেত্রে সঠিক ‘ব্যক্তিকে’ বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে সরকার-প্রধান হিসেবে শেখ হাসিনা কী করবেন, সেটা শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত হলেও এই সিদ্ধান্তের সুদূরপ্রসারী প্রভাব যেমন তার দলের ওপর পড়বে তেমনই পড়বে জনগণের ওপরও। আর সে কারণেই কি দলে কি দলের অঙ্গসংগঠনগুলোয় কিংবা প্রশাসনে, সব ক্ষেত্রেই নিয়োগ-বিয়োগের ক্ষেত্রে সন্দেহাতীতভাবেই সুনির্দিষ্ট নীতিমালা গ্রহণ ও প্রয়োগ আবশ্যক; নীতিমালা নিশ্চয়ই আছে কিন্তু তার প্রয়োগটিও এখন অত্যাবশ্যক চর্চার বিষয় হওয়া জরুরি।

লেখক: দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক।

 

masuda.bhatti@gmail.com

/এসএএস/এমএনএইচ/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ