আবরার হত্যাকাণ্ড ও বৈধ সিটের বাস্তবতা

Send
রেজানুর রহমান
প্রকাশিত : ১৫:০৬, অক্টোবর ১৭, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৫:০৭, অক্টোবর ১৭, ২০১৯

 

 

রেজানুর রহমানপলাশী মোড় থেকে একটু এগোলেই রাস্তার পাশেই বুয়েটের শেরেবাংলা হল। দেশবরেণ্য রাজনীতিবিদ শের-ই-বাংলা খ্যাত এ কে ফজলুল হকের নামে এই হলের নামকরণ। বড়ই আদুরে নাম। অথচ এই নামটিই এখন ভীতিকর হয়ে উঠেছে। সামনের রাস্তা দিয়ে যারাই যাচ্ছেন, তারাই একবার হলেও আড়চোখে হলটিকে দেখে নেন। তেমনই দু’জন পথচারীর সঙ্গে দেখা হলো। পলাশীর দিকে যাচ্ছিল। একজন অন্যজনকে হলটি দেখিয়ে দিয়ে বলল, 'এটাই সেই জায়গা, যেখানে আবরারকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে।' যাকে হলটি সম্পর্কে কথাগুলো বলা হচ্ছিল, সে ‘হাঁ’ মুখে হলটির দিকে তাকিয়েই আছে। তার যেন বিশ্বাসই হচ্ছিল না, এত সুন্দর একটা ভবনে কেউ কাউকে পিটিয়ে মেরে ফেলতে পারে? দু’জনকেই জিজ্ঞেস করলাম, 'ভাই আপনারা কারা?' দু’জনই ভয় পেয়েছে। পরক্ষণেই সামলে নিয়ে ‘হাঁ’ মুখের তরুণটি বললো, 'আমরা যাত্রাবাড়ীতে থাকি। এই দিক দিয়ে যাইতেছিলাম। হঠাৎ মনে হইলো বুয়েটের হলটা দেইখ্যাই যাই, তাই...' দ্রুত কথা শেষ করে দু’জনই দ্রুতপায়ে সামনে দিকে হাঁটতে থাকলো। মনে হলো তারা ভয় পেয়েছে।

হ্যাঁ, বুয়েটে এই ভয়টা মনে হলো এখনও কাটেনি। ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের প্রকাশ্য আন্দোলন আপাতত স্থগিত ঘোষণা করেছে। তবে আবরার হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কার না করা পর্যন্ত তারা ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে। গোটা ক্যাম্পাসে বিরাজ করছে ভীতিকর নীরবতা। ক্যাম্পাসের যততত্র দেয়ালের কান্না। ‘জাস্টিস ফর আবরার’ শিরোনামে অসংখ্য স্লোগান স্থান পেয়েছে বিভিন্ন দেয়ালে। বুয়েটের শহীদ মিনারের কাছে দেয়ালে দেখলাম আবরারের বাবার একটি ছবি আঁকা হয়েছে। কাঁদছেন আবরারের বাবা। ছবির নিচে লেখা—পারবেন আমার ছেলেকে ফিরিয়ে দিতে। পাশেই ওভারব্রিজে ঝুলছে একটি ব্যানার। তাতে লেখা—‘আবরার হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই'। শহীদ মিনারের কাছেই দেয়ালে পাশাপাশি দুটি বাক্য লেখা হয়েছে। একটি বাক্য এরকম—'১৯৭১, ঠক্ ঠক্ ঠক্, কে? স্যার একটু বাইরে আসবেন, কথা ছিল...' অন্য বাক্যটিতে লেখা রয়েছে—'২০১৯, ঠক্ ঠক্ ঠক্, কে? তোকে বড় ভাইরা ডাকছে বাইরে আয়।'
চরম এক বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এভাবে ডেকে নিয়ে মেরে ফেলেছিল। আর স্বাধীন দেশে রাজনৈতিক পরিচয়ে তথাকথিত বড় ভাইয়েরা নির্যাতন চালাচ্ছে। পাশেই দেয়ালে বড় করে লেখা খুনিদের ফাঁসি চাই। গেটে ঝুলছে একটি রক্তাক্ত ব্যানার। একজন মায়ের ছবি আঁকা। ছবির নিচে লেখা—‘স্যরি মা’। গোটা বুয়েট ক্যাম্পাসে ভয়ঙ্কর আতঙ্ক এখনও কমেনি। প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড চলছে ঠিকই। কিন্তু ভয় কাটেনি মোটেও। কয়েকদিন আগে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে অনেক বেশি অভিভাবক এসেছিলেন। সবারই চোখেমুখে আতঙ্ক ছিল। ছেলেমেয়ে ভর্তি সুযোগ পাবে কিনা, এনিয়ে দুশ্চিন্তা তো আছেই। আবার যদি ভর্তির সুযোগ পায়, তাহলে জীবনের নিরাপত্তা পাবে তো? ভর্তি পরীক্ষার দিন অনেক অভিভাবকই শেরেবাংলা হলের অভিশপ্ত কক্ষটি দেখতে গিয়েছিলেন। সবার চোখেমুখে সীমাহীন আতঙ্ক আর একটাই জিজ্ঞাসা ছিল, বুয়েটে তো দেশের শ্রেষ্ঠ মেধাবী ছেলেমেয়েরাই স্থান পায়। কিন্তু তারা সন্ত্রাসী হয় কেন? কারা তাকে সন্ত্রাসী বানায়?

দিনাজপুর থেকে ছেলেকে ভর্তি পরীক্ষার জন্য নিয়ে এসেছিলেন জামাল উদ্দিন। প্রসঙ্গক্রমে বললেন, আবরার হত্যাকাণ্ডের পর ভেবেছিলাম ছেলেকে বুয়েটে পড়াবই না। কিন্তু পরে অনেক ভেবে দেখলাম বুয়েটের মতো এত ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দেশে তো আর নেই। তাই ছেলেকে ভর্তি পরীক্ষা দিতে নিয়ে এসেছি। দুশ্চিন্তা হচ্ছে, এত মেধাবী শিক্ষার্থীর ভিড়ে ছেলে ভর্তির সুযোগ পাবে তো? আবার যদি ভর্তির সুযোগ পায়ও, তাহলে জীবনের নিরাপত্তা পাবে তো? ছেলে না আবার লাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যায়?

ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে মেয়েকে বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় নিয়ে এসেছিলেন শাহজাহান চৌধুরী। প্রসঙ্গ তুলতেই বললেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলাম। বহুবার বুয়েট ক্যাম্পাসে এসেছি। অথচ আজ পরিচিত জায়গাটাকেই অপরিচিত লাগছে। অনেক মানুষের ভিড়েও ভয় কাটছে না। শুধুই সিসি ক্যামেরায় দেখা আবরারের লাশের ছবিটা চোখের সামনে ভাসছে। বিছানার চাদরে মোড়া আবারের লাশ হলের করিডোরে নিয়ে এলো কয়েকজন তরুণ। একজন চিকিৎসক এসে আবরারের শরীর থেকে বিছানার চাদর সরিয়ে নাড়ি টিপে দেখলেন। তারপর বললেন, সব শেষ। আবরার মারা গেছে। কী মর্মান্তিক! কী পৈশাচিক ঘটনা। বাবা-মায়েরা তাদের ছেলেমেয়েকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠায় লেখাপড়া করার জন্য। অথচ তারা কেউ হয় সন্ত্রাসী, আবার কেউ হয়ে যায় সন্ত্রাসের বলি। আমি চাই আমার মেয়ে যেন ভর্তি পরীক্ষায় টিকে। পাশাপাশি মনের সঙ্গে যুদ্ধও করছি। ভর্তি পরীক্ষায় টিকলেই কি তাকে এখানে ভর্তি করাবো? আমার মেয়ে জীবনের নিরাপত্তা পাবে তো? র‌্যাগিংয়ের নামে ভয়ঙ্কর শিক্ষা জীবনের বলি হবে নাতো?

এই র‌্যাগিং শব্দটিই এখন বেশ আলোচিত। বিভিন্ন সূত্রের মতে, বুয়েটের মতো দেশসেরা প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক পরিচয়ে ভয়ঙ্কর র‌্যাগিংয়ের ঘটনা ঘটে আসছে বছরের পর বছর ধরে। এ যেন দুর্বলের ওপর সবলের পৈশাচিক অত্যাচার। র‌্যাগিংয়ের কারণে বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পেয়েও অনেক শিক্ষার্থী শেষ পর্যন্ত বুয়েট ছেড়ে চলে গেছে, এমন নজিরও আছে। হলগুলোতে প্রকাশ্যে চলে র‌্যাগিংয়ের নামে পৈশাচিক উন্মত্ততা। একটি সূত্রের মতে, শুধু বুয়েট নয়, দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ও নামকরা কলেজে র‌্যাগিংয়ের নামে প্রকাশ্যে ভয়ঙ্কর অত্যাচারের ঘটনা নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রভাবশালী ছাত্র সংগঠনের বড় ভাইয়েরা এই কাজে সিদ্ধহস্ত। হয়তো জুনিয়র একটি ছেলের হাঁটাচলা কারও পছন্দ হয়নি। হলের গোপন কক্ষে তার ডাক পড়ে। তারপর নানান কায়দায় তার প্রতি শুরু হয় অত্যাচার। অধিকাংশ ক্ষেত্রে যৌন শব্দ ও যৌন আচরণের মাধ্যমেই র‌্যাগিং করা হয়। আবার এমনও হয়, কোনও ছাত্রকে হয়তো মিছিলে ডাকা হয়েছিল, অথচ সে মিছিলে যোগ দেয়নি। ব্যস, তাকে ডেকে নিয়ে শুরু হয় র‌্যাগিংয়ের নামে কদর্য উম্মত্ততা! সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই দেখলাম একটি অশোভন ভিডিওচিত্র ঘুরে বেড়াচ্ছে। দু’জন তরুণ ছাত্র সবার সামনে অপরাধীর মতো দাঁড়িয়ে আছে। দু’জনকেই অশ্লীল প্রশ্নবাণে জর্জরিত করছে ক্যামেরার নেপথ্যে থাকা তথাকথিত বড় ভাইয়েরা। একপর্যায়ে একজনকে প্যান্ট খুলে যৌন সম্পর্কের একটি বিশেষ ভঙ্গি করতে বাধ্য করা হলো। তরুণটি চোখের পানি ফেলতে ফেলতে অশোভন, কদর্য ভঙ্গিটি করে যাচ্ছে। ক্যামেরার নেপথ্যের ভাইয়েরা নেশাতুর ভঙ্গিতে অশ্লীল শব্দবাণে তাকে জর্জরিত করছে, আর অশ্লীল অট্টহাসি দিয়েই যাচ্ছে।

দেশের একটি নামকরা কলেজের উদাহরণ দিয়ে একজন সাবেক ছাত্র বললেন, সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় বড় ভাইকে কেন সালাম দেয়নি, এই অপরাধে দু’জন ছাত্রকে শীতের রাতে হলের পাশের পুকুরে সারারাত দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। শীতার্ত পুকুরের পানিতে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে ক্ষমাপ্রার্থনা করেছিল তারা। হলের অনেকেই তাদের চিৎকার শুনেছে। কেউ তাদের পাশে এসে দাঁড়ায়নি। সকালে পুকুরের পানিতে অচেতন অবস্থায় তাদের পাওয়া যায়।
র‌্যাগিংয়ের কতই না ধরন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দেশের নামকরা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র বললেন, 'আমার এক বন্ধু একটি মেয়ের সঙ্গে প্রেম করতো। কেন সে একটা সুন্দরী মেয়ের সঙ্গে প্রেম করে, এই অপরাধে তাকে হলের একটি ছাত্রসংগঠনের বড় ভাইয়েরা গোপন কক্ষে ডেকে নিয়ে যায়। বড় ভাইয়েরা সবাই মদ খাচ্ছিল। মদ্যপ অবস্থায় সবাই আমার বন্ধুর ওপর চড়াও হয়। অশ্লীল বাক্যবাণে জর্জরিত করে কয়েক ঘণ্টা ধরে তাকে বেদম প্রহার করে।’ তার সতর্ক মন্তব্য এমন—আবরার শেষ পর্যন্ত মারা গেছে বলেই না আজ বুয়েটের অন্ধকার জগতের কত কেচ্ছাকাহিনি প্রকাশ হচ্ছে। বুয়েটে প্রভাবশালী ছাত্রসংগঠনের পরিচয়ে তথাকথিত বড় ভাইদের অত্যাচার ছিল বুয়েটে খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তারাই হলের সিট পাওয়া না পাওয়ার ব্যাপারটি নিয়ন্ত্রণ করে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে হলের প্রভোস্ট হয়ে যান তাদের হাতের পুতুল। প্রভাবশালী ছাত্রসংগঠনের বড় ভাইয়েরা যা বলবে, তাতেই সই। শুধু বুয়েটে নয়, নামকরা প্রায় প্রতিটি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে প্রভোস্ট কার্যত কোনও ভূমিকাই পালন করেন না। হলের সিট বরাদ্দ থেকে শুরু করে ডাইনিং পরিচালনাসহ হল চালায় তথাকথিত বড় ভাইয়েরা। পড়াশোনার প্রতি তাদের কোনও তাড়না নেই। ক্লাসে নিয়মিত যায়ও না। তবে অভিভাবক রাজনৈতিক দলের মিছিল মিটিংয়ে হাজিরা দেয়। টেলিফোনে হুমকি দিয়ে চাঁদা তোলে। হলের বিশেষ কক্ষে রাতভর আড্ডা দেয়। আর প্রতিপক্ষকে কীভাবে ঘায়েল করবে, তার পরিকল্পনা নিয়েই ব্যস্ত থাকে।

অভিজ্ঞ মহলের মতে, অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হল প্রশাসনের কোনও কর্তৃত্ব না থাকায় মূলত তথাকথিত ছাত্রনেতাদের মাঝে অপরাধপ্রবণতা বাড়ছে। হলের নেতৃত্বে থাকা মানেই একটি রাজত্ব পরিচালনার সুযোগ পাওয়া। না চাইতেই নানান মাধ্যম থেকে চাঁদা আসবে। হোটেল থেকে বিনে পয়সায় খাবার আসবে। সবচেয়ে বড় কথা, জুনিয়ররা একটি সিটের জন্য ধরনা দেবে। সিট বরাদ্দ দেওয়া মানেই ছাত্র বা ছাত্রীকে নিজের দলে নিয়ে আসা। পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর হলে একটি সিট পাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেও সন্ত্রাসী তৈরি হয়। প্রভাবশালী ছাত্রসংগঠনের নেতাদের না ধরলে দেশের নামকরা কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হলেই সিট বরাদ্দ পাওয়া মুশকিল। সিট বরাদ্দ পাওয়া মানেই প্রভাবশালী ছাত্রসংগঠনের বড় ভাইদের অনুগত হওয়া। ফলে এক সময়ে নিরীহ ছাত্রটি বড় ভাইদের প্রভাব-প্রশ্রয়ে বড় ভাইদের মতোই ‘হিরো’ হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে ওঠে। একসময়ে সেও তথাকথিত বড় ভাইদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়।
অভিজ্ঞ মহল মনে করেন, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা তথাকথিত বড় ভাইদের অনৈতিক অশোভন ও কদর্য কর্মকাণ্ডের কারণে দেশের ছাত্র রাজনীতি আজ মারাত্মক প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে রাজনৈতিক প্রভাব বলয়ের ছাত্র রাজনীতি নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। হলে হলে যোগ্যতার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দ ও হল পরিচালনায় রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে প্রশাসনের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা সময়ের দাবি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের দেয়ালে দেয়ালে একটি বিশেষ স্লোগান সবার দৃষ্টি কেড়েছে ইতোমধ্যে। স্লোগানটি হলো—‘বৈধ সিট আমার অধিকার’। এটাই সত্যি। এটাই সময়ের দাবি। কারণ প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই আবাসিক হলে একটি সিট পাওয়াকে কেন্দ্র করেই মূলত একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবনের ভবিষ্যৎ তৈরি হতে থাকে। কাজেই মেধার ভিত্তিতে হলে সিট পাওয়ার এই দেয়াল লিখন সংশ্লিষ্টদের কাছে গুরুত্ব পাবে, এই প্রত্যাশা করছি।

লেখক: কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, সম্পাদক আনন্দ আলো

/এসএএস/এমএমজে/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ