ফেসবুক না থাকলে কী হয়?

Send
আবদুল মান্নান
প্রকাশিত : ১৯:৩৬, অক্টোবর ২৩, ২০১৯ | সর্বশেষ আপডেট : ১৯:৫৮, অক্টোবর ২৩, ২০১৯

আবদুল মান্নানব্রিটিশ লেখক এইচ জি ওয়েলস উনিশ শতকের শেষের দিকে বিজ্ঞানভিত্তিক গল্প উপন্যাস লিখে খ্যাতি কামিয়েছিলেন। ওই সময় তিনি লিখেছিলেন মানুষের চাঁদে যাওয়ার আর পাতাল জয়ের কাহিনি। ১৮৯৮ সালে প্রকাশিত হয়েছিল তার কালজয়ী উপন্যাস ‘দ্য ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ডস’ (The War of the Worlds)। গল্পের মূল বিষয় ছিল অন্য গ্রহ থেকে প্রাণিকুল এসে ব্রিটেনে আক্রমণ করলে কী পরিস্থিতি শুরু হবে, তার একটা কাল্পনিক কাহিনি। তার এই কল্পনাপ্রসূত উপন্যাসটি ওই সময় ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রে বেশ সমাদৃত হয়েছিল। পরবর্তীকালে এই কাহিনি নিয়ে অনেক নাটক-সিনেমা-টিভি সিরিয়াল নির্মিত হয়েছে। তার সবই খুব সমাদৃত হয়েছে। এর অনেক পরে ১৯৩৮ সালে এইচ জি ওয়েলসের সাড়া জাগানো কল্পকাহিনিটিকে নাট্যরূপ দেন মার্কিন নাট্যকার ওরসন ওয়েলস (Orson Welles)। আর তা প্রচারিত হয় সিবিএস রেডিওতে। তখন যুক্তরাষ্ট্রের মোটামুটি ঘরে ঘরে রেডিও শোনা শুরু হয়েছিল। নাটকটি প্রচারের আগে ঘোষণা করা হয়নি নাটকটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক। বাজারে মার্কিনিদের সম্পর্কে একটা কথা চালু আছে। তা হলো, তারা মিডিয়াকে খুব বিশ্বাস করে, বাস্তবে কী হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন মনে করে না। নাটকটি প্রচার হওয়ার সময় সারা যুক্তরাষ্ট্রে এক লঙ্কাকাণ্ড বেধে যায়। সবাই মনে করে সত্যি সত্যি বুঝি ভিনগ্রহের কোন প্রাণী এসে তাদের দেশকে আক্রমণ করেছে। এই লঙ্কাকাণ্ড থামানোর জন্য প্রশাসনকে ন্যাশনাল গার্ড ডাকতে হয়। ওরসন ওয়েলস এমন একটি ‘গুজব’ ছড়ানোর জন্য বেশ নিন্দিত ও সমালোচিত হন। কেউ কেউ বলেন, তিনি এমন একটা কাণ্ড করেছেন, রাতারাতি খ্যাতি লাভ করার জন্য। তিনি অনেকটা ক্ষমা চেয়ে বলেন, ‘গুজব’ ছড়ানো তার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। তবে খ্যাতি তিনি পেয়েছিলেন ঠিকই। লেখার শুরুতে দুই ওয়েলসের কাহিনি দিয়ে শুরু করার উদ্দেশ্য হচ্ছে—গুজব কতটুকু মানুষের ক্ষতি করতে পারে, তা বোঝানো। আর পরিকল্পিত গুজব শুধু ক্ষতিই করে না, মানুষ ও একটা বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জন্য প্রভূত ক্ষতির কারণ হতে পারে। যার একটি উৎকৃষ্ট প্রমাণ গত রবিবার (২০ অক্টোবর) ইসলাম ধর্মকে অবমাননা করা হয়েছে—এমন একটি গুজব ছড়িয়ে ভোলায় লঙ্কাকাণ্ড সৃষ্টি।

বাংলাদেশে ধর্মকে ব্যবহার করে কিছু সংখ্যক ধর্মান্ধকে উসকানি দিয়ে অশান্তি সৃষ্টি করা খুবই সহজ কাজ। তার অন্যতম কারণ হচ্ছে—বেশিরভাগ এই ধর্মান্ধ মানুষ আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রকৃত ইসলাম ধর্ম সম্পর্কেও সম্পূর্ণ অজ্ঞ। তাদের একটি বিরাট সংখ্যক মানুষ প্রস্তর যুগে বাস করে। বর্তমান বিশ্বে গুজব ছড়ানোর অন্যতম হাতিয়ার হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। যতই আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ বলি, বাস্তবে আমাদের তরুণ সমাজ এই ডিজিটাল বাংলাদেশের আড়ালে দিনে গড়ে আটঘণ্টা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কাটায়। আর এই ফেসবুক হচ্ছে অসত্য, অর্ধসত্য বানোয়াট তথ্য প্রচারের অন্যতম বাহন, যা ব্যবহার করে দেশে প্রায়ই অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা চালানো হয়। যার সর্বশেষ উদাহরণ ভোলার বোরহানউদ্দিনের তাণ্ডব, যেখানে চার জনের প্রাণহানি হয়েছে, আহত হয়েছে পুলিশসহ শ’খানেক মানুষ ।

বোরহানউদ্দিন ভোলার একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল। সেখানে পুলিশ বা অন্যান্য কোনও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বড় ধরনের ফোর্স থাকে না। পরিস্থিতি সামাল দিতে হেলিকপ্টারের সাহায্যে সেখানে আর্মড পুলিশ ও র‌্যাব নিয়ে যাওয়া হয়। হতাহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যাশিতভাবেই ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে আপাতত বেকার বিএনপি বিষয়টিকে কেন্দ্র করে মাঠে নামার আয়োজন করেছে। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, এই ঘটনার জন্য দায়ীদের দ্রুত বিচার করা হবে।

বর্তমান সরকারের পর পর তিন মেয়াদে ফেসবুক ব্যবহার করে গুজব ছড়িয়ে নিরীহ মানুষের জানমালের ক্ষতি করার ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগে অন্তত তিনটি ঘটনা ঘটেছে, যেগুলোর প্রত্যেকটিরই উদ্দেশ্য ছিল একটা সাম্প্রদায়িক উসকানির মাধ্যমে দেশে অশান্তি সৃষ্টি করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলা। এবার ভোলায় যা হয়েছে এবং আগামীতে যা হবে, সেসবের উদ্দেশ্য একটাই—শুধু সরকারকে বেকায়দায় ফেলাই নয়, সম্ভব হলে শেখ হাসিনার সরকারকে উৎখাত করাও। এই উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের সব তামাদি রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি একজোট হয়ে নিয়মিত সরকার ও প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি দিচ্ছে, নতুন নতুন ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে, নানাভাবে নতুন নতুন মানুষকে দলে ভিড়ানোর চেষ্টা করছে। এরই মধ্যে হয়তো দেখা যাবে, বেশ কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগার অথবা বর্তমান সরকারের সুবিধাভোগী তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। 

বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বিনষ্টের চেষ্টা শুরু স্বাধীনতা পরবর্তীকাল থেকেই। তখন কোনও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছিল না।  তখন চেষ্টাটা হতো ভারতবিরোধিতার নামে নানা ধরনের গুজব ছড়িয়ে। তাতে সহায়তা করতো মওলানা ভাসানীর সাপ্তাহিক ‘হক কথা’, জাসদের ‘দৈনিক গণকণ্ঠ’ আর এনায়েতউল্লাহ সম্পাদিত সাপ্তাহিক ‘হলিডে’। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই একটি মহল এই তিনটি পত্রিকা ও আরও নানাভাবে দেশে একটি শ্রেণি তৈরি করতে সক্ষম হয়, যারা কথায় কথায় সব সমস্যার জন্য ভারতকে দায়ী করার সংস্কৃতির জন্ম দেন। কেউ কেউ এমনও বলেন, পাকিস্তান তো ভালোই ছিল। সেই সংস্কৃতিটা সবচেয়ে ভালো ব্যবহার করেছে এই দেশের কিছু ধর্মান্ধ ব্যক্তি বা গোষ্ঠী। এই গোষ্ঠী বা ব্যক্তি কিন্তু সৌদি আরব যে প্রতিদিন ইয়েমেনে বোমা মেরে হাজার হাজার নিরীহ মুসলমান মারছে, তা নিয়ে কখনও কোনও কথা বলে না। সম্প্রতি তুরস্ক নিজ দেশের ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের কুর্দি মুসলমানদের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ শুরু করেছে, তা নিয়ে কাউকে কোনও মন্তব্য বা প্রতিবাদ করতে দেখা যায় না। আর পান থেকে চুন খসলেই বাংলাদেশের একশ্রেণির উন্মাদ ইসলাম গেলো ইসলাম গেলো বলে জিকির তুলতে দু’দণ্ড দেরি করে না।  উদ্দেশ্য একটাই—সরকারকে বেকায়দায় ফেলা।

শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর দুর্বৃত্তরা প্রথমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করে কক্সবাজারের রামুতে। সেটা ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর। উত্তম বড়ুয়া নামের এক বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী তরুণের নামে একটা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে কিছু দুর্বৃত্ত ওই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে একটি পোস্টে ইসলাম ধর্ম, পবিত্র কোরআন, হজরত মোহাম্মাদ (সা.) ও ইসলাম নিয়ে কটূক্তি করে একটা পোস্ট আপলোড করে। তাকে কেন্দ্র করে রামুতে দেখা দেয় ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক অশান্তি আর বৌদ্ধপল্লিতে অগ্নিসংযোগ-লুটতরাজ। ধ্বংস করা হয়েছিল ১৯টি ঐতিহাসিক বৌদ্ধমন্দির আর একাধিক বৌদ্ধপল্লি। পরে দেখা গেলো উত্তম বড়ুয়া নামের কোনও ব্যক্তির অস্তিত্বই নেই আর সেই পোস্টটাও উধাও। ওই ঘটনায় মামলা হয়েছিল কিন্তু এযাবৎ সেই মামলা খুব বেশি অগ্রগতি নেই।  

২০১৬ সালে ৩০ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ঠিক একই পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছিল। জনৈক রসরাজের নামে একটি ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে ঠিক একই কায়দায় ইসলাম ধর্মকে কটূক্তি করে একটি পোস্ট আপলোড করা হয়। এরপরই এলাকার সব ধর্মান্ধ ব্যক্তি ও গোষ্ঠী ঝাঁপিয়ে পড়েছিল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর। ভাঙা হলো মন্দির, বাড়িঘর, দোকানপাট। অগ্নিসংযোগ, লুটপাট কিছুই বাদ যায়নি। এলাকার লোকজন একজন রসরাজ দাসকে ধরে পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দও করেছিল। কিন্তু তাতে থেমে থাকেনি তস্করদের কর্মকাণ্ড। পরে জানা গেলো রসরাজ একজন অর্ধশিক্ষিত মানুষ। ফেসবুক বা পাসওয়ার্ড সম্পর্কে তার কোনও ধারণাই নেই। ওই ঘটনায়ও মামলা হয়েছিল কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি।

নাসিরনগরের ঘটনার ঠিক এক বছর পর ২০১৭ সালের ১০ নভেম্বর রংপুরের গঙ্গাছড়ায় ঠিক একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। সেবার দাঙ্গা-হাঙ্গামা থামানোর জন্য পুলিশের গুলিতে একজনের মৃত্যুও হয়েছিল। আবারও ফেসবুক, আবারও ভুয়া সংবাদ আবারও দেশে অশান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা।

২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজত ঢাকার কেন্দ্রস্থল দখল নিলো। তাদের সর্বাত্মক সহায়তা করলো বিএনপি। খবর রটলো কোনও রকমে রাত পোহালে হেফাজতের সহায়তায় ক্ষমতায় আসছে খালেদা জিয়া আর তার দল। শাপলা চত্বরের ঘটনাকে রঙচং মিশিয়ে পরিবশন করলো দিগন্ত ও ইসলামি টিভি। সঙ্গে ছিল ‘আমার দেশ’ পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ। অসত্য, অর্ধসত্য, বানোয়াট সংবাদ প্রচারের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয় ফেসবুক। রাতে যখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শাপলা চত্বরকে হেফাজতিদের কব্জা থেকে নিজেদের কব্জায় নিতে অভিযান শুরু হলো, তাকে ঘিরে আবার এসব যোগাযোগমাধ্যমে শুরু করলো মিথ্যা ও উসকানিমূলক সংবাদ ছড়ানো। একই পরিস্থিতি দেখা গেলো শিক্ষার্থীরা যখন নিরাপদ সড়ক আন্দোলন শুরু করলো তখন। প্রথমদিকে তারা খুবই সুশৃঙ্খল ছিল। তাদের আন্দোলনটা যখন সমাজে একটা গ্রহণযোগ্যতা পেলো তখন তাদের ভেতর ঢুকে পড়লো সরকারবিরোধী সুযোগসন্ধানীরা। নওশাবা নামের একজন মডেল তার ফেসবুকে পোস্ট দিল যে ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর অফিসে আন্দোলনকারী মেয়েদের ধরে নিয়ে ধর্ষণ করা হচ্ছে। তখন পাশের লাগোয়া বাড়িতেই আমি থাকি। সেখানে তখন কোনও ধরনের অস্বাভাবিক ঘটনার আলামতই নেই।

সার্বিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ২০১২ সাল থেকে দেশে যত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী ঘটনা ঘটেছে বা সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করার অপপ্রয়াস হয়েছে, তার পেছনে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তথা ফেসবুক। চীন, ইরান, কিউবা (বন্ধ নয় তবে ঢুকা প্রায় অসম্ভব), উত্তর কোরিয়া এসব দেশে ফেসবুক নামে কোনও কিছুর অস্তিত্বই নেই। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই দেশেও নতুন আইন তৈরি হচ্ছে এই ফেসবুক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া একাধিক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এটি ভাবার সময় হয়েছে, স্থায়ীভাবে না হোক বছরখানেকের জন্য গুজবের বাহন ফেসবুক নামের এই অভিশপ্ত প্রযুক্তিটা বন্ধ করা যায় কিনা, তা গভীরভাবে চিন্তা করা। এতে তরুণ সমাজ ক্ষুব্ধ হবে হয়তো। তবে, তাদের স্বার্থের চেয়ে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও স্বার্থ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ২০১০ সালে একবার ফেসবুক বাংলাদেশে বন্ধ করা হয়েছিল। অনেক দেশেই রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে তা বিভিন্ন সময় বন্ধ করা হয়েছে। থাকুক না ফেসবুকবিহীন বাংলাদেশ কিছু দিন। যেই দেশে একটা বিরাট সংখ্যক মানুষ এই প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার জানে না বা করতে চায় না, সে দেশে তা বন্ধ থাকলে তেমন বড় কোনও ক্ষতি হবে বলে মনে হয় না। সব শেষে ভোলার ওইসব আলেমকে ধন্যবাদ জানাই, যারা অনেক চেষ্টা করেছেন উন্মাদদের তাণ্ডব থামানোর জন্য। আর চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসার শিক্ষকরা তো ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। তারা এলাকার সব মন্দিরে যেন কোনও হামলা না হয়, তার জন্য সংঘবদ্ধভাবে পাহারা দিয়েছেন।

লেখক: বিশ্লেষক ও গবেষক, ২৩ অক্টোবর ২০১৯  

 

/এমএনএইচ/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

টপ