behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

রঙ বদলাবে কি রাজনীতির!

শুভ কিবরিয়া১২:৪৬, ডিসেম্বর ১৭, ২০১৫

Shuvo Kibriaপৌরসভা নির্বাচনের রঙে মেতেছে দেশ। মেতেছে মিডিয়াও। প্রিন্ট, অনলাইন আর ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় এখন সরব আওয়াজ তুলেছে এই পৌর নির্বাচন। পৌরসভা নির্বাচন ২০১৫-এর ভোট হবে আগামী ৩০ ডিসেম্বর, বুধবার। ২৩৪টি পৌরসভায় অনুষ্ঠিত হবে এ নির্বাচন। ঢাকা বিভাগে ৭২টি, রাজশাহী বিভাগে ৫০টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৭টি, খুলনা বিভাগে ২৯টি, রংপুর বিভাগে ২০টি, বরিশাল বিভাগে ১৭টি, সিলেট বিভাগে ৯টি পৌরসভায় নির্বাচন হবে। দেশের ৩২৩টি পৌরসভার মধ্যে ফেব্রুয়ারি ২০১৬ পর্যন্ত যেসব পৌরসভার নির্বাচিত পরিষদের মেয়াদ উত্তীর্ণ হবে এমন ২৩৪টি পৌরসভাতেই এ নির্বাচন হচ্ছে। পৌরসভায় মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এই নির্বাচনের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এবারই প্রথম দেশের স্থানীয় সরকারের এই নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হবে। এতদিন দলীয় মুখোশ ঢেকে যে নির্বাচন হতো, এবারই প্রথম মুখোশ খুলে, দলীয় প্রতীক নিয়েই নির্বাচন করবেন মেয়র পদপ্রার্থীরা। দলের প্রতীক নিয়ে দলীয় রং মাখবার সুযোগ কিন্তু পাবেন শুধু মেয়র পদপ্রার্থীরাই। কাউন্সিলর বা সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীরা সে সুযোগ পাচ্ছেন না। অর্থাৎ এক নির্বাচনে দুই ধারা বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন।

যে নির্বাচন কমিশনের অধীনে এই নির্বাচন হচ্ছে, সেই নির্বাচন কমিশনের অতীত কাজ-কম্মো খুব ভালোভাবে নেয়নি দেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল বিএনপি। তাদের ভাষায় বর্তমান সরকারের আজ্ঞাবহ এই নির্বাচন কমিশন। পৌরসভা ২০১৫, নির্বাচনের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এই কথিত, অভিযুক্ত ‘আজ্ঞাবহ’ নির্বাচন কমিশনের অধীনেই বিএনপি ও তার জোট নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। সে দিক থেকে নির্বাচন কমিশন নিজেদের ঢোল নিজেরা পেটাবার একটা বড় মওকা পেতে পারে।

দুই.
যেহেতু দলীয় প্রতীকে এই নির্বাচন হচ্ছে সুতরাং বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলো এখানে অংশ নিচ্ছে। তাছাড়া যতই দলের প্রতীক মাখানো হোক এই নির্বাচনকে ঘিরে, মনে রাখতে হবে এটি তৃণমূলের নির্বাচন। এসব নির্বাচন থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখা খুব কঠিন। স্থানীয় নির্বাচন বলে, সব বড় দলই এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। প্রার্থী নির্বাচন, দলীয় প্রতীক বরাদ্দ, বিদ্রোহী প্রার্থী থাকাসহ নানান বৈচিত্র্য এ নির্বাচনের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। রাজনৈতিক দল ভেদে এ বৈশিষ্ট্যগুলো দেখা যেতে পারে।

এক. সরকারি দল প্রার্থী নির্বাচনে এক ধরনের কঠোর পন্থা অবলম্বন করেছে। তৃণমূলের নির্বাচন হলেও প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে খোদ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ড। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের তৃণমূল নেতৃত্ব, সেখানকার রাজনৈতিক বিভাজন, কে কোন নেতার পকেটস্থ সেসব সম্পর্কে ওয়াকিবহাল বলে, মেয়র প্রার্থী নির্বাচনে তার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গিই মুখ্য হিসেবে দেখা গেছে। বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থীদের ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

দুই. বিএনপি এই নির্বাচনকে একটা রাজনৈতিক সুযোগ হিসেবে লুফে নিয়েছে। নির্বাচনের পরিণতি যাই হোক রাজনীতির স্পেস হিসেবে বিএনপি একটা দম ফেলার সুযোগ পেয়েছে এই আয়োজনে। সাংগঠনিক বিশৃঙ্খলা, সরকারি দল কর্তৃক কোণঠাসা, মামলা-জেল ইত্যাদির ফলে তৃণমূলে নেতাকর্মীরা যে অসহায় অবস্থায় আছে, সেটিকে একটা ন্যূনতম সাংগঠনিক চেহারা দেবার সুযোগ হিসাবে বিএনপি নির্বাচনি মাঠে নেমেছে। মেয়র পদে প্রার্থী নির্বাচনে বিএনপির সাংগঠনিক বিশৃঙ্খলা দৃশ্যমান হয়েছে। বিএনপির বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থীদের সতর্ক করলেও বহিষ্কার করার মতো ঝুঁকি এখনও নিতে পারেনি দলটি।

তিন. আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট অধীন ওয়ার্কার্স পার্টি বা জাসদ (ইনু) যাদের ন্যূনতম গণভিত্তি আছে, তারা ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ১৪ দলীয় ব্যানারে নির্বাচন করতে পারে নাই। ব্যালটে নৌকা মার্কার সুযোগ নিয়ে আওয়ামী লীগের ঘাড়ে সওয়ার হয়ে বাজিমাত করার সুযোগ এই পৌর নির্বাচনে তাদের হাতছাড়া হলো।

চার. সবচাইতে কঠিন অবস্থার মধ্যে আছে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দণ্ড কার্যকর আর রাজনৈতিকভাবে নিষিদ্ধ হবার হুমকির মধ্যে দলটির অনেক ছোটবড় নেতারা কারাগারে। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করতে পারছে না তারা। তবুও জামায়াত এ নির্বাচনে স্বতন্ত্রভাবে প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। ত্রিশটির অধিক পৌরসভার মেয়র পদে তারা বিএনপির সঙ্গে সমঝোতায় আসেনি। পৌর নির্বাচনে জামায়াতের ভোটব্যাংক যেখানে যতটুকু আছে সেটাকে তারা দুর্দিনে টিকে থাকার কৌশল হিসেবে কাজে লাগাতে চাইবে। সুতরাং এই ভোটব্যাংক অনেক ক্ষেত্রে সরকারি দলের শক্তিমান প্রার্থীর পক্ষে ব্যবহৃত হলেও অবাক হবার কিছু থাকবে না।

তিন.
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের অভিজ্ঞতা বলে এসব নির্বাচনে সরকারি দলের প্রার্থীরা একটু বাড়তি সুবিধা পায়। বাংলাদেশ জন্মের পর থেকে যতগুলো স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয়েছে তাতে সবগুলো নির্বাচনের এই রেওয়াজ এবার ভাঙবে, এমন ভাবার কোনও দৃশ্যমান কারণ নেই। তবে এবারই প্রথমবারের মতো যেহেতু দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হচ্ছে সে কারণেই প্রার্থীর চাইতে দলের শীর্ষ নেতাদের প্রেস্টিজ ইস্যু বড় হয়ে দেখা দেবে। সুতরাং বড় দলের বড় নেতারা এই নির্বাচন নিয়ে খুব সতর্ক এবং কঠোর। স্বতন্ত্র প্রার্থী দাঁড়াবার অপরাধে দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের দলের নেতা, এমপিরা শুধু বহিষ্কারও করছেন না, যার যেটুকু অন্য সামর্থ্য আছে সেটাও প্রয়োগ করছেন। শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ পৌরসভায় সরকার দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী প্রথম ডিবি পুলিশ দ্বারা অপহৃত হয়েছেন, পরে স্থানীয় এমপির বাসা থেকে সোজা ডিসি অফিসে যেয়ে নির্বাচন থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করেছেন। এটা নমুনা মাত্র! সংবাদপত্রে এই খবর ফাঁস হয়েছে। যেখানে ফাঁস হয় নাই সেখানে ভেতরে ভেতরে বিদ্রোহী প্রার্থীকে নির্বাচন থেকে হটাতে কত কৌশল প্রয়োগ হচ্ছে কে জানে? 

কাজেই প্রশাসন যন্ত্রের নানান বলপ্রয়োগ, প্রকাশ্য ও গোপন চাপ অনেক প্রার্থীকে অতীতের মতো এবারও সইতে হবে। সুবিধায় থাকবেন সরকার দলীয় সেই প্রার্থী যিনি স্থানীয় এমপি, মন্ত্রীর আস্থাভাজন।

চার.
নির্বাচন কমিশনকে ঠুঁটো জগন্নাথ, সরকারের আজ্ঞাবহ বলছে বিএনপি। কথা হয়তো খুব বেঠিক না। কিন্তু স্মৃতিকে একটু রিওয়াইন্ড করলে আমরা বিএনপি শাসনামলের কুখ্যাত ‘বিচারপতি আজিজ’ নির্বাচন কমিশনারের কালকে স্মরণ করতে পারি। এ উদাহরণ টানবার লক্ষ্য একটাই। সেটা হোল, বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশন সব সময় ক্ষমতাসীনদের পারপাসই সার্ভ করেছে। একমাত্র ব্যতিক্রম হিসাবে ২০০৭-২০০৮ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের নির্বাচন কমিশনকে অনেকে উল্লেখ করেন বটে। তবে, খেয়াল করলে দেখা যাবে ওই নির্বাচন কমিশনও তৎকালীন সরকারের মনোলিপ্সা বাস্তবায়নে অধিকতর মনোযোগী ছিল। তবে একথা অস্বীকার করার উপায় নাই সেবারই প্রথম নির্বাচন কমিশনকে শক্তিমান প্রতিষ্ঠান হিসেবে মাঠে দেখা গেছে। কাজেই, স্বাধীন বাংলাদেশে এমন কোনও নির্বাচন কমিশনকে আমরা পাইনি যারা ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছেকে উপেক্ষা করে নির্বিচার-নিরপেক্ষ ও স্বাধীন থেকেছে। এই ঐতিহাসিক পরম্পরা থেকে এবারের নির্বাচন কমিশনকে যারা পৃথক দেখতে চাইছেন, তারা ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং নিজেদের অতীতকেও অস্বীকার করতে চাইছেন।

পাঁচ.
খুব পরিচ্ছন্ন, গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবার ঐতিহাসিক, সংস্কৃতিগত বাস্তবিক কোনো কারণ আছে বলে মনে হয় না। ‘জোর এবং চতুরতা’ এবারের নির্বাচনি ফলাফলকে নির্ধারণ করবে। যারা জোর দেখিয়ে মাঠে থাকবে, প্রশাসনকে কাছে রাখবে, ভোটারকে আনতে পারবে, ভোটার উপস্থিত না থাকলেও ব্যালট বাক্সের সিলমারা নিশ্চিত করতে পারবে- তারা বিশেষ সুবিধা পাবে। আর ভেতরে ভেতরে, গোপনে গোপনে মূল প্রার্থীরা বিদ্রোহী ও প্রতিপক্ষ দলের  প্রার্থীদের সঙ্গে যদি ভালো ও কার্যকর ‘গোপন সমঝোতা’ করতে সক্ষম হয় সেটাও খুব ভালো ফল দেবে।

কাজেই নির্বাচনি মাঠে যারাই থাকুক বা মাঠ ছাড়ুক , ফলাফলের পর যে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে, তাতে অতীতের প্রতিফলনই ঘটবে। গত অর্ধদশকের নির্বাচনি অভিজ্ঞতার মতোই ধারাবাহিকতারই প্রতিফলন দেখা যাবে এবারও। কাজেই পৌর নির্বাচন ২০১৫-তে খুব নতুন কোনও উদাহরণ সৃষ্টি হবার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

ছয়.
স্থানীয় সরকার নির্বাচন যতই বাগড়ম্বর নিয়ে শুরু হোক না কেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিকে এক কলমের খোঁচায় উপড়ে ফেলার ক্ষমতা আছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের। দেশে প্রায় ৪৫০ জনের মতো বিভিন্ন পর্যায়ের স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা বরখাস্ত আছেন নানা অভিযোগ। চার সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত মেয়ররাও বরখাস্ত। এটা যেমন একটা দিক, তেমনি সকল স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জনপ্রতিনিধিরা যদি অন্যদল থেকেও নির্বাচিত হন, তাতে সরকারের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার হেরফের ঘটার কোনো সম্ভাবনা নেই।

সাত.
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এখনও নির্বাচননির্ভর। অথচ সুষ্ঠু নির্বাচন, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কেমন করে নিশ্চিত করা যায় তার কোনও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা তৈরি হয়নি। সে কারণেই এখানে ‘হাস্যকর’ ‘হ্যাঁ-না’ গণভোট যেমন হয়েছে আবার ‘ভোটারবিহীন’ সংসদ নির্বাচনও এখানে জারি থেকেছে। নির্বাচন নিয়ে এই ডিলেমার মধ্য দিয়েই বাংলাদেশে নানারকম সরকার এসেছে। এবং খুবই উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হচ্ছে, যে কোনো উপায়েই সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতা নিয়ে যখন যে দল ক্ষমতায় এসেছে তারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাদের প্রাধান্যই অব্যাহত রেখেছে। এই ধারাবাহিকতা একদিকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত করেছে তেমনি গণতন্ত্রের ভিত্তিমূল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বলতর করেছে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটলেও তাই এই রাজনীতি বৈষম্য ও গুণগত মানের সুশাসন নিশ্চিত করতে পারেনি। রাজনীতির বড় চ্যালেঞ্জ তাই নতুন ‘পলিটিক্যাল-ইনোভেশন’। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার অভাবে পৌরসভা-২০১৫ নির্বাচন সেক্ষেত্রে নতুন কোনো পথ নির্দেশ করতে পারবে বলে মনে হয় না।  নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসবে আচরণবিধি লংঘন ও ক্ষমতাবানদের অনায্য প্রভাবের কথা আমরা ততই বড় আকারে শুনতে পাবো ও দেখতে পাবো।

মিডিয়ার ডামাডোল সত্ত্বেও বলা যায় , দলীয় প্রতীক-রঙে রাঙা এই পৌর নির্বাচন আমাদের রাজনীতির কোনও উল্লসিত নতুন চেহারা দেবে না। যে অন্ধকার আর কুচক্রে, পরস্পরকে নির্মূল আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আমাদের রাজনীতি হাবুডুবু খাচ্ছে, সেই চক্রবৃত্তই জারি থাকছে  এই নির্বাচনি হই-চই সত্ত্বেও।

লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, সাপ্তাহিক

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune

কলামিস্ট

টপ