behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

ইতিহাস ক্ষমা করে না

মুস্তাফিজ শফি১৪:১২, নভেম্বর ২৩, ২০১৫

Mustafiz Shafi১৯৯১ এর অক্টোবরে আত্মপ্রকাশের পর '৯২-এর অমর একুশে বইমেলায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের ছবিসহ প্রজন্ম একাত্তর একটি পোস্টার প্রকাশ করেছিলো। পোস্টারে লেখা ছিলো- ‌'তোমাদের যা বলার ছিলো বলছে কি তা বাংলাদেশ'। দেশ যখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার উল্টোদিকে ক্রমশ ধাবমান তখন ওই পোস্টার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার স্বপক্ষের মানুষের মনে ব্যাপক দাগ কাটে। শনিবার (২১ নভেম্বর ২০১৫) রাতে শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকরের চূড়ান্ত প্রস্তুতি যখন চলছে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ঠিক তখন আমার সেই পোস্টারটি আর পোস্টারে খচিত আসাদ চৌধুরীর কবিতার লাইনটি বারবার মনে পড়ছিলো। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন, আর কোনও সন্দেহের অবকাশ নেই- তারপরও পত্রিকা অফিসে কাজ করতে করতে কিছুটা বিস্মিত হচ্ছি, অন্যরকম এক ঘোরে বারবার আচ্ছন্ন হচ্ছি—তাহলে সাকা মুজাহিদের মতো ঘাতকদেরও ফাঁসিতে ঝোলানোর সাহস দেখাতে পারে বাংলাদেশ। শুধু উচ্চকণ্ঠে বলা নয়, একাত্তরের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথেও কার্যকরভাবে ফিরে আসতে পারে বাংলাদেশ।

একাত্তরে সাকা বাহিনীর হাতে নির্যাতনের শিকার সাইফুদ্দিন খানের মেয়ে সাংবাদিক সুমি খান দাঁড়িয়েছিলেন জেলগেটের সামনে। বললেন, 'এখানে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছি, নিশ্চিত হতে চাইছি সাকা চৌধুরীর ফাঁসি হয়েছে। আমার কাছে একের পর এক নির্যাতিতদের পরিবারের সদস্যরা ফোন করছেন। তারা বলছেন, সাকার মরদেহ রাউজানে ঢুকতে দেওয়া হবে না।'

মুজাহিদের মামলার অন্যতম সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধা জহিরুদ্দিন জালাল ওরফে বিচ্ছু জালালসহ মুক্তিযোদ্ধারাও ছিলেন সেখানে। বারবার ভি-চিহ্ন দেখিয়ে উল্লাস প্রকাশ করছিলেন। বললেন, 'এটাই প্রত্যাশিত ছিল। দেশ কলঙ্কমুক্ত হওয়ার দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।' ফাঁসি কার্যকরের খবরে মুক্তিযোদ্ধারা জেলগেটে মিষ্টি বিতরণ শুরু করলে একজন প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধা বললেন, 'আমার মিষ্টি খাওয়ার সময় এখনও আসেনি। যুদ্ধাপরাধী মতিউর রহমান নিজামী আর মীর কাশেম আলীর ফাঁসি যেদিন কার্যকর হবে সেদিনই মিষ্টি খাবো'।

শহীদ সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেনের ছেলে লেখক-সাংবাদিক জাহীদ রেজা নূর বলেন, 'যে ঘটনা ৪৪ বছর আগে ঘটতে পারত,  সে ঘটনা এতোদিন পর ঘটল। এতে আমাদের পরিবারের যে মানুষটি সবচেয়ে স্বস্তি  পেতে পারতেন, তিনি আমাদের মা। মা আর নেই। প্রথমে তাই মায়ের কথাই মনে হলো। তিনি বেঁচে থাকলে বাবাকে ছাড়া বাকি জীবন যে সংগ্রাম করে গেছেন, তাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে ভাবতে পারতেন আজ। মহান মুক্তিযুদ্ধকালে গণহত্যা, নৃশংসতা ঘটিয়েছে যে আল বদর বাহিনী, তাদেরই নেতা মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় কিছুটা হলেও ইতিহাসের কলঙ্ক মোচন হলো। সাকা যে ঔদ্ধত্য দেখিয়েছিল তারও যবনিকাপাত হলো।'

শহীদ আলতাফ মাহমুদের কন্যা শাওন মাহমুদ বলেন, 'মুজাহিদ ছিলেন বুদ্ধিজীবী হত্যার মূল হোতা। আমার বাবা একুশের গানের অমর সুরকার আলতাফ মাহমুদের হত্যাকারী এই মুজাহিদ এক সময় গাড়িতে জাতীয় পতাকা উড়িয়ে বাংলাদেশের মাটিতে ঘুরেছেন, এটা ভাবলেই গভীর বেদনা বোধ করতাম। ফাঁসির আগে মুজাহিদ-সাকার ক্ষমা প্রার্থনার মধ্য দিয়ে এ-ও প্রমাণ হলো যে তারা স্বীকার নিয়েছেন নিজ নিজ অপরাধ।'

শহীদ ডা. আবদুল আলীম চৌধুরীর সন্তান ডা. নূজহাত চৌধুরী এক সাক্ষাতকারে বলেন, 'এই রায়ের পরেও অনেক কেঁদেছি। কারণ রায়টি পেতে আমাদের দীর্ঘ ৪৪ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে।'

তিনি বলেন, 'দীর্ঘ ৪৪ বছর পর বুদ্ধিজীবী হত্যার দায়ে কারও ফাঁসি হবে, এটা আমাদের চিন্তার অধিক ছিল। যারা গাড়িতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উড়িয়ে চলেছিল, মন্ত্রী ছিল, তাদের যে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলানো হবে, এটা যতোক্ষণ কার্যকর না হচ্ছিল, ততক্ষণ আমরা ভাবতেই পারছিলাম না এটা সম্ভব হয়েছে। এই বিচারের ফলে জাতি হিসেবে আমরা আরও এগিয়ে গেলাম।'

যুদ্ধাপরাধী সাকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের ২৩ টি এবং মুজাহিদের বিরুদ্ধে ৭ টি অভিযোগে বিচার হয়। সাকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের মধ্যে ৯টি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয় প্রসিকিউশন। এর মধ্যে হত্যা গণহত্যাসহ ৪টি অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। বুদ্ধিজীবী হত্যার প্রধান হোতা জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে একাত্তরে হত্যা, বুদ্ধিজীবী হত্যা, গণহত্যা, ষড়যন্ত্র এবং নির্যাতনের অভিযোগ আমলে নিয়ে বিচার শুরু করে আদালত। এরমধ্যে তাকে হত্যা গণহত্যা ও নির্যাতনের তিনটি অভিযোগে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়।

বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও জামায়াতে ইসলামী নেতা আলী আহসান মুজাহিদ-একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় এই দুজনই অবস্থান নিয়েছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দোসর হয়ে তারা মুক্তিকামী বাঙালির ওপর চালিয়েছেন নৃশংস-লোমহর্ষক হত্যা-নির্যাতন। অথচ স্বাধীন বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে তারাই যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে নানা দম্ভোক্তি করেছেন। শীর্ষ এ দুই যুদ্ধাপরাধী কটূক্তি করেছেন দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়েও। মুজাহিদ মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া শুরুর বছর কয়েক আগে দাবি করেন, 'বাংলাদেশে কোনও যুদ্ধাপরাধী নেই। এটি একটি বানোয়াট ও উদ্ভট চিন্তা।' একাত্তরে মুজাহিদ ছিলেন ইসলামী ছাত্রসংঘের পূর্ব পাকিস্তান শাখার সভাপতি এবং আলবদর বাহিনীর কমান্ডার। তার নেতৃত্বে দেশজুড়ে চলে বুদ্ধিজীবী ও গণহত্যা, লুণ্ঠন, ধর্ষণসহ নানাবিধ অপরাধ। মুক্তিযুদ্ধকালীন এসব অপরাধের বিচারের জন্য ২০১০ সালের ৩১ মার্চ ট্রাইব্যুনাল গঠনের ৬ দিন পর জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে মুজাহিদ বলেন, 'পাস্ট ইজ পাস্ট। এসব নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করবেন না। যারা একাত্তরে নৃশংসতা করেছে, তাদের ওই সময়ে ছেড়ে দিয়েছে কেন? কেন ক্ষমাপ্রদর্শন করা হলো?'

মুক্তিযুদ্ধের সময় বিরোধী পক্ষ অবলম্বনের জন্য জামায়াত ক্ষমা চাইবে কি-না এমন প্রশ্নের সরাসরি জবাব এড়িয়ে গিয়ে মুজাহিদ বলেছিলেন, 'ওই সময়ের সিদ্ধান্তটি ছিল রাজনৈতিক। ওই প্রসঙ্গ এখন নয়।' যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরোধিতার কারণ সম্পর্কে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, 'বিষয়টি মীমাংসা হয়ে গেছে ৩৬ বছর আগে। এ নিয়ে আবার বিচারের প্রশ্ন উঠতে পারে না।'

বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, যুদ্ধাপরাধ নিয়ে সবচেয়ে বেশি কটূক্তি করেছেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। ২০১০ সালের ১৬ ডিসেম্বর রাতে সাকাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের আগে-পরে এবং বিচার চলাকালেও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে লাগাতার বিদ্রুপ ও পরিহাস করে যান তিনি। ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর রায় ঘোষণার সময় বিচারকদের তাচ্ছিল্য করে সাকা বলেন, 'যুদ্ধে ৩০ লাখ লোক মারা গেছে তো?... তার মধ্যে ২০ লাখ আমি মারছি ...। ... আমাকে লক্ষ লক্ষ মানুষ রায় দিয়ে নির্বাচিত করেছে, আর আমি এই তিনজনের রায় শুনতে এসেছি...। ৩৫ বছর ধরে লাখ লাখ লোকের রায় দিলাম। এখন রায়ের জন্য এখানে বসে থাকতে হবে।' 

ওই বছরের ১৭ জুন ট্রাইব্যুনালে সাফাই সাক্ষ্য দেওয়ার সময় সাকা বিচারকদের উদ্দেশে বলেন, 'আমাকে ফাঁসি তো আপনারা দেবেনই, কিন্তু আমি পরোয়া করি না।' 

২০১৩ সালের ৪ এপ্রিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ করে সাকা চৌধুরী বলেন, 'আমাকে আইন শেখাতে আসবেন না। অনেক আইন আমি করেছি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন আমার করা। আপনি তো আমার করা এ আইন পড়েও দেখেননি।'

এতো দম্ভোক্তি করা দুই যুদ্ধাপরাধীকে কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলতে হলো। প্রাণভিক্ষা চেয়েও রক্ষা হয়নি। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না। কেবল বাংলাদেশে নয়; বিশ্বের ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—অপরাধীরা কিছু সময়ের জন্য সমাজে মাথা উঁচু করে চলতে পারলেও শেষ পর্যন্ত  সত্যেরই জয় হয়। যুদ্ধাপরাধী হিটলার বা মুসোলিনিও সাকা-মুজাহিদের মতো ভেবেছিলেন—তারা অজেয়, পৃথিবীর কোনও শক্তিই তাদের পরাজিত বা বিচার করতে পারে না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা পরাজিত হয়েছে এবং যুদ্ধাপরাধের দায়ে তাদের সহযোগীদের বিচারও সম্পন্ন হয়েছে।

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের বিচার ও শাস্তি সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও বিশিষ্টজন। একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবিরের কাছে ঘটনাটি তাৎপর্যপূর্ণ কেবল এই কারণে নয় যে; একাত্তরে তাদের নৃশংসতার মাত্রা বেশি ছিলো। একই সঙ্গে এই কারণেও যে, ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এই দু’জনের বিচারকাজ চলাকালে ওই প্রক্রিয়া বানচাল করার জন্য দেশে-বিদেশে জামায়াত ও বিএনপির বহুমাত্রিক তৎপরতা চালিয়েছে। তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়া বানচাল কিংবা বিলম্বিত করার জন্য জামায়াতে ইসলামী ২০১২ সালেই যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে বিপুল অর্থ ব্যয়ে লবিস্ট নিয়োগ করেছিল। কিন্তু কোনও কিছুই তাদের বাঁচাতে পারেনি। এমনকি একাত্তর সালে সাকা চৌধুরী যে পাকিস্তানে ছিল—এমন প্রপাগান্ডা প্রমাণের জন্য তারা পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভুয়া দুটি শিক্ষা সনদও প্রস্তুত করেছিল। তারা চুরি করতে গিয়ে খেয়াল রাখেনি যে, সনদ দুটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগোর ভিন্নতা, পাঞ্জাব ও সাকা চৌধুরীর নামের বানানে ভিন্নতা রয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের কাছে সেগুলো স্বাভাবিকভাবেই ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে।

এই বিশেষ দু’জন যুদ্ধাপরাধীকে বিচারের হাত থেকে বাঁচাতে দেশীয় ও বিদেশি বিভিন্ন পক্ষ থেকে যে চাপ সরকার ও ট্রাইব্যুনালকে সহ্য করতে হয়েছে, তা অন্য কারও ক্ষেত্রে সইতে হয়েছে বলে আমার জানা নেই। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাকা ও মুজাহিদের বিচারের মধ্য দিয়ে সভ্যতার স্বাভাবিক দাবিই পূরণ হয়েছে।

ফাঁসির আগে কারাকর্তৃপক্ষের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেও প্রাণভিক্ষা পাননি সাকা-মুজাহিদ। স্বাভাবিকভাবেই এদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের মানুষের প্রত্যাশা ছিলো এটা। জাতির অভিবাবক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সেই প্রত্যাশাই রক্ষা করেছেন। তিনি নাকচ করেছেন ঘাতকের প্রাণভিক্ষার আবেদন। এনিয়েও এখন বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন তাদের পরিবারের সদস্যরা। তাদের দাবি সাকা-মুজাহিদ প্রাণভিক্ষার আবেদন করেননি। প্রাণভিক্ষার আবেদনটি রাষ্ট্রীয় গোপন দলিল। এটা প্রকাশে বিধিনিষেধ আছে বলে উল্লেখ করেছেন আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এখন বিভ্রান্তি দূর করার একমাত্র উদ্যোগটি নিতে পারেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি। তিনি চাইলেই গোপন দলিলটি জনস্বার্থে প্রকাশ করতে পারেন। যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে দণ্ডিত দুই যুদ্ধাপরাধীর পরিবার, গোপন দলিলটি প্রকাশ হলে সেটা নিমেষেই দূর হয়ে যাবে।

লেখক: কবি ও সাংবাদিক। নির্বাহী সম্পাদক দৈনিক সমকাল।   

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

Ifad ad on bangla tribune

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune

কলামিস্ট

টপ