behind the news
Vision  ad on bangla Tribune

ব্যানারে সীমাবদ্ধ শব্দ

মাহমুদুর রহমান১০:২০, মার্চ ১৮, ২০১৬

স্বভাবসুলভ দুর্নীতির কারণে, বিত্তশালীরা তো বটেই সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর কাছে চলে যায় নিয়ন্ত্রণ। প্রাথমিক পর্যায়ে চাহিদা কমাতে গুণগতমান এবং পরবর্তিতে চালানোর অনিয়মের মাধ্যমে ব্যবস্থাটির অকাল মৃত্যু ডেকে আনা হয়। পাশাপাশি গড়ে ওঠা মাথা পিছু আয় এবং দারিদ্রের উন্নতির কারণে সামাজিক বিপ্লব জন্ম নেয় নি। কিন্তু ব্যবসায়ীদের শ্রেণির উচ্চলাভ ভিত্তিক প্রবণতার কারণেই ন্যায্য আর ন্যায্য রইল না। চালু হলো ন্যায্য মূল্যে নির্যাতন প্রয়োজনীয়তা পণ্য বিক্রির সরকারি উদ্যোগ। নির্ধারিত মূল্যে খাদ্য শস্য কৃষকের কাছ থেকে ক্রয় করে, কেবল বিক্রয় ব্যবস্থার খরচ পুষিয়ে, এই কার্যক্রমের মূল্য নির্ধারণ হয়। সমস্যা দাড়ালো দুটি কারণে।

পণ্যের গুণগত মান এমনই, যে দরিদ্ররাও তা কিনতে রাজি নন। অন্য দিকে গুদামের অভাবে নতুন ক্রয়কৃত পণ্য গুদামজাত করার সুযোগ থাকছে না। অতএব- ভর্তুকি। ক্রয় মূল্যের নিচে নতুন মূল্যে বিক্রির চেষ্টা চলছে। কোষাগারে ক্ষতি হবে বৈকি, কিন্তু সামাজিক এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই হবে। প্রশ্ন তিনি আসে ‘ন্যায্য মূল্য’ কোনটি? নাকি প্রথমে নির্ধারিত মূল্য অন্যায্য ? আর এটি যদি ন্যায্য হয়ে থাকে, তবে বাজারে যে একই পণ্য বিকোয়, তার মূল্য নিশ্চয়ই অন্যায্য? সে ক্ষেত্রে সরকারের কি দায়িত্ব নয় পদক্ষেপ নেওয়া? কেন যেন ভোক্তা অধিকার আর ন্যায্যতা নিয়ে সব কিছুই এলোমেলো হয়ে যায়। হয়তো সেই কারণে আজকাল রিকসা-চালক আরোহীর বিচার-বিবেচনায় ভাড়ার দায়িত্ব দিতে রাজি নন।

লেখক: কমিউনিকেশন বিশেষজ্ঞ

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune

কলামিস্ট

টপ