behind the news
IPDC  ad on bangla Tribune
Vision  ad on bangla Tribune

এ স্বাধীনতা নাকি স্বেচ্ছাচারিতার অন্যায়?

মাসুদা ভাট্টি১৭:০১, মার্চ ২৫, ২০১৬

Masuda-Vatti-Cস্বাধীনতা মানে যে স্বেচ্ছাচারিতা নয় সেকথাটি আমরা প্রায়শই শুনে থাকি।বিভিন্ন সভা-সেমিনারে বক্তৃতায়,বিবৃতিতে,এমনকি বসার ঘরের আলোচনাতেও আমরা শুনে থাকি কথাটি। কিন্তু নিজের জীবনে কি কথাটি আমরা মানি? বা মানার চেষ্টা করি? করি না। দু’টি ঘটনার উল্লেখ করি।
রয়টার্সের একটি খবরে বলা হয়েছে যে, কুড়িগ্রাম জেলার এক স্বাস্থ্যকর্মী হোসেন আলীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। হোসেন আলী একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৭ বছর আগে সপরিবারে হোসেন আলী ধর্মান্তরিত হয়ে খ্রিস্ট ধর্ম গ্রহণ করেন। স্বঘোষিত বিশ্বব্যাপী জঙ্গি পর্যবেক্ষণকারী যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা আইএসটিই’র বরাত দিয়ে রয়টার্স বলছে,এই হত্যাকাণ্ডের দায় শিকার করেছে মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন আইসিস। বাংলাদেশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বরাত দিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্থানীয় জঙ্গি সংগঠন জামাতুল মুজাহেদীন বা জেআই-এর বলেও উল্লেখ করেছে সংবাদ সংস্থাটি। এ বিষয়ে যদিও দেশীয় সংবাদ মাধ্যমে খুব বেশি সংবাদ চোখে পড়েনি, বিশেষ করে জাতীয় দৈনিকগুলোতে।
আমরা এতদিন ধরে জানি যে, দেশের উত্তরাঞ্চলে ইতোমধ্যেই বেশ ক’টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। খ্রিস্টান ধর্মযাজক, হিন্দু পুরোহিত এবং বিদেশিরা রয়েছেন নিহতদের তালিকায়। কিন্তু হোসেন আলী এদের মধ্যে একটু ব্যতিক্রম। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং স্বেচ্ছায় সপরিবারে ধর্মান্তরিত। এলাকাবাসীর কেউ কেউ বলতে চেয়েছেন যে, তাকে ধর্মান্তরের কারণেই হত্যা করে অন্যদেরকে এই বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, কেউ যেনো তার ধর্ম ত্যাগ না করে, বিশেষ করে ইসলাম ধর্ম। অন্য ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করলে হয়তো ততোটা অসুবিধে নেই। কিংবা তাই-বা বলি কী করে? রংপুরে যে জাপানি নাগরিককে হত্যা করা হয়েছিল কথিত আছে যে, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। আবার কেউ কেউ একথাও বলছেন যে, মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার কারণেই তাকে টার্গেট করে হত্যা করা হয়েছে। কারণ যাই-ই হোক, মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। একাত্তরে বিজয়ী মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী ৪৩ বছর পর স্বাধীন বাংলাদেশে পরাজিত হলেন।

এখন প্রশ্ন করি আসুন, একে কি আমরা বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখবো? আমরা কি ধরেই নেবো যে, হোসেন আলীর গলা কাটা লাশ দেশের চলমান অস্থিরতার কারণে ঘটেছে? যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওই প্রতিষ্ঠানের দাবি অনুযায়ী, যা তারা আগেও করেছে, তাতে তারা জোর করে হলেও প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে যে, বাংলাদেশে আইসিস-এর উপস্থিতি রয়েছে। এতে তাদের কী লাভ তা নিয়ে আমরা বিশ্লেষণে না যাই, কিন্তু আমরা একথাতো জানি যে, এদেশে স্থানীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের বেশ কিছু জঙ্গি সংগঠনের উপস্থিতি রয়েছে। এবং তারা দেশের একটি বিরাট রাজনৈতিক শক্তির প্রত্যক্ষ সহযোগিতাপুষ্ট হয়ে দেশের ভেতরে নাশকতা সৃষ্টি করে চলেছে অনবরত। তাদের সঙ্গে আইসিস-এর যোগাযোগ নেই এমন দাবি করাটা কি ঠিক হবে? আমরা যদি হোসেন আলীর মৃত্যুর মোটিফ খুঁজি তাহলে, তিনটি বিষয় সামনে আসে। এক. হোসেন আলী একজন মুক্তিযোদ্ধা; দুই. হোসেন আলী মুসলমান থেকে খ্রিস্ট ধর্মে ধর্মান্তরিত; তিন. এর আগে এতদ্বঞ্চলে যে সকল হত্যাকাণ্ড হয়েছে তার সঙ্গে হোসেন আলীর হত্যাকাণ্ডের সামঞ্জস্য রয়েছে। এবং চতুর্থটি ও গুরুত্বপূর্ণটি হলো, বাকি হত্যাকাণ্ডের দায়ও যেমন আইসিস স্বীকার করেছিল, যা আমরা জেনেছিলাম কথিত ওই মার্কিন সংস্থাটির কল্যাণে, তেমনই হোসেন আলীর ক্ষেত্রেও আমরা তাদের কাছ থেকেই জানি যে, ঘটনাটি ঘটিয়েছে আইসিস। আর হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে তাদের বক্তব্য হলো, হোসেন আলীকে হত্যার কারণ অন্যদেরকে ভয় দেখানো বা শিক্ষা দেওয়া।

দুই.

এই ঘটনাটি আলোচিত এবং চারদিকে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলছে। বলছি, কুমিল্লার ময়নামতির মেয়ে সোহাগীর কথা, যার ডাক নাম তনু। তার ধর্ষিত ও ছিন্নভিন্ন লাশ পড়েছিল ময়নামতির মাঠে। হিংস্র কোনও পশুও তার শিকারের সঙ্গে এতোটা পাশবিক হয় না হয়তো, কারণ ওটা তার জীবন ধারণের জন্য প্রয়োজন হয় এবং সেটাই তার ধর্ম। কিন্তু মানুষ মুখে ধর্মের কথা বলে এবং এদেশে একদল মানুষ ধর্ম মানে না বলে তাদেরকে হত্যার জন্য মেতে উঠে। অথচ একটি ধার্মিক মেয়ের ক্ষেত্রেও যে এদেশে এতো নির্মম, নিষ্ঠুর ও পাশবিক হতে যে পারে, তনুর ছিন্নভিন্ন শরীর না দেখলে হয়তো কেউ বিশ্বাস করতে পারবে না। এদেশে প্রতিদিন গড়ে ক’জন নারী ধর্ষিত হয়? এখানে নারী বলতে ছয় মাসের মেয়ে শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধাকেও বোঝানো হয়েছে, কারণ এই রেঞ্জের কেউই এই ধর্ষকদের হাত থেকে মুক্ত নয়। এবং একথাও প্রতিষ্ঠিত হয় যে, ধর্মাচরণ না করলেও যেমন এদেশে ধর্মের চাপাতিধারীরা মানুষ কোপাতে আসে আবার ধর্মাচরণ করলেও এদেশে সোহাগীদের ধর্ষিত হতে হয়। একে কী বলবো? প্যারাডক্স? বৈপরীত্য?

সোহাগী ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী। ধর্মের রীতি-রেওয়াজ মানা এবং বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গেও তার যোগসূত্র রয়েছে, সোহাগী নাটকে অভিনয় করেন। এইসব তথ্য তার সহপাঠিরা বলেছেন, পরিবারের সদস্যরা বলছেন। যদি সুক্ষ্মভাবে বিচার করি তাহলে সোহাগীকে আমরা বলতে পারি একই সঙ্গে পরহেজগার এবং সংস্কৃতিমান; ইদানীং এই দুই প্রপঞ্চের ভেতর বড় ধরণের যুদ্ধ চলছে। যে যুদ্ধের শিকার বাংলাদেশ রাষ্ট্র। আমরা একটি স্বাধীনতা দিবসের কাছাকাছি দাঁড়িয়ে, বয়স বাড়াচ্ছি দেশের এবং জাতির। কিন্তু কী ভয়ঙ্কর দেখুন, একটি ধর্মমতি নারীকে এখনও লাশ হতে হচ্ছে কেবলমাত্র সে নারী বলেই। লজ্জা করে না আমাদের? লজ্জা কি আসলেই আছে? আছেতো? সন্দেহ হয়।

প্রশ্ন করুন আমাকে, কেন সোহাগী তনুর নির্মম হত্যাকাণ্ডকে আমি জড়াচ্ছি স্বাধীনতার সঙ্গে? সবকিছুর সঙ্গে কেন স্বাধীনতাকে জড়াই? চেতনাকে টেনে আনি? কেন আনি সেটা শুরুতেই বলেছি। আরও একটু বলি। সংবিধান বলেছে, এদেশের নারী ও পুরুষে কোনও পার্থক্য নেই। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্ম সেটি মানে না, ফলে তা সাধারণ্যের জীবনে প্রতিফলিত হয় না। নারী এখানে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক। যতোই প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী অধুনা ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলের নেতা, স্পিকার বা মন্ত্রিদের কেউ কেউ নারী হোন না কেন, সাধারণ নারীর জীবনে যতোই তারা পরিবর্তন আনার চেষ্টা করুন না কেন, দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক পুরুষরা না চাইলে তা কোনওদিনই হবার নয়।

একটা বিষয় লক্ষ্য করেছেন কি? এক স্বৈরাচারী শাসক জোর করে ক্ষমতায় থাকতে গিয়ে রাষ্ট্রধর্ম নামে একটি উদ্ভট ব্যবস্থাকে আইনি বৈধতা দিয়েছিল। আদালতে বেশ আগেই বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়, এতোদিন পরে আদালত বিষয়টি নিয়ে শুনানি শেষে রায় দেওয়ার কথা বলেছে। ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে হৈ হৈ রৈ রৈ। আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এদেশে হরতাল হয়, মানুষ পোড়ে, দেশের সম্পদ ধ্বংস হয়। এমনকি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া যুদ্ধাপরাধী সাকা চৌধুরীর জন্য দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল তাদের কাউন্সিলে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করে এবং তাতে আদালত অবমাননা হয় না। কিন্তু জনকন্ঠের মতো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে নিরলস কাজ করে যাওয়া সংবাদপত্রের মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত উপদেষ্টা সম্পাদক এবং নির্বাহী সম্পাদকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী হয় মানহানি মামলায়। এই যে আদালতের বিরুদ্ধে ধর্মের নামে উল্লম্ফণ শুরু হয়েছে, তাতে ঘি ঢালছে সরকারী দলের সহযোগি একটি ধর্মাশ্রয়ী সংগঠন, তাদের একজন প্রশ্ন তুলেছেন যে, রাষ্ট্রভাষা থাকলে রাষ্ট্র ধর্ম থাকতে পারবে না কেন? তাকে কে বোঝাবে যে, আসলে রাষ্ট্রভাষা মানে হচ্ছে রাষ্ট্রের দৈনন্দিন কার্যাদি চালানোর জন্য একটি ভাষা, যেমন ভারতে হিন্দি এবং ইংরেজি, ইংল্যান্ডে ইংরেজি, ওয়েলস ও স্কটিশ। কিন্তু এই রাষ্ট্রগুলোর কোনো নিজস্ব ধর্ম নেই, এমনকি সংখ্যাগুরুর ধর্মও এই রাষ্ট্রের স্বীকৃত রাষ্ট্রধর্ম নয়।

এতোকথা কেন বলছি? বলছি এ কারণে যে, এই রাষ্ট্রে এখনও সবকিছু ধর্ম দিয়ে বোঝার চেষ্টা চলছে, চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। সরকারের বিরুদ্ধে চলছে ধর্মকে দাঁড় করানোর ডান-বাম-ধর্মবাদী চক্রান্ত। কিন্তু তাতেও কি সোহাগী তনুর এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের দায় রাষ্ট্র এড়িয়ে যেতে পারে? নাকি এড়িয়ে যেতে দেওয়া উচিত? আমার মনে হয়, রাষ্ট্রকে এই মুহূর্তেই তার পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গী থেকে বেরিয়ে এসে সোহাগী-হত্যাকাণ্ডকে সম্পূর্ণভাবে একটি আলোচিত ও দ্রুত বিচারযোগ্য মামলা হিসেবে গ্রহণ করে প্রথমে দোষীদের খুঁজে বের করতে হবে এবং তারপর তাদেরকে সবচেয়ে কঠিন শাস্তিটি দিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন কোনও কাণ্ড ঘটাতে কেউ ভয়  পায়।

আর মাত্র একটি দিন, তারপরেই আমরা উদযাপন করবো আরেকটি স্বাধীনতা দিবস। এবং আমাদের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র কী ছিল? স্বাধীনতার মূলমন্ত্র ছিল,সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার। আমরা কথায় কথায় কেবল ক্ষমতাসীনদের দোষারোপ করি, সরকার প্রধানকে দুষি, কিন্তু নিজেকে কি একবারও প্রশ্ন করেছি, এই চারটি মূলমন্ত্রের কোনটি আমরা নিজেরা প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি আমাদের জীবনে, পরিবারে কিংবা সমাজে? রাষ্ট্রতো অনেক পরের ব্যাপার। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঢুঁ মেরে দেখুন একবার, সেখানে বহু গুরুত্বপূর্ণ (?) বিষয়ের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলীর কথা গুটিকয় মানুষ কেবল উচ্চারণ করছেন। হতে পারে যে, হোসেন আলী ১৭ বছর আগে ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে খ্রিস্টান না হলে হয়তো আজকে তাকে নিয়ে আরো উচ্চকিত প্রতিবাদ হতো। কথাটি ধারণা থেকে বলছি, বিশ্বাস থেকে নয়। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এরকম নেতিবাচক বিশ্বাস দ্বারা তাড়িত হতে চাই না, কিন্তু হতে হচ্ছে যে?

আর শুরুতেই বলেছিলাম যে, স্বাধীনতার সঙ্গে স্বেচ্ছাচারিতার একটি নিবিঢ় ও নিগূঢ় সম্পর্ক রয়েছে, বাংলাদেশে প্রতি পদে পদে আমরা সেই বিপদটি দেখতে পাচ্ছি। আমরা গুলিয়ে ফেলছি স্বাধীনতাকে স্বেচ্ছাচারিতার সঙ্গে। উন্নয়নে, অর্থনীতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ কিন্তু আমরা এখনও ঊটে চড়ে যেতে চাইছি চাঁদে এবং নারীকে এখনও ভোগের সামগ্রী ভেবে বাইরে বেরিয়ে আসা নারীকে ভেতরে ফেরত নিতে না পেরে তাকে ধর্ষণের পর খুন করে, তার ছিন্নভিন্ন লাশ ফেলে রাখছি পথে-মাঠে-ঘাটে।এই কাজ করেছিল দখলদার পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী। তারা বাংলাদেশকে গণিমতের মাল ভেবেছিল, এদেশের প্রতি তাদের না ছিল কোনো ভালোবাসা, না ছিল কোনো টান। কেন যেনো মনে হচ্ছে স্বাধীনতার ৪৩ বছর পরে আমরা এদেশটাকে ঠিক পাকিস্তানীদের মতোই শোষণ করে চলেছি, কিছুই আমাদের নিজের মনে হচ্ছে না। দেশের মানুষের অবাধ ধর্ম পালনের স্বাধীনতাকে চাপাতি দিয়ে থামিয়ে দিচ্ছি, আর দেশের নারীকে ভাবছি গণিমতের মাল। একে স্বাধীনতা বলবো? নাকি একে স্বেচ্ছাচারিতাই বলবো?

লেখক: কলামিস্ট

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

Global Brand  ad on Bangla Tribune

লাইভ

IPDC  ad on bangla Tribune

কলামিস্ট

টপ