behind the news
Rehab ad on bangla tribune
Vision Refrigerator ad on bangla Tribune

রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তন হবে কি?

রাশেদা রওনক খান১৫:৪৭, এপ্রিল ০৪, ২০১৬

রাশেদা রওনক খানআজকাল অনেকেই ‘নেতা’ হয়ে উঠছেন হঠাৎ করেই। কেউ কেউ তাদের ‘হাইব্রিড’ নেতা বলছেন। বাইরের দেশগুলোতে নেতা হওয়া অনেকটাই সাধনার ব্যাপার। ছাত্রজীবন থেকেই সেখানে ওই চর্চা চলে। আশার কথা হলো, আমাদের দেশেও নেতা হয়ে ওঠার চর্চা এখন শুরু হয়েছে স্কুল জীবন থেকেই। কিছুদিন আগে দেখলাম, স্কুলগুলোতে চলছে নেতা নির্বাচনের উৎসব। যদিও এ ধরনের চর্চা শিশু বয়সেই প্রতিহিংসামূলক আচরণ তৈরিতে সাহায্য করে বলে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে নতুন কোনও উদ্যোগ প্রথম দিকে কিছুটা হোঁচট খেলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা পরিণত হয়ে ওঠে। তাই এ ধরনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। কেননা এই মুহূর্তে আমাদের দেশের যে সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতি, তা আমাদের অগ্রসরমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে অনেকটাই পিছিয়ে দিচ্ছে।
স্বীকার করে নিতেই হবে, আমাদের দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখন আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি পিছিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টাকে ‘বাইনারি অপজিশন’ ধারণা দিয়ে বোঝানো যেতে পারে। অর্থাৎ দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, ডিজিটাল বাংলাদেশের সফল শৈশব, রাজনৈতিক অঙ্গনে নারী নেতৃত্বের দৃঢ় অবস্থান, খেলাধুলায় টাইগারদের সফল পদচারণা, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নারী খেলোয়াড়দের শীর্ষে পৌঁছার মতো ঘটনা যখন দেশের ভাবমূর্তিকে বিশ্বের দরবারে উজ্জ্বল করছে, তখন কেবলমাত্র দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতিই আমাদের এসব অর্জনকে অনেকটাই ম্লান করে দিচ্ছে। অর্থাৎ এই মুহূর্তে আমরা একটা সম্পূর্ণ ভিন্ন সময় পার করছি, যেখানে একইসঙ্গে উন্নয়ন এবং অনুন্নয়ন উভয়টিই ঘটছে।
একটা বৈপরীত্যের মধ্য দিয়ে আমরা সময় পার করছি। একইসঙ্গে উন্নয়ন এবং অনুন্নয়ন দুটোই ঘটছে। এই বৈপরীত্য আমাদের অন্ধ করে রাখছে, ফলে এক সত্যের বিপরীতে লুকিয়ে থাকা আরেক সত্যকে আমাদের না হয় দেখা, না হয় অনুধাবন করা। এই ফাঁকেই হাইব্রিড নেতা বা সুযোগ সন্ধানীরা তাদের ফায়দা লুটে নেয়। একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি স্পষ্ট করা যেতে পারে। এই মুহূর্তে নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর শিক্ষা এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে নারীর অংশগ্রহণ অতীতের যে কোনও সময়ের চেয়ে অনেক বেশি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সাহসী উদ্যোগের জন্য প্রশংসিত হচ্ছেন। বিশ্বের মহান নেতার তালিকায় ১০ নম্বরে তার অবস্থান। কয়েকদিন আগেও যেসব দেশ আমাদের ঠিকমত চিনতো না, আজ তারা উচ্চকণ্ঠে আমাদের দেশের নারীর অগ্রযাত্রাকে বাহবা দেয়। প্রাপ্তি হিসেবে এটা আমাদের জন্য অনেক, স্বীকার করছি। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে এই সত্যের আড়ালে যে 'লুক্কায়িত সত্য' রয়েছে, তা আমাদের স্বীকার করে নিতে হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে একজন নারী দেশের কোথাও না কোথাও ধর্ষিত হচ্ছেন, অত্যাচারিত হচ্ছেন, হত্যাকাণ্ডের স্বীকার হচ্ছেন, তা আমরা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় আনার প্রয়োজন মনে করছি না অথবা এর গুরুত্ব এড়িয়ে চলছি। এটা বলছি এই কারণে যে, যদি সবাই এই ব্যাপারটি একটু গুরুত্ব দিতো, তাহলে এভাবে প্রতিদিন নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটতো না।
ঠিক তেমনি, আমাদের অর্থনৈতিক সেক্টরের কথা বলা যায়। একদিকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছলতার দিকে এগোচ্ছে, অন্যদিকে এ সেক্টরে কেলেঙ্কারির ঘটনাও বাড়ছে লাগামহীনভাবে। দরিদ্র বাংলাদেশকে এক সময় যেসব দেশের মানুষ ‘তলাহীন ঝুড়ি’ তকমা দিয়েছিল, এখন তারাই আমাদের ‘উন্নয়নের মডেল’ হিসেবে অনুসরণ করে। এক সময় যেসব বিশ্বনেতা বা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের জন্য কত ঋণ বরাদ্দ দিচ্ছে, তা উচ্চকণ্ঠে জানান দিতেন, ফরমায়েশ করতেন সেই ঋণের টাকা কীভাবে কখন খরচ করতে হবে, সেসব নেতাই আজ গৌরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য বাহবা দেয়। কিন্তু এসব সত্যের আড়ালেও যে রয়েছে হলমার্ক কেলেঙ্কারি, শেয়ারবাজার ধস, বেসিক ব্যাংকের ৪ হাজার কোটি টাকা লুটের কাহিনী, সর্বশেষ বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ লোপাট হওয়ার ঘটনাসহ আরও অনেক সত্য, যা আমাদের স্বীকার করে নিতে হবে। এমন আরও অনেক উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। এসব ক্ষেত্রে এখনই গুরুত্ব না দিলে দেশ এক কদম এগিয়ে গেলেও দশ কদম পিছিয়ে যাবে। এই পিছিয়ে যাওয়া দেখা না গেলেও তা লুক্কায়িত সত্য। তাই এই মুহূর্তে যেটা সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পাওয়া দরকার তা হলো- এ ধরনের কাজ যারা করছেন, তাদেরকে খুঁজে খুঁজে শনাক্ত করা, তাদের বিচার সুনিশ্চিত করা। খোঁজ নিলেই পাওয়া যাবে কারা এসব কাজ করছেন। তথাকথিত হাইব্রিড নেতারা কীভাবে যুক্ত এইসব কাজের সঙ্গে, তাও বের হয়ে আসবে।

দেশের রাজনীতিকদের মধ্যে কতজন আদর্শের সঙ্গে কোনও আপস করেন না? কেন, কীভাবে এবং কারা আসলে আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়ে এসব অন্যায় কাজ করছেন? আমরা প্রায়ই দেখি, অনেক ক্ষেত্রেই নেতা হয়ে ওঠার পথটাই আদর্শিক নয়, সেখানে আদর্শবান নেতা আমরা কোথায় পাবো। উদাহরণ হিসেবে এবারের ইউপি ইলেকশনের কথাই ধরা যাক। গণমাধ্যমের পরিসংখ্যান থেকে আমরা দেখি, দুই দফা এই ইউপি ইলেকশনে কতজন ‘নেতা’ কতটা অরাজকতা তৈরির মধ্য দিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচিত হতে গিয়ে কী ধরনের হিংস্রতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাদের, কত টাকার বিনিময়ে মনোনয়ন কিনেছেন আর কতজন তার দলের রাজনৈতিক আদর্শ বজায় রেখে নির্বাচন করেছেন। যদি রাজনৈতিক আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েও থাকেন, শেষ পর্যন্ত সেই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কতজন আদর্শ পথে নির্বাচিত হয়েছেন আর কতজন টাকার জোরে, পেশিশক্তির জোরে, দুর্বৃত্তায়নের খুঁটিতে ভর করে নির্বাচিত হয়েছেন। কী রয়েছে এই প্রক্রিয়াতে, যেখানে কেবল ভোটের অধিকার দখল, দ্বন্দ্ব-বিবাদ, প্রাণহানী, ভোটব্যাংক দখলসহ যত সব নিন্দনীয় কাজ, যা কেবল সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

এইরকম আরও বহু উদাহরণ আছে আমাদের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিসরে, যেখানে আমাদের রাজনৈতিক বলয় এখন একটা দুষ্ট চক্রের মধ্যে পড়ে গেছে। এ থেকে উত্তরণ না ঘটাতে পারলে, দিন শেষে ক্ষতির পরিমাণ গুণতে হবে দলকে, সমাজকে, এই আমাদেরকেই, এটাও মনে রাখা দরকার।

দুষ্ট চক্র এ কারণে বললাম, কারণ দুর্বৃত্তায়নের ওপর ভর করে যে রাজনীতি, নির্বাচন এবং চেয়ার দখল- এ সবই আবার নতুন দুর্বৃত্তায়নকে প্রশ্রয় দেয় বা দিতে বাধ্য। কারণ যে অনুচরবর্গ ‘পাতি নেতাকে’ ভোট চুরি, মারামারি, সংঘর্ষ, এবং টাকার বিনিময়ে পাস করিয়ে দিল ইউপি নির্বাচনে, তারা তো সারা বছর বসে ‘আঙুল চুষবে না’। তারা তাদের কাজের প্রতিদান চাইবে। আর প্রতিদান হিসেবে তাদেরকে ‘পুরস্কৃত’ করাই হবে ‘নেতার’ একমাত্র কাজ। যেন  জনগণের ‘সেবা’ নয়, অনুচরবর্গের ‘সেবা’ প্রদানই তার কাজ। এই অনুচরবর্গ জানে, সমাজে তারা যাই করুক না কেন, পার পেয়ে যাবে। কারণ তাদের মাথার ওপর ‘নেতা’ আছেন, যে নেতাকে তারা নির্বাচিত করে পাস করিয়ে এনেছেন। এই অনুচরবর্গ যদি প্রতিদিন নারী ধর্ষণ করে কিংবা প্রান্তিক মানুষজনের জমি দখল করে, কিংবা মুক্তিপণ আদায়সহ নানা অবিচার-অত্যাচার করে, তারা জানে চেয়ারে বসা ‘নেতা’ তাদের রক্ষা করতে বাধ্য। কারণ অনুচরবর্গই তাকে চেয়ারে বসিয়েছে। অতএব তারা না থাকলে তার চেয়ারও থাকবে না। তখন ওপর থেকে ভালো কিছু কাজ করার নির্দেশ এলেও ‘নেতা’ তা করতে পারবেন না তার এই গৃহপালিত অনুচরদের জন্য। 

যারা সত্যিকারের নেতা, তাদের এখনই ভাবতে হবে তারা ‘আদর্শ’ থেকে কত দূর যাবেন। দলে আদর্শহীনদের কেন জায়গা দিতে হবে, দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতি কেন আমাদের প্রয়োজন হয়ে পড়ল। নয়তো দলের আদর্শ থেকে সরতে সরতে একসময় যখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাবে, তখন কিন্তু আর পেছন ফেরার কিংবা সামনে যাওয়ার পথ থাকবে না। তখন নিজ হাতে গড়া অনুচরবর্গই নেতা হওয়ার অভিপ্রায়ে কিংবা স্বার্থে আঘাত লাগলেই নেতাকে গ্রাস করে ফেলবে।

এখন নির্বাচন, পরে এমপি নির্বাচন- মনোনয়ন চাইবে অনুচরবর্গও। আজকাল রাজনৈতিক সংস্কৃতি এতটাই বদলে গেছে যে দলগুলোতে মনোনয়ন কেনা-বেচা চলে। এই কেনা-বেচার হাটে জিতে যায় পুঁজিপতি।

জনপ্রিয়তা, ভালো মানুষ, সততার এখানে মূল্য কোথায়! সেই কেনা-বেচায় হেরে গিয়ে টাঙ্গাইলের অলোয়া ইউনিয়নের দুই বার শ্রেষ্ঠ ইউপি চেয়ারম্যান মনোনয়ন পাননি নিজ দলের। বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে গতবার পাস করলেও এবার হেরে গেছেন অর্থ, বিত্ত, পেশির জোর, আর রাজনৈতিক শঠতার কাছে। গণমাধ্যমের কল্যাণে জানা গেছে, হেরে গিয়ে তিনি দুধ দিয়ে গোসল করে ‘পবিত্র’ হয়েছেন। তার ভাষায়, ‘আমাকে হারানো হয়েছে, এ পরাজয় মেনে নিতে পারছি না। তাই আমি ক্ষোভে দুধ দিয়ে গোসলের মাধ্যমে রাজনীতি থেকে চিরবিদায় ও ভবিষ্যতে নির্বাচন না করার ঘোষণা দিয়েছি। দুধ দিয়ে গোসল করে পবিত্র হলাম। নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বো। আর যতটুকু পারি জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবো।’

একটি আসনের জন্য তো দল একাধিক মনোনয়ন দিতে পারে না। ফলে যারা মনোনয়ন পেল না, তখনই তাদের মধ্যে পারস্পরিক রেষারেষি চরম রূপ ধারণ করবে। এই অনুচরবর্গের পরিচয় যখন একই দলের এবং তাদের অপ্রতিরোধ্য ক্ষমতা সেই নেতা কিংবা দলের জন্যই বুমেরাং হয়ে ধরা দেবে। দলের জন্য যা ক্ষতিকর, তা দল তো বটেই পুরো শাসন ব্যবস্থার মাঝেই একটা ফাটল ধরিয়ে দেবে। তাই তৃণমূলের নির্বাচনে স্বচ্ছতা না থাকলে দিন দিন আমরা রাজনৈতিক সংস্কৃতির যে ভিত, তাকেই ভেঙে ফেলবো।

শেষ করব কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল ক্যাস্ত্রোর সাম্প্রতিক একটা উদাহরণ দিয়ে, যা থেকে অন্তত একটা বিষয় স্পষ্ট হয়, একজন রাজনৈতিক নেতার আদর্শ কেমন হওয়া চাই, তিনি যে আদর্শেই বিশ্বাসী হোন না কেন। দীর্ঘ ৮৮ বছর পর বিশ্বের পরাক্রমশালী ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আধার মার্কিন মুল্লুকের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা কত আশা নিয়ে  নতুন দিনের সূচনা করতে গিয়েছিলেন কিউবাতে। কিন্তু নতুন দিন কি সূচিত হলো? পুঁজিবাদের দুয়ার উন্মুক্ত করার মধ্য দিয়ে কিউবায় যে ওবামা নব্য সাম্রাজ্যবাদের বীজ বপন করতে গিয়েছিলেন, আর কেউ এতটা গভীরভাবে না ভাবলেও ভেবেছেন কিউবার প্রকৃত নেতা ফিদেল ক্যাস্ত্রো।

ফিদেল ক্যাস্ত্রো এক সংগ্রামী নেতার নাম, যার আদর্শই তার এখনও একমাত্র পুঁজি। আর পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে তার আজীবনের সংগ্রাম। ওবামা কিউবা সফর নিয়ে বিশ্ব গণমাধ্যম সরগরম হয়ে উঠলেও ক্যাস্ত্রো ছিলেন নীরব। তার কাছে এই সফর অনেকটাই ‘হতাশাজনক’। ওবামার কিউবা সফরের প্রতি নিন্দা জানানোর মধ্য দিয়ে ক্যাস্ত্রো আরও একবার সফলভাবে মার্কিন মনস্তত্ত্বকে আঘাত করেছেন। এই কাজটি তিনি আজ থেকে ৫৭ বছর আগেও করেছিলেন বিপ্লবের মধ্য দিয়ে। ইতিহাস থেকে যা বুঝলাম তা হলো- ফিদেল ক্যাস্ত্রোর নেতৃত্বে কিউবায় বিপ্লব হয়েছিল তা যেমন ছিল মার্কিন আগ্রাসনের প্রতি প্রচণ্ড চপেটাঘাত, তেমনি ৫৭ বছর পর ভিন্নভাবে এই বিপ্লবী নেতা ওবামার কিউবা সফরে তার অবস্থান স্পষ্ট করেছেন সেই আগের তেজ ও দীপ্ততায়। 

উত্তরাধুনিক এই যুগে আমরাও আশাহত হতে চাই না। বর্তমান যাই হোক, ভবিষ্যৎ হবে সম্ভাবনাময়। কোনও দুর্বৃত্তায়নকে প্রশ্রয় নয়, বরং সাধারণ মানুষের হাত ধরে এই দুর্বৃত্তায়নকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করবে একদিন আমাদের তেজদীপ্ত তারুণ্য, আমাদের তরুণ প্রজন্ম। রাজনীতির নতুন সংস্কৃতি হবে একেবারেই মানুষকেন্দ্রিক (ক্ষমতা কিংবা অর্থকেন্দ্রিক নয়), মানুষের দুঃক্ষ-দুর্দশায়, পাওয়া-না পাওয়ায়, আনন্দ-বেদনায় এলাকার তৃণমূল নেতারাই হবেন আশা-ভরসার একমাত্র  ভেলা, এমন প্রত্যাশা নিয়েই প্রতিটি ভোর দেখি আমরা।

লেখক: শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব। বাংলা ট্রিবিউন-এর সম্পাদকীয় নীতি/মতের সঙ্গে লেখকের মতামতের অমিল থাকতেই পারে। তাই এখানে প্রকাশিত লেখার জন্য বাংলা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ লেখকের কলামের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে আইনগত বা অন্য কোনও ধরনের কোনও দায় নেবে না।

লাইভ

Nitol ad on bangla Tribune

কলামিস্ট

টপ