নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বন্দর উপজেলার কল্যান্দীতে অবস্থিত পিয়ার সাত্তার লতিফ স্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নেওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মো. শফিউল আলম ফেরদৌস। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকেই অসুস্থ বোধ করছেন লাঞ্ছিত হওয়া সেই শিক্ষক। গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালেই তিনি জানান, ‘আমি একের পর এক গণমাধ্যম ও বিভিন্ন জনের সঙ্গে কথা বলতে বলতে পাগল হয়ে যাওয়ার অবস্থা হচ্ছে। গত ৭ দিন ধরে আমি অনবরত কথা বলছি। যদি এ অবস্থা চলতে থাকে তাহলে তো এমপি সেলিম ওসমানের কথাই সত্য হবে।’ এসময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে বলতেই হাতের তালুতে পানি নিয়ে নিজের মাথায় দিতে থাকেন শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্ত। তখন তিনি বলেন- ‘অনবরত কথা বলতে বলতে আমার মাথা গরম হয়ে যাচ্ছে। মাথায় ঢালা পানিও গরম হয়ে গেছে।’ উল্লেখ্য বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে এমপি সেলিম ওসমান লাঞ্ছিত হওয়া সেই শিক্ষককে ‘তারছেঁড়া’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। হাসপাতালের ২০ নং ওয়ার্ডের ৩ নং কেবিনে চিকিৎসাধীন শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্ত দুপুর আড়াইটার পর থেকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করতে থাকেন। তিনি গণমাধ্যমের উদ্দেশে বলতে থাকেন- ‘আমাকে একই প্রশ্ন বার বার করা হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে তো আমি মারা যাবো। আপনারা কি আমাকে বাঁচাতে চান, নাকি মারতে চান।’ পরে হাসপাতালে সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মো. শফিউল আলম ফেরদৌস শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, ‘বেশি কথা বলতে বলতে ওই শিক্ষকের মাথার ওপর চাপ পড়ছে। এতে করে তিনি আরও অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।
/এএইচ/
আরও খবর পড়ুন-







