বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় কলেজ শিক্ষককে উড়ো চিঠি দিয়ে ও ককটেল সদৃশ্য বস্তু রেখে চাঁদা দাবির অভিযোগে পুলিশ শনিবার সকালে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে। তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, অনিবন্ধিত সিম, চিঠি প্রিন্টের কাজে ব্যবহৃত ল্যাপটপ ও প্রিন্টার জব্দ করা হয়। এ ব্যাপারে শিক্ষক মিজানুর রহমান থানায় মামলা করেছেন।
গ্রেফতার যুবকরা হলেন, দুপচাঁচিয়া উপজেলার উনাহত সিংড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে মোসরেফুল ইসলাম নিরু (২৬) ও তার বন্ধু একই গ্রামের মুকুল আকন্দের ছেলে সজিব আকন্দ (২৫)।
পুলিশ জানায়, উপজেলার উনাহত সিংড়া গ্রামের মৃত ইদ্রিস করিমের ছেলে মিজানুর রহমান দুপচাঁচিয়া জেকে কলেজের শিক্ষক। গত ১ আগস্ট বিকেলে তার মোবাইল ফোনে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ টাকা ৫ আগস্টের মধ্যে পরিশোধ করতে বলা হয়। এরপর ফোন এলেও ওই শিক্ষক তা ধরেননি। ৬ আগস্ট সকালে শিক্ষক বাড়ির দরজায় চিঠি পান এবং সীমানা প্রাচীরের কাছে লাল টেপ দিয়ে মোড়ানো ককটেল সদৃশ্য বস্তু পাওয়া যায়। ওই চিঠিতে ৭ আগস্টের মধ্যে টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়। অন্যথায় হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। মিজানুর রহমান বিষয়টি পুলিশকে জানান ও থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
দুপচাঁচিয়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম ও অন্যরা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে চাঁদা দাবির সাথে জড়িতদের ব্যাপারে নিশ্চিত হন। শনিবার সকালে সজিব ও নিরুকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বাড়ির কাছে থেকে মোবাইল ফোন ও অনিবন্ধিত সিম উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া চিঠি লেখার কাজে ব্যবহৃত ল্যাপটপ ও প্রিন্টার জব্দ করা হয়। দুপচাঁচিয়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার দুজন ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য শনিবার দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এপিএইচ/
আরও পড়ুন:








